স্ক্যাম এলার্ট
এভাবে বিক্যাশ এর ফেক নাম ইউজ করে মেসেজ পাঠিয়ে বলবে টাকা ব্যাক করার জন্য। কিন্তু আপনি এপে এ ঢুকে ব্যালেন্স চেক করলে কোনো ব্যালেন্স পাবেন না।
তারা সাধারণত bKash এর নামে ভুয়া নেম ক্রয় করে মেসেজ করে। নামগুলো BKash,Bkash এরকম হয়। হঠাৎ ধরা কষ্ট।
তাই সবসময় এপে ব্যালেন্স চেক করুন। বা কোড দিয়ে।
এভাবে বিক্যাশ এর ফেক নাম ইউজ করে মেসেজ পাঠিয়ে বলবে টাকা ব্যাক করার জন্য। কিন্তু আপনি এপে এ ঢুকে ব্যালেন্স চেক করলে কোনো ব্যালেন্স পাবেন না।
তারা সাধারণত bKash এর নামে ভুয়া নেম ক্রয় করে মেসেজ করে। নামগুলো BKash,Bkash এরকম হয়। হঠাৎ ধরা কষ্ট।
তাই সবসময় এপে ব্যালেন্স চেক করুন। বা কোড দিয়ে।
😢14🔥2
AI দিয়ে মানুষের ছবি তৈরীর শরঈ বিধান:
অপ্রয়োজনে ডিজিটাল ছবি ব্যবহার করা যেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়, AI দিয়ে প্রাণীর ছবি বানানোও তেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়। আর এর দ্বারা পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নযরের খেয়ানত হলে সেটা না জায়েজ।
১ - AI দিয়ে নারীদের বেপর্দা ছবি তৈরী করা এবং তা নারী পুরুষের সম্মিলিত কোন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা না জায়েজ।
২ - প্রয়োজনীয় কোন ক্ষেত্রে নারীদের সতর ঢাকা ছবি তৈরী করা এবং তা শুধুমাত্র নারীদের সামনে প্রদর্শন করা বৈধ। যেখানে, পুরুষের ফিজিক্যাল বা ভার্চুয়াল উপস্থিতি রোধ করা অসম্ভব সেখানে এ ধরণের ছবি ব্যবহার করা জায়েজ নেই।
৩ - AI এর মাধ্যমে মানুষের সতরের অন্তর্ভুক্ত কোন অংশের ছবি তৈরী করা এবং তা কোথাও ব্যবহার করা না জায়েজ। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত ডিসকাশনের প্রয়োজনে বিশেষায়িত কোন জায়গায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সামনে শরীরের প্রয়োজনীয় অংশের ডিজিটাল মডেল তৈরী ও ব্যবহার অনুমোদনযোগ্য। পাবলিকলি ব্যবহার করা অনুমোদনযোগ্য না।
৪ - AI দিয়ে পুরুষের সতর উন্মুক্ত ছবি তৈরী করা না জায়েজ। অনুরূপভাবে সতর ঢাকা পুরুষ শরীরের অত্যন্ত আকর্ষণীয় মডেল তৈরী করা (যেমন বুক পিঠ ও পেশিবহুল উন্মুক্ত উর্ধাঙ্গ) এবং নারীদের মহলে/নারী পুরুষের মিশ্রিত মহলে ব্যবহার করা না জায়েজ। এ ধরণের অপ্রয়োজনীয় ছবি পুরুষদের মহলে ব্যবহার করাও মাকরুহ।
-মুফতি Affan Bin Sharfuddin হাফি.
অপ্রয়োজনে ডিজিটাল ছবি ব্যবহার করা যেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়, AI দিয়ে প্রাণীর ছবি বানানোও তেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়। আর এর দ্বারা পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নযরের খেয়ানত হলে সেটা না জায়েজ।
১ - AI দিয়ে নারীদের বেপর্দা ছবি তৈরী করা এবং তা নারী পুরুষের সম্মিলিত কোন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা না জায়েজ।
২ - প্রয়োজনীয় কোন ক্ষেত্রে নারীদের সতর ঢাকা ছবি তৈরী করা এবং তা শুধুমাত্র নারীদের সামনে প্রদর্শন করা বৈধ। যেখানে, পুরুষের ফিজিক্যাল বা ভার্চুয়াল উপস্থিতি রোধ করা অসম্ভব সেখানে এ ধরণের ছবি ব্যবহার করা জায়েজ নেই।
৩ - AI এর মাধ্যমে মানুষের সতরের অন্তর্ভুক্ত কোন অংশের ছবি তৈরী করা এবং তা কোথাও ব্যবহার করা না জায়েজ। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত ডিসকাশনের প্রয়োজনে বিশেষায়িত কোন জায়গায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সামনে শরীরের প্রয়োজনীয় অংশের ডিজিটাল মডেল তৈরী ও ব্যবহার অনুমোদনযোগ্য। পাবলিকলি ব্যবহার করা অনুমোদনযোগ্য না।
৪ - AI দিয়ে পুরুষের সতর উন্মুক্ত ছবি তৈরী করা না জায়েজ। অনুরূপভাবে সতর ঢাকা পুরুষ শরীরের অত্যন্ত আকর্ষণীয় মডেল তৈরী করা (যেমন বুক পিঠ ও পেশিবহুল উন্মুক্ত উর্ধাঙ্গ) এবং নারীদের মহলে/নারী পুরুষের মিশ্রিত মহলে ব্যবহার করা না জায়েজ। এ ধরণের অপ্রয়োজনীয় ছবি পুরুষদের মহলে ব্যবহার করাও মাকরুহ।
-মুফতি Affan Bin Sharfuddin হাফি.
❤17
1️⃣ Where is Kahf registered?
Kahf is officially registered in Turkey, the United Kingdom, and Bangladesh. These strategic locations allow us to operate globally while staying close to our core communities across the Muslim world.
2️⃣ Who’s funding this?
So far, we’ve been building Kahf through personal funding from the founders and a few trusted Muslim angel investors who believe in our vision.
We’ve said no to offers that don’t align with our values — and inshaAllah, we’ll keep choosing barakah over big money.
3️⃣ Where’s the HQ?
Our operational HQ is in Turkey, with active teams in Bangladesh and remote members in the UK, Pakistan and Malaysia.
But truly, our heart lies in the Ummah — and we’re building Kahf to serve Muslims everywhere.
4️⃣ Is our data really safe?
Alhamdulillah — yes. Your data is safe.
At Kahf, we don’t just build digital tools — we build with Amanah (trust), Taqwa (God-consciousness), and Ihsan (excellence) in everything we do.
• We never sell your data. Ever.
• We build with a zero-surveillance, privacy-first approach.
• And most importantly, we view your data as a sacred trust — not a business model.
We know we’ll be accountable to Allah for how we treat our users. That’s not just a slogan — that’s what keeps us grounded.
If you’d like to know who’s behind Kahf, feel free to check us out:
• Omar Al Zabir – https://www.linkedin.com/in/oazabir/
• Nizam Uddin (Myself) – https://www.linkedin.com/in/nizamuddinbabu/
5️⃣ Why can’t I log in from South Korea?
Thank you for flagging this! Some regions like South Korea may have some issues, which we’re now actively investigating.
✅ We’ve escalated this to our technical team, and inshaAllah, we’ll ensure full access for South Korean users very soon.
Final Words:
We’re not perfect — but we’re sincere.
Kahf isn’t just a brand — it’s a movement for Muslims who want digital freedom, safety, and dignity without compromising on Iman.
Keep giving us feedback. Keep holding us accountable. And please, keep us in your duʿā.
We’re building this for you, your family, and the entire Ummah — and with Allah’s help, we will rise together.
Wa billāhi tawfīq.
Warmly,
Nizam Uddin
CEO, Kahf
Kahf is officially registered in Turkey, the United Kingdom, and Bangladesh. These strategic locations allow us to operate globally while staying close to our core communities across the Muslim world.
2️⃣ Who’s funding this?
So far, we’ve been building Kahf through personal funding from the founders and a few trusted Muslim angel investors who believe in our vision.
We’ve said no to offers that don’t align with our values — and inshaAllah, we’ll keep choosing barakah over big money.
3️⃣ Where’s the HQ?
Our operational HQ is in Turkey, with active teams in Bangladesh and remote members in the UK, Pakistan and Malaysia.
But truly, our heart lies in the Ummah — and we’re building Kahf to serve Muslims everywhere.
4️⃣ Is our data really safe?
Alhamdulillah — yes. Your data is safe.
At Kahf, we don’t just build digital tools — we build with Amanah (trust), Taqwa (God-consciousness), and Ihsan (excellence) in everything we do.
• We never sell your data. Ever.
• We build with a zero-surveillance, privacy-first approach.
• And most importantly, we view your data as a sacred trust — not a business model.
We know we’ll be accountable to Allah for how we treat our users. That’s not just a slogan — that’s what keeps us grounded.
If you’d like to know who’s behind Kahf, feel free to check us out:
• Omar Al Zabir – https://www.linkedin.com/in/oazabir/
• Nizam Uddin (Myself) – https://www.linkedin.com/in/nizamuddinbabu/
5️⃣ Why can’t I log in from South Korea?
Thank you for flagging this! Some regions like South Korea may have some issues, which we’re now actively investigating.
✅ We’ve escalated this to our technical team, and inshaAllah, we’ll ensure full access for South Korean users very soon.
Final Words:
We’re not perfect — but we’re sincere.
Kahf isn’t just a brand — it’s a movement for Muslims who want digital freedom, safety, and dignity without compromising on Iman.
Keep giving us feedback. Keep holding us accountable. And please, keep us in your duʿā.
We’re building this for you, your family, and the entire Ummah — and with Allah’s help, we will rise together.
Wa billāhi tawfīq.
Warmly,
Nizam Uddin
CEO, Kahf
❤11
যেকোনো সোশ্যাল মিডিয়া বা ইন্টার্নেট ভিত্তিক সেবার সততার মূল কারিগর এর পেছনের মূল মালিক বা যারা মেইটেইন করেন।
কিছুদিন আগেই একটা সোশ্যাল এপ সম্পর্কে সাবধান করা হয়েছিলো তাদের নিজেদের আইডেন্টিটি না প্রকাশের অদ্ভুত কারন সহ আরো অনেকগুলো ফ্যাক্টরের কারণে।
তখন অনেকেই জানতে চাচ্ছিলেন, সেফ মুসলিমদের ক্রিয়েটেড কি কিছুই নেই?
এতদিন না থাকলেও এখন আছে।
আপনারা সবাই কাহফ গার্ডের নাম শুনেছিলেন। একটা ভিপিএন সার্ভিসের মত এপ সেটাপ করে ইন্টারনেটের অশ্লীল জিনিস সহ অনেক কিছু ব্লক করা যেত। এছাড়া মাহফিল এপের নাম ও শুনেছেন, যেটাতে হালাল ভাবে ইউটিউব এর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে তৈরী করা হয়েছিলো। আর ওনাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এপ হলো মুসলিম ডে এপ। এটা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।
এ জনপ্রিয় এপগুলোর মূল কারিগর কাহফের আন্ডারে একটি সোশ্যাল মিডিয়াও এসেছে। হিকমাহ নামে। তাদের সবগুলো এপের লিংক সহ দিচ্ছি-
✅ হিকমাহ-
(ইসলামিক সোশ্যাল মিডিয়া সাইট)
https://play.google.com/store/apps/details?id=net.hikmah.app
✅ মাহফিল -
(ইসলামিক ভিডিও এপ)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.mahfil.app
✅ মাহফিল কিডস-
(ইউটিউব কিডস এর মত, বাচ্চাদের জন্য)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kahf.kids
✅ মুসলিম ডে-
(সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেইলি নামাজ, রিমাইন্ডার রিলেটেড এপ)
https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan
✅ কাহফ ব্রাউজার -
(সেফ ব্রাউজিং, এড ব্লকিং, অশ্লীল কন্টেন্ট ব্লকিং)
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kahf.browser
✅ কাহফ গার্ড -
(ভিপিএন লাইক সার্ভিস, অশ্লীল সাইট ব্লকিং এর জন্য)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kahf.dns
ইসলামিক এ এপ গুলোর পিছনে রয়েছে ওমর আল জাবির ভাই। ইসলামিক কমিউনিটিতে পরিচিত একজন মানুষ। তাছাড়া কাহফ কমিউনিটিতে আরিফ আজাদ ভাই, শায়খ আহমাদুল্লাহ, সারোয়ার স্যার সহ বহু মানুষ যুক্ত হয়েছেন, প্রমোট করছেন। তাই এটি বিশ্বাস যোগ্য। উপরে কাহফের মূল দুজনের লিংকডইন একাউন্ট সহ কাহাফের কিছু টেকনিক্যাল ডিটেইলস দিলাম।
কিছুদিন আগেই একটা সোশ্যাল এপ সম্পর্কে সাবধান করা হয়েছিলো তাদের নিজেদের আইডেন্টিটি না প্রকাশের অদ্ভুত কারন সহ আরো অনেকগুলো ফ্যাক্টরের কারণে।
তখন অনেকেই জানতে চাচ্ছিলেন, সেফ মুসলিমদের ক্রিয়েটেড কি কিছুই নেই?
এতদিন না থাকলেও এখন আছে।
আপনারা সবাই কাহফ গার্ডের নাম শুনেছিলেন। একটা ভিপিএন সার্ভিসের মত এপ সেটাপ করে ইন্টারনেটের অশ্লীল জিনিস সহ অনেক কিছু ব্লক করা যেত। এছাড়া মাহফিল এপের নাম ও শুনেছেন, যেটাতে হালাল ভাবে ইউটিউব এর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে তৈরী করা হয়েছিলো। আর ওনাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এপ হলো মুসলিম ডে এপ। এটা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।
এ জনপ্রিয় এপগুলোর মূল কারিগর কাহফের আন্ডারে একটি সোশ্যাল মিডিয়াও এসেছে। হিকমাহ নামে। তাদের সবগুলো এপের লিংক সহ দিচ্ছি-
(ইসলামিক সোশ্যাল মিডিয়া সাইট)
https://play.google.com/store/apps/details?id=net.hikmah.app
(ইসলামিক ভিডিও এপ)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.mahfil.app
(ইউটিউব কিডস এর মত, বাচ্চাদের জন্য)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kahf.kids
(সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেইলি নামাজ, রিমাইন্ডার রিলেটেড এপ)
https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan
(সেফ ব্রাউজিং, এড ব্লকিং, অশ্লীল কন্টেন্ট ব্লকিং)
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kahf.browser
(ভিপিএন লাইক সার্ভিস, অশ্লীল সাইট ব্লকিং এর জন্য)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kahf.dns
ইসলামিক এ এপ গুলোর পিছনে রয়েছে ওমর আল জাবির ভাই। ইসলামিক কমিউনিটিতে পরিচিত একজন মানুষ। তাছাড়া কাহফ কমিউনিটিতে আরিফ আজাদ ভাই, শায়খ আহমাদুল্লাহ, সারোয়ার স্যার সহ বহু মানুষ যুক্ত হয়েছেন, প্রমোট করছেন। তাই এটি বিশ্বাস যোগ্য। উপরে কাহফের মূল দুজনের লিংকডইন একাউন্ট সহ কাহাফের কিছু টেকনিক্যাল ডিটেইলস দিলাম।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥16❤13
বাজার করার দুটো অ্যাপ্রোচ আছে:
.
১। বাজেট করবেন, শপিং লিস্ট বানাবেন। লিস্ট অনুযায়ী যা যা কেনার কিনবেন। চলে আসবেন। ফাস্ট অ্যান্ড এফিশিয়েন্ট।
.
২। বাজারে যাবেন। হরেক রকমের জিনিস থেকে যখন যেটা ভালো লাগবে, কিনবেন। পকেটের টাকা ফুরিয়ে গেলে ফিরে আসবেন; প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা হোক বা না হোক। ইমপালস বায়িং৷
.
কিছুটা উনিশ-বিশ হয়। তবে মোটা দাগে বলা যায় যারা লিস্ট ফলো করা লোক তারা ৮০% ক্ষেত্রে এমনই থাকে, ২০% ক্ষেত্রে হয়তো ইমপালস বায়িং হয়। এবং ভাইস ভারসা।
.
এর বাইরে তৃতীয় একটা অ্যাপ্রোচ আছে। উইন্ডো শপিং। ঘুরে ঘুরে জিনিস দেখবেন, কিন্তু কিনবেন না। এই কাজ মেয়েরা বেশি করে।
.
ফেইসবুকের বাজারের ক্ষেত্রেও এ ব্যাপারটা আছে।
কিছু মানুষ লিস্ট নিয়ে আসে। লিস্ট অনুযায়ী পোস্ট লেখে, কমেন্ট করে। অন্য কিছুতে এনগেইজড হয় না। কাজ শেষ করে চলে যায়।
.
আর কিছু মানুষ ফেইসবুকে আসে। যখন যে টপিক হাইপে সেটাতে এনগেইজড হয়ে যায়। সেটা নিয়ে কিছু একটা লিখে ফেলে। তর্ক শুরু করে। তারপর বাজেট ফুরিয়ে গেলে চলে যায়। ফেইসবুকের বাজারে বাজেট হলো সময়।
.
এভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেটে যায়। একজন মানুষ ফেইসবুকে হাজার হাজার, কিংবা লক্ষ লক্ষ শব্দও লিখে ফেলে। কিন্তু তার লেখা আলটিমেটলি কোনো লং টার্ম ইম্প্যাক্ট তৈরি করে না। সে পুরোদস্তুর ইমপালস বায়ার আর স্ট্যাটাস লেখক হিসেবে থেকে যায়।
.
দশ ট্রাক ইট একটা জমিতে উড়িয়ে মারলে ছড়ানো ছিটানো ইটের নৈরাজ্য পাওয়া যায়। ঐ একই ইট সুনির্দিষ্ট ডিসাইনে ধাপে ধাপে সাজালে একটা ইমারত গড়ে ওঠে।
.
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
পাঁচটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামতের দিন রবের নিকট থেকে আদম সন্তানের পা সরবে নাঃ
জিজ্ঞাসা করা হবে তার বয়স সম্পর্কে, কি কাজে সে তা অতিবাহিত করেছে,
তার যৌবন সম্পর্কে কি কাজে সে তা বিনাশ করেছে;
তার সম্পদ সম্পর্কে, কোথা থেকে সে তা অর্জন করেছে আর কি কাজে সে তা ব্যয় করেছে, এবং
সে যা শিখেছিল তদনুযায়ী কি আমল সে করেছে? [সুনান আত-তিরমিযী]
.
.
আল্লাহ্ আযযা ওয়া জাল্ল বলেছেন,
.
কালের শপথ, নিশ্চয় সকল মানুষ ক্ষতির মধ্যে ডুবে আছে,
তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দিয়েছে এবং পরস্পরকে সাবরের উপদেশ দিয়েছে। [তরজমা, সূরা আসর।]
- আসিফ আদনান
.
১। বাজেট করবেন, শপিং লিস্ট বানাবেন। লিস্ট অনুযায়ী যা যা কেনার কিনবেন। চলে আসবেন। ফাস্ট অ্যান্ড এফিশিয়েন্ট।
.
২। বাজারে যাবেন। হরেক রকমের জিনিস থেকে যখন যেটা ভালো লাগবে, কিনবেন। পকেটের টাকা ফুরিয়ে গেলে ফিরে আসবেন; প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা হোক বা না হোক। ইমপালস বায়িং৷
.
কিছুটা উনিশ-বিশ হয়। তবে মোটা দাগে বলা যায় যারা লিস্ট ফলো করা লোক তারা ৮০% ক্ষেত্রে এমনই থাকে, ২০% ক্ষেত্রে হয়তো ইমপালস বায়িং হয়। এবং ভাইস ভারসা।
.
এর বাইরে তৃতীয় একটা অ্যাপ্রোচ আছে। উইন্ডো শপিং। ঘুরে ঘুরে জিনিস দেখবেন, কিন্তু কিনবেন না। এই কাজ মেয়েরা বেশি করে।
.
ফেইসবুকের বাজারের ক্ষেত্রেও এ ব্যাপারটা আছে।
কিছু মানুষ লিস্ট নিয়ে আসে। লিস্ট অনুযায়ী পোস্ট লেখে, কমেন্ট করে। অন্য কিছুতে এনগেইজড হয় না। কাজ শেষ করে চলে যায়।
.
আর কিছু মানুষ ফেইসবুকে আসে। যখন যে টপিক হাইপে সেটাতে এনগেইজড হয়ে যায়। সেটা নিয়ে কিছু একটা লিখে ফেলে। তর্ক শুরু করে। তারপর বাজেট ফুরিয়ে গেলে চলে যায়। ফেইসবুকের বাজারে বাজেট হলো সময়।
.
এভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেটে যায়। একজন মানুষ ফেইসবুকে হাজার হাজার, কিংবা লক্ষ লক্ষ শব্দও লিখে ফেলে। কিন্তু তার লেখা আলটিমেটলি কোনো লং টার্ম ইম্প্যাক্ট তৈরি করে না। সে পুরোদস্তুর ইমপালস বায়ার আর স্ট্যাটাস লেখক হিসেবে থেকে যায়।
.
দশ ট্রাক ইট একটা জমিতে উড়িয়ে মারলে ছড়ানো ছিটানো ইটের নৈরাজ্য পাওয়া যায়। ঐ একই ইট সুনির্দিষ্ট ডিসাইনে ধাপে ধাপে সাজালে একটা ইমারত গড়ে ওঠে।
.
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
পাঁচটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামতের দিন রবের নিকট থেকে আদম সন্তানের পা সরবে নাঃ
জিজ্ঞাসা করা হবে তার বয়স সম্পর্কে, কি কাজে সে তা অতিবাহিত করেছে,
তার যৌবন সম্পর্কে কি কাজে সে তা বিনাশ করেছে;
তার সম্পদ সম্পর্কে, কোথা থেকে সে তা অর্জন করেছে আর কি কাজে সে তা ব্যয় করেছে, এবং
সে যা শিখেছিল তদনুযায়ী কি আমল সে করেছে? [সুনান আত-তিরমিযী]
.
.
আল্লাহ্ আযযা ওয়া জাল্ল বলেছেন,
.
কালের শপথ, নিশ্চয় সকল মানুষ ক্ষতির মধ্যে ডুবে আছে,
তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দিয়েছে এবং পরস্পরকে সাবরের উপদেশ দিয়েছে। [তরজমা, সূরা আসর।]
- আসিফ আদনান
❤19
ভবিষ্যৎ ঠিক কত দ্রুত বদলাচ্ছে সেটা OpenAI + SoftBank + Oracle এর নতুন ডেটাসেন্টার (Stargate) এর কাজ দেখলে খানিকটা আঁচ করা যায়!
> ১২০০ একর জায়গা (৭১০টা ফুটবল মাঠের সমান)
> আটটা বিল্ডিং-এ চার লাখের বেশী GPU থাকবে
> বাজেট $100 বিলিয়ন (দেশের পুরো বাজেটের থেকে ৩০ বিলিয়ন বেশী)
> অফিসিয়ালি কাজ শুরু করছে এই বছর, শেষ হবে ২০২৬ এর মাঝমাঝি!
> বিদ্যুৎ খরচ হবে ১.২+ গিগাওয়াট (আমাদের দেশের টোটাল ক্যাপাসিটি মনে হয় ২৬ গিগাওয়াটের কম)
খুবই বড় রকমের নাম্বার; চিন্তা করতেও সময় লাগে। অথচ ভয়াবহ দ্রুত গতিতে চলতেছে। এটাকে Bloomberg বলতেছে, "মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনফ্রাস্টকচার প্রোজেক্ট"!
AI এর জন্য এতো বিশাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কেন? কারণ, তারা Artificial General Intelligence (AGI) তৈরি করতে চায়, যা মানুষের মতো বা তার থেকেও বুদ্ধিমান হইতে পারে।
AGI বাদ দিলাম; OpenAI এর Sam Altman কয়দিন আগেও টুইটারে ট্রাম্পকে গালি দিতো। অথচ এই প্রোজেক্ট করার জন্য ট্রাম্পের সাথে মিলেমিশে গেছে। সামনের দিনে ক্ষমতার যে পার্থক্য; সেটা আসলেও আকাশ পাতাল হয়ে যাবে...
ছবিটা ব্লুমবার্গের থেকে নেওয়া। - সিয়াম
> ১২০০ একর জায়গা (৭১০টা ফুটবল মাঠের সমান)
> আটটা বিল্ডিং-এ চার লাখের বেশী GPU থাকবে
> বাজেট $100 বিলিয়ন (দেশের পুরো বাজেটের থেকে ৩০ বিলিয়ন বেশী)
> অফিসিয়ালি কাজ শুরু করছে এই বছর, শেষ হবে ২০২৬ এর মাঝমাঝি!
> বিদ্যুৎ খরচ হবে ১.২+ গিগাওয়াট (আমাদের দেশের টোটাল ক্যাপাসিটি মনে হয় ২৬ গিগাওয়াটের কম)
খুবই বড় রকমের নাম্বার; চিন্তা করতেও সময় লাগে। অথচ ভয়াবহ দ্রুত গতিতে চলতেছে। এটাকে Bloomberg বলতেছে, "মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনফ্রাস্টকচার প্রোজেক্ট"!
AI এর জন্য এতো বিশাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কেন? কারণ, তারা Artificial General Intelligence (AGI) তৈরি করতে চায়, যা মানুষের মতো বা তার থেকেও বুদ্ধিমান হইতে পারে।
AGI বাদ দিলাম; OpenAI এর Sam Altman কয়দিন আগেও টুইটারে ট্রাম্পকে গালি দিতো। অথচ এই প্রোজেক্ট করার জন্য ট্রাম্পের সাথে মিলেমিশে গেছে। সামনের দিনে ক্ষমতার যে পার্থক্য; সেটা আসলেও আকাশ পাতাল হয়ে যাবে...
ছবিটা ব্লুমবার্গের থেকে নেওয়া। - সিয়াম
😢10
১. ওয়ালটনের কিছু ট্যাবে ছাড় চলছে৷ বাজেট অনুযায়ী Honor এর ট্যাব এর থেকে বহু ভালো। বা Redmi ও ভালো চয়েস। ইউটিউব এ স্যামজোন সহ বহু চ্যানেল ওয়ালটনের ট্যাব নিয়ে যে রিভিউগুলো দিয়েছে সেগুলো একটাও ঠিক মনে হয়নি।
২. কিছু পুরাতন মডেলের ফোনের এড ফেসবুকে বেশ অনেকদিন চলছে। নকিয়া, মটরোলা সহ পুরাতন জনপ্রিয় মডেল। এগুলা কেনা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো ইউজেবল থাকে না৷ রিফ্রাবরিশড করার জন্য যেসব কম্পোনেন্ট ইউজ করে সেগুলো খুব লো কোয়ালিটির৷
সেকেন্ড হ্যান্ড ফোনের কিছু ফেসবুক এডের জন্য ও সেম কথা প্রযোজ্য।
৩. সোশ্যাল মিডিয়ায় এড দেখে টেক প্রোডাক্ট কেনার বিষয়ে সাবধান হন। দূঃখজনক ভাবে বেশির ভাগ ইউটিউবার গুলাও ফালতু রিভিউ বানায়। ওয়ালটনের একটা রিভিউতে দেখলাম রীতিমত ভিডিওতে যেমন মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে, তেমনি কমেন্টগুলোও ফেক আইডির।
ATC, আর PC Builder Bangladesh এর রিভিউ ট্রাস্টেড।
২. কিছু পুরাতন মডেলের ফোনের এড ফেসবুকে বেশ অনেকদিন চলছে। নকিয়া, মটরোলা সহ পুরাতন জনপ্রিয় মডেল। এগুলা কেনা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো ইউজেবল থাকে না৷ রিফ্রাবরিশড করার জন্য যেসব কম্পোনেন্ট ইউজ করে সেগুলো খুব লো কোয়ালিটির৷
সেকেন্ড হ্যান্ড ফোনের কিছু ফেসবুক এডের জন্য ও সেম কথা প্রযোজ্য।
৩. সোশ্যাল মিডিয়ায় এড দেখে টেক প্রোডাক্ট কেনার বিষয়ে সাবধান হন। দূঃখজনক ভাবে বেশির ভাগ ইউটিউবার গুলাও ফালতু রিভিউ বানায়। ওয়ালটনের একটা রিভিউতে দেখলাম রীতিমত ভিডিওতে যেমন মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে, তেমনি কমেন্টগুলোও ফেক আইডির।
ATC, আর PC Builder Bangladesh এর রিভিউ ট্রাস্টেড।
❤27🔥1
কিছু সর্তকতা-
১. ফোনের ব্যাটারি সর্তকতা
ফোনের সাথের ব্যাটারি সবচেয়ে ভালো। এরপর যত ভালো ব্যাটারিই বাজার থেকে লাগান না কেনো, কখনোই অরিজিনাল এর মত হবে না। তাই ব্যাটারির যত্ন নিন -
ব্যাসিক কিছু নিয়ম -
২০-৮০% চার্জ অথবা ১০-৯০% চার্জ মেইনটেইন করুন। একটু পর পর চার্জে লাগিয়ে ব্যাটারি ফুল করে রাখবেন না। অনেকের এই বদঅভ্যাস আছে। স্বাভাবিক ভাবে ব্যবহার করুন, ২০/৩০% এ আসলে চার্জে দিন, ৮০/৯০% এ খুলে নিন। আজকাল ভালো মডেলের ফোনে ব্যাটারি চার্জ লিমিট করার সেটিংস থাকে। (শাওমি, স্যামসাং এ দেখেছি)।
সম্ভব হলে হাই ওয়াটের ফাস্ট চার্জার ইউজ না করে সাধারণ ১০-২৫ ওয়াটের চার্জার ব্যবহার করুন। এংকর, বেসুসের অরিজিনাল গুলো ব্যবহার করুন।
চার্জে লাগিয়ে ফোন চালাবেন না। সারারাত চার্জে দিয়ে ও রাখবেন না। হ্যা আজকালকার ফোনে অটোকাট সেটিংস থাকে। তবে সেটা ব্যাটারি লিমিটের সেটিংসের মত ইফেক্টিভ না। শাওমি, স্যমসাং এর দামি কিছু ফোনে ৮০/৯০% এ চার্জ অফ করার সেটিংস থাকে। সেটা হলে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন সমস্যা নেই।
সাধারণ মডেলের ফোনের ব্যাটারি ৮০০/৯০০ টাকার উপরে হবে না। দামি মডেলের জানা নাই। তবে যত টাকা দিয়াই লাগান অরিজিনালের মত হবে না। প্রতি বছর একবার পাল্টানো লাগবে।
২. ফোনের ডিসপ্লের জন্যও সেম কথা প্রযোজ্য। আফটার মার্কেট ডিসপ্লে কখনোই অরিজিনাল এর মত হয় না।
নরমাল ফোনগুলোর জন্য ডিসপ্লে চেন্জ এ আজকাল ১৫০০-২৫০০ এ কিছুটা ভালো কোয়ালিটির ডিসপ্লে মিলে। আর হায়ার মডেল গুলোর দাম দশ হাজার পর্যন্ত যেতে পারে। আর অরিজিনাল রিপ্লেসমেন্ট হলে ২০/২৫ হাজার ও হয় দামি মডেলের জন্য।
২. ডিসপ্লের যত্নের জন্য কিছু কথা। -
এমোলেড, ওলেড ডিসপ্লে ত গ্রীণলাইন, সলিড কালার স্ক্রিণ সহ নানা ইস্যু যেকেনো সময় হতে পারে। এগুলার সঠিক আজ পর্যন্ত কেউ জানে না। আপাতত বলা হয় অনেক বেশি হিট প্রডিউস হলে এমনটা হয়। এ টাইপের স্ক্রিণ ওয়ালা ফোনে হায়েস্ট ব্রাইটনেসে হেভি ইউসেজে বিরত থাকুন
ডিসপ্লে চাপ লাগানো থেকে বিরত থাকুন।
হাত থেকে ফোন ফেলবেন না। ফুলস্ক্রিণ কভার করে এমন গরিলা গ্লাস প্রটেক্টকর লাগান। ২০০ টাকা বাচাতে গিয়ে ফোন রিস্কে ফেলবেন না। ভালো কভার ইউজ করতে পারেন যাদের হাত থেকে হুট হাট ফোন পরে।
পানিতে পরলে সাথে সাথে ফোন অফ করে দোকানে নিয়ে যান।
আপাতত এগুলাই। আপনি যদি একটা ফোন ৩-৫ বছর চালাতে চান, তাহলে এগুলো মেনে চলা উচিত। যদি ২ বছর চালাতে চান তবে যেভাবে ইচ্ছে ইউজ করতে পারেন।
১. ফোনের ব্যাটারি সর্তকতা
ফোনের সাথের ব্যাটারি সবচেয়ে ভালো। এরপর যত ভালো ব্যাটারিই বাজার থেকে লাগান না কেনো, কখনোই অরিজিনাল এর মত হবে না। তাই ব্যাটারির যত্ন নিন -
ব্যাসিক কিছু নিয়ম -
২০-৮০% চার্জ অথবা ১০-৯০% চার্জ মেইনটেইন করুন। একটু পর পর চার্জে লাগিয়ে ব্যাটারি ফুল করে রাখবেন না। অনেকের এই বদঅভ্যাস আছে। স্বাভাবিক ভাবে ব্যবহার করুন, ২০/৩০% এ আসলে চার্জে দিন, ৮০/৯০% এ খুলে নিন। আজকাল ভালো মডেলের ফোনে ব্যাটারি চার্জ লিমিট করার সেটিংস থাকে। (শাওমি, স্যামসাং এ দেখেছি)।
সম্ভব হলে হাই ওয়াটের ফাস্ট চার্জার ইউজ না করে সাধারণ ১০-২৫ ওয়াটের চার্জার ব্যবহার করুন। এংকর, বেসুসের অরিজিনাল গুলো ব্যবহার করুন।
চার্জে লাগিয়ে ফোন চালাবেন না। সারারাত চার্জে দিয়ে ও রাখবেন না। হ্যা আজকালকার ফোনে অটোকাট সেটিংস থাকে। তবে সেটা ব্যাটারি লিমিটের সেটিংসের মত ইফেক্টিভ না। শাওমি, স্যমসাং এর দামি কিছু ফোনে ৮০/৯০% এ চার্জ অফ করার সেটিংস থাকে। সেটা হলে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন সমস্যা নেই।
সাধারণ মডেলের ফোনের ব্যাটারি ৮০০/৯০০ টাকার উপরে হবে না। দামি মডেলের জানা নাই। তবে যত টাকা দিয়াই লাগান অরিজিনালের মত হবে না। প্রতি বছর একবার পাল্টানো লাগবে।
২. ফোনের ডিসপ্লের জন্যও সেম কথা প্রযোজ্য। আফটার মার্কেট ডিসপ্লে কখনোই অরিজিনাল এর মত হয় না।
নরমাল ফোনগুলোর জন্য ডিসপ্লে চেন্জ এ আজকাল ১৫০০-২৫০০ এ কিছুটা ভালো কোয়ালিটির ডিসপ্লে মিলে। আর হায়ার মডেল গুলোর দাম দশ হাজার পর্যন্ত যেতে পারে। আর অরিজিনাল রিপ্লেসমেন্ট হলে ২০/২৫ হাজার ও হয় দামি মডেলের জন্য।
২. ডিসপ্লের যত্নের জন্য কিছু কথা। -
এমোলেড, ওলেড ডিসপ্লে ত গ্রীণলাইন, সলিড কালার স্ক্রিণ সহ নানা ইস্যু যেকেনো সময় হতে পারে। এগুলার সঠিক আজ পর্যন্ত কেউ জানে না। আপাতত বলা হয় অনেক বেশি হিট প্রডিউস হলে এমনটা হয়। এ টাইপের স্ক্রিণ ওয়ালা ফোনে হায়েস্ট ব্রাইটনেসে হেভি ইউসেজে বিরত থাকুন
ডিসপ্লে চাপ লাগানো থেকে বিরত থাকুন।
হাত থেকে ফোন ফেলবেন না। ফুলস্ক্রিণ কভার করে এমন গরিলা গ্লাস প্রটেক্টকর লাগান। ২০০ টাকা বাচাতে গিয়ে ফোন রিস্কে ফেলবেন না। ভালো কভার ইউজ করতে পারেন যাদের হাত থেকে হুট হাট ফোন পরে।
পানিতে পরলে সাথে সাথে ফোন অফ করে দোকানে নিয়ে যান।
আপাতত এগুলাই। আপনি যদি একটা ফোন ৩-৫ বছর চালাতে চান, তাহলে এগুলো মেনে চলা উচিত। যদি ২ বছর চালাতে চান তবে যেভাবে ইচ্ছে ইউজ করতে পারেন।
❤27🔥2
যত বেশি ইনফরমেশন স্টোর, প্রসেস করতে পারবে AI ততই শক্তিশালী হবে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আমরা সকলেই নিজেদের ছবি আপলোড করে বিভিন্ন AI ফিচারের মজা নিই। অথচ আমাদের Facial data, যেটার আমার কাছে কোনো মূল্য নেই সেটা ওদের কাছে Asset.
এই অ্যাসেটকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়? আমরা যখন Prompt দিয়ে কোনো মানুষের ছবি জেনারেট করব, সেই ছবিটাকে রিয়েলিস্টিক বানানোর কাজে এই ছবিগুলোর সহায়তা নেয়া হবে। আপনি নিজের ছবি এসব AI-এর সার্ভারে আপলোড করা মাত্রই তারা এটা স্টোর করা, ম্যানিপুলেট করা এমনকি অন্য ছবি জেনারেট করতে সহায়তা করার কাজে ব্যবহার করতে পারে।
কোনো ছবি রিয়েল নাকি AI জেনারেটেড এটা যেন আলাদা করা যায় সেজন্য ইচ্ছাকৃত কিছু ত্রুটি যুক্ত করা হয়। তবুও AI দিনদিন এত শক্তিশালী হচ্ছে যে, জেনারেট করা ছবি, ভিডিও আসল নাকি ফেইক সেটা আলাদা করতেও হিমশিম খেতে হয়।
তাদের সার্ভারে ছবি আপলোড করার কাজ আমার হয়ে আরেকজনও করতে পারবে যদি আমি অনলাইনে নিজের ছবি আপলোড দিই। এই জিনিসটা ছেলেদের জন্য যতটা না সেন্সিটিভ মেয়েদের জন্য আরো বেশি সেন্সিটিভ। কারণ এই ছবি, ভিডিও জেনারেটরগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলো Dress remover AI. এগুলো যে বেশিরভাগই মেয়েদের ছবি, ভিডিও জেনারেটের কাজে ব্যবহৃত হয় সেটা নিশ্চয়ই আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। আর এগুলো কতটা রিয়েলিস্টিক হলে এগুলো দিয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং ব্ল্যাকমেইল থেকে সুইসাইডের কেস পর্যন্ত যায় সেটা ভেবে দেখা যায়।
তো, মেয়েরা যারা অনলাইনে ছবি আপলোড দিচ্ছেন, আপনার আইডেন্টিকাল জিনিস অর্থাৎ আপনার ফেসকে ওদের অ্যাসেট হিসেবে ব্যবহার করার রাস্তা খুলে দিচ্ছেন। শুধু তা-ই না, আপনার ফেশিয়াল ডাটা দিয়ে আপনার বডি, ড্রেস ছাড়া ছবি সবই জেনারেট করা সম্ভব। এই কাজগুলো পাশের দেশের দাদারা হিজাবী মেয়েদের ছবি নিয়ে করে হিজাবীদের প্রতি আলাদা ফ্যান্টাসি থাকার কারণে।
তো আপনি হিজাব পরে ছবি আপলোড দিলে যে কথা, কিছু ছাড়া আপলোড দিলেও ওদের কাছে একই কথা। শুধু হিজাব মাথায় ছবি দিলে জেনারেট করতে একটু বাড়তি টাইম যাবে, এই আরকি। - Mayraj Hossain
এই অ্যাসেটকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়? আমরা যখন Prompt দিয়ে কোনো মানুষের ছবি জেনারেট করব, সেই ছবিটাকে রিয়েলিস্টিক বানানোর কাজে এই ছবিগুলোর সহায়তা নেয়া হবে। আপনি নিজের ছবি এসব AI-এর সার্ভারে আপলোড করা মাত্রই তারা এটা স্টোর করা, ম্যানিপুলেট করা এমনকি অন্য ছবি জেনারেট করতে সহায়তা করার কাজে ব্যবহার করতে পারে।
কোনো ছবি রিয়েল নাকি AI জেনারেটেড এটা যেন আলাদা করা যায় সেজন্য ইচ্ছাকৃত কিছু ত্রুটি যুক্ত করা হয়। তবুও AI দিনদিন এত শক্তিশালী হচ্ছে যে, জেনারেট করা ছবি, ভিডিও আসল নাকি ফেইক সেটা আলাদা করতেও হিমশিম খেতে হয়।
তাদের সার্ভারে ছবি আপলোড করার কাজ আমার হয়ে আরেকজনও করতে পারবে যদি আমি অনলাইনে নিজের ছবি আপলোড দিই। এই জিনিসটা ছেলেদের জন্য যতটা না সেন্সিটিভ মেয়েদের জন্য আরো বেশি সেন্সিটিভ। কারণ এই ছবি, ভিডিও জেনারেটরগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলো Dress remover AI. এগুলো যে বেশিরভাগই মেয়েদের ছবি, ভিডিও জেনারেটের কাজে ব্যবহৃত হয় সেটা নিশ্চয়ই আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। আর এগুলো কতটা রিয়েলিস্টিক হলে এগুলো দিয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং ব্ল্যাকমেইল থেকে সুইসাইডের কেস পর্যন্ত যায় সেটা ভেবে দেখা যায়।
তো, মেয়েরা যারা অনলাইনে ছবি আপলোড দিচ্ছেন, আপনার আইডেন্টিকাল জিনিস অর্থাৎ আপনার ফেসকে ওদের অ্যাসেট হিসেবে ব্যবহার করার রাস্তা খুলে দিচ্ছেন। শুধু তা-ই না, আপনার ফেশিয়াল ডাটা দিয়ে আপনার বডি, ড্রেস ছাড়া ছবি সবই জেনারেট করা সম্ভব। এই কাজগুলো পাশের দেশের দাদারা হিজাবী মেয়েদের ছবি নিয়ে করে হিজাবীদের প্রতি আলাদা ফ্যান্টাসি থাকার কারণে।
তো আপনি হিজাব পরে ছবি আপলোড দিলে যে কথা, কিছু ছাড়া আপলোড দিলেও ওদের কাছে একই কথা। শুধু হিজাব মাথায় ছবি দিলে জেনারেট করতে একটু বাড়তি টাইম যাবে, এই আরকি। - Mayraj Hossain
😢10⚡3❤2
১৮ই মে, ২০২৫ এ বিটিআরসি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এর প্রাইস রিভাইস করে। দুই একদিনের মধ্যে অফিসের দুইটা কানেকশন লিংক থ্রি ও অ্যাকসেসটেল তাদের প্যাকেজ ফি ঠিক রেখে ব্যান্ডউইডথ ডাবল করে দেয়। কিন্তু কিছু অসাধু আইএসপি সেটা বাড়ায়নি, বাড়াতে হলে তাদের ফোন দিয়ে একটা রিকোয়েস্ট করতে হবে। এটা প্লেইন বাটপারি ছাড়া আর কিছু না। তোমরা অটোম্যাটিক প্রাইস রিডাকশন পাচ্ছো, আর গ্রাহকরা যারা হয়তো খবরও রাখে না, তারা না গুতা দিলে আগেরটাই থাকবে ? অর্থাৎ গ্রাহককে টেকনিক্যালি ডাবল চার্জ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ব্যবসসায়ীদের মধ্যে বাটপার প্রচুর, এজন্যই দেখবেন মেয়ে বিয়ে দেবার সময় মানুষজন জবহোল্ডার প্রেফার করে, ব্যবসায়ীদের থেকে। এই পারসেপশন এমনি এমনিতেই হয়নি।
যেহেতু ৯-১০ বছর বয়স থেকেই বাজারে যেতে হয়, টিপিক্যাল ব্যবসায়ীদের সাথে ইন্টার্যাকশন অনেক হয়েছে। "আল্লাহর কসম, কেনা দামে দিয়া দিতাসি" - এটা মিরপুরের প্রচুর দোকানদারদের পাঞ্চ লাইন ছিল। এরাই আবার বলে ব্যবসায়ে মিথ্যা কথা বলা জায়েজ আছে।
আর লেনদেন এর কথা আর কী বলবো, অন্যের টাকা নিজের মনে করে অবলীলায় খরচ করাটাটা ডিফ্যাক্টো স্ট্যান্ডার্ড নর্ম হয়ে গেছে।
সৎ ব্যবসায়ীরা সিদ্দিক্বীনদের সাথে জান্নাতে থাকবে বলে যে একটা হাদিস আছে - এই অঞ্চলের খুব কম ব্যবসায়ী মনে হয় কোয়ালিফাই করবে। - মাহবুব ভাই
বাংলাদেশে ব্যবসসায়ীদের মধ্যে বাটপার প্রচুর, এজন্যই দেখবেন মেয়ে বিয়ে দেবার সময় মানুষজন জবহোল্ডার প্রেফার করে, ব্যবসায়ীদের থেকে। এই পারসেপশন এমনি এমনিতেই হয়নি।
যেহেতু ৯-১০ বছর বয়স থেকেই বাজারে যেতে হয়, টিপিক্যাল ব্যবসায়ীদের সাথে ইন্টার্যাকশন অনেক হয়েছে। "আল্লাহর কসম, কেনা দামে দিয়া দিতাসি" - এটা মিরপুরের প্রচুর দোকানদারদের পাঞ্চ লাইন ছিল। এরাই আবার বলে ব্যবসায়ে মিথ্যা কথা বলা জায়েজ আছে।
আর লেনদেন এর কথা আর কী বলবো, অন্যের টাকা নিজের মনে করে অবলীলায় খরচ করাটাটা ডিফ্যাক্টো স্ট্যান্ডার্ড নর্ম হয়ে গেছে।
সৎ ব্যবসায়ীরা সিদ্দিক্বীনদের সাথে জান্নাতে থাকবে বলে যে একটা হাদিস আছে - এই অঞ্চলের খুব কম ব্যবসায়ী মনে হয় কোয়ালিফাই করবে। - মাহবুব ভাই
😢10
আর্মি সেজে স্ক্যাম-
কথায় কথায় জানালেন প্রযুক্তির বিড়ম্বনা। উনি বলছেন, আর্মির সিনিয়র এক কর্মকর্তা তাকে ফোন দিয়ে জানালেন, উনার নাম্বার ব্যবহার করে কতিপয় দুষ্কৃতকারী একজন ব্রিগেডিয়ারের স্ত্রীকে ডিস্টার্ব করছে। আর্মিরা বুঝতে পেরেছেন যে, প্রফেসর সাহেব মূলত দোষী নন৷ তারা এও জানালেন, অপরাধীদেরকে তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন৷ এখন অপরাধীদেরকে ধরতে প্রফেসর সাহেবের হেল্প দরকার তাদের৷
প্রফেসর সাহেব হাফ ছেড়ে বাঁচলেন! আর্মিরা তাকে ভুল বোঝেননি৷ তা না হলে নির্ঘাত বড় বিপদে পড়তে হত তাকে। তিনি জানতে চাইলেন, তাকে কী হেল্প করতে হবে। তারা কিছু তথ্য জানতে চাইলেন, আর বললেন, আপনার মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ ৩ ঘন্টা বন্ধ রাখতে হবে। মাত্র তিন ঘন্টা! প্রফেসর সাহেব জানালেন, ৩ দিন বন্ধ রাখলেও সমস্যা নেই; আপনারা সমাধান করে দেন৷
আমরা গল্প করছি৷ এরই মধ্যে প্রফেসর সাহেবের বোন ফোন দিলেন।
- কী রে তোর কি কোনো সমস্যা হয়েছে? ২৫,০০০/- টাকায় হবে?
- কীসের ২৫,০০০/-?
- তুই না হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চাইলি!
আমি তাড়াতাড়ি প্রফেসর সাহেবের কাছে তার মোবাইলটা চাইলাম৷ মোবাইল নিয়ে দেখি, ফিক্সড অফ। মোবাইল অফ রেখে তিনি হ্যাকারকে ভালোই সহযোগিতা করছেন৷ ঢাকার বাড়িওয়ালা ও মেডকেলের প্রফেসর সাহেবের একাউন্ট হ্যাক করে লাখ লাখ টাকা কামানোর জন্য নিশ্চয়ই তিন ঘন্টা এনাফ। হ্যাকার বেশ ঝানু মানুষ, বুঝা যায়।
দ্রুত আমি তার হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকলাম। লিংকড ডিভাইসে দেখলাম, ক্রোম ব্যবহার করে হ্যাকার হোয়াটসঅ্যাপে লগ-ইন করেছে। ইমার্জেন্সি ভিত্তিতে ২৫,০০০/- লাগবে মর্মে সে মিনিমাম ৩০/৪০জনকে ইতিমধ্যে টেক্সট পাঠিয়েছে৷ সেখানে সে একটি বিকাশ নাম্বার উল্লেখ করেছে।
প্রতি উত্তরে কেউ জানতে চাইছে, সকালে দিলে হবে কি না? কেউ বলছে, গরুর হাটে হঠাৎ টাকা শর্ট পড়ল কি না। একজন তো তৎক্ষণাৎ ৪০,০০০/- পাঠিয়ে দিয়েছেন। আমি সবাইকে একটি ভয়েস পাঠালাম, যেন কেউ টাকা না দেয়।
ঘটনাটি উল্লেখের উদ্দেশ্য দুইটি -
১. আমরা যেন সতর্ক হই; তথ্য দিতে যেন সাবধানতা অবলম্বন করি
২. পুলিশ চাইলে কি এই বিকাশ নাম্বারের সূত্র ধরে অপরাধী চক্রকে শনাক্ত করতে পারে না? পারে৷ কিন্তু তারা তা করবে না। তারা থাকবে ধান্দা নিয়ে৷
- হাফিজ আল মুনাদি
কথায় কথায় জানালেন প্রযুক্তির বিড়ম্বনা। উনি বলছেন, আর্মির সিনিয়র এক কর্মকর্তা তাকে ফোন দিয়ে জানালেন, উনার নাম্বার ব্যবহার করে কতিপয় দুষ্কৃতকারী একজন ব্রিগেডিয়ারের স্ত্রীকে ডিস্টার্ব করছে। আর্মিরা বুঝতে পেরেছেন যে, প্রফেসর সাহেব মূলত দোষী নন৷ তারা এও জানালেন, অপরাধীদেরকে তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন৷ এখন অপরাধীদেরকে ধরতে প্রফেসর সাহেবের হেল্প দরকার তাদের৷
প্রফেসর সাহেব হাফ ছেড়ে বাঁচলেন! আর্মিরা তাকে ভুল বোঝেননি৷ তা না হলে নির্ঘাত বড় বিপদে পড়তে হত তাকে। তিনি জানতে চাইলেন, তাকে কী হেল্প করতে হবে। তারা কিছু তথ্য জানতে চাইলেন, আর বললেন, আপনার মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ ৩ ঘন্টা বন্ধ রাখতে হবে। মাত্র তিন ঘন্টা! প্রফেসর সাহেব জানালেন, ৩ দিন বন্ধ রাখলেও সমস্যা নেই; আপনারা সমাধান করে দেন৷
আমরা গল্প করছি৷ এরই মধ্যে প্রফেসর সাহেবের বোন ফোন দিলেন।
- কী রে তোর কি কোনো সমস্যা হয়েছে? ২৫,০০০/- টাকায় হবে?
- কীসের ২৫,০০০/-?
- তুই না হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চাইলি!
আমি তাড়াতাড়ি প্রফেসর সাহেবের কাছে তার মোবাইলটা চাইলাম৷ মোবাইল নিয়ে দেখি, ফিক্সড অফ। মোবাইল অফ রেখে তিনি হ্যাকারকে ভালোই সহযোগিতা করছেন৷ ঢাকার বাড়িওয়ালা ও মেডকেলের প্রফেসর সাহেবের একাউন্ট হ্যাক করে লাখ লাখ টাকা কামানোর জন্য নিশ্চয়ই তিন ঘন্টা এনাফ। হ্যাকার বেশ ঝানু মানুষ, বুঝা যায়।
দ্রুত আমি তার হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকলাম। লিংকড ডিভাইসে দেখলাম, ক্রোম ব্যবহার করে হ্যাকার হোয়াটসঅ্যাপে লগ-ইন করেছে। ইমার্জেন্সি ভিত্তিতে ২৫,০০০/- লাগবে মর্মে সে মিনিমাম ৩০/৪০জনকে ইতিমধ্যে টেক্সট পাঠিয়েছে৷ সেখানে সে একটি বিকাশ নাম্বার উল্লেখ করেছে।
প্রতি উত্তরে কেউ জানতে চাইছে, সকালে দিলে হবে কি না? কেউ বলছে, গরুর হাটে হঠাৎ টাকা শর্ট পড়ল কি না। একজন তো তৎক্ষণাৎ ৪০,০০০/- পাঠিয়ে দিয়েছেন। আমি সবাইকে একটি ভয়েস পাঠালাম, যেন কেউ টাকা না দেয়।
ঘটনাটি উল্লেখের উদ্দেশ্য দুইটি -
১. আমরা যেন সতর্ক হই; তথ্য দিতে যেন সাবধানতা অবলম্বন করি
২. পুলিশ চাইলে কি এই বিকাশ নাম্বারের সূত্র ধরে অপরাধী চক্রকে শনাক্ত করতে পারে না? পারে৷ কিন্তু তারা তা করবে না। তারা থাকবে ধান্দা নিয়ে৷
- হাফিজ আল মুনাদি
😢17❤3
কারো টেলি/হোয়াটসএপ একাউন্ট থেকে যদি আপনার কাছে এই মেসেজ আসে তাহলে বুঝবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির একাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে।
লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। আরো অনেক লেখা থাকতে পারে, মূল বিষয় হলো, যেকোনো প্লাটফর্ম এ অপরিচিত বা হুট করে আসা লিংকে ক্লিক থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে ফোন করে লিংকের বিষয়ে জেনে নিন।
লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। আরো অনেক লেখা থাকতে পারে, মূল বিষয় হলো, যেকোনো প্লাটফর্ম এ অপরিচিত বা হুট করে আসা লিংকে ক্লিক থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে ফোন করে লিংকের বিষয়ে জেনে নিন।
❤25
আমি আশিক একজন ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সার এবং রিমোট ওয়ার্কার। অনেক রাত জেগে আমি কাজ করি, এখনো করেই যাচ্ছি।
শুরুর দিকে কেমন লাগত, সেটা খেয়াল করিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে শরীর কিছুটা অন্যরকম সিগনাল দিতে থাকে। হালকা হালকা ব্যাথা করত পেটের ডান দিকে । প্রথমে পাত্তা দিইনি, ভাবছিলাম এমনই… কিন্তু ঠিক ৫ আগস্ট ২০২৪ রাত ৩টায় শুরু হয় ভয়ানক পেটব্যথা।
সব কিছু বন্ধ, আমার স্ত্রী পাগলের মতো করে একটা অটো ঠিক করে আমাকে ভর্তি করান সরোয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালে। সেইদিন চোখে জল নিয়েই সারাদিন কাটে।
দেখলাম শুধু আমি না, আমার মতো অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি অনেকে গুলি খেয়ে ভর্তি সবার জরুরি অবস্থায়।
পরবর্তীতে অসংখ্য ডাক্তার, পপুলার, স্পেশালিস্ট সকলকে দেখালাম। কোনো ফলাফল নেই। কোনো ওষুধ কাজ করছিল না। শুধু একটা ইনজেকশনেই সাময়িক আরাম।
প্রতি সপ্তাহে, বা ১৫ দিন পরপর আবার সেই ব্যথা ফিরে আসে। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ক্লোনোস্কোপি, এন্ডোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, আলট্রাসনোগ্রাফি সব টেস্ট করালাম। কিন্তু রোগ ধরা পড়ল না।
এই ঈদের দিন আবারও শুরু হল যন্ত্রণা। সেই ইনজেকশনেও কাজ করছিল না। আবার হাসপাতালে ভর্তি হলাম, কিন্তু পুরো দিন কান্না করে কাটে। শেষ পর্যন্ত যখন রিপোর্ট এল, দেখা গেল
প্রস্রাবে থলিতে পাথর, কিডনিতে পানি, লিভারে ফ্যাট, আর প্রস্রাবে ইনফেকশন।
দু’দিন হলো যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারি না। কিন্তু কাজ থামাইনি।
এই লেখাটা দিলাম কারণ আমার প্রোফাইলে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।
আমরা নিজেদের মূল্য দিই না। নিজের শরীরকেও পাত্তা দিই না।
আমরা কেবল কাজ করি…
📌 দেশের বাইরে থেকে টাকা আনছি
📌 পরিবার চালাই
📌 স্বপ্ন পূরণে ছোটাছুটি করি
তবুও অনেকেই আমাদের দেখে ভাবে “কি আর কাজ! কম্পিউটারে কীবোর্ড চাপলেই তো টাকা!”
কিন্তু সত্যিটা জানেন?
এই কাজের পেছনে থাকে ঘুমহীন রাত, অসহ্য ব্যথা, এবং নিঃশব্দ ত্যাগ।
আমার অনুরোধ
আপনার শরীরকে ভালোবাসুন।
নিজেকে সময় দিন।
কাজ করুন, কিন্তু যেন সেটা জীবনের বিনিময়ে না হয়।
আর একটা কথা…
যদি কোনোদিন আমি না থাকি, দয়া করে আমার প্রোফাইল ছবি বা মৃত্যুর ছবি কেউ পোস্ট করবেন না।
আমার ফেসবুক প্রোফাইলটা ডিলিট করে দেবেন।
ভালো থাকবেন সবাই। দোয়া করবেন।
– আশিক
শুরুর দিকে কেমন লাগত, সেটা খেয়াল করিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে শরীর কিছুটা অন্যরকম সিগনাল দিতে থাকে। হালকা হালকা ব্যাথা করত পেটের ডান দিকে । প্রথমে পাত্তা দিইনি, ভাবছিলাম এমনই… কিন্তু ঠিক ৫ আগস্ট ২০২৪ রাত ৩টায় শুরু হয় ভয়ানক পেটব্যথা।
সব কিছু বন্ধ, আমার স্ত্রী পাগলের মতো করে একটা অটো ঠিক করে আমাকে ভর্তি করান সরোয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালে। সেইদিন চোখে জল নিয়েই সারাদিন কাটে।
দেখলাম শুধু আমি না, আমার মতো অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি অনেকে গুলি খেয়ে ভর্তি সবার জরুরি অবস্থায়।
পরবর্তীতে অসংখ্য ডাক্তার, পপুলার, স্পেশালিস্ট সকলকে দেখালাম। কোনো ফলাফল নেই। কোনো ওষুধ কাজ করছিল না। শুধু একটা ইনজেকশনেই সাময়িক আরাম।
প্রতি সপ্তাহে, বা ১৫ দিন পরপর আবার সেই ব্যথা ফিরে আসে। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ক্লোনোস্কোপি, এন্ডোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, আলট্রাসনোগ্রাফি সব টেস্ট করালাম। কিন্তু রোগ ধরা পড়ল না।
এই ঈদের দিন আবারও শুরু হল যন্ত্রণা। সেই ইনজেকশনেও কাজ করছিল না। আবার হাসপাতালে ভর্তি হলাম, কিন্তু পুরো দিন কান্না করে কাটে। শেষ পর্যন্ত যখন রিপোর্ট এল, দেখা গেল
প্রস্রাবে থলিতে পাথর, কিডনিতে পানি, লিভারে ফ্যাট, আর প্রস্রাবে ইনফেকশন।
দু’দিন হলো যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারি না। কিন্তু কাজ থামাইনি।
এই লেখাটা দিলাম কারণ আমার প্রোফাইলে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।
আমরা নিজেদের মূল্য দিই না। নিজের শরীরকেও পাত্তা দিই না।
আমরা কেবল কাজ করি…
📌 দেশের বাইরে থেকে টাকা আনছি
📌 পরিবার চালাই
📌 স্বপ্ন পূরণে ছোটাছুটি করি
তবুও অনেকেই আমাদের দেখে ভাবে “কি আর কাজ! কম্পিউটারে কীবোর্ড চাপলেই তো টাকা!”
কিন্তু সত্যিটা জানেন?
এই কাজের পেছনে থাকে ঘুমহীন রাত, অসহ্য ব্যথা, এবং নিঃশব্দ ত্যাগ।
আমার অনুরোধ
আপনার শরীরকে ভালোবাসুন।
নিজেকে সময় দিন।
কাজ করুন, কিন্তু যেন সেটা জীবনের বিনিময়ে না হয়।
আর একটা কথা…
যদি কোনোদিন আমি না থাকি, দয়া করে আমার প্রোফাইল ছবি বা মৃত্যুর ছবি কেউ পোস্ট করবেন না।
আমার ফেসবুক প্রোফাইলটা ডিলিট করে দেবেন।
ভালো থাকবেন সবাই। দোয়া করবেন।
– আশিক
😢30❤3
এআই ভিডিওগুলো আজকাল বেশ নিখুত হয়েছে। একটা সেম্পল দিচ্ছি কমেন্টে দেখুন। সময়ে সময়ে আরো যুক্ত করব এখানে। এর বিপদ নিয়ে বিস্তারিত পরে লিখব ইন শা আল্লাহ
⚡7❤1
গ্রাফিক ডিজাইন আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স বেচাবেচির একটা হিড়িক পরেছিলো না? সবাই ফ্রীল্যান্সিং করা শুরু করসিলো। এখন কিছুটা কমসে। এখন অবশ্য প্যাসিভ ইনকাম, এমাজন এফ্লিয়েটর নামে এসব চলে। যাইহোক,
এখন এআই মাস্টারক্লাস সহ নানা নামে কোর্স বেচা হইতেসে, এআই দিয়া ভিডিও করে মনিটাইজেশন করা সহ ইনকাম এর বিষয়গুলোকে ফোকাস করা। বেশির ভাগই ভুয়া। এগুলা থেকে বেঁচে থাকেন।
যারা বেশ কয়েকবছর গ্রাফিক কাজ করেছন তারা জেনেবুঝে এআই রিলেটেড কোর্স করতে পারে, স্কিল রিবুট করার জন্য। কিন্তু আপনি যদি কন্টেন্ট বা গ্রাফিকস এর জগতের কেউ না হন তবে এসবে এ পা দিয়েন না। আর সোশ্যালমিডিয়া ভিত্তিক মনিটাইজেশন ইনকাম ত হালাল ও না।
এখন এআই মাস্টারক্লাস সহ নানা নামে কোর্স বেচা হইতেসে, এআই দিয়া ভিডিও করে মনিটাইজেশন করা সহ ইনকাম এর বিষয়গুলোকে ফোকাস করা। বেশির ভাগই ভুয়া। এগুলা থেকে বেঁচে থাকেন।
যারা বেশ কয়েকবছর গ্রাফিক কাজ করেছন তারা জেনেবুঝে এআই রিলেটেড কোর্স করতে পারে, স্কিল রিবুট করার জন্য। কিন্তু আপনি যদি কন্টেন্ট বা গ্রাফিকস এর জগতের কেউ না হন তবে এসবে এ পা দিয়েন না। আর সোশ্যালমিডিয়া ভিত্তিক মনিটাইজেশন ইনকাম ত হালাল ও না।
❤29
কিস্তিতে মোবাইল বিক্রির ভয়াবহ প্রতারণার ফাঁদ
সম্প্রতি একটি ক্যাম্পেইন চলছে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি নামক। সাধারণ মানুষ এই ফাঁদে পা দিচ্ছে খুব সহজে। একটা ফোন আজকাল গ্রামের একজন মানুষের স্বপ্নও হয়ে থাকে। শহরের মানুষের স্মার্ট ফোন হয়ে উঠে দৈনন্দিন কাজের সাথী। আর তাই মোবাইল কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে কোন প্রতিষ্ঠান এই সরলতা ও চাহিদার সুযোগে ঠান্ডা মাথায় করে যায় প্রতারণা। যা গ্রামের সাধারণ ব্যক্তি ও শহরের ব্যস্ততায় হিসাব করেনা কি হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আমি এমন একটি প্রতারণার সাথে যুক্ত হয়ে নিজেকে অসহায় ভাবে হিসাব করে দেখলাম। এরাতো মহা প্রতারক। যারা গ্রামে গঞ্জের মানুষকে সহজে মোবাইল কিস্তি নামক কথা বলে বিশাল এমাউন্ট হাতিয়ে নিচ্ছে। চলুন এবার হিসাব মিলিয়ে দেখি কেন তাদের প্রতারক বললাম।
এই ক্যাম্পেইনে যুক্ত তিন মোবাইল কোম্পানি। Tecno, Itel, Infinix
আমি ধাকার মোহাম্মাদপুরে একটি দোকানে মোবাইল দেখতে যাই। তারা বলে সহজে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি হয়। আমি রাজি হই। তাদেরকে মুল্য জিজ্ঞেস করতেই বলে Camon-40 Price-23999 & Camon-40 Pro 26999 আমি সব হিসাব বিবেচনা করে Camon-40 নামক ফোনটি পচন্দ করি। তারা আমাকে বলল আপনার আইডি, জব আইডি ও একজন গ্যারান্টার তথ্য দিন। আমি সব দিয়ে ও এডভান্স ২০% বাবদ ৫৭৪৪ টাকা প্রদান করি। এতটাকা কিভাবে আসলো জিজ্ঞেস করাতে তারা বলল এখানে গ্যারান্টি ফি আছে-১১০০ টাকা। যা আপনার শেষ কিস্তিতে এডজাস্ট করা হবে। তাই পেমেন্ট করে বাসায় চলে আসি। ঘটনার মূল রহস্য আসে রাতে। যখন উনাদের কিস্তির রহস্য আসে। আমাকে তারা বলল ২৮৮০ টাকা কিস্তি দিতে হবে ৯ টা। এখানে মাথাটা চক্কর দেয়। তাহলে মোবাইলের দাম কত? আমাকে তাহলে কী বুঝানো হয়েছে।
এসব হিসাব দেখতে অনলাইন ঘাটতে শুরু করি। তাদের লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের আন-অথরাইজ এপস ডাউনলোড করি। সেখানে আমার মোবাইল দিয়ে লগ-ইন করি। লগ ইনের পর বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। সেখানে গিয়ে দেখি আমার কাছে বিক্রি করা মোবাইলের দাম ধরা হয়েছে ২৬৩৯৯ টাকা। যা ভাউচার অনুযায়ী আমি কিনেছি ২৩৯৯৯ টাকায়। আমার নামে লোন অনুমোদন করেছে ২২০০০ টাকা আর ৩৯৬০ টাকা সুদ! আমার বর্তমানে লোনসহ সুদ রয়েছে ২৪৮৬০ টাকা। ইন্টারেস্টিং বিষয় এর নাম সুদ না দিয়ে দিয়েছেন সার্ভিস চার্জ। তাহলে হিসাবটা মিলিয়ে নেই।
আমি নিয়েছি Tecno Camon-40 যার বর্তমান অফিসিয়াল বাজার মূল্য ২৩৯৯৯ টাকা। আমরা সেই ফোনের হিসাবই তুলে ধরছি।
অগ্রিম পেমেন্ট করলাম- ৫৭৪৪ টাকা
আরোও পেমেন্ট করতে হবে- ২৪৮৬০ টাকা
সর্বমোট মোবাইলের দাম- ৩০৬০৪ টাকা
বাজারে উক্ত মোবাইলের বর্তমান দাম- ২৩৯৯৯ টাকা
অতিরিক্ত প্রদান করতে হবে- (৩০৬০৪-২৩৯৯৯)=৬৬০৫ টাকা ( ৯ মাসে)
সুদের হিসাবে যা শতকরা ৩৬.৬৯%
এবার হিসাব করুন। বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠানে এত % হারে আপনাকে সেবা দেয়। আমাদেরকে আসলে বোকা বানানো আসলে কত সহজ দেখুন। সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে সহজে ও সুদহীন কিস্তিতে মোবাইল দিচ্ছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। অথচ কাজের আরালে বিশাল এক গল্প লুকিয়ে রেখেছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। যা রীতিমত এক একজন সাধারণ ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা ও অন্যায়। যদি তারা এই কাজের হিসাবগুলি উন্মুক্তভাবে গ্রাহকে বুঝিয়ে ফোন বিক্রি করতো তাহলে আজকে আমিও প্রতারণা হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারতাম না কিন্তু এই হিসাব আমি কেন কোন গ্রাহককেই ব্যাখ্যা দেয়া হয়না, দেখানো হয়না। এটা এদেশের সাধারণ মানুষের সাথে উক্ত প্রতিষ্ঠানের একটা বড় এবং প্লানমাপিক প্রতারণা। আসুক এই প্রতারণার বিরুদ্ধে দাঁড়াই এবং অন্যদের জানিয়ে দেই যাতে এই ফাঁদে কেউ পা না দেয়।
ফুট নোটঃ আমি এই তথ্য Tecno অফিসিয়াল মেইলে মেইল করে জানিয়েছি। তারা এখন অব্দি কোন প্রতিউত্তর দেয়নি। যেখান থেকে কিনেছি তাদের কাছে গিয়েও জানিয়েছি তারা কিছুই করতে পারবেনা জানিয়েছে। আমি এমনও জানিয়েছি আমি যদি এখন ফুল ক্যাশ দিতে চাই তাহলে করণীয় কি? তারা উত্তর দিয়েছে যা কিস্তিতে আছে তার পুরটাই দিতে হবে।
মিনহাজ উদ্দিন
ঢাকা, ২৫.০৬.২০২৫
সম্প্রতি একটি ক্যাম্পেইন চলছে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি নামক। সাধারণ মানুষ এই ফাঁদে পা দিচ্ছে খুব সহজে। একটা ফোন আজকাল গ্রামের একজন মানুষের স্বপ্নও হয়ে থাকে। শহরের মানুষের স্মার্ট ফোন হয়ে উঠে দৈনন্দিন কাজের সাথী। আর তাই মোবাইল কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে কোন প্রতিষ্ঠান এই সরলতা ও চাহিদার সুযোগে ঠান্ডা মাথায় করে যায় প্রতারণা। যা গ্রামের সাধারণ ব্যক্তি ও শহরের ব্যস্ততায় হিসাব করেনা কি হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আমি এমন একটি প্রতারণার সাথে যুক্ত হয়ে নিজেকে অসহায় ভাবে হিসাব করে দেখলাম। এরাতো মহা প্রতারক। যারা গ্রামে গঞ্জের মানুষকে সহজে মোবাইল কিস্তি নামক কথা বলে বিশাল এমাউন্ট হাতিয়ে নিচ্ছে। চলুন এবার হিসাব মিলিয়ে দেখি কেন তাদের প্রতারক বললাম।
এই ক্যাম্পেইনে যুক্ত তিন মোবাইল কোম্পানি। Tecno, Itel, Infinix
আমি ধাকার মোহাম্মাদপুরে একটি দোকানে মোবাইল দেখতে যাই। তারা বলে সহজে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি হয়। আমি রাজি হই। তাদেরকে মুল্য জিজ্ঞেস করতেই বলে Camon-40 Price-23999 & Camon-40 Pro 26999 আমি সব হিসাব বিবেচনা করে Camon-40 নামক ফোনটি পচন্দ করি। তারা আমাকে বলল আপনার আইডি, জব আইডি ও একজন গ্যারান্টার তথ্য দিন। আমি সব দিয়ে ও এডভান্স ২০% বাবদ ৫৭৪৪ টাকা প্রদান করি। এতটাকা কিভাবে আসলো জিজ্ঞেস করাতে তারা বলল এখানে গ্যারান্টি ফি আছে-১১০০ টাকা। যা আপনার শেষ কিস্তিতে এডজাস্ট করা হবে। তাই পেমেন্ট করে বাসায় চলে আসি। ঘটনার মূল রহস্য আসে রাতে। যখন উনাদের কিস্তির রহস্য আসে। আমাকে তারা বলল ২৮৮০ টাকা কিস্তি দিতে হবে ৯ টা। এখানে মাথাটা চক্কর দেয়। তাহলে মোবাইলের দাম কত? আমাকে তাহলে কী বুঝানো হয়েছে।
এসব হিসাব দেখতে অনলাইন ঘাটতে শুরু করি। তাদের লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের আন-অথরাইজ এপস ডাউনলোড করি। সেখানে আমার মোবাইল দিয়ে লগ-ইন করি। লগ ইনের পর বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। সেখানে গিয়ে দেখি আমার কাছে বিক্রি করা মোবাইলের দাম ধরা হয়েছে ২৬৩৯৯ টাকা। যা ভাউচার অনুযায়ী আমি কিনেছি ২৩৯৯৯ টাকায়। আমার নামে লোন অনুমোদন করেছে ২২০০০ টাকা আর ৩৯৬০ টাকা সুদ! আমার বর্তমানে লোনসহ সুদ রয়েছে ২৪৮৬০ টাকা। ইন্টারেস্টিং বিষয় এর নাম সুদ না দিয়ে দিয়েছেন সার্ভিস চার্জ। তাহলে হিসাবটা মিলিয়ে নেই।
আমি নিয়েছি Tecno Camon-40 যার বর্তমান অফিসিয়াল বাজার মূল্য ২৩৯৯৯ টাকা। আমরা সেই ফোনের হিসাবই তুলে ধরছি।
অগ্রিম পেমেন্ট করলাম- ৫৭৪৪ টাকা
আরোও পেমেন্ট করতে হবে- ২৪৮৬০ টাকা
সর্বমোট মোবাইলের দাম- ৩০৬০৪ টাকা
বাজারে উক্ত মোবাইলের বর্তমান দাম- ২৩৯৯৯ টাকা
অতিরিক্ত প্রদান করতে হবে- (৩০৬০৪-২৩৯৯৯)=৬৬০৫ টাকা ( ৯ মাসে)
সুদের হিসাবে যা শতকরা ৩৬.৬৯%
এবার হিসাব করুন। বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠানে এত % হারে আপনাকে সেবা দেয়। আমাদেরকে আসলে বোকা বানানো আসলে কত সহজ দেখুন। সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে সহজে ও সুদহীন কিস্তিতে মোবাইল দিচ্ছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। অথচ কাজের আরালে বিশাল এক গল্প লুকিয়ে রেখেছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। যা রীতিমত এক একজন সাধারণ ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা ও অন্যায়। যদি তারা এই কাজের হিসাবগুলি উন্মুক্তভাবে গ্রাহকে বুঝিয়ে ফোন বিক্রি করতো তাহলে আজকে আমিও প্রতারণা হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারতাম না কিন্তু এই হিসাব আমি কেন কোন গ্রাহককেই ব্যাখ্যা দেয়া হয়না, দেখানো হয়না। এটা এদেশের সাধারণ মানুষের সাথে উক্ত প্রতিষ্ঠানের একটা বড় এবং প্লানমাপিক প্রতারণা। আসুক এই প্রতারণার বিরুদ্ধে দাঁড়াই এবং অন্যদের জানিয়ে দেই যাতে এই ফাঁদে কেউ পা না দেয়।
ফুট নোটঃ আমি এই তথ্য Tecno অফিসিয়াল মেইলে মেইল করে জানিয়েছি। তারা এখন অব্দি কোন প্রতিউত্তর দেয়নি। যেখান থেকে কিনেছি তাদের কাছে গিয়েও জানিয়েছি তারা কিছুই করতে পারবেনা জানিয়েছে। আমি এমনও জানিয়েছি আমি যদি এখন ফুল ক্যাশ দিতে চাই তাহলে করণীয় কি? তারা উত্তর দিয়েছে যা কিস্তিতে আছে তার পুরটাই দিতে হবে।
মিনহাজ উদ্দিন
ঢাকা, ২৫.০৬.২০২৫
😢20❤6
আজকে একটা ফ্রডের শিকার হলাম। আজ বিকালে আমাকে +8801699067318 এই নাম্বার থেকে আমাকে ফোন করে বলা হলো যে উনার নাম SI আকরাম। কুমিল্লা সদর থানা থেকে। আমাকে বললো যে মানি লন্ডারিং মামলায় আলম গাজী নামে একজন ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে যার কাছে অনেক গুলা ব্যাংক একাউন্টের ইনফো পাওয়া গেছে যেখানে আমার নামেও একটা ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট পাওয়া গেছে যেখানে টাকা লেনদেন হয়েছে।
আমি জানালাম যে আমি এমন কাউকে চিনি না এবং এমন কিছুর সাথে আমি জড়িত নই।
পরে সে আমার নাম ঠিকানা এনআইডি নাম্বার সকল ইনফরমেশন দিয়ে বললো যে এই পরিচয় তো আপনার। আসলেই সে সঠিক ইনফো দিয়েছে। তাই বলেছি হ্যা। কিন্থ আমি এই লোককে চিনিনা।
পরে আমাকে তারা বললো আপনি ঢাকা ডিবি অফিসে যোগাযোগ করুন। সে নিজেই আমাকে বললো যে আমি লাইন করে দিচ্ছি আপনি কথা বলেন।
পরে আমাকে পরিচয় দিলো উনি ওসি মহসিন। ফেসবুকের ভাইরাল ওসি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি তাকে চিনেছি কিনা, আমি তাকে দেখে চিনতে পারি সেটা জানাই। সে আমাকে বললো যে আমার নামে এমন মামলা আছে, এভিডেন্সে আমার একাউন্ট আছে। আমি জানালাম এমন কিছু আমি জানিনা। পরে সে আমাকে +8801911811421 এই নাম্বারে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে বলে এবং ভিডিও কলে সে আমাকে ইউনিফর্ম পড়া অবস্থায় আমার সাথে কথা বলে। এরপর সে আমাকে আরেকজনের সাথে কথা বলায় দেয় যে নিজেকে এসপি দাবি করে এবং সে বলে যে রিমান্ডে আসামী আমার নামে নাকি স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে আমি এমন অবৈধ লেনদেনে জড়িত। আমি তাকে জানাই যে এসবের সাথে আমি জড়িত না। আমি তাকে বলি যে আপনারা আমার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট চেক করেন তাহলেই প্রমাণ পাবেন। এরপর সে আমাকে থ্রেট দেয় এবং ভয় দেখায় যে বেশি প্রশ্ন করলে বা কথা বললে আমাকে হয়রানি করবে, আমার ক্ষতি করবে। - মূর্তজা শাহরিয়ার
➡️ ➡️ ➡️ ➡️ ➡️
কিছু বিষয় জেনে রাখুন -
আওয়ামীলীগ আমলে বাংলাদেশের সবার এনআইডি ইনফো সেল করে দেয়া হয়েছিলো, আপনারা জানেন।
দেখুন :https://t.me/HopeIslamicTech/88
একইসাথে টাকা দিলে আপনি যে কারো এনআইডি, কল লগ, ব্যাসিক ঠিকানা ইমেইল বের করতে পারবেন। দেখুন - https://t.me/HopeIslamicTech/208
এই সার্ভার গুলো থেকে টাকা দিয়ে যেকোনো তথ্য পাওয়ার বিষয়টা নিয়ে নিউজ হয়েছে।
এরপর পাবলিক যে ইনফো থাকে সেগুলো মিলিয়ে আরো তথ্য যোগার করে এভাবে ভয় লাগায় স্ক্যাম করে। টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যেমে। আপনি অপরাধ না করলে এসব কলের প্রমাণ, অডিও, ভিডিও রেখে স্থানীয় কারো সাহায্য নিবেন, ভয় পাবেন না ইন শা আল্লাহ
@HopeIslamicTech
আমি জানালাম যে আমি এমন কাউকে চিনি না এবং এমন কিছুর সাথে আমি জড়িত নই।
পরে সে আমার নাম ঠিকানা এনআইডি নাম্বার সকল ইনফরমেশন দিয়ে বললো যে এই পরিচয় তো আপনার। আসলেই সে সঠিক ইনফো দিয়েছে। তাই বলেছি হ্যা। কিন্থ আমি এই লোককে চিনিনা।
পরে আমাকে তারা বললো আপনি ঢাকা ডিবি অফিসে যোগাযোগ করুন। সে নিজেই আমাকে বললো যে আমি লাইন করে দিচ্ছি আপনি কথা বলেন।
পরে আমাকে পরিচয় দিলো উনি ওসি মহসিন। ফেসবুকের ভাইরাল ওসি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি তাকে চিনেছি কিনা, আমি তাকে দেখে চিনতে পারি সেটা জানাই। সে আমাকে বললো যে আমার নামে এমন মামলা আছে, এভিডেন্সে আমার একাউন্ট আছে। আমি জানালাম এমন কিছু আমি জানিনা। পরে সে আমাকে +8801911811421 এই নাম্বারে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে বলে এবং ভিডিও কলে সে আমাকে ইউনিফর্ম পড়া অবস্থায় আমার সাথে কথা বলে। এরপর সে আমাকে আরেকজনের সাথে কথা বলায় দেয় যে নিজেকে এসপি দাবি করে এবং সে বলে যে রিমান্ডে আসামী আমার নামে নাকি স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে আমি এমন অবৈধ লেনদেনে জড়িত। আমি তাকে জানাই যে এসবের সাথে আমি জড়িত না। আমি তাকে বলি যে আপনারা আমার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট চেক করেন তাহলেই প্রমাণ পাবেন। এরপর সে আমাকে থ্রেট দেয় এবং ভয় দেখায় যে বেশি প্রশ্ন করলে বা কথা বললে আমাকে হয়রানি করবে, আমার ক্ষতি করবে। - মূর্তজা শাহরিয়ার
কিছু বিষয় জেনে রাখুন -
আওয়ামীলীগ আমলে বাংলাদেশের সবার এনআইডি ইনফো সেল করে দেয়া হয়েছিলো, আপনারা জানেন।
দেখুন :https://t.me/HopeIslamicTech/88
একইসাথে টাকা দিলে আপনি যে কারো এনআইডি, কল লগ, ব্যাসিক ঠিকানা ইমেইল বের করতে পারবেন। দেখুন - https://t.me/HopeIslamicTech/208
এই সার্ভার গুলো থেকে টাকা দিয়ে যেকোনো তথ্য পাওয়ার বিষয়টা নিয়ে নিউজ হয়েছে।
এরপর পাবলিক যে ইনফো থাকে সেগুলো মিলিয়ে আরো তথ্য যোগার করে এভাবে ভয় লাগায় স্ক্যাম করে। টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যেমে। আপনি অপরাধ না করলে এসব কলের প্রমাণ, অডিও, ভিডিও রেখে স্থানীয় কারো সাহায্য নিবেন, ভয় পাবেন না ইন শা আল্লাহ
@HopeIslamicTech
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢10❤2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য দেদারছে বেচাকেনা, ১৩১ টাকায় মিলছে এনআইডি | NID Corruption |
এটা দেখুন।
এটা দেখুন।
😢20❤1
ফেসবুক ইসরাইলি ভিপিএন এপ Onavo এর মাধ্যমে আপনার পুরো ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সব ট্রাফিক তাদের সার্ভারে রিডাইরেক্ট করছিল! হায় রে দুনিয়া!
ফেসবুক দেখতে পারতঃ
• আপনি কোন অ্যাপ খুলেছেন
• আপনি কতক্ষণ সেই অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
• আপনি কোন কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন
• এবং আপনি ঠিক কখন কোন অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
আপনাকে বুঝতে না দিয়ে তারা, এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছিল এ ভিপিএন এপের মাধ্যমে! @HopeIslamicTech
ফেসবুক দেখতে পারতঃ
• আপনি কোন অ্যাপ খুলেছেন
• আপনি কতক্ষণ সেই অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
• আপনি কোন কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন
• এবং আপনি ঠিক কখন কোন অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
আপনাকে বুঝতে না দিয়ে তারা, এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছিল এ ভিপিএন এপের মাধ্যমে! @HopeIslamicTech
😢15🔥1