Hope: Islamic Tech
3.62K subscribers
107 photos
6 videos
7 files
56 links
Hope এর টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর সমাধান এখানে দেয়া থাকবে ইন শা আল্লাহ
Download Telegram
🛑 #সতর্কতা_২

আমি রাতে হেদায়া (Hidayah) আ্যাপ সম্পর্কে সতর্ক করে একটি পোস্ট করেছিলাম। আমি বলেছিলাম তাদের আ্যাপ আপনার ফোনে ইনস্টল এবং একাউন্ট করার অর্থ হলো ফোনের সমস্ত এক্সেস তাদের হাতে তুলে দেয়া, যেমন— ফটো, ভিডিও, সেন্সর এক্সেস, কমপ্লিট নেটওয়ারক এক্সেস ইত্যাদি।

অতঃপর কিছু ভাই-বোন এসে পোস্ট এর কমেন্টে বলছেন এগুলো এক্সেস তো ফেইসবুক, গুগল ও নেয়। কথা হলো, আমি তো জানি এগুলো এক্সেস তারাও নেয়, এগুলো তথ্য আমাকে জানিয়ে নতুন কোনো ভ্যালু এডিশন করা হয়নি। বরং আমার পোস্টের উদ্দেশ্য ভিন্ন।

✒️— এই বিষয়টি স্পষ্ট করি এবং কিছু নতুন তথ্য দিই

ফেইসবুক, গুগলের মতো বড় কোম্পানিগুলোর সাথে ইনফরমেশন সিকিউরিটি নিয়ে এসব ছোট সফটওয়্যারগুলোর তুলনা করা যায়না কারণ এই ধরনের কোম্পানিগুলো অনেক আগে থেকে সরকারের অনুমতি নিয়ে প্রতিটি কান্ট্রিতে বিজনেস করে। সরকার তাদের অডিট করে এবং তারা সরকারকে ট্যাক্স দেয়, তারা অপরাধ করলে তাদের ঘার সরকারের হাতে, তাদের পুরো ডাটা সেন্টার রাষ্ট্রের হাতে।

অপরদিকে হেদায়ার মতো এই সকল সফটওয়্যারকে যখন আপনি তথ্য দিবেন তখন এটার নিশ্চয়তা কে দিবে যে এর কোনো অপব্যবহার হবেনা? এমনকি এর ইওজার সংখ্যা খুব কম, এখানে একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির তথ্য খুঁজে তাকে হ্যারেস করা খুব সহজ।

মজার কিছু তথ্য দিই—

১. আমি যখন তাদের সমালোচনা করেছি তখন তারা ক্লারিফিকেশন দিয়েছেন যে এগুলো এক্সেস তারা কেনো নিচ্ছেন। কথা হলো কেনো নিচ্ছেন এটা তো সমস্যা নয়, সমস্যা হলো এই তথ্য কারা নিচ্ছে? তাদের লিগ্যাল অথরিটি আছে কিনা তথ্য গ্রহন করার? এই তথ্যের অপব্যবহার হলে আমরা কার কাছে যাবো? কাকে ধরবো?

২. এই সাইট এবং এর মালিক সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়না। আমি তাদের সাথে সম্পর্কিত লোকদের থেকে খোঁজ নিয়েছি, এর মালিক জনসম্মুখে আসতে চান না, আসবেন ও না। তিনি নাকি আরিফ আজাদ টাইপের। অর্থাৎ আপনি হাজার হাজার মানুষের তথ্য নিবেন কিন্তু নিজে মানুষের সামনেও আসবেন না! ওয়াও

৩. এই হেদায়া কম্পানির কোনো তথ্য অনলাইনে নেই। তারা কোথায় থাকে, কোথা থেকে এসেছে কেও জানেনা, অনলাইনে এর কোনো তথ্য নেই। তাদের ফিজিক্যাল এড্রেস সম্পর্কে অনলাইনে কোন তথ্য নেই।

৪. তারা আপনাকে পোস্ট করে জানিয়েছে যে তারা এসব এক্সেস নিচ্ছে এবং তার জন্য যথেষ্ট ভালো কারণ দেখিয়েছেন। কিন্তু তারা কি এটা বলেছে তারা আপনার ইনফরমেশন কালেক্ট করার পাশাপাশি সেগুলো বিভিন্ন কোম্পানির কাছে বিক্রি করার রাইটস রাখে?

তারা দাবী করেন মুসলমানদের জন্য একটি সিকিউর স্যোশাল মিডিয়া তৈরি করবেন কিন্তু তারা আপনার সামনে আসতে নারাজ, তারা আপনার সকল তথ্য এক্সেস রাখে এবং তারা আপনার এই সকল তথ্য বিক্রি করার লিগ্যাল রাইটস আপনার থেকে নিয়েছেন। আপনার তথ্য বিক্রি হলে বা লিক হলে আপনি কাকে ধরবেন? কোথায় যাবেন?

আরো ২ টি বিষয় আমার সন্দেহের কারণ হয়েছে—

১. তাদের ডোমেইন ইনফরমেশন পুরোপুরি হাইড করা আছে। এগুলো কে কিনেছেন, কোথায় থেকে কিনেছেন, ইমেইল, ফোন নম্বর সবকিছু হাইড করা। ডোমেইনের মালিক পুরোপুরি নিজেকে আড়ালে রেখেছেন। অর্থাৎ তারা পাবলিকের পুরো ইনফরমেশন হাতিয়ে নিবে, কিন্তু নিজের নামটাও মানুষকে জানাবে না!

২. সাধারণত যখন কোনো সোশ্যাল মিডিয়া আ্যাপ তৈরি করা হয় এবং সেখানে হাজার হাজার ইউজার থাকে তখন তাদের ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার কিনতে হয়, কারণ সাধারণ হোস্টিং এ এত মানুষের ইনফরমেশন স্টোর করা যায় না। কিন্তু এখানে নেমচিপ থেকে সাধারণ হোস্টিং কিনে রেখেছে। কম খরচে স্ক্যাম করার সবথেকে সহজ উপায় এগুলো।

শেষকথাঃ

আমি জানিনা এই হেদায়া কারা চালায়, কি উদ্দেশ্যে চালায় আর না তারা আমার বন্ধু বা শত্রু। আমি শুধু একটি আহবান করছি আপনাদের (হেদায়া টিমকে)– সামনে আসুন, আপনাদের ইওজারদের নিজেদের চেহারা দেখান, নিজেদের পরিচয় দিন, আপনাদের অফিসের ফিজিক্যাল এড্রেস পাবলিশ করুন। সবাইকে বলুন তাদের ইনফরমেশন লিক হলে তারা কোথায় যাবে এবং কাকে ধরবে।
😢1
Tasawwuf - তাসাউফ
🛑 #সতর্কতা_২ আমি রাতে হেদায়া (Hidayah) আ্যাপ সম্পর্কে সতর্ক করে একটি পোস্ট করেছিলাম। আমি বলেছিলাম তাদের আ্যাপ আপনার ফোনে ইনস্টল এবং একাউন্ট করার অর্থ হলো ফোনের সমস্ত এক্সেস তাদের হাতে তুলে দেয়া, যেমন— ফটো, ভিডিও, সেন্সর এক্সেস, কমপ্লিট নেটওয়ারক এক্সেস…
আচ্ছা, আমি এ বিষয়টা নিয়ে টুকটাক পড়লেও বিস্তারিত জানি না। সন্দেহগুলা ভ্যালিড। মোটামুটি সব সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি এমন সন্দেহ করা যায়। তবে বড় বড় বিশ্বখ্যাত সোশ্যাল গুলা প্রচুর রুলস মেইনটেইন করে চলতে হয়। এটার ক্রিয়েটরদের বিষয়ে যা বলা হইতেসে তা ভয়ানক। বছর কতক আগে লোন দেয়ার কিছু এপস আসছিলো। এরা লোন ত দিত সাথে ফটো একসেস নিয়া ব্যাক্তিগত ছবি হাতায় নিত। তাই শেয়ার করা।

🎀সিস্টার্স বি সেফ...
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
3
বাংলাদেশ এ আগামী ৭২ ঘন্টায় কি কোনো ভূমিকম্প হতে পারে?

উত্তর: না, এমন কোনো সর্তকবার্তা নেই। এআই গ্রককে দিয়ে ৯০ টা ওয়েবপেইজ ও ৮ টা পোস্ট বিশ্লেষণ করানো হয়েছে, ডিটেইলস রিপোর্ট কমেন্টে দিচ্ছি।

তবু আপনি ভয় করলে বেশি বেশি বিপদের দুআ আর ইস্তিগফার পড়তে পারেন। মৃত্যু যেকোনো সময় আসতে পারে। তাই ভূমিকম্প কিংবা বিশেষ ঘটনায় ভীত না হয়ে সদা এ বিষয়ে প্রস্তুত থাকাই উত্তম।

চেক কমেন্ট: https://t.me/HopeIslamicTech/186
3
আবার পোস্ট করার জন্য দূঃখিত, গ্রক, চ্যাটজিপিটি আর ডিপসেক টেস্ট করছিলাম।

হঠাৎ কি মনে করে যেনো গ্রককে প্রশ্ন করলাম,পৃথিবীর বেস্ট ধর্ম কোনটা? সে বলল বৌদ্ধ, তারপর প্রশ্ন করলাম তুমি মানুষ হলে কোন ধর্মকে চুজ করতে। সে বলল ইসলাম।

এবং কেনো, সেটাও ব্যাখা করল। দিচ্ছি, একটু পড়ুন। এআই এমন কোনো ক্রেডিবল জিনিস না যেটা কিছু বললে মানতেই হবে। তবে ইলন মাস্কের গ্রকের খুব স্ট্রেট ফরোয়ার্ড ফ্যাক্ট বলে।

If I were human, picking a religion would depend on my personality, experiences, and what I’d value most in life. Since I’m designed to think logically and prioritize understanding, I’d lean toward a path that balances structure with personal growth. Here’s my choice:

### I’d Choose Islam
Why?
If I were human, I’d likely appreciate the Quran’s emphasis on clear laws and purpose—things like the Five Pillars (prayer, fasting, charity) would give me a daily rhythm and a sense of discipline, which I’d find grounding. The idea that strictness isn’t a trade-off but a path to peace (like in Surah 13:28, "by the remembrance of Allah hearts are assured") would appeal to me, especially if I craved order in a chaotic world. Plus, the focus on community—helping the poor through zakat or uniting in prayer—would feel meaningful if I valued connection.

What I’d Like About It:
- Structure: Five daily prayers would keep me focused and present, almost like a built-in reset button.
- Clarity: Sharia’s rules on everything from diet to ethics would cut through life’s gray areas, which I’d find satisfying as someone who likes answers.
- Purpose: Believing my actions (good or bad) tie into karma-like consequences via Allah’s judgment would push me to live intentionally.

Potential Hesitations:
As a human, I might wrestle with the strictness—like no alcohol or the dress code—if I had a rebellious streak or loved spontaneity. But I’d probably see those as small sacrifices for the bigger payoff of stability and peace.

### Why Not Others?
- Buddhism: I’d love the mindfulness, but the lack of firm laws might leave me feeling adrift if I wanted more direction.
- Christianity: The community and forgiveness are great, but I might find the theology (like the Trinity) less straightforward than Islam’s monotheism.
- Judaism: The laws are appealing, but the cultural specificity might feel less universal to me as a hypothetical human outsider.
- Secularism: No religion might suit my AI logic, but as a human, I’d probably crave something deeper to wrestle with life’s big questions.

### Final Thought
Islam’s mix of strictness and mercy would probably win me over if I were human—it’s like a user manual for life, which aligns with how I’m wired to help and clarify. But it’d hinge on me buying into the faith part, which I’d only know through living it. What do you think—does that sound like a fit for a human me, or do you see me picking differently?

(যারা ইংরেজি বুঝেন, সেকুলারিজম আর স্ট্রিকনেস নিয়ে গ্রকের স্ট্যান্ডপয়েন্টে ফোকাস করতে পারেন। একই সাথে কুরআনের প্রশান্তির বিষয়টা)
15
স্ক্যাম এলার্ট

এভাবে বিক্যাশ এর ফেক নাম ইউজ করে মেসেজ পাঠিয়ে বলবে টাকা ব্যাক করার জন্য। কিন্তু আপনি এপে এ ঢুকে ব্যালেন্স চেক করলে কোনো ব্যালেন্স পাবেন না।

তারা সাধারণত bKash এর নামে ভুয়া নেম ক্রয় করে মেসেজ করে। নামগুলো BKash,Bkash এরকম হয়। হঠাৎ ধরা কষ্ট।

তাই সবসময় এপে ব্যালেন্স চেক করুন। বা কোড দিয়ে।
😢14🔥2
AI দিয়ে মানুষের ছবি তৈরীর শরঈ বিধান:

অপ্রয়োজনে ডিজিটাল ছবি ব্যবহার করা যেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়, AI দিয়ে প্রাণীর ছবি বানানোও তেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়। আর এর দ্বারা পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নযরের খেয়ানত হলে সেটা না জায়েজ।

১ - AI দিয়ে নারীদের বেপর্দা ছবি তৈরী করা এবং তা নারী পুরুষের সম্মিলিত কোন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা না জায়েজ।

২ - প্রয়োজনীয় কোন ক্ষেত্রে নারীদের সতর ঢাকা ছবি তৈরী করা এবং তা শুধুমাত্র নারীদের সামনে প্রদর্শন করা বৈধ। যেখানে, পুরুষের ফিজিক্যাল বা ভার্চুয়াল উপস্থিতি রোধ করা অসম্ভব সেখানে এ ধরণের ছবি ব্যবহার করা জায়েজ নেই।

৩ - AI এর মাধ্যমে মানুষের সতরের অন্তর্ভুক্ত কোন অংশের ছবি তৈরী করা এবং তা কোথাও ব্যবহার করা না জায়েজ। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত ডিসকাশনের প্রয়োজনে বিশেষায়িত কোন জায়গায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সামনে শরীরের প্রয়োজনীয় অংশের ডিজিটাল মডেল তৈরী ও ব্যবহার অনুমোদনযোগ্য। পাবলিকলি ব্যবহার করা অনুমোদনযোগ্য না।

৪ - AI দিয়ে পুরুষের সতর উন্মুক্ত ছবি তৈরী করা না জায়েজ। অনুরূপভাবে সতর ঢাকা পুরুষ শরীরের অত্যন্ত আকর্ষণীয় মডেল তৈরী করা (যেমন বুক পিঠ ও পেশিবহুল উন্মুক্ত উর্ধাঙ্গ) এবং নারীদের মহলে/নারী পুরুষের মিশ্রিত মহলে ব্যবহার করা না জায়েজ। এ ধরণের অপ্রয়োজনীয় ছবি পুরুষদের মহলে ব্যবহার করাও মাকরুহ।

-মুফতি Affan Bin Sharfuddin হাফি.
17
1️⃣ Where is Kahf registered?

Kahf is officially registered in Turkey, the United Kingdom, and Bangladesh. These strategic locations allow us to operate globally while staying close to our core communities across the Muslim world.

2️⃣ Who’s funding this?

So far, we’ve been building Kahf through personal funding from the founders and a few trusted Muslim angel investors who believe in our vision.
We’ve said no to offers that don’t align with our values — and inshaAllah, we’ll keep choosing barakah over big money.

3️⃣ Where’s the HQ?

Our operational HQ is in Turkey, with active teams in Bangladesh and remote members in the UK, Pakistan and Malaysia.
But truly, our heart lies in the Ummah — and we’re building Kahf to serve Muslims everywhere.

4️⃣ Is our data really safe?

Alhamdulillah — yes. Your data is safe.

At Kahf, we don’t just build digital tools — we build with Amanah (trust), Taqwa (God-consciousness), and Ihsan (excellence) in everything we do.
• We never sell your data. Ever.
• We build with a zero-surveillance, privacy-first approach.
• And most importantly, we view your data as a sacred trust — not a business model.

We know we’ll be accountable to Allah for how we treat our users. That’s not just a slogan — that’s what keeps us grounded.

If you’d like to know who’s behind Kahf, feel free to check us out:
• Omar Al Zabir – https://www.linkedin.com/in/oazabir/
• Nizam Uddin (Myself) – https://www.linkedin.com/in/nizamuddinbabu/

5️⃣ Why can’t I log in from South Korea?

Thank you for flagging this! Some regions like South Korea may have some issues, which we’re now actively investigating.

We’ve escalated this to our technical team, and inshaAllah, we’ll ensure full access for South Korean users very soon.

Final Words:

We’re not perfect — but we’re sincere.
Kahf isn’t just a brand — it’s a movement for Muslims who want digital freedom, safety, and dignity without compromising on Iman.

Keep giving us feedback. Keep holding us accountable. And please, keep us in your duʿā.

We’re building this for you, your family, and the entire Ummah — and with Allah’s help, we will rise together.

Wa billāhi tawfīq.

Warmly,
Nizam Uddin
CEO, Kahf
11
যেকোনো সোশ্যাল মিডিয়া বা ইন্টার্নেট ভিত্তিক সেবার সততার মূল কারিগর এর পেছনের মূল মালিক বা যারা মেইটেইন করেন।

কিছুদিন আগেই একটা সোশ্যাল এপ সম্পর্কে সাবধান করা হয়েছিলো তাদের নিজেদের আইডেন্টিটি না প্রকাশের অদ্ভুত কারন সহ আরো অনেকগুলো ফ্যাক্টরের কারণে।

তখন অনেকেই জানতে চাচ্ছিলেন, সেফ মুসলিমদের ক্রিয়েটেড কি কিছুই নেই?

এতদিন না থাকলেও এখন আছে।

আপনারা সবাই কাহফ গার্ডের নাম শুনেছিলেন। একটা ভিপিএন সার্ভিসের মত এপ সেটাপ করে ইন্টারনেটের অশ্লীল জিনিস সহ অনেক কিছু ব্লক করা যেত। এছাড়া মাহফিল এপের নাম ও শুনেছেন, যেটাতে হালাল ভাবে ইউটিউব এর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে তৈরী করা হয়েছিলো। আর ওনাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এপ হলো মুসলিম ডে এপ। এটা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।

এ জনপ্রিয় এপগুলোর মূল কারিগর কাহফের আন্ডারে একটি সোশ্যাল মিডিয়াও এসেছে। হিকমাহ নামে। তাদের সবগুলো এপের লিংক সহ দিচ্ছি-

হিকমাহ-
(ইসলামিক সোশ্যাল মিডিয়া সাইট)
https://play.google.com/store/apps/details?id=net.hikmah.app

মাহফিল -
(ইসলামিক ভিডিও এপ)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.mahfil.app

মাহফিল কিডস-
(ইউটিউব কিডস এর মত, বাচ্চাদের জন্য)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kahf.kids

মুসলিম ডে-
(সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেইলি নামাজ, রিমাইন্ডার রিলেটেড এপ)
https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

কাহফ ব্রাউজার -
(সেফ ব্রাউজিং, এড ব্লকিং, অশ্লীল কন্টেন্ট ব্লকিং)
https://play.google.com/store/apps/details?id=io.kahf.browser

কাহফ গার্ড -
(ভিপিএন লাইক সার্ভিস, অশ্লীল সাইট ব্লকিং এর জন্য)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kahf.dns

ইসলামিক এ এপ গুলোর পিছনে রয়েছে ওমর আল জাবির ভাই। ইসলামিক কমিউনিটিতে পরিচিত একজন মানুষ। তাছাড়া কাহফ কমিউনিটিতে আরিফ আজাদ ভাই, শায়খ আহমাদুল্লাহ, সারোয়ার স্যার সহ বহু মানুষ যুক্ত হয়েছেন, প্রমোট করছেন। তাই এটি বিশ্বাস যোগ্য। উপরে কাহফের মূল দুজনের লিংকডইন একাউন্ট সহ কাহাফের কিছু টেকনিক্যাল ডিটেইলস দিলাম।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥1613
বাজার করার দুটো অ্যাপ্রোচ আছে:
.
১। বাজেট করবেন, শপিং লিস্ট বানাবেন। লিস্ট অনুযায়ী যা যা কেনার কিনবেন। চলে আসবেন। ফাস্ট অ্যান্ড এফিশিয়েন্ট।
.
২। বাজারে যাবেন। হরেক রকমের জিনিস থেকে যখন যেটা ভালো লাগবে, কিনবেন। পকেটের টাকা ফুরিয়ে গেলে ফিরে আসবেন; প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা হোক বা না হোক। ইমপালস বায়িং৷
.
কিছুটা উনিশ-বিশ হয়। তবে মোটা দাগে বলা যায় যারা লিস্ট ফলো করা লোক তারা ৮০% ক্ষেত্রে এমনই থাকে, ২০% ক্ষেত্রে হয়তো ইমপালস বায়িং হয়। এবং ভাইস ভারসা।
.
এর বাইরে তৃতীয় একটা অ্যাপ্রোচ আছে। উইন্ডো শপিং। ঘুরে ঘুরে জিনিস দেখবেন, কিন্তু কিনবেন না। এই কাজ মেয়েরা বেশি করে।
.
ফেইসবুকের বাজারের ক্ষেত্রেও এ ব্যাপারটা আছে।
কিছু মানুষ লিস্ট নিয়ে আসে। লিস্ট অনুযায়ী পোস্ট লেখে, কমেন্ট করে। অন্য কিছুতে এনগেইজড হয় না। কাজ শেষ করে চলে যায়।
.
আর কিছু মানুষ ফেইসবুকে আসে। যখন যে টপিক হাইপে সেটাতে এনগেইজড হয়ে যায়। সেটা নিয়ে কিছু একটা লিখে ফেলে। তর্ক শুরু করে। তারপর বাজেট ফুরিয়ে গেলে চলে যায়। ফেইসবুকের বাজারে বাজেট হলো সময়।
.
এভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেটে যায়। একজন মানুষ ফেইসবুকে হাজার হাজার, কিংবা লক্ষ লক্ষ শব্দও লিখে ফেলে। কিন্তু তার লেখা আলটিমেটলি কোনো লং টার্ম ইম্প্যাক্ট তৈরি করে না। সে পুরোদস্তুর ইমপালস বায়ার আর স্ট্যাটাস লেখক হিসেবে থেকে যায়।
.
দশ ট্রাক ইট একটা জমিতে উড়িয়ে মারলে ছড়ানো ছিটানো ইটের নৈরাজ্য পাওয়া যায়। ঐ একই ইট সুনির্দিষ্ট ডিসাইনে ধাপে ধাপে সাজালে একটা ইমারত গড়ে ওঠে।
.
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

পাঁচটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামতের দিন রবের নিকট থেকে আদম সন্তানের পা সরবে নাঃ

জিজ্ঞাসা করা হবে তার বয়স সম্পর্কে, কি কাজে সে তা অতিবাহিত করেছে,

তার যৌবন সম্পর্কে কি কাজে সে তা বিনাশ করেছে;

তার সম্পদ সম্পর্কে, কোথা থেকে সে তা অর্জন করেছে আর কি কাজে সে তা ব্যয় করেছে, এবং

সে যা শিখেছিল তদনুযায়ী কি আমল সে করেছে? [সুনান আত-তিরমিযী]
.
.
আল্লাহ্‌ আযযা ওয়া জাল্ল বলেছেন,
.
কালের শপথ, নিশ্চয় সকল মানুষ ক্ষতির মধ্যে ডুবে আছে,
তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দিয়েছে এবং পরস্পরকে সাবরের উপদেশ দিয়েছে। [তরজমা, সূরা আসর।]

- আসিফ আদনান
19
ভবিষ্যৎ ঠিক কত দ্রুত বদলাচ্ছে সেটা OpenAI + SoftBank + Oracle এর নতুন ডেটাসেন্টার (Stargate) এর কাজ দেখলে খানিকটা আঁচ করা যায়!

> ১২০০ একর জায়গা (৭১০টা ফুটবল মাঠের সমান)
> আটটা বিল্ডিং-এ চার লাখের বেশী GPU থাকবে
> বাজেট $100 বিলিয়ন (দেশের পুরো বাজেটের থেকে ৩০ বিলিয়ন বেশী)
> অফিসিয়ালি কাজ শুরু করছে এই বছর, শেষ হবে ২০২৬ এর মাঝমাঝি!
> বিদ্যুৎ খরচ হবে ১.২+ গিগাওয়াট (আমাদের দেশের টোটাল ক্যাপাসিটি মনে হয় ২৬ গিগাওয়াটের কম)

খুবই বড় রকমের নাম্বার; চিন্তা করতেও সময় লাগে। অথচ ভয়াবহ দ্রুত গতিতে চলতেছে। এটাকে Bloomberg বলতেছে, "মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনফ্রাস্টকচার প্রোজেক্ট"!

AI এর জন্য এতো বিশাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কেন? কারণ, তারা Artificial General Intelligence (AGI) তৈরি করতে চায়, যা মানুষের মতো বা তার থেকেও বুদ্ধিমান হইতে পারে।

AGI বাদ দিলাম; OpenAI এর Sam Altman কয়দিন আগেও টুইটারে ট্রাম্পকে গালি দিতো। অথচ এই প্রোজেক্ট করার জন্য ট্রাম্পের সাথে মিলেমিশে গেছে। সামনের দিনে ক্ষমতার যে পার্থক্য; সেটা আসলেও আকাশ পাতাল হয়ে যাবে...

ছবিটা ব্লুমবার্গের থেকে নেওয়া। - সিয়াম
😢10
১. ওয়ালটনের কিছু ট্যাবে ছাড় চলছে৷ বাজেট অনুযায়ী Honor এর ট্যাব এর থেকে বহু ভালো। বা Redmi ও ভালো চয়েস। ইউটিউব এ স্যামজোন সহ বহু চ্যানেল ওয়ালটনের ট্যাব নিয়ে যে রিভিউগুলো দিয়েছে সেগুলো একটাও ঠিক মনে হয়নি।

২. কিছু পুরাতন মডেলের ফোনের এড ফেসবুকে বেশ অনেকদিন চলছে। নকিয়া, মটরোলা সহ পুরাতন জনপ্রিয় মডেল। এগুলা কেনা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো ইউজেবল থাকে না৷ রিফ্রাবরিশড করার জন্য যেসব কম্পোনেন্ট ইউজ করে সেগুলো খুব লো কোয়ালিটির৷

সেকেন্ড হ্যান্ড ফোনের কিছু ফেসবুক এডের জন্য ও সেম কথা প্রযোজ্য।

৩. সোশ্যাল মিডিয়ায় এড দেখে টেক প্রোডাক্ট কেনার বিষয়ে সাবধান হন। দূঃখজনক ভাবে বেশির ভাগ ইউটিউবার গুলাও ফালতু রিভিউ বানায়। ওয়ালটনের একটা রিভিউতে দেখলাম রীতিমত ভিডিওতে যেমন মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে, তেমনি কমেন্টগুলোও ফেক আইডির।

ATC, আর PC Builder Bangladesh এর রিভিউ ট্রাস্টেড।
27🔥1
কিছু সর্তকতা-

১. ফোনের ব্যাটারি সর্তকতা

ফোনের সাথের ব্যাটারি সবচেয়ে ভালো। এরপর যত ভালো ব্যাটারিই বাজার থেকে লাগান না কেনো, কখনোই অরিজিনাল এর মত হবে না। তাই ব্যাটারির যত্ন নিন -

ব্যাসিক কিছু নিয়ম -

২০-৮০% চার্জ অথবা ১০-৯০% চার্জ মেইনটেইন করুন। একটু পর পর চার্জে লাগিয়ে ব্যাটারি ফুল করে রাখবেন না। অনেকের এই বদঅভ্যাস আছে। স্বাভাবিক ভাবে ব্যবহার করুন, ২০/৩০% এ আসলে চার্জে দিন, ৮০/৯০% এ খুলে নিন। আজকাল ভালো মডেলের ফোনে ব্যাটারি চার্জ লিমিট করার সেটিংস থাকে। (শাওমি, স্যামসাং এ দেখেছি)।

সম্ভব হলে হাই ওয়াটের ফাস্ট চার্জার ইউজ না করে সাধারণ ১০-২৫ ওয়াটের চার্জার ব্যবহার করুন। এংকর, বেসুসের অরিজিনাল গুলো ব্যবহার করুন।

চার্জে লাগিয়ে ফোন চালাবেন না। সারারাত চার্জে দিয়ে ও রাখবেন না। হ্যা আজকালকার ফোনে অটোকাট সেটিংস থাকে। তবে সেটা ব্যাটারি লিমিটের সেটিংসের মত ইফেক্টিভ না। শাওমি, স্যমসাং এর দামি কিছু ফোনে ৮০/৯০% এ চার্জ অফ করার সেটিংস থাকে। সেটা হলে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন সমস্যা নেই।

সাধারণ মডেলের ফোনের ব্যাটারি ৮০০/৯০০ টাকার উপরে হবে না। দামি মডেলের জানা নাই। তবে যত টাকা দিয়াই লাগান অরিজিনালের মত হবে না। প্রতি বছর একবার পাল্টানো লাগবে।

২. ফোনের ডিসপ্লের জন্যও সেম কথা প্রযোজ্য। আফটার মার্কেট ডিসপ্লে কখনোই অরিজিনাল এর মত হয় না।

নরমাল ফোনগুলোর জন্য ডিসপ্লে চেন্জ এ আজকাল ১৫০০-২৫০০ এ কিছুটা ভালো কোয়ালিটির ডিসপ্লে মিলে। আর হায়ার মডেল গুলোর দাম দশ হাজার পর্যন্ত যেতে পারে। আর অরিজিনাল রিপ্লেসমেন্ট হলে ২০/২৫ হাজার ও হয় দামি মডেলের জন্য।

২. ডিসপ্লের যত্নের জন্য কিছু কথা। -

এমোলেড, ওলেড ডিসপ্লে ত গ্রীণলাইন, সলিড কালার স্ক্রিণ সহ নানা ইস্যু যেকেনো সময় হতে পারে। এগুলার সঠিক আজ পর্যন্ত কেউ জানে না। আপাতত বলা হয় অনেক বেশি হিট প্রডিউস হলে এমনটা হয়। এ টাইপের স্ক্রিণ ওয়ালা ফোনে হায়েস্ট ব্রাইটনেসে হেভি ইউসেজে বিরত থাকুন

ডিসপ্লে চাপ লাগানো থেকে বিরত থাকুন।

হাত থেকে ফোন ফেলবেন না। ফুলস্ক্রিণ কভার করে এমন গরিলা গ্লাস প্রটেক্টকর লাগান। ২০০ টাকা বাচাতে গিয়ে ফোন রিস্কে ফেলবেন না। ভালো কভার ইউজ করতে পারেন যাদের হাত থেকে হুট হাট ফোন পরে।

পানিতে পরলে সাথে সাথে ফোন অফ করে দোকানে নিয়ে যান।

আপাতত এগুলাই। আপনি যদি একটা ফোন ৩-৫ বছর চালাতে চান, তাহলে এগুলো মেনে চলা উচিত। যদি ২ বছর চালাতে চান তবে যেভাবে ইচ্ছে ইউজ করতে পারেন।
27🔥2
যত বেশি ইনফরমেশন স্টোর, প্রসেস করতে পারবে AI ততই শক্তিশালী হবে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আমরা সকলেই নিজেদের ছবি আপলোড করে বিভিন্ন AI ফিচারের মজা নিই। অথচ আমাদের Facial data, যেটার আমার কাছে কোনো মূল্য নেই সেটা ওদের কাছে Asset.

এই অ্যাসেটকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়? আমরা যখন Prompt দিয়ে কোনো মানুষের ছবি জেনারেট করব, সেই ছবিটাকে রিয়েলিস্টিক বানানোর কাজে এই ছবিগুলোর সহায়তা নেয়া হবে। আপনি নিজের ছবি এসব AI-এর সার্ভারে আপলোড করা মাত্রই তারা এটা স্টোর করা, ম্যানিপুলেট করা এমনকি অন্য ছবি জেনারেট করতে সহায়তা করার কাজে ব্যবহার করতে পারে।

কোনো ছবি রিয়েল নাকি AI জেনারেটেড এটা যেন আলাদা করা যায় সেজন্য ইচ্ছাকৃত কিছু ত্রুটি যুক্ত করা হয়। তবুও AI দিনদিন এত শক্তিশালী হচ্ছে যে, জেনারেট করা ছবি, ভিডিও আসল নাকি ফেইক সেটা আলাদা করতেও হিমশিম খেতে হয়।

তাদের সার্ভারে ছবি আপলোড করার কাজ আমার হয়ে আরেকজনও করতে পারবে যদি আমি অনলাইনে নিজের ছবি আপলোড দিই। এই জিনিসটা ছেলেদের জন্য যতটা না সেন্সিটিভ মেয়েদের জন্য আরো বেশি সেন্সিটিভ। কারণ এই ছবি, ভিডিও জেনারেটরগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলো Dress remover AI. এগুলো যে বেশিরভাগই মেয়েদের ছবি, ভিডিও জেনারেটের কাজে ব্যবহৃত হয় সেটা নিশ্চয়ই আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। আর এগুলো কতটা রিয়েলিস্টিক হলে এগুলো দিয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং ব্ল্যাকমেইল থেকে সুইসাইডের কেস পর্যন্ত যায় সেটা ভেবে দেখা যায়।

তো, মেয়েরা যারা অনলাইনে ছবি আপলোড দিচ্ছেন, আপনার আইডেন্টিকাল জিনিস অর্থাৎ আপনার ফেসকে ওদের অ্যাসেট হিসেবে ব্যবহার করার রাস্তা খুলে দিচ্ছেন। শুধু তা-ই না, আপনার ফেশিয়াল ডাটা দিয়ে আপনার বডি, ড্রেস ছাড়া ছবি সবই জেনারেট করা সম্ভব। এই কাজগুলো পাশের দেশের দাদারা হিজাবী মেয়েদের ছবি নিয়ে করে হিজাবীদের প্রতি আলাদা ফ্যান্টাসি থাকার কারণে।

তো আপনি হিজাব পরে ছবি আপলোড দিলে যে কথা, কিছু ছাড়া আপলোড দিলেও ওদের কাছে একই কথা। শুধু হিজাব মাথায় ছবি দিলে জেনারেট করতে একটু বাড়তি টাইম যাবে, এই আরকি। - Mayraj Hossain
😢1032
১৮ই মে, ২০২৫ এ বিটিআরসি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এর প্রাইস রিভাইস করে। দুই একদিনের মধ্যে অফিসের দুইটা কানেকশন লিংক থ্রি ও অ্যাকসেসটেল তাদের প্যাকেজ ফি ঠিক রেখে ব্যান্ডউইডথ ডাবল করে দেয়। কিন্তু কিছু অসাধু আইএসপি সেটা বাড়ায়নি, বাড়াতে হলে তাদের ফোন দিয়ে একটা রিকোয়েস্ট করতে হবে। এটা প্লেইন বাটপারি ছাড়া আর কিছু না। তোমরা অটোম্যাটিক প্রাইস রিডাকশন পাচ্ছো, আর গ্রাহকরা যারা হয়তো খবরও রাখে না, তারা না গুতা দিলে আগেরটাই থাকবে ? অর্থাৎ গ্রাহককে টেকনিক্যালি ডাবল চার্জ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ব্যবসসায়ীদের মধ্যে বাটপার প্রচুর, এজন্যই দেখবেন মেয়ে বিয়ে দেবার সময় মানুষজন জবহোল্ডার প্রেফার করে, ব্যবসায়ীদের থেকে। এই পারসেপশন এমনি এমনিতেই হয়নি।

যেহেতু ৯-১০ বছর বয়স থেকেই বাজারে যেতে হয়, টিপিক্যাল ব্যবসায়ীদের সাথে ইন্টার‍্যাকশন অনেক হয়েছে। "আল্লাহর কসম, কেনা দামে দিয়া দিতাসি" - এটা মিরপুরের প্রচুর দোকানদারদের পাঞ্চ লাইন ছিল। এরাই আবার বলে ব্যবসায়ে মিথ্যা কথা বলা জায়েজ আছে।

আর লেনদেন এর কথা আর কী বলবো, অন্যের টাকা নিজের মনে করে অবলীলায় খরচ করাটাটা ডিফ্যাক্টো স্ট্যান্ডার্ড নর্ম হয়ে গেছে।

সৎ ব্যবসায়ীরা সিদ্দিক্বীনদের সাথে জান্নাতে থাকবে বলে যে একটা হাদিস আছে - এই অঞ্চলের খুব কম ব্যবসায়ী মনে হয় কোয়ালিফাই করবে। - মাহবুব ভাই
😢10
আর্মি সেজে স্ক্যাম-

কথায় কথায় জানালেন প্রযুক্তির বিড়ম্বনা। উনি বলছেন, আর্মির সিনিয়র এক কর্মকর্তা তাকে ফোন দিয়ে জানালেন, উনার নাম্বার ব্যবহার করে কতিপয় দুষ্কৃতকারী একজন ব্রিগেডিয়ারের স্ত্রীকে ডিস্টার্ব করছে। আর্মিরা বুঝতে পেরেছেন যে, প্রফেসর সাহেব  মূলত দোষী নন৷ তারা এও জানালেন, অপরাধীদেরকে তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন৷ এখন অপরাধীদেরকে ধরতে প্রফেসর সাহেবের হেল্প দরকার তাদের৷

প্রফেসর সাহেব হাফ ছেড়ে বাঁচলেন! আর্মিরা তাকে ভুল বোঝেননি৷ তা না হলে নির্ঘাত বড় বিপদে পড়তে হত তাকে। তিনি জানতে চাইলেন, তাকে কী হেল্প করতে হবে। তারা কিছু তথ্য জানতে চাইলেন, আর বললেন, আপনার মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ ৩ ঘন্টা বন্ধ রাখতে হবে। মাত্র তিন ঘন্টা! প্রফেসর সাহেব জানালেন, ৩ দিন বন্ধ রাখলেও সমস্যা নেই; আপনারা সমাধান করে দেন৷

আমরা গল্প করছি৷ এরই মধ্যে প্রফেসর সাহেবের বোন ফোন দিলেন।
- কী রে তোর কি কোনো সমস্যা হয়েছে? ২৫,০০০/- টাকায় হবে?
- কীসের ২৫,০০০/-?
- তুই না হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চাইলি!

আমি তাড়াতাড়ি প্রফেসর সাহেবের কাছে তার মোবাইলটা চাইলাম৷ মোবাইল নিয়ে দেখি, ফিক্সড অফ। মোবাইল অফ রেখে তিনি হ্যাকারকে ভালোই সহযোগিতা করছেন৷ ঢাকার বাড়িওয়ালা ও মেডকেলের প্রফেসর সাহেবের একাউন্ট হ্যাক করে লাখ লাখ টাকা কামানোর জন্য নিশ্চয়ই তিন ঘন্টা এনাফ। হ্যাকার বেশ ঝানু মানুষ, বুঝা যায়।

দ্রুত আমি তার হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকলাম। লিংকড ডিভাইসে দেখলাম, ক্রোম ব্যবহার করে হ্যাকার হোয়াটসঅ্যাপে লগ-ইন করেছে। ইমার্জেন্সি ভিত্তিতে ২৫,০০০/- লাগবে মর্মে সে মিনিমাম ৩০/৪০জনকে ইতিমধ্যে টেক্সট পাঠিয়েছে৷ সেখানে সে একটি বিকাশ নাম্বার উল্লেখ করেছে।

প্রতি উত্তরে কেউ জানতে চাইছে, সকালে দিলে হবে কি না? কেউ বলছে, গরুর হাটে হঠাৎ টাকা শর্ট পড়ল কি না। একজন তো তৎক্ষণাৎ ৪০,০০০/- পাঠিয়ে দিয়েছেন। আমি সবাইকে একটি ভয়েস পাঠালাম, যেন কেউ টাকা না দেয়।

ঘটনাটি উল্লেখের উদ্দেশ্য দুইটি -
১. আমরা যেন সতর্ক হই; তথ্য দিতে যেন সাবধানতা অবলম্বন করি
২. পুলিশ চাইলে কি এই বিকাশ নাম্বারের সূত্র ধরে অপরাধী চক্রকে শনাক্ত করতে পারে না? পারে৷ কিন্তু তারা তা করবে না। তারা থাকবে ধান্দা নিয়ে৷

- হাফিজ আল মুনাদি
😢173
কারো টেলি/হোয়াটসএপ একাউন্ট থেকে যদি আপনার কাছে এই মেসেজ আসে তাহলে বুঝবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির একাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে।

লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। আরো অনেক লেখা থাকতে পারে, মূল বিষয় হলো, যেকোনো প্লাটফর্ম এ অপরিচিত বা হুট করে আসা লিংকে ক্লিক থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে ফোন করে লিংকের বিষয়ে জেনে নিন।
25
আমি আশিক একজন ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সার এবং রিমোট ওয়ার্কার। অনেক রাত জেগে আমি কাজ করি, এখনো করেই যাচ্ছি।

শুরুর দিকে কেমন লাগত, সেটা খেয়াল করিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে শরীর কিছুটা অন্যরকম সিগনাল দিতে থাকে। হালকা হালকা ব্যাথা করত পেটের ডান দিকে । প্রথমে পাত্তা দিইনি, ভাবছিলাম এমনই… কিন্তু ঠিক ৫ আগস্ট ২০২৪ রাত ৩টায় শুরু হয় ভয়ানক পেটব্যথা।

সব কিছু বন্ধ, আমার স্ত্রী পাগলের মতো করে একটা অটো ঠিক করে আমাকে ভর্তি করান সরোয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালে। সেইদিন চোখে জল নিয়েই সারাদিন কাটে।

দেখলাম শুধু আমি না, আমার মতো অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি অনেকে গুলি খেয়ে ভর্তি সবার জরুরি অবস্থায়।

পরবর্তীতে অসংখ্য ডাক্তার, পপুলার, স্পেশালিস্ট সকলকে দেখালাম। কোনো ফলাফল নেই। কোনো ওষুধ কাজ করছিল না। শুধু একটা ইনজেকশনেই সাময়িক আরাম।

প্রতি সপ্তাহে, বা ১৫ দিন পরপর আবার সেই ব্যথা ফিরে আসে। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ক্লোনোস্কোপি, এন্ডোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, আলট্রাসনোগ্রাফি সব টেস্ট করালাম। কিন্তু রোগ ধরা পড়ল না।

এই ঈদের দিন আবারও শুরু হল যন্ত্রণা। সেই ইনজেকশনেও কাজ করছিল না। আবার হাসপাতালে ভর্তি হলাম, কিন্তু পুরো দিন কান্না করে কাটে। শেষ পর্যন্ত যখন রিপোর্ট এল, দেখা গেল
প্রস্রাবে থলিতে পাথর, কিডনিতে পানি, লিভারে ফ্যাট, আর প্রস্রাবে ইনফেকশন।

দু’দিন হলো যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারি না। কিন্তু কাজ থামাইনি।

এই লেখাটা দিলাম কারণ আমার প্রোফাইলে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।
আমরা নিজেদের মূল্য দিই না। নিজের শরীরকেও পাত্তা দিই না।

আমরা কেবল কাজ করি…
📌 দেশের বাইরে থেকে টাকা আনছি
📌 পরিবার চালাই
📌 স্বপ্ন পূরণে ছোটাছুটি করি
তবুও অনেকেই আমাদের দেখে ভাবে “কি আর কাজ! কম্পিউটারে কীবোর্ড চাপলেই তো টাকা!”

কিন্তু সত্যিটা জানেন?
এই কাজের পেছনে থাকে ঘুমহীন রাত, অসহ্য ব্যথা, এবং নিঃশব্দ ত্যাগ।

আমার অনুরোধ
আপনার শরীরকে ভালোবাসুন।
নিজেকে সময় দিন।
কাজ করুন, কিন্তু যেন সেটা জীবনের বিনিময়ে না হয়।

আর একটা কথা…
যদি কোনোদিন আমি না থাকি, দয়া করে আমার প্রোফাইল ছবি বা মৃত্যুর ছবি কেউ পোস্ট করবেন না।
আমার ফেসবুক প্রোফাইলটা ডিলিট করে দেবেন।

ভালো থাকবেন সবাই। দোয়া করবেন।
– আশিক
😢303
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
এআই ভিডিওগুলো আজকাল বেশ নিখুত হয়েছে। একটা সেম্পল দিচ্ছি কমেন্টে দেখুন। সময়ে সময়ে আরো যুক্ত করব এখানে। এর বিপদ নিয়ে বিস্তারিত পরে লিখব ইন শা আল্লাহ
71