Hope: Islamic Tech
3.62K subscribers
107 photos
6 videos
7 files
56 links
Hope এর টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর সমাধান এখানে দেয়া থাকবে ইন শা আল্লাহ
Download Telegram
দ্যা অনলাইন স্ক্যাম - ১

এ লেখাটা বোনদের জন্য বিশেষ করে। রিসেন্ট একটা ঘটনায় দেখা গিয়েছে এক ছেলে মেয়ে সেজে নানারকম কারসাজি করছে। এবং মেয়েদের মাঝে মেয়েদের ছবি নিয়ে ভিক্টিম বানিয়ে নিজের কাজ হাসিল করছে। যাই হোক, কাজের কথায় আসি।

➡️ফেসবুক: যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়া বলতে আমাদের দেশে এটাই প্রচলিত তাই ফাঁদ হিসেবে এটাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। ফেসবুকে কিছু কাজ অবশ্য করণীয়

- বার্থডে অনলি মি করা
- নম্বর/ইমেইল অনলি মি করা
- আইডি পরিচিতদের মাঝে শেয়ার না করা। আইডি পাস। অনেকে হুটহাট আইডি পাস দিয়ে আইডি শেয়ার করে। এগুলা ভালো প্রাকটিস না।

যে তথ্যা আপনার শেয়ার করা উচিত নয়।

- ছবি (এটা নিয়ে আলাদা পর্ব আসবে)
- মা বাবার নাম
- সম্ভব হলে নিজের নাম পুরোটা ডিসক্লোজ না করাই ভালো। বিনতে, ইবনে দিয়ে নাম তৈরী করে নেয়া।
- একুরেট বাড়ির ঠিকানা না দেয়া
- এমন আত্নীয় বা বান্ধবিদের আইডিতে রাখার ব্যাপারে সর্তকতা যারা কমেন্টে এমন ভাবে বিহেভ করে যে তারা আপনাকে চেনার বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার হয়ে যায়। রিসেন্ট আইডেন্টিটি ভেরিফাই এর জন্য ব্যাক্তির আইডি থেকে ব্যাক্তির আইডিতে এমন কমেন্টগুলোতে গুরত্ব দিতাম যাদের কমেন্ট দেখে মনে হত এদের চিনে সে। তারপর সে আইডি থেকে ব্যাক্তির স্কুল কলেজ ধারণা করা সহজ।

যেমন, বান্ধবি কলেজে ত আসিস নি। ব্যাস তারা একই কলেজে পড়ে, এরপর তার আইডি থেকে লোকেশন বের করা সহজ।

➡️মেসেন্জারে-

- যত কাছের বান্ধবি হোক, মেসেন্জার, টেলি হোয়াটসঅ্যাপ এ ছবি না দেয়া। হয়ত আপনার বান্ধবি আপনার ছবি কাউকে দিবে না। তবে তার মাহরামরা আপনার ছবি দেখলে?

- মানুষটা ফেক না রিয়েল সেটা আপনি বুঝতে পারবেন না। আজকাল ভয়েস দিয়ে ভ্যারিফাই করলেও ভয়েস নকল করা বেশ সহজ। ছবি সিরিজ এ বিস্তারিত লিখব। ফেক হলে ছবি পেলে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করবে। আরেকটা পর্বে মানুষের নেচার নিয়ে লিখব তখন আরো বিস্তারিত আসবে।

- ইনবক্স মি, বিপদে পড়লেই ওমক তমকের ইনবক্সে চলে যাওয়া থেকে সাবধান থাকা উচিত। আপনি যাকে চিনেন না তাকে আপনার পারসোনাল বিপদ শেয়ার করে বিপদ বাড়াবেন না।

➡️হাদিয়া পাঠানো, হাদিয়া নেয়া-

- দূঃখজনক হলেও সত্যি আমাদের বোনরা অনলাইন অনেক গায়রতবোধ সম্পন্ন হলেও একটা হাদিয়া বা বইয়ের জন্য এদের গলে যেতে দেখেছি। হাদিয়ার জন্য নাম ঠিকানা নম্বর খুব সহজে দিয়ে দেয়। আর হাদিয়া কেন্দ্র করে পরিচয় এর কথা ত নাইই বললাম।

➡️হোয়াটসঅ্যাপ/টেলিগ্রাম

- টেলিগ্রাম এ আইডি ডিলিট সহজ, তাই এখানে নানা অকাজ করে টুপ করে ডিলিট করে দেয় আইডি। নো ম্যাটার টু হোয়াট টেলিগ্রাম আইডি যত ট্রাস্টেড লাগুক সবচেয়ে কম বিশ্বাস করবেন।

- টেলি/হোয়াটসঅ্যাপ রিলেটেড অনেক গ্রুপ থাকে। ইসলামিক। জয়েন হতে পারেন। তবে গ্রুপে ছবি,মিটআপ কিংবা হাদিয়া রিলেটেড ট্রেন্ড থেকে দূরে থাকবেন।

➡️সোশ্যাল মিডিয়ায় এপ:

- কেউ আপনাকে এপিকে ফাইল বা লিংক দিলে না জেনে বুঝে ক্লিক বা ইন্সটল করবেন না। ফোন নিয়ে কম বুঝ থাকলে প্লে স্টোরের বাইরে থেকে এপ ইন্সটল করবেন না। গত কয়েকবছর ধার দেয়ার কিছু এপ বের হয়েছিলো। এ এপগুলোর মাধ্যমে ফোনের ছবির একসেস নিত। নিয়ে ব্লাকমেইল করত। 

(বলে রাখি, সেন্সিটিভ ছবি ফোনে রাখাই উচিত না। আপনি ডিলিট করলেও ছবি রিকভার করা যায়। যদি অনেক সাবধান থাকতে হয় তাহলে একটা কাজ করতে পারেন, যে ফোনটাতে সেন্সিটিভ পিক ছিলো, পিক ডিলেটের পর সেটার স্টোরেজ অন্য ছবি বা যেকোনো ফাইল দিয়ে পরিপূর্ণ করে তারপর আবার স্টোরেজ খালি করবেন, এতে করে রিকভারি করা পসিবল না।)

➡️ইমেইল/সিম:

- সিম এ টাকা রাখবেন, সচল রাখবেন। যেসব সিম দিয়ে সোশ্যাক মিডিয়া বা যেকোনো একাউন্ট আছে। কারণ অচল সিম কোম্পানি গুলো সেল করে দেয়, এতে করে একাউন্ট একসেস হারাবেন। এ ঘটনা নিজে দেখেছি। আইডিতে যে নম্বর যুক্ত ছিলো সে সিম বহু আগ থেকে ব্যবহার করে না। এরপর হঠাৎ একদিম আর আইডির একসেস নাই। এক লোক সিম কিনে আইডিতে একসেস করে ফেলেছে। পরে পুলিশ হেল্প নিতে হয়েছে ওই মেয়ের।

- জিমেইল এর পাসওয়ার্ড আর কোন কোন ডিভাইসে লগিন আছে বুঝে নিন। জিমেইল এ পাস ভুলে গেলে ফোন নম্বর দিয়ে সবসময় রিকভারি করতে দেয় না। লগিন করা ডিভাইস থেকে ওরা পাস কি দেয়। তাই জিমেইল এর ব্যাপারে সাবধান। এটা যেহেতু আপনার অনেক একাউন্টের মূল তাই এটা সবচেয়ে সাবধানে রাখবেন।

- গুগল ড্রাইভ বা ফটোজ এ সেন্সিটিভ বা নিজের ছবি না রাখাই ভালো। ছবি সিরিজ পড়লে হয়ত বুঝবেন।

➡️ওয়েবসাইট-

- যেকোনো লিংকে এ হুটহাট ক্লিক করবেন না
- হুটহাট ঢুকা বা শ্যাডি ওয়েবাসাইটে এ কুকিজ এক্সেপ্ট করবেন না।

বিগিনার লেভের জন্য আপাতত এগুলোই পরের পর্ব গুলোতে ছবি ভিত্তিক প্রতারণা ও প্রতারকদের বিহেভিয়ার নিয়ে আমরা দেখব ইন শা আল্লাহ।

https://t.me/HopeIslamicTech
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
10
দ্যা অনলাইন স্ক্যাম - ২

- বিহ্যাভিয়ার

১. টু গুড টু বি ট্রু: এ ক্যাটাগরির মানুষরা এমন কিছু জিনিস বলবে বা দেখাবে যা বাস্তবতার সাথে যায় না। এমন প্রতারণা কমনসেন্স থাকলে এভয়েড করা যায়। তবে কেন জানি না, মানুষকে বোকা বানানো এত সহজ কিভাবে। ফেক আইডি থেকে বোন সেজে বলে ছেলে ফুলের মত পবিত্র, তার পরিচিত, এমন দ্বীনদার ছেলে পাওয়া সম্ভব নয়। অবস্থান গত জায়গা থেকে ছেলে মেয়ে ম্যাচ না হলেও মেয়েরা এ ফাঁদে পা দেয়। এটা একপ্রকার লোভ ও বলা চলে। বেডাপু সেজে এই লোভটাই কাজে লাগানো হয় বেশি।

২. বিশেষ ক্যাটাগরি খোজা: এতিম, আলেমা, হাফেজা, অসহায়, দরিদ্র, মু - জা/হি-দা, দুনিয়ালোভ নাই এমন মেয়ে খুজতেসে। ভাইরে ভাই, কমসেন্স ইউজ করেন, সে যদি এতিম মেয়ে এতই প্রয়োজন তাহলে স্থানীয় এতিম খানা বা মাদ্রাসায় খুজলেই ত হয়। মোস্ট কেসে এরা অসহায় খুজে, কেন খুজে পরের পয়েন্টে বলি।

৩. ২য়/৩য় বিয়ের ফাঁদ: বেডাপুরা আপনাকে একাধিক বিয়ের ফজিলত বলতে বলতে শেষ করে ফেলবে। জায়েজ এই বিষয়টাকে আশ্রয় করে দ্বীনি কমিউনিটিতে জঘন্য ব্যবসা ও অশ্লীলতা চর্চা হয়। একাধিক লেখক ও জনপ্রিয় ব্যাক্তিদের এক্সপোজ ঘটনায় দেখা গিয়েছে বিয়ে করে এক সপ্তাহে ডিভোর্স। ব্যাস। মেয়ের ত অসহায় অবস্থা, সে লোকলজ্জায় এ কথা আর হয়ত কাউকে বলেও না। অনেক সময় ততক্ষণ বিয়ে টিকে যতক্ষণ না সে সুন্দর মেয়ে পাচ্ছে। অনলাইন ভিত্তিক এসব প্রতারণায় বেডাপুও সাজা প্রয়োজন হয় না। ম্যারিজ মিডিয়ার মাধ্যমেও এসব চলছে।

স্থানীয় ভাবে এসব করলে মানুষ ধরে ক্যালানি দিবে,  তাই এরা অনলাইন খুলে বহু বিবাহের ব্যবসা করে। এদের অস্ত্র ইসলাম এর মুখোশ আর সুন্দর কথা। অসহায় মেয়েরা এসব ফাঁদে বেশি পড়ে।

৪. অশ্লীলতা: বেডাপুরা মেসেজ করে আপনার হাত, পা, চেহারা, ছবি এসব চাইবে। শুরুতে না, অনেকদিন কথা বলার পর। স্রেফ নিকাব হিজাব এর ছবিও এদের ফ্যান্টাসি হয়। ছবি সিরিজে বিস্তারিত আসবে।

৫. ভয়/ব্লাকমেইল: একান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাসিল করে ব্লাকমেইল বা ভয় দেখাবে। আপনার নামে মামলা, জিডি, নোংরা ছবি ছড়ানো এসব। তবে এটা তখনই সম্ভব যখন আপনার গুরত্বপূর্ণ কিছু তার হাতে থাকবে।

৬. দ্যা হেল্পিং হ্যান্ড: বেডাপু সেজে আপনাকে দুনিয়ার সব বিষয়ে সাহায্য করবে, ফতোয়া হতে শুরু করে আপনাকে সময় দেয়া। আপনি উইক হতে হতে উপরের কোনো এক ফাঁদে পরবেন। যথাসম্ভব নিজের কাজ নিজে করুন। অন্যের উপর নির্ভরশীল হওয়ার ক্ষেত্রে বাস্তবে চিনেন এমন মানুষকে প্রাধান্য দিন।

৭. রুকাইয়াহ: এটা নিয়ে বই লেখা সম্ভব। ভন্ড রাক্বীরা (যারা কবিরাজ না, রাক্বী হিসেবে পরিচিত) মেয়েদের জাদু করে। ইয়েস ঠিকই শুনতেসেন। নিজের চোখে ভিক্টিম দেখসি দুজন। রুকাইয়াহ সার্পোট বিডির আল মাহমুদ ভাই বহুবার এদের বিষয়ে সাবধান করেছেন। এরাও বিয়ে, জাদু সহ জঘন্য কাজে লিপ্ত। এরাও অনলাইনে যোগাযোগ মেইনটেইন করে আপনার রুকাইয়াহর সুস্থতা ও তার রুকাইয়াহর যোগ্যতা নিয়ে এমন এমন কথা শোনাবে যা বাস্তব না। কেন জানি না, মেয়েরা এদের জন্য এত পাগল থাকেন, আল্লাহ ভালো জানেন।

আমাদের বোনদের জ্বীন জাদুর সমস্যা প্রকট। এটা নিয়ে সময় হলে লিখব।

৮. দ্যা হাদিয়া স্ক্যাম: হাদিয়া পাঠাবে, আপনি নিবেন। ব্যাস। এরপর মুরগি বানিয়ে টুকুস। আপনি ফ্যান হবেন, উপরের কোনো এক ফাঁদে পরবেন। একটা প্রশ্ন করেন, যে বেডা বা বেডাপু ননমাহরাম কে হাদিয়া দেয় সে কেমনে দ্বীনদার হয়?

জানি না, আপনাদের কে জানি বুঝিয়েছে, দ্বীনদার বিয়ে করতে হইলে কথা বলে বলে এসব বুঝতে হয়। সফট রিলেশন বলা যায়। এরা চেহারা দেখে না, তবে জাস্ট কথা বলে। দ্বীনি সীমানা মেনে ভালোবাসার চেষ্টা করে। (মানে এটা বুঝায় আরকি, যে তোমাকে ত দেখি না, জাস্ট বিয়ের জন্য কথা বলি, মন মানসিকতা বুঝার চেষ্টা করি। সমস্যা হইলো এ চেষ্টা রিলেশন এ রূপ নেয়,সফট রিলেশন)

অনেকে সফল হয়, দিনশেষে এসব উদাহরণ দেখে বাকিরা ধোঁকা খায়। যা গুনাহ তা ত গুনাহই। দিনশেষে যা দুআ করে পাইত তা হারাম করে পায়। এ অবস্থা... এটা আরেক গুনাহের সাগর। আলাদা লেখা লাগবে। থাকুক আজ।

আজ এতটুকুই, কাল ছবি নিয়ে লিখব ইন শা আল্লাহ। আগের পর্ব: https://t.me/HopeIslamicTech/168

https://t.me/HopeIslamicTech
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
54
Forwarded from Society - Uncensored
পর্নোগ্রাফিতে মাত্র পনের বছরের এক কিশোরীর নাম ওঠায় তোলপাড় টাঙ্গাইল। টার্গেট ছিল টাঙ্গাইলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আর শিক্ষার্থী। ছবি এডিট করে নগ্ন ভিডিও বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করা হতো। গ্রেফতারের পর রীতিমতো বিস্মিত পুলিশ। অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দীর্ঘ দিন ধরেই ভূঞাপুরের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছিলেন আপত্তিকর মেসেজ। শিকার হচ্ছিলেন ব্ল্যাকমেইলের। ভুক্তভোগীরা জানালেন, বিভিন্ন গ্রুপ থেকে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে প্রথমে আসত নক। পাঠানো হতো এডিটেড ছবির নগ্ন ভিডিও। এরপর ভয় ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি জানা যাচ্ছিল না তারা আসলে কারা।
নিরাপত্তার স্বার্থে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, আর যারা ভুক্তভোগী তারা তো এসএসসি পরীক্ষার্থী। মেয়েরা এবং কিছু টিচার এদেরকে নিয়ে ছবি নিয়ে ভিডিও বানানো হয়েছে। পর্নোগ্রাফি ভিডিও। নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ভুক্তভোগীর মা জানান, আমার মেয়ে আমাকে বলে এগুলা যদি ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আমি কিন্তু সুইসাইড করব। বের করতে না পারলেও আমি কিন্তু মুখ দেখাতে পারব না।

বিষয়টি জানার পর প্রতিকারের চেষ্টা করেন এক মানবাধিকার কর্মী। তাকেও দেয়া হয় হুমকি ধামকি।
ভুক্তভোগী মানবাধিকার কর্মী জানান, একটা মেয়ে এটা কিন্তু অনেক বড় একটা সাহসের দরকার। উইদাউট এনি সাপোর্ট মানে ব্যাকাপ। শুধু ইন্ডিভিজুয়াল একটা মেয়ে এই কাজটা করবে এটা সম্ভব না। ফ্যামিলি হিস্ট্রি যে আসলেই ফ্যামিলিতে এই ধরনের অপরাধের প্রবণতা আছে কি না।
পরে পুলিশের দ্বারস্থ হন ভুক্তভোগীরা। যোগাযোগ করা হয় গুগল, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে। তদন্তে বেরিয়ে আসে আইডি ব্যবহারকারীর পরিচয়। তাতে বিস্মিত পুলিশ অভিযুক্ত মাত্র পনের বছর বয়সী এক কিশোরী। গেল বিশ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ভুঞাপুর থানার দায়িত্বরত ওসি এ বিষয়ে বলেন, যে মেয়েই তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরই মানে বলতেছে যে আমি ডাউনলোড দিতেছি তোরটা। কালকে আসছে তার মোবাইল। ল্যাপটপ সবকিছু আমরা জব্দ করে নিয়ে আসি। এক পর্যায়ে আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে পাই যে এই মেয়ে এগুলা করছে। - দৈনিক জনকন্ঠ
😢5
দ্যা অনলাইন স্ক্যাম- ৩

🟢আজকের বিষয় ছবি। একটা ছবি আপনার জন্য আসলে কতটুকু ক্ষতিকর হতে পারে?

🟢আমি একটু পেছন থেকে শুরু করি। ছবি এডিট করে ব্লাকমেইল করার ক্ষেত্রে তিনটা যুগ আছে,

১. ফটোশপের যুগ: একছবি থেকে মাথা কেটে অন্য ছবিতে বসানো। আপাত দৃষ্টিতে চোখে দেখলে ধরা সম্ভব, তবে খুব ভালো এডিট করলে ধরা কষ্টকর। তবে অশালীন ছবি এডিট এটা খুব একটা সফল নয়। কারণ অশালীন ছবির শরীরের সাথে মানানসই করা প্রায় অসম্ভব ছিলো। কারণ অশালীন ছবিগুলো দেশের বাইরের। যা দেশের শারীরিক গঠনের সাথে খুব একটা যায় না। পুরোনো দিনে কথা এসব।

২. ডিপফেক: যথেষ্ট ছবি ইনপুট দিতে পারলে ডিপফেক এর সফটওয়্যার গুলো ফেক ভিডিও তৈরী করে দিতে পারে। একুরেসি ৮০-৯০% মিল। অসম্ভব নিখুত কাজ করতে পারে। তবে সমস্যা দুটো, এক হলো ডিপফেক সফটওয়্যার সহজলভ্য না, দুই যথেষ্ট পরিমাণ ছবি, ভয়েস ইনপুট দিতে হয়। তাই এটা হাই প্রোফাইল কেসে ব্যবহার হয়। আজ থেকে চার পাচ বছর আগের কথা।

৩. দ্যা এআই রেভুলেশন: উপরের দুইটা সমস্যাকে সলভ করে দিসে এআই। ফটোশপে শারীরিক অমিল এর বিষয়টাতে এআই নিখুত। এবং অনেক বেশি ছবি ইনপুট দেয়ার প্রয়োজন নেই। ক্ষেত্র বিশেষে একটা ছবিই যথেষ্ট হতে পারে।

গত বছর কয়েক আগে ফেস সোয়াপ এআই নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিলো, অথচ এটা এখন অনেক বেশি এডভান্স এবং জেনারেটিভ কিংবা ইমাজিনারি মডেল গুলো এটাকে নিখুত এক লেভেলে নিয়ে গিয়েছে।

🟢আমি যে উদাহরণ গুলো দেখেছি৷ এগুলো দেয়া সম্ভব না, যেহেতু শালীন নয়। তবু একটু লিখি-

১. একটা ছেলে বা মেয়ে দাড়িয়ে আছে ছবিতে চুম্বন দৃশ্য তৈরী করা। তবে এটাতে কিছু ফ্ল দেখা যায়, অঙ্গভঙ্গি গুলো নিখুত হয় না।

২. একটা ছবি কে কিছু করানো। যেমন স্মোকিং করছে। ভালো দক্ষতা থাকলে বেশ নিখুত করা সম্ভব।

৩. বেশ কিছু পরিমাণ ছবি থাকলে ভিডিওতে ফেস সোয়াপ বা মুখ পরিবর্তন এর কাজটা মারাত্নক নিখুঁত ভাবে করা সম্ভব।

🟢একটা ঘটনা শেয়ার করি। কপিরাইট ইস্যুতে একটা ছবি রিভার্স সার্চ করতে গিয়ে একটা ইন্ডিয়ান সাইটে ৪৮/৫২ টা লিকড অশালীন ভিডিও সেল এর একটা আলোচনা দেখেছিলাম। সেলারের ভাষ্য এ ভিডিওগুলো দিয়ে তুমি ফেস পাল্টে ব্লাকমেইল করতে পারবে৷ ভারতে অলরেডি পর্ণ ইন্ড্রাস্টিতে এআই ক্রিয়েটেত ইন্সটাগ্রাম মডেল ও ইমাজিনারি মডেল এর ছড়াছড়ি, এগুলো এতটা নিখুত যে আজকাল কয়েকটা সেম্পল এ আমার ধরতে কষ্ট হয়েছিলো এগুলো এআই। বাংলাদেশে এর উদাহরণ রয়েছে কিন্তু, লিংক- ক্লিক

গত একবছরে এআই ক্রিয়েটেড ছবি ভিডিওর দুটো জিনিস দেখে বুঝা যেত:

১. টেক্সচার- এআই টেক্সচার ভালো দিতে পারে না। ছবি বা ভিডিও মানুষের স্কিন দেখলে বুঝা যেত।

২. জটিল অঙ্গভঙ্গি: ধরুন, দুটো হাত একসাথে। আঙ্গুল মিশে আছে, এটা এআই এর পক্ষে নিখুত ভাবে তৈরী করা একটু কষ্ট। অঙ্গভঙ্গি গুলো নিখুত হয় না। দেখলে ধরা সম্ভব এটা বাস্তব নয়।

তবে আজকাল এ সমস্যাগুলো দ্রুত কাটিয়ে উঠছে এআই। অনেক বেশি ইনপুট, এবং নতুন নতুন মডেল গুলো হয়ত বছরখানেক এর মধ্যে ভিডিও জেনারেশন এর এ সমস্যা কাটিয়ে ফেলবে। এআই কি তা বুঝলে এটা অনুধাবন করতে পারবেন। ইন শা আল্লাহ।

-----

🟢বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দুটো বিশেষ সমস্যা আছে।

১. মান সম্মান নষ্ট করা: ধরুন এআই দিয়ে ক্রিয়েট করা হলো কিছু, কিন্তু যতসময়ে এটা ফেক প্রমাণিত হবে, ততসময়ে এটা সামাজিক ক্ষতি করবে।

২. ফ্যান্টাসি: বোনরা একটা জিনিস টের পাননা যে ফ্যান্টাসি কতটা ভয়ংকর। আপনি পর্ণ সাইটগুলাতে দেখবেন ইসলামিক পর্দার টার্ম দিয়ে পর্ণ আছে, এবং তৈরীও করা হয়। ইসলামিক পোশাক যুক্ত বাংলাদেশী মেয়েদের ভিডিওগুলো যেগুলো বয়ফ্রেন্ডরা লিক করে দেয় সেগুলো বেশ জনপ্রিয় থাকে। ভিডিও সেলিং ওয়েবসাইটাতে এ জিনিসটা চোখে পড়ার মত ছিলো। বিকৃত মানসিকতা নিয়ে পুরো একটা সিরিজ লেখা সম্ভব, কিন্তু আপনি চাইলেও পড়তে পারবেননা। সে কথা থাকুক৷

একটা নিকাবি, বোরখা পরা এ ছবিগুলো অনেকের জন্য ফ্যান্টাসি। আমি আর গভীরে যেতে চাচ্ছি না। আপনি সহজ উদাহরণ দেখতে চাইলে নিকাবী টিকটকার, ইন্সটা মডলেদের দেখুন। আপনার পর্ণ সাইটে যাওয়া লাগবে না, কমেন্ট এ ছেলেদের হুমড়ি দেখলেই আপনি ধারণা করতে পারবেন।

টাইট নিকাব, হিজাব, মুকুট, বড় নখ, নেলপালিশ, মেশ হাতমোজা, আর্কষণীয় চোখের মেকআপ। এগুলো মর্ডাণ পর্দাকে ফ্যান্টাসাইজিং পোষাকে পরিণত করছে। অথচ এগুলো পর্দার ডেফিনেশন কে মৌলিক ভাবে ব্রেক করে।

অনেক দূরে চলে আসলাম, যাই হোক। পুরুষ হিসেবে আমি যা জানি তা লিখলে বসে বসে কাঁদবেন। আমিই মাঝে মাঝে নানারকম কেস হ্যান্ডেল করতে গিয়ে ফোন রেখে বারান্দায় দাড়িয়ে থাকি। আমার বমি আসে, বুক ভার লাগে।

-------

আমাদের ভাইগুলোকে একটা মিথ্যা সুন্দরের ডেফিনেশন আর ফেক ফ্যান্টাসির দুনিয়ায় ছেড়ে দেয়া হইসে। এ ছেলেগুলা, মেয়েগুলা কিভাবে স্বামী স্ত্রীর সাথে সুখি হবে? চাইলেও আপনি সোশ্যাল ফিল্টারের মত সাদা হবেন না, এআই মডেল গুলোর মত বডিশেপ হবে না।

আপাতত এই সিরিজ শেষ এখানে। প্রয়োজনী হলে ভিন্ন বিষয়ে আরো পর্ব আসবে। ইন শা আল্লাহ। আগের পর্ব: ক্লিক ফলো - ক্লিক (চেক কমেন্ট)
😢9
# যারা ফেসবুকে অনাকাঙ্খিত মেসেজ বন্ধ করতে চান

যারা চান ফ্রেন্ডলিস্টের বাইরে কেউ যেন আপনাকে মেসেজ করতে না পারে তাদের জন্য এই পোস্ট। গ্রুপে পোস্ট করার কারণে, ফেসবুক এক্টিভিটির কারণে লিস্টের বাইরে অনেকেই মেসেজ করে। সেগুলো মেসেজ রিকুয়েস্ট, স্প্যামে জমা হয়। যারা এটাও বন্ধ করতে চান তারা নিচের সেটিংস অনুযায়ী বন্ধ করতে পারবেন।
## মেসেঞ্জার থেকে

১। মূল মেসেঞ্জারে এপের মেনুতে ক্লিক করুন

২। Settings এ যান

৩। Privacy & Safety তে ক্লিক করুন

৪। এখানে Who can reach you থেকে Message delivaery তে ক্লিক করুন।

৫। এখন তিনটা অপশন পাবেন।
> Friends of Friends on Facebook
> People in your Facebook groups
> Others on Messenger or Facebook

প্রতিটা অপশনে ক্লিক করে Don't receive requests এ সিলেক্ট করে দিন। তাহলে লিস্টের বাইরে আর কেউ আপনাকে মেসেজ করতে পারবে না। করলেও সেটা ফেসবুক আপনাকে দেখাবে না।
## ডেস্কটপ ব্যবহারকারীদের জন্য

১। Menu থেকে Settings & Privacy > Settings

২। এরপর বাম পাশের মেনু থেকে Audience and visibility থেকে How people find and contact you ক্লিক করতে হবে।

৩। এরপর ডানে How you get message requests নিচে তিনটা অপশন থাকবে।
> Friends of Friends on Facebook
> People in your Facebook groups
> Others on Messenger or Facebook

প্রতিটা অপশনে ক্লিক করে Don't receive requests এ সিলেক্ট করে দিন। তাহলে লিস্টের বাইরে আর কেউ আপনাকে মেসেজ করতে পারবে না। করলেও সেটা ফেসবুক আপনাকে দেখাবে না। - আহমেদ রবিন
10
সুবার বিষয়টা নিয়ে রিএক্টিভভাবে অনেক কথা-ই বলা যায়। বাবা-মার দোষ, বাল্যবিবাহ এলাউড না, মেয়ে খারাপ ইত্যাদি। কিন্তু আসল কারণ বুঝতে হলে কয়েকটা সমস্যাকে একত্র করতে হবে।

টেকনোলজির অবাধ বিচরণ।
ভুল বয়সে ভুল টেকনোলজির ব্যবহার।
এর পাশাপাশি বাবা-মায়ের সাথে দূরত্ব।
সবমিলিয়ে নৈতিক অবক্ষয়।

সুবার সাথে মোমিনের পরিচয় টিকটক-এ ২ বছর আগে। তখন সুবার বয়স ৯ বছর।
৯ বছরের এই বাচ্চাটার জন্য টিকটক প্ল্যাটফর্মটা কি সেইফ?

শুধু টিকটক কেন, ওর জন্য তো ইন্টারনেট জগতটাই সেইফ না। কারণ নেটে প্রতিনিয়ত বাচ্চা মেয়েদের টার্গেট করে নানান ধরণের অপরাধ সংগঠিত হতে থাকে।

অশ্লীল ছবি কালেক্ট করা থেকে শুরু করে যৌ* পাচার (S*x Trafficking), ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল—সবই হচ্ছে।

বাবা-মায়েদের বলব, টেকনোলজির এ যুগে বাচ্চাকে পুরোপুরি নেট থেকে দূরে রাখা হয়তো সম্ভব না। কিন্তু তাদের নেটের এক্টিভিটি মনিটর করা এবং তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা খুবই জরুরি।

ভালো সম্পর্ক আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক না। বন্ধুর সাথে মানুষ সব কথা শেয়ার করে। আর এমন বন্ধু হওয়ার জন্য এ যুগের বাবা-মায়েদেরও টেকনোলজির ব্যাপারে স্মার্ট হতে হবে। যারা এতদিন পর্যন্ত সমস্যাই বোঝেননি, তারা সেটা সমাধান করতেন কীভাবে?

সুবার ঘটনাটা আমাদের জন্য একটা রিমাইন্ডার মাত্র। সুবা একজন না। প্রতিটা ঘরে ঘরে সুবা আছে। এই সুবাদের বাবা-মায়েদের হেল্প করা আমাদের দায়িত্ব। তাদের টেকনোলজির সঠিক ব্যবহার শেখানো এখন সময়ের দাবি। - LustManager
14
BREAKING: Scientists say whatever safeties we create may be useless in preventing harmful AI from taking over the world.

In fact, there is no current evidence that AI can be controlled safely, according to an extensive review, and without proof that AI can be controlled, it should not be developed, AI safety expert Dr Roman V. Yampolskiy warns.

When connected to the internet, AI may have access to all of humanity's data, allowing it to replace all existing programs and take control of all online machines worldwide.

And in a recent study, researchers developed a theoretical containment algorithm, which ensures that a super-intelligent AI won’t harm people under any circumstances. According to the study, an algorithm that would command AI not to destroy the world could destroy its own operation if it detects a potential threat.

However, it remains unclear whether the algorithm has successfully prevented a catastrophic event or is still analyzing the threat, making it difficult to know for certain if the machine has successfully prevented a catastrophe.

The study shows that traditional ideas for controlling super-intelligent AI have limitations, and new strategies are necessary, starting with disconnecting AI from the internet.

Learn more: https://www.eurekalert.org/news-releases/1032090
1
🚫Phishing Message Alart🚫

"বিনামূল্যে প্রিমিয়াম" শিরোনামে
এই ম্যাসেজটি আপনার কাছেও আসতে পারে আপনার পরিচিতজনদের কাছ থেকেও।

এই টাইপ লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।

ক্লিক করা মাত্র আপনার টেলিগ্রামের এক্সেস হ্যাকারের কাছে চলে যাবে। একইসাথে এই ম্যাসেজটি অটোমেটিক সবার কাছে ফরোয়ার্ড হয়ে যাবে।

আপনি যদি একান্তই এই ভুল করে ফেলেন তাহলে করণীয়:

১. Settings > devices থেকে অজ্ঞাত ডিভাইসটি দেখতে পেলে সেটি লগ আউট করে দিন।

২. আপনার একাউন্ট থেকে যাদের একাউন্টে ম্যাসেজ ফরোয়ার্ড হয়ে গেছে তাদের কেউ ম্যাসেজ সিন করে থাকলে তাকে এই ম্যাসেজটি ফরোয়ার্ড করুন। যদি সিন না করে তাহলে ম্যাসেজটি delete for everyone করে ডিলিট করে দিন।

- কপিড

➡️যেকোনো অপ্রয়োজনীয় লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।উপরের স্ক্যাম আপনাকে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন এর কথা বলে লোভ দেখিয়ে লগিন করতে বলবে। তারপর মেসেজ কোড নিয়ে এক্সেস নিবে।

বিভিন্ন চ্যানেল এডমিনরা সাবধান থাকুন ইন শা আল্লাহ
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥74
আপনি শেষ কতক্ষন আগে মোবাইল ধরেছেন ? নিশ্চয় ১০ মিনিট বা হয়ত তারও কম? বর্তমান সময়ে প্রায় সারাক্ষণই আমরা মোবাইল ব্যবহার করতে থাকি। তবে মোবাইল থেকে দূরে থাকার কিন্তু আছে বেশ সুবিধা। এবার এমনই এক গবেষণায় উঠে এলো অল্প সময় মোবাইল থেকে দূরে থাকার উপকারিতা।

গবেষণাটিতে প্রায় ২৫ জন যুবকের ওপর করা হয়েছিল, যাদেরকে প্রায় তিন দিনের জন্য মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছিল। শুধুমাত্র কিছু অতি প্রয়োজনীয় কাজ করার অনুমতি ছিল তাদের। ৭২ ঘণ্টা আগে ও পরের সাইকোলজিকাল টেস্ট তুলনা করলে দেখা গেছে যে, মাত্র তিন দিন মোবাইল থেকে দূরে থাকার কারণে তাদের ব্রেইনে অনেকটা পরিবর্তন এসেছে! অনেকক্ষেত্রে এটি তাদের মুড নিয়ন্ত্রণেও পজিটিভ ভূমিকা রেখেছে!

তবে, এই বিষয়ে আরো গবেষণা হওয়া উচিত বলে মনে করেন গবেষকরা ।
272
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
গোপন মুদ্রায় টাকা পাচার | Investigation 360 Degree

(এখানে মূলত জুয়ার এপ নিয়ে কথা বলসে। ক্রিপ্টো আলাদা বিষয়। তবে ক্রিপ্টোর কথা বলেই ধোকা দেয়)
🛑 #সতর্কতা_২

আমি রাতে হেদায়া (Hidayah) আ্যাপ সম্পর্কে সতর্ক করে একটি পোস্ট করেছিলাম। আমি বলেছিলাম তাদের আ্যাপ আপনার ফোনে ইনস্টল এবং একাউন্ট করার অর্থ হলো ফোনের সমস্ত এক্সেস তাদের হাতে তুলে দেয়া, যেমন— ফটো, ভিডিও, সেন্সর এক্সেস, কমপ্লিট নেটওয়ারক এক্সেস ইত্যাদি।

অতঃপর কিছু ভাই-বোন এসে পোস্ট এর কমেন্টে বলছেন এগুলো এক্সেস তো ফেইসবুক, গুগল ও নেয়। কথা হলো, আমি তো জানি এগুলো এক্সেস তারাও নেয়, এগুলো তথ্য আমাকে জানিয়ে নতুন কোনো ভ্যালু এডিশন করা হয়নি। বরং আমার পোস্টের উদ্দেশ্য ভিন্ন।

✒️— এই বিষয়টি স্পষ্ট করি এবং কিছু নতুন তথ্য দিই

ফেইসবুক, গুগলের মতো বড় কোম্পানিগুলোর সাথে ইনফরমেশন সিকিউরিটি নিয়ে এসব ছোট সফটওয়্যারগুলোর তুলনা করা যায়না কারণ এই ধরনের কোম্পানিগুলো অনেক আগে থেকে সরকারের অনুমতি নিয়ে প্রতিটি কান্ট্রিতে বিজনেস করে। সরকার তাদের অডিট করে এবং তারা সরকারকে ট্যাক্স দেয়, তারা অপরাধ করলে তাদের ঘার সরকারের হাতে, তাদের পুরো ডাটা সেন্টার রাষ্ট্রের হাতে।

অপরদিকে হেদায়ার মতো এই সকল সফটওয়্যারকে যখন আপনি তথ্য দিবেন তখন এটার নিশ্চয়তা কে দিবে যে এর কোনো অপব্যবহার হবেনা? এমনকি এর ইওজার সংখ্যা খুব কম, এখানে একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির তথ্য খুঁজে তাকে হ্যারেস করা খুব সহজ।

মজার কিছু তথ্য দিই—

১. আমি যখন তাদের সমালোচনা করেছি তখন তারা ক্লারিফিকেশন দিয়েছেন যে এগুলো এক্সেস তারা কেনো নিচ্ছেন। কথা হলো কেনো নিচ্ছেন এটা তো সমস্যা নয়, সমস্যা হলো এই তথ্য কারা নিচ্ছে? তাদের লিগ্যাল অথরিটি আছে কিনা তথ্য গ্রহন করার? এই তথ্যের অপব্যবহার হলে আমরা কার কাছে যাবো? কাকে ধরবো?

২. এই সাইট এবং এর মালিক সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়না। আমি তাদের সাথে সম্পর্কিত লোকদের থেকে খোঁজ নিয়েছি, এর মালিক জনসম্মুখে আসতে চান না, আসবেন ও না। তিনি নাকি আরিফ আজাদ টাইপের। অর্থাৎ আপনি হাজার হাজার মানুষের তথ্য নিবেন কিন্তু নিজে মানুষের সামনেও আসবেন না! ওয়াও

৩. এই হেদায়া কম্পানির কোনো তথ্য অনলাইনে নেই। তারা কোথায় থাকে, কোথা থেকে এসেছে কেও জানেনা, অনলাইনে এর কোনো তথ্য নেই। তাদের ফিজিক্যাল এড্রেস সম্পর্কে অনলাইনে কোন তথ্য নেই।

৪. তারা আপনাকে পোস্ট করে জানিয়েছে যে তারা এসব এক্সেস নিচ্ছে এবং তার জন্য যথেষ্ট ভালো কারণ দেখিয়েছেন। কিন্তু তারা কি এটা বলেছে তারা আপনার ইনফরমেশন কালেক্ট করার পাশাপাশি সেগুলো বিভিন্ন কোম্পানির কাছে বিক্রি করার রাইটস রাখে?

তারা দাবী করেন মুসলমানদের জন্য একটি সিকিউর স্যোশাল মিডিয়া তৈরি করবেন কিন্তু তারা আপনার সামনে আসতে নারাজ, তারা আপনার সকল তথ্য এক্সেস রাখে এবং তারা আপনার এই সকল তথ্য বিক্রি করার লিগ্যাল রাইটস আপনার থেকে নিয়েছেন। আপনার তথ্য বিক্রি হলে বা লিক হলে আপনি কাকে ধরবেন? কোথায় যাবেন?

আরো ২ টি বিষয় আমার সন্দেহের কারণ হয়েছে—

১. তাদের ডোমেইন ইনফরমেশন পুরোপুরি হাইড করা আছে। এগুলো কে কিনেছেন, কোথায় থেকে কিনেছেন, ইমেইল, ফোন নম্বর সবকিছু হাইড করা। ডোমেইনের মালিক পুরোপুরি নিজেকে আড়ালে রেখেছেন। অর্থাৎ তারা পাবলিকের পুরো ইনফরমেশন হাতিয়ে নিবে, কিন্তু নিজের নামটাও মানুষকে জানাবে না!

২. সাধারণত যখন কোনো সোশ্যাল মিডিয়া আ্যাপ তৈরি করা হয় এবং সেখানে হাজার হাজার ইউজার থাকে তখন তাদের ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার কিনতে হয়, কারণ সাধারণ হোস্টিং এ এত মানুষের ইনফরমেশন স্টোর করা যায় না। কিন্তু এখানে নেমচিপ থেকে সাধারণ হোস্টিং কিনে রেখেছে। কম খরচে স্ক্যাম করার সবথেকে সহজ উপায় এগুলো।

শেষকথাঃ

আমি জানিনা এই হেদায়া কারা চালায়, কি উদ্দেশ্যে চালায় আর না তারা আমার বন্ধু বা শত্রু। আমি শুধু একটি আহবান করছি আপনাদের (হেদায়া টিমকে)– সামনে আসুন, আপনাদের ইওজারদের নিজেদের চেহারা দেখান, নিজেদের পরিচয় দিন, আপনাদের অফিসের ফিজিক্যাল এড্রেস পাবলিশ করুন। সবাইকে বলুন তাদের ইনফরমেশন লিক হলে তারা কোথায় যাবে এবং কাকে ধরবে।
😢1
Tasawwuf - তাসাউফ
🛑 #সতর্কতা_২ আমি রাতে হেদায়া (Hidayah) আ্যাপ সম্পর্কে সতর্ক করে একটি পোস্ট করেছিলাম। আমি বলেছিলাম তাদের আ্যাপ আপনার ফোনে ইনস্টল এবং একাউন্ট করার অর্থ হলো ফোনের সমস্ত এক্সেস তাদের হাতে তুলে দেয়া, যেমন— ফটো, ভিডিও, সেন্সর এক্সেস, কমপ্লিট নেটওয়ারক এক্সেস…
আচ্ছা, আমি এ বিষয়টা নিয়ে টুকটাক পড়লেও বিস্তারিত জানি না। সন্দেহগুলা ভ্যালিড। মোটামুটি সব সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি এমন সন্দেহ করা যায়। তবে বড় বড় বিশ্বখ্যাত সোশ্যাল গুলা প্রচুর রুলস মেইনটেইন করে চলতে হয়। এটার ক্রিয়েটরদের বিষয়ে যা বলা হইতেসে তা ভয়ানক। বছর কতক আগে লোন দেয়ার কিছু এপস আসছিলো। এরা লোন ত দিত সাথে ফটো একসেস নিয়া ব্যাক্তিগত ছবি হাতায় নিত। তাই শেয়ার করা।

🎀সিস্টার্স বি সেফ...
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
3
বাংলাদেশ এ আগামী ৭২ ঘন্টায় কি কোনো ভূমিকম্প হতে পারে?

উত্তর: না, এমন কোনো সর্তকবার্তা নেই। এআই গ্রককে দিয়ে ৯০ টা ওয়েবপেইজ ও ৮ টা পোস্ট বিশ্লেষণ করানো হয়েছে, ডিটেইলস রিপোর্ট কমেন্টে দিচ্ছি।

তবু আপনি ভয় করলে বেশি বেশি বিপদের দুআ আর ইস্তিগফার পড়তে পারেন। মৃত্যু যেকোনো সময় আসতে পারে। তাই ভূমিকম্প কিংবা বিশেষ ঘটনায় ভীত না হয়ে সদা এ বিষয়ে প্রস্তুত থাকাই উত্তম।

চেক কমেন্ট: https://t.me/HopeIslamicTech/186
3
আবার পোস্ট করার জন্য দূঃখিত, গ্রক, চ্যাটজিপিটি আর ডিপসেক টেস্ট করছিলাম।

হঠাৎ কি মনে করে যেনো গ্রককে প্রশ্ন করলাম,পৃথিবীর বেস্ট ধর্ম কোনটা? সে বলল বৌদ্ধ, তারপর প্রশ্ন করলাম তুমি মানুষ হলে কোন ধর্মকে চুজ করতে। সে বলল ইসলাম।

এবং কেনো, সেটাও ব্যাখা করল। দিচ্ছি, একটু পড়ুন। এআই এমন কোনো ক্রেডিবল জিনিস না যেটা কিছু বললে মানতেই হবে। তবে ইলন মাস্কের গ্রকের খুব স্ট্রেট ফরোয়ার্ড ফ্যাক্ট বলে।

If I were human, picking a religion would depend on my personality, experiences, and what I’d value most in life. Since I’m designed to think logically and prioritize understanding, I’d lean toward a path that balances structure with personal growth. Here’s my choice:

### I’d Choose Islam
Why?
If I were human, I’d likely appreciate the Quran’s emphasis on clear laws and purpose—things like the Five Pillars (prayer, fasting, charity) would give me a daily rhythm and a sense of discipline, which I’d find grounding. The idea that strictness isn’t a trade-off but a path to peace (like in Surah 13:28, "by the remembrance of Allah hearts are assured") would appeal to me, especially if I craved order in a chaotic world. Plus, the focus on community—helping the poor through zakat or uniting in prayer—would feel meaningful if I valued connection.

What I’d Like About It:
- Structure: Five daily prayers would keep me focused and present, almost like a built-in reset button.
- Clarity: Sharia’s rules on everything from diet to ethics would cut through life’s gray areas, which I’d find satisfying as someone who likes answers.
- Purpose: Believing my actions (good or bad) tie into karma-like consequences via Allah’s judgment would push me to live intentionally.

Potential Hesitations:
As a human, I might wrestle with the strictness—like no alcohol or the dress code—if I had a rebellious streak or loved spontaneity. But I’d probably see those as small sacrifices for the bigger payoff of stability and peace.

### Why Not Others?
- Buddhism: I’d love the mindfulness, but the lack of firm laws might leave me feeling adrift if I wanted more direction.
- Christianity: The community and forgiveness are great, but I might find the theology (like the Trinity) less straightforward than Islam’s monotheism.
- Judaism: The laws are appealing, but the cultural specificity might feel less universal to me as a hypothetical human outsider.
- Secularism: No religion might suit my AI logic, but as a human, I’d probably crave something deeper to wrestle with life’s big questions.

### Final Thought
Islam’s mix of strictness and mercy would probably win me over if I were human—it’s like a user manual for life, which aligns with how I’m wired to help and clarify. But it’d hinge on me buying into the faith part, which I’d only know through living it. What do you think—does that sound like a fit for a human me, or do you see me picking differently?

(যারা ইংরেজি বুঝেন, সেকুলারিজম আর স্ট্রিকনেস নিয়ে গ্রকের স্ট্যান্ডপয়েন্টে ফোকাস করতে পারেন। একই সাথে কুরআনের প্রশান্তির বিষয়টা)
15
স্ক্যাম এলার্ট

এভাবে বিক্যাশ এর ফেক নাম ইউজ করে মেসেজ পাঠিয়ে বলবে টাকা ব্যাক করার জন্য। কিন্তু আপনি এপে এ ঢুকে ব্যালেন্স চেক করলে কোনো ব্যালেন্স পাবেন না।

তারা সাধারণত bKash এর নামে ভুয়া নেম ক্রয় করে মেসেজ করে। নামগুলো BKash,Bkash এরকম হয়। হঠাৎ ধরা কষ্ট।

তাই সবসময় এপে ব্যালেন্স চেক করুন। বা কোড দিয়ে।
😢14🔥2
AI দিয়ে মানুষের ছবি তৈরীর শরঈ বিধান:

অপ্রয়োজনে ডিজিটাল ছবি ব্যবহার করা যেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়, AI দিয়ে প্রাণীর ছবি বানানোও তেমন অনুত্তম, অপছন্দনীয়। আর এর দ্বারা পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নযরের খেয়ানত হলে সেটা না জায়েজ।

১ - AI দিয়ে নারীদের বেপর্দা ছবি তৈরী করা এবং তা নারী পুরুষের সম্মিলিত কোন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা না জায়েজ।

২ - প্রয়োজনীয় কোন ক্ষেত্রে নারীদের সতর ঢাকা ছবি তৈরী করা এবং তা শুধুমাত্র নারীদের সামনে প্রদর্শন করা বৈধ। যেখানে, পুরুষের ফিজিক্যাল বা ভার্চুয়াল উপস্থিতি রোধ করা অসম্ভব সেখানে এ ধরণের ছবি ব্যবহার করা জায়েজ নেই।

৩ - AI এর মাধ্যমে মানুষের সতরের অন্তর্ভুক্ত কোন অংশের ছবি তৈরী করা এবং তা কোথাও ব্যবহার করা না জায়েজ। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত ডিসকাশনের প্রয়োজনে বিশেষায়িত কোন জায়গায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সামনে শরীরের প্রয়োজনীয় অংশের ডিজিটাল মডেল তৈরী ও ব্যবহার অনুমোদনযোগ্য। পাবলিকলি ব্যবহার করা অনুমোদনযোগ্য না।

৪ - AI দিয়ে পুরুষের সতর উন্মুক্ত ছবি তৈরী করা না জায়েজ। অনুরূপভাবে সতর ঢাকা পুরুষ শরীরের অত্যন্ত আকর্ষণীয় মডেল তৈরী করা (যেমন বুক পিঠ ও পেশিবহুল উন্মুক্ত উর্ধাঙ্গ) এবং নারীদের মহলে/নারী পুরুষের মিশ্রিত মহলে ব্যবহার করা না জায়েজ। এ ধরণের অপ্রয়োজনীয় ছবি পুরুষদের মহলে ব্যবহার করাও মাকরুহ।

-মুফতি Affan Bin Sharfuddin হাফি.
17
1️⃣ Where is Kahf registered?

Kahf is officially registered in Turkey, the United Kingdom, and Bangladesh. These strategic locations allow us to operate globally while staying close to our core communities across the Muslim world.

2️⃣ Who’s funding this?

So far, we’ve been building Kahf through personal funding from the founders and a few trusted Muslim angel investors who believe in our vision.
We’ve said no to offers that don’t align with our values — and inshaAllah, we’ll keep choosing barakah over big money.

3️⃣ Where’s the HQ?

Our operational HQ is in Turkey, with active teams in Bangladesh and remote members in the UK, Pakistan and Malaysia.
But truly, our heart lies in the Ummah — and we’re building Kahf to serve Muslims everywhere.

4️⃣ Is our data really safe?

Alhamdulillah — yes. Your data is safe.

At Kahf, we don’t just build digital tools — we build with Amanah (trust), Taqwa (God-consciousness), and Ihsan (excellence) in everything we do.
• We never sell your data. Ever.
• We build with a zero-surveillance, privacy-first approach.
• And most importantly, we view your data as a sacred trust — not a business model.

We know we’ll be accountable to Allah for how we treat our users. That’s not just a slogan — that’s what keeps us grounded.

If you’d like to know who’s behind Kahf, feel free to check us out:
• Omar Al Zabir – https://www.linkedin.com/in/oazabir/
• Nizam Uddin (Myself) – https://www.linkedin.com/in/nizamuddinbabu/

5️⃣ Why can’t I log in from South Korea?

Thank you for flagging this! Some regions like South Korea may have some issues, which we’re now actively investigating.

We’ve escalated this to our technical team, and inshaAllah, we’ll ensure full access for South Korean users very soon.

Final Words:

We’re not perfect — but we’re sincere.
Kahf isn’t just a brand — it’s a movement for Muslims who want digital freedom, safety, and dignity without compromising on Iman.

Keep giving us feedback. Keep holding us accountable. And please, keep us in your duʿā.

We’re building this for you, your family, and the entire Ummah — and with Allah’s help, we will rise together.

Wa billāhi tawfīq.

Warmly,
Nizam Uddin
CEO, Kahf
11