ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা VPN নিয়ে অনেকে শংকায় আছেন যে, ফেসবুক হ্যাক হয় কিনা বা ডিসেবল হয় কিনা। এই ব্যাপারে কয়েকটা কথা বলি।
১। আপনি নিশ্চয়ই মহা গুরুত্বপূর্ণ কোনও ব্যক্তি নন যে আপনার একাউন্ট হ্যাক করে হ্যাকারদের কোনও লাভ আছে। হ্যাকররা আপনার আমার চেয়ে বহু স্মার্ট। যেখানে লাভ নেই সেখানে তারা ১ সেকেন্ড সময় দিবে না।
২। ফেসবুক জানে আপনি কোন ডিভাইস থেকে কোথা থেকে ফেসবুকে ঢুকেছেন। কি ব্রাউজার ব্যবহার করছেন। ভিপিএন ব্যবহার করলে আপনার লোকেশন চেঞ্জ হয় কিন্তু ডিভাইস আইডি চেঞ্জ হয় না। কাজেই একই ডিভাইস থেকে আপনি একবার বাংলাদেশে, একবার জাপান, একবার রাশিয়া, ইউএস থেকে লগিন করলে/ফেসবুক ব্রাউজ করলে ফেসবুক এলগরিদম সন্দেহজনক হিসেবে ধরতে পারে। তবে এক্ষেত্রে উচিত হল two factor login চালু করা। পাসওয়ার্ড দেয়ার পরেও লগিন কোড (OTP or Authenticator app code) ব্যবহার করা। পূর্বের Session এর সাথে ফেসবুক তখন মিলিয়ে দেখবে। তখন ডিভাইস একই পাবে। ঝামেলা হবে না।
৩। ঝামেলা তখনই হবে যখন আপনার আইডি নতুন। আগের সেশনের তেমন তথ্য নেই ফেসবুকের কাছে। আপনি নতুন কোনো ডিভাইস থেকে ফেসবুক চালাতে চাচ্ছেন যার তথ্য ফেসবুকের কাছে নেই। তখন ফেসবুক সন্দেহ করবে অন্য কেউ আপনার একাউন্টের দখল নিতে চাচ্ছে। তখন নানা রকম প্রশ্ন করতে পারে। ইমেইলে কোড দিতে পারে, OTP দিতে পারে। সেগুলোর যদি আপনার হাতে না থাকে অথবা আপনি ভুলভাল কোড দেন তখন একাউন্ট লক করে দিবে। সেই লকড একাউন্ট হয় আপনাকে ভেরিফাই করে বের করে আনতে হবে। নাহয় আগে যেসব ডিভাইস দিয়ে ফেসবুক চালিয়েছেন সেসব দিয়ে লগিন করতে হবে।
ফেসবুক এলগরিদম বহুত স্মার্ট। একারনেই যাদেরকে জনগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (মানে যাদের কার্যক্রম থেকে পাব্লিক উপকৃত হয় বা যাদের পোস্টে লোকেদের এক্টিভিটি বেশি) তাদের আইডিতে two factor authentication বাধ্যতামূলক করেছে। প্রথম প্রথম এসবে বিরক্ত লাগলেও এখন ধীরে ধীরে বুঝে আসছে। - আহমেদ রবিন
১। আপনি নিশ্চয়ই মহা গুরুত্বপূর্ণ কোনও ব্যক্তি নন যে আপনার একাউন্ট হ্যাক করে হ্যাকারদের কোনও লাভ আছে। হ্যাকররা আপনার আমার চেয়ে বহু স্মার্ট। যেখানে লাভ নেই সেখানে তারা ১ সেকেন্ড সময় দিবে না।
২। ফেসবুক জানে আপনি কোন ডিভাইস থেকে কোথা থেকে ফেসবুকে ঢুকেছেন। কি ব্রাউজার ব্যবহার করছেন। ভিপিএন ব্যবহার করলে আপনার লোকেশন চেঞ্জ হয় কিন্তু ডিভাইস আইডি চেঞ্জ হয় না। কাজেই একই ডিভাইস থেকে আপনি একবার বাংলাদেশে, একবার জাপান, একবার রাশিয়া, ইউএস থেকে লগিন করলে/ফেসবুক ব্রাউজ করলে ফেসবুক এলগরিদম সন্দেহজনক হিসেবে ধরতে পারে। তবে এক্ষেত্রে উচিত হল two factor login চালু করা। পাসওয়ার্ড দেয়ার পরেও লগিন কোড (OTP or Authenticator app code) ব্যবহার করা। পূর্বের Session এর সাথে ফেসবুক তখন মিলিয়ে দেখবে। তখন ডিভাইস একই পাবে। ঝামেলা হবে না।
৩। ঝামেলা তখনই হবে যখন আপনার আইডি নতুন। আগের সেশনের তেমন তথ্য নেই ফেসবুকের কাছে। আপনি নতুন কোনো ডিভাইস থেকে ফেসবুক চালাতে চাচ্ছেন যার তথ্য ফেসবুকের কাছে নেই। তখন ফেসবুক সন্দেহ করবে অন্য কেউ আপনার একাউন্টের দখল নিতে চাচ্ছে। তখন নানা রকম প্রশ্ন করতে পারে। ইমেইলে কোড দিতে পারে, OTP দিতে পারে। সেগুলোর যদি আপনার হাতে না থাকে অথবা আপনি ভুলভাল কোড দেন তখন একাউন্ট লক করে দিবে। সেই লকড একাউন্ট হয় আপনাকে ভেরিফাই করে বের করে আনতে হবে। নাহয় আগে যেসব ডিভাইস দিয়ে ফেসবুক চালিয়েছেন সেসব দিয়ে লগিন করতে হবে।
ফেসবুক এলগরিদম বহুত স্মার্ট। একারনেই যাদেরকে জনগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (মানে যাদের কার্যক্রম থেকে পাব্লিক উপকৃত হয় বা যাদের পোস্টে লোকেদের এক্টিভিটি বেশি) তাদের আইডিতে two factor authentication বাধ্যতামূলক করেছে। প্রথম প্রথম এসবে বিরক্ত লাগলেও এখন ধীরে ধীরে বুঝে আসছে। - আহমেদ রবিন
❤17
ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো আজ বুধবার বিকেল থেকে খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক। তিনি বলেছেন, ‘যেসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে কিছুটা সময়ের জন্য সাময়িকভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলাম, সার্বিক বিবেচনায় আজকে তা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউব, বিকেলের মধ্যে সব চালু হবে।’- প্রথম আলো
❤15
নিউজবক্স বাংলা হ্যাক করা হইসে নাকি?
🔹 চ্যানেল এডমিনরা কারো লিংকে ক্লিক করা, এড দেয়ার অফার গ্রহণ করবেন না।
🔹 আপডেট: নেট আবার স্লো
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢16
চলমান ছাত্র আন্দোলনে লোকেশন ট্রাকিং চালু রাখা টা বিপজ্জনক হতে পারে। নিজের লোকেশন ট্রাকিং কাস্টমাইজ করার এবং অযথা যেকোন মোবাইল এপ্লিকেশন বিশেষত ফেসবুক, মেসেঞ্জার, গুগল বা ওয়াটসএপের মত এপ্লিকেশন থেকে নিজের লোকেশন পারমিশন অফ রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা। কোনো বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহার করতে হলে তাৎক্ষণিক ডিভাইস থেকে পারমিশন চালু করে দিয়ে কাজ শেষে আবার লোকেশন পারমিশন বন্ধ রাখার কথাও বলছেন তারা।
📌 আরো কিছু নিউজ কমেন্ট এ দেয়া হলো
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4
Forwarded from Society - Uncensored
ইন্টারনেট ছাড়া বিকল্প উপায়ে সারা দেশে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে সার্বক্ষণিক সচল রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণেরের সাথে।
সোর্স- প্রথম আলো
তার মানে আবার ইন্টারনেট বন্ধ করার প্ল্যান আছে!
আপনারা আগেভাগেই ব্রিজফাই অ্যপটা ইনস্টল করে রাখতে পারেন। আন্দোলনকারী প্রত্যেকে এই এপটি ডাউনলোড করুন এবং আন্দোলনের সব গ্রুপে জানিয়ে দেন এটা যাতে ডাউনলোড করে রাখে। ইন কেস নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিলে যাতে কমিউনিকেশন ঠিক থাকে আমাদের। যদি নেটওয়ার্ক অফ না করে তাহলে তো আর সমস্যা নাই। মনে রাখবেন এই এপস্টি কার্যকর হওয়ার জন্য প্রতি ৩০০ ফিটে অন্তত একজন ইউজার থাকা আবশ্যক। তাই মেইক শিওর করতে হবে যে সবার ফোনে এইটা ইন্সটল্ড আছে।
© টোকানো 💐 - আবু সুমাইয়া ভাই
📣 ব্রীজফাই এপ ভালো কাজ করে না। এটা দিয়ে রিস্ক বাড়তে পারে, আর খুব লিমিটেড ফিচারস (ব্লুটুথ এর উপর নির্ভর করে তাই), তবু লাগলে ইন্সটল রাখতে পারেন
সোর্স- প্রথম আলো
তার মানে আবার ইন্টারনেট বন্ধ করার প্ল্যান আছে!
আপনারা আগেভাগেই ব্রিজফাই অ্যপটা ইনস্টল করে রাখতে পারেন। আন্দোলনকারী প্রত্যেকে এই এপটি ডাউনলোড করুন এবং আন্দোলনের সব গ্রুপে জানিয়ে দেন এটা যাতে ডাউনলোড করে রাখে। ইন কেস নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিলে যাতে কমিউনিকেশন ঠিক থাকে আমাদের। যদি নেটওয়ার্ক অফ না করে তাহলে তো আর সমস্যা নাই। মনে রাখবেন এই এপস্টি কার্যকর হওয়ার জন্য প্রতি ৩০০ ফিটে অন্তত একজন ইউজার থাকা আবশ্যক। তাই মেইক শিওর করতে হবে যে সবার ফোনে এইটা ইন্সটল্ড আছে।
© টোকানো 💐 - আবু সুমাইয়া ভাই
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢11
ইন্টারনেট বন্ধ হবার প্রবল সম্ভাবনা
(কিছু জায়গায় ফোন ডাটা বন্ধ)
(কিছু জায়গায় ফোন ডাটা বন্ধ)
😢21❤1
ভিপিএন ইউজ করুন, প্লে স্টোর ব্যাতিত আরো কোনো জায়গা থেকে নামাবেন না। কিছু টেলিগ্রাম গ্রুপে ক্র্যাক ভিপিএন দিতেসে, ফাঁদে পা দিবেন না আপাতত। এড সহ ফ্রী গুলো চালান, সেফ থাকেন। বিস্তারিত ভিডিও রাতে দিব ইন শা আল্লাহ
❤29
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
যারা ইউটিউব,ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করছেন বা করবেন বলে ভাবছেন তারা একটু হলেও শুনে যান...
❤6
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ম্যাক বুক, লোভ বুক ও ১০ দিনে ২৫ লাখ টাকার সেল।
করোনা মধ্যবর্তী ও পরবর্তী বাংলাদেশে, সবচেয়ে বেশি সফল ক্ষেত্র দু’টি। ই-কমার্স ও কুরিয়ার। আর এরই সূত্র ধরে আমাদের সামনে হাজির হয়েছে অনেকেই তার ভিতর ফাহমিদ আল নাঈম যিনি তার কথা ও গল্পের মায়াজালে আমাদের দেখিয়েছেন লাখপতি হওয়ার স্বপ্ন।
কিন্তু সত্যের চেহারা কিছু কিছু সময় কুৎসিত ও ভয়ংকর হয় । ডিজিটাল দুনিয়া যতটা সহজ ভাবেন ততটা সহজ না। এড রান করলে সেল আসে, বাবসা হয় এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
আপনাদের ম্যাকবুক ও ক্লিকবেট টাইটেল দেখিয়ে জনাব ফাহিম আল নাঈম-এর প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত ৪,০০০ হাজারের অধিক ওয়েবসাইট বানিয়েছে। সবগুলোই একই টেমপ্লেট দিয়ে করা, জাস্ট ওয়েবসাইটের ব্যাকআপ ফাইল রিস্টোর করার মতো অবস্থা। অনেকে ওয়েবসাইটে আবার কোনো প্রোডাক্ট নাই।
আমার মতে উনি মার্কেট থেকে আনুমানিক এখন পর্যন্ত ১০ কোটি টাকা তুলে নিছে ! উনি যে ভ্যালু দিয়েছেন সেটি নগণ্য।
তাদের ওয়ার্কশপে এমন এমন মেম্বার নেওয়া হইছে, যারা আসলে ই-কমার্স বিজনেসের কিছু জানে না। আর ঐ জায়গায় ২৫ হাজার টাকা দিয়ে এমন এমন লোক ঢুকছে, যারা মনে করেন নিজেদের টাকা নেই, আরেকজনের থেকে ধার নিয়ে ঢুকছে।
সাপর্টের নামে মেম্বারদেরকে জুম কলে নিয়ে এসে জোর করে রিভিউ নিয়ে পেজ এবং গ্রুপে পোস্ট করার অভিযোগ আছে। কমিউনিটিতে অনেক পজিটিভ রিভিউ। তার কারণ কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজাররা সবাইকে ট্রিগার করে রিভিউ দেয়ার জন্য।
মেম্বারদের মধ্যে তার কোনও নেটওয়ার্কিং করতে দিবেন বলে তাদের ফেসবুক গ্রুপ তারা আর সচল রাখে নাই। একজন আরেকজনের সাথে কথা বলতে পারবে না।
তাই তাদের প্রত্যেকটা কথাকে, প্রত্যেকটা পোস্ট, প্রত্যেকের পোস্টের নিচে কমেন্ট, সেই কমেন্টের রেপ্লাই, তাদের এসেস করে এরপর অ্যাপ্রুভ করতে হয়। তার মানে বুঝেন, কী পরিমাণ ইনসিকিউরিটিতে ভুগে যে, এই মনে হয় কেউ কোনো একটা কথা বলে ফেলল।
আমার কাছে অন্তত ৫০ জন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে ফাহমিদ আল নাঈম ও তার প্রতিষ্টানের নাম অভিযোগ করছে, অনেকে মামলা পর্যন্ত করতে চাইছে।
আমার এসবের পিছনে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করার মতো সময় আমার নাই। তবে চোখের সামনে সম্ভাবনাময় এই ইন্ড্রাস্ট্রিটা নিয়ে মানুষ তামাশা করবে আর সেটা বসে বসে দেখবো, এটা মানতে পারি নাই বলেই, ভিডিয়োটা দেওয়া। সর্বোপরি মানুষকে সচেতন করার জন্য করাই আমি ‘মাগনা’ খেটে কাজটা করেছি, যাতে অন্তত আপনাদের সচেতন করা যায়।
পাশাপাশি, আপনারা যারা নতুন ব্যবসা শুরু করছেন, একটু চোখ কান খোলা রেখে সামনের দিকে আগাবেন, টাকা দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না।
যেখানে টাকা দেখিয়ে আপনাকে কোর্স কিনতে উৎসাহিত করা হবে ধরে নিবেন ওইটা সলিড না, ভেজাল আছে। ব্যবসায় উন্নতি কোনো ছেলেখেলা না। এটা কঠোর পরিশ্রম, অমানুষিক ধৈর্য আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আসে।
ফাহমিদ আল নাঈম যেইভাবে মার্কেটিং করেন, যারা জানেন না তাদের ভিতর থেকে যে কেউ তার ফাঁদে পা দিতে বাধ্য। ব্যাপারটা এমন, আপনি ২৫ হাজার টাকা ইনভেস্ট করলে ২৫ লক্ষ টাকা কামাইতে পারবেন!
অনেকে ধার করে উনার পিছনে ইনভেস্ট করছে এই ভেবে যে, রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাবে এবং একটা ব্যবসা দাঁড় করিয়ে ফেলবে। অনেকে তো জানানেনই না যে, হোস্টিং কী? ডোমেইন কী? অনেকের এই ২৫ হাজারের বেশি টাকা ইনভেস্ট করার মতো শক্তি নাই। যারা না বুঝে ভর্তি হন তাদের আরো সতর্ক হওয়া উচিত।
রাতারাতি যে কোনোদিন ব্যবসা হয় না, এটা যদি আপনারা অনুভবই না করতে পারেন- তবে আপনাদের এখনো উপযুক্ত সময় আসেন নাই। মনে রাখবেন, ব্যবসা করার জিনিস না। শেখার জিনিস। ধ্যানের জিনিস। এর পিছনে সময়, ধৈর্য, ধ্যানজ্ঞান, টাকা ও সবকিছু দুইটা ইনভেস্ট করতে হয়।
ম্যাক বুক, লোভ বুক ও ১০ দিন ২৫ লাখ টাকার কাহিনি সমাপ্ত হলো এখানেই । সিদ্ধান্ত আপনার হাতে ।
- কালেক্টেড
করোনা মধ্যবর্তী ও পরবর্তী বাংলাদেশে, সবচেয়ে বেশি সফল ক্ষেত্র দু’টি। ই-কমার্স ও কুরিয়ার। আর এরই সূত্র ধরে আমাদের সামনে হাজির হয়েছে অনেকেই তার ভিতর ফাহমিদ আল নাঈম যিনি তার কথা ও গল্পের মায়াজালে আমাদের দেখিয়েছেন লাখপতি হওয়ার স্বপ্ন।
কিন্তু সত্যের চেহারা কিছু কিছু সময় কুৎসিত ও ভয়ংকর হয় । ডিজিটাল দুনিয়া যতটা সহজ ভাবেন ততটা সহজ না। এড রান করলে সেল আসে, বাবসা হয় এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
আপনাদের ম্যাকবুক ও ক্লিকবেট টাইটেল দেখিয়ে জনাব ফাহিম আল নাঈম-এর প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত ৪,০০০ হাজারের অধিক ওয়েবসাইট বানিয়েছে। সবগুলোই একই টেমপ্লেট দিয়ে করা, জাস্ট ওয়েবসাইটের ব্যাকআপ ফাইল রিস্টোর করার মতো অবস্থা। অনেকে ওয়েবসাইটে আবার কোনো প্রোডাক্ট নাই।
আমার মতে উনি মার্কেট থেকে আনুমানিক এখন পর্যন্ত ১০ কোটি টাকা তুলে নিছে ! উনি যে ভ্যালু দিয়েছেন সেটি নগণ্য।
তাদের ওয়ার্কশপে এমন এমন মেম্বার নেওয়া হইছে, যারা আসলে ই-কমার্স বিজনেসের কিছু জানে না। আর ঐ জায়গায় ২৫ হাজার টাকা দিয়ে এমন এমন লোক ঢুকছে, যারা মনে করেন নিজেদের টাকা নেই, আরেকজনের থেকে ধার নিয়ে ঢুকছে।
সাপর্টের নামে মেম্বারদেরকে জুম কলে নিয়ে এসে জোর করে রিভিউ নিয়ে পেজ এবং গ্রুপে পোস্ট করার অভিযোগ আছে। কমিউনিটিতে অনেক পজিটিভ রিভিউ। তার কারণ কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজাররা সবাইকে ট্রিগার করে রিভিউ দেয়ার জন্য।
মেম্বারদের মধ্যে তার কোনও নেটওয়ার্কিং করতে দিবেন বলে তাদের ফেসবুক গ্রুপ তারা আর সচল রাখে নাই। একজন আরেকজনের সাথে কথা বলতে পারবে না।
তাই তাদের প্রত্যেকটা কথাকে, প্রত্যেকটা পোস্ট, প্রত্যেকের পোস্টের নিচে কমেন্ট, সেই কমেন্টের রেপ্লাই, তাদের এসেস করে এরপর অ্যাপ্রুভ করতে হয়। তার মানে বুঝেন, কী পরিমাণ ইনসিকিউরিটিতে ভুগে যে, এই মনে হয় কেউ কোনো একটা কথা বলে ফেলল।
আমার কাছে অন্তত ৫০ জন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে ফাহমিদ আল নাঈম ও তার প্রতিষ্টানের নাম অভিযোগ করছে, অনেকে মামলা পর্যন্ত করতে চাইছে।
আমার এসবের পিছনে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করার মতো সময় আমার নাই। তবে চোখের সামনে সম্ভাবনাময় এই ইন্ড্রাস্ট্রিটা নিয়ে মানুষ তামাশা করবে আর সেটা বসে বসে দেখবো, এটা মানতে পারি নাই বলেই, ভিডিয়োটা দেওয়া। সর্বোপরি মানুষকে সচেতন করার জন্য করাই আমি ‘মাগনা’ খেটে কাজটা করেছি, যাতে অন্তত আপনাদের সচেতন করা যায়।
পাশাপাশি, আপনারা যারা নতুন ব্যবসা শুরু করছেন, একটু চোখ কান খোলা রেখে সামনের দিকে আগাবেন, টাকা দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না।
যেখানে টাকা দেখিয়ে আপনাকে কোর্স কিনতে উৎসাহিত করা হবে ধরে নিবেন ওইটা সলিড না, ভেজাল আছে। ব্যবসায় উন্নতি কোনো ছেলেখেলা না। এটা কঠোর পরিশ্রম, অমানুষিক ধৈর্য আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আসে।
ফাহমিদ আল নাঈম যেইভাবে মার্কেটিং করেন, যারা জানেন না তাদের ভিতর থেকে যে কেউ তার ফাঁদে পা দিতে বাধ্য। ব্যাপারটা এমন, আপনি ২৫ হাজার টাকা ইনভেস্ট করলে ২৫ লক্ষ টাকা কামাইতে পারবেন!
অনেকে ধার করে উনার পিছনে ইনভেস্ট করছে এই ভেবে যে, রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাবে এবং একটা ব্যবসা দাঁড় করিয়ে ফেলবে। অনেকে তো জানানেনই না যে, হোস্টিং কী? ডোমেইন কী? অনেকের এই ২৫ হাজারের বেশি টাকা ইনভেস্ট করার মতো শক্তি নাই। যারা না বুঝে ভর্তি হন তাদের আরো সতর্ক হওয়া উচিত।
রাতারাতি যে কোনোদিন ব্যবসা হয় না, এটা যদি আপনারা অনুভবই না করতে পারেন- তবে আপনাদের এখনো উপযুক্ত সময় আসেন নাই। মনে রাখবেন, ব্যবসা করার জিনিস না। শেখার জিনিস। ধ্যানের জিনিস। এর পিছনে সময়, ধৈর্য, ধ্যানজ্ঞান, টাকা ও সবকিছু দুইটা ইনভেস্ট করতে হয়।
ম্যাক বুক, লোভ বুক ও ১০ দিন ২৫ লাখ টাকার কাহিনি সমাপ্ত হলো এখানেই । সিদ্ধান্ত আপনার হাতে ।
- কালেক্টেড
⚡4😢1
এখন লিমিটলেস ভিডিও প্যাকে ৩০ দিনের জন্য লিমিটলেস কন্টেন্ট দেখতে পাবেন ইউটিউব, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, লাইকি-তে মাত্র ১৮৯ টাকায়।
*জিবি'র কোন লিমিট নাই
*ইন্টারনেট স্পিডের কোন লিমিট নাই
*ওটিটি, ভয়েস ও ভিডিও কলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
https://mygp.li/ceeuw
📣 যাদের অনেক ইউটিউব চালানোর অভ্যাস তারা কিনতে পারেন। এটা মূলত ইউটিউব আনলিমিটেড প্যাক ধরতে পারেন
*জিবি'র কোন লিমিট নাই
*ইন্টারনেট স্পিডের কোন লিমিট নাই
*ওটিটি, ভয়েস ও ভিডিও কলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
https://mygp.li/ceeuw
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6🔥3👏1😁1
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
আন নাফি চ্যানেল কিছু কুচক্রী মহলের দ্বারা গত দেড় ঘণ্টা আগে হ্যাক হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা চ্যানেলটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে ইউটিউব থেকে চ্যানেলে Unusual Activity নোটিস করায় উনারা চ্যানেলটা তাদের প্লাটফর্ম থেকে রিমুভ করে দেয়। আমাদের টিম এখনও কাজ করে যাচ্ছে চ্যানেলটা উদ্ধারের জন্য। ইউটিউবের টিম এর সাথেও কথা চলছে। সবার কাছে দুআর দরখাস্ত রইল। আল্লাহ্ যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে চ্যানেলটা উদ্ধার করার ব্যবস্থা করেন।
বি দ্রঃ অনেকের মনে হতে পারে কোনো ফিসিং লিংকে ক্লিক করার ফলে হ্যাক হয়েছে। ব্যাপারটা আসলে এমন নয়। আন নাফি যে নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত, তাদের সার্ভারে হ্যাকাররা আক্রমণ চালালে আমাদের চ্যানেল এর অ্যাকসেস পেয়ে যায়। আমরা ভবিষ্যতে বিষয়টা নিয়ে আরো সতর্ক থাকব।
কেউ হেল্প করতে চাইলে: ক্লিকেবল লিংক
আন নাফি চ্যানেল কিছু কুচক্রী মহলের দ্বারা গত দেড় ঘণ্টা আগে হ্যাক হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা চ্যানেলটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে ইউটিউব থেকে চ্যানেলে Unusual Activity নোটিস করায় উনারা চ্যানেলটা তাদের প্লাটফর্ম থেকে রিমুভ করে দেয়। আমাদের টিম এখনও কাজ করে যাচ্ছে চ্যানেলটা উদ্ধারের জন্য। ইউটিউবের টিম এর সাথেও কথা চলছে। সবার কাছে দুআর দরখাস্ত রইল। আল্লাহ্ যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে চ্যানেলটা উদ্ধার করার ব্যবস্থা করেন।
বি দ্রঃ অনেকের মনে হতে পারে কোনো ফিসিং লিংকে ক্লিক করার ফলে হ্যাক হয়েছে। ব্যাপারটা আসলে এমন নয়। আন নাফি যে নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত, তাদের সার্ভারে হ্যাকাররা আক্রমণ চালালে আমাদের চ্যানেল এর অ্যাকসেস পেয়ে যায়। আমরা ভবিষ্যতে বিষয়টা নিয়ে আরো সতর্ক থাকব।
কেউ হেল্প করতে চাইলে: ক্লিকেবল লিংক
😢18❤1😁1
আমার জীবনে এত এত সিদ্ধান্তর মধ্যে একটা অন্যতম উত্তম সিদ্ধান্ত ছিল এমন chrome extension গুলা install করা ও ফোন থেকে Facebook অ্যাপ ডিলেট করে দেয়া ।
Facebook বা You Tube রিলস কতটা ক্ষতিকর তা নিজেরাও টের পাই না । বর্তমানে Reels এর Content এর নামে সব আজগুবি ভিডিও বা Soft P**rn প্রমোট করা হচ্ছে , যা মুসলিম হিসেবেই না একমাত্র মানুষ হিসেবে আমাদের মানসিক ভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে ।
সালাহুদ্দিন আইয়ুবি (মিশর ও সিরিয়ার প্রথম সুলতান) বলেছিলেন , "If you want to destroy any nation without war, make adultery or nudity common in the young generation" বর্তমানে এই কথার প্রমাণ পাচ্ছি । দিন দিন facebook & instagram এর reels হয়ে উঠছে এক একটা P*rn সাইটের লাইট ভার্সন ।
এই আধুনিক যুগে এটেনশন হচ্ছে অনেক বড় জিনিস ও অনেক ব্যবসার পুঁজি আর আপনার আমার এই এটেনশন নিচ্ছে এসব reels এর প্রতিবন্ধীরা আর তাই তার এখন অনেক টাকার মালিক আর অনেকে পড়াশুনা বা কষ্ট করা ছেড়ে এসব করার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে ।
যাইহোক, মূল কথা হল মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী না হতে চাইলে ও নিজের ইমান-আমল ঠিক রাখতে চাইলে এখন এই মুহুর্তে এসব Extentions বাধ্যতামূলক হয়ে যাচ্ছে ।
(যদিও ১ম Extion নিয়ে পোস্ট করছিলাম তবে news feed eradicator টাও এইসব কাজে আমার হেল্প আসে, আর রিসেন্টলি এই সপ্তাহ থেকে ৩ইয় Extions টাও ব্যবহার শুরু করছি যা কিছুটা হলেও হেল্প করছে তাই সেটাও পোষ্ট দিলাম । ) - Md Kawsar Islam Yeasin
Facebook বা You Tube রিলস কতটা ক্ষতিকর তা নিজেরাও টের পাই না । বর্তমানে Reels এর Content এর নামে সব আজগুবি ভিডিও বা Soft P**rn প্রমোট করা হচ্ছে , যা মুসলিম হিসেবেই না একমাত্র মানুষ হিসেবে আমাদের মানসিক ভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে ।
সালাহুদ্দিন আইয়ুবি (মিশর ও সিরিয়ার প্রথম সুলতান) বলেছিলেন , "If you want to destroy any nation without war, make adultery or nudity common in the young generation" বর্তমানে এই কথার প্রমাণ পাচ্ছি । দিন দিন facebook & instagram এর reels হয়ে উঠছে এক একটা P*rn সাইটের লাইট ভার্সন ।
এই আধুনিক যুগে এটেনশন হচ্ছে অনেক বড় জিনিস ও অনেক ব্যবসার পুঁজি আর আপনার আমার এই এটেনশন নিচ্ছে এসব reels এর প্রতিবন্ধীরা আর তাই তার এখন অনেক টাকার মালিক আর অনেকে পড়াশুনা বা কষ্ট করা ছেড়ে এসব করার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে ।
যাইহোক, মূল কথা হল মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী না হতে চাইলে ও নিজের ইমান-আমল ঠিক রাখতে চাইলে এখন এই মুহুর্তে এসব Extentions বাধ্যতামূলক হয়ে যাচ্ছে ।
(যদিও ১ম Extion নিয়ে পোস্ট করছিলাম তবে news feed eradicator টাও এইসব কাজে আমার হেল্প আসে, আর রিসেন্টলি এই সপ্তাহ থেকে ৩ইয় Extions টাও ব্যবহার শুরু করছি যা কিছুটা হলেও হেল্প করছে তাই সেটাও পোষ্ট দিলাম । ) - Md Kawsar Islam Yeasin
⚡12
গুলিস্তানের ভুয়া ওষুধ/খাবার/ক্রিম/মলম ইত্যাদি বিক্রেতা ভাইয়া-আপুরা এখন সবাই ফেসবুকে চলে এসেছেন। এসব ভুয়া পণ্য বিক্রেতাদের চিনার সহজ উপায়:
১) তারা একটি প্রোডাক্টে অনেক রোগের সমাধান দেয়, এই রোগ গুলো একে অপরের সাথে সম্পর্কিত কিনা তাদের কোন ধারণা নেই।
২) তারা কথায় কথায় বলে, “কাজ না হলে টাকা ফেরত।”
৩) একজনকে শিখিয়ে এনে পাশে দাঁড় করিয়ে বলায় যে তার কাজে লেগেছে।
৪) ফরসা হওয়ার বা দাগ দূর করার ক্রিম যারা নিজেদের মুখে ব্যবহার করে দেখান, তাদের সবার আগে বিচারের আওতায় আনা উচিত। কারণ, ত্বকের জন্য এসব পণ্য ভবিষ্যতে ক্যানসার তৈরি করতে পারে। - সাব্বির আহমেদ
১) তারা একটি প্রোডাক্টে অনেক রোগের সমাধান দেয়, এই রোগ গুলো একে অপরের সাথে সম্পর্কিত কিনা তাদের কোন ধারণা নেই।
২) তারা কথায় কথায় বলে, “কাজ না হলে টাকা ফেরত।”
৩) একজনকে শিখিয়ে এনে পাশে দাঁড় করিয়ে বলায় যে তার কাজে লেগেছে।
৪) ফরসা হওয়ার বা দাগ দূর করার ক্রিম যারা নিজেদের মুখে ব্যবহার করে দেখান, তাদের সবার আগে বিচারের আওতায় আনা উচিত। কারণ, ত্বকের জন্য এসব পণ্য ভবিষ্যতে ক্যানসার তৈরি করতে পারে। - সাব্বির আহমেদ
😢12❤4
এ লেখাটা বোনদের জন্য বিশেষ করে। রিসেন্ট একটা ঘটনায় দেখা গিয়েছে এক ছেলে মেয়ে সেজে নানারকম কারসাজি করছে। এবং মেয়েদের মাঝে মেয়েদের ছবি নিয়ে ভিক্টিম বানিয়ে নিজের কাজ হাসিল করছে। যাই হোক, কাজের কথায় আসি।
- বার্থডে অনলি মি করা
- নম্বর/ইমেইল অনলি মি করা
- আইডি পরিচিতদের মাঝে শেয়ার না করা। আইডি পাস। অনেকে হুটহাট আইডি পাস দিয়ে আইডি শেয়ার করে। এগুলা ভালো প্রাকটিস না।
যে তথ্যা আপনার শেয়ার করা উচিত নয়।
- ছবি (এটা নিয়ে আলাদা পর্ব আসবে)
- মা বাবার নাম
- সম্ভব হলে নিজের নাম পুরোটা ডিসক্লোজ না করাই ভালো। বিনতে, ইবনে দিয়ে নাম তৈরী করে নেয়া।
- একুরেট বাড়ির ঠিকানা না দেয়া
- এমন আত্নীয় বা বান্ধবিদের আইডিতে রাখার ব্যাপারে সর্তকতা যারা কমেন্টে এমন ভাবে বিহেভ করে যে তারা আপনাকে চেনার বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার হয়ে যায়। রিসেন্ট আইডেন্টিটি ভেরিফাই এর জন্য ব্যাক্তির আইডি থেকে ব্যাক্তির আইডিতে এমন কমেন্টগুলোতে গুরত্ব দিতাম যাদের কমেন্ট দেখে মনে হত এদের চিনে সে। তারপর সে আইডি থেকে ব্যাক্তির স্কুল কলেজ ধারণা করা সহজ।
যেমন, বান্ধবি কলেজে ত আসিস নি। ব্যাস তারা একই কলেজে পড়ে, এরপর তার আইডি থেকে লোকেশন বের করা সহজ।
- যত কাছের বান্ধবি হোক, মেসেন্জার, টেলি হোয়াটসঅ্যাপ এ ছবি না দেয়া। হয়ত আপনার বান্ধবি আপনার ছবি কাউকে দিবে না। তবে তার মাহরামরা আপনার ছবি দেখলে?
- মানুষটা ফেক না রিয়েল সেটা আপনি বুঝতে পারবেন না। আজকাল ভয়েস দিয়ে ভ্যারিফাই করলেও ভয়েস নকল করা বেশ সহজ। ছবি সিরিজ এ বিস্তারিত লিখব। ফেক হলে ছবি পেলে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করবে। আরেকটা পর্বে মানুষের নেচার নিয়ে লিখব তখন আরো বিস্তারিত আসবে।
- ইনবক্স মি, বিপদে পড়লেই ওমক তমকের ইনবক্সে চলে যাওয়া থেকে সাবধান থাকা উচিত। আপনি যাকে চিনেন না তাকে আপনার পারসোনাল বিপদ শেয়ার করে বিপদ বাড়াবেন না।
- দূঃখজনক হলেও সত্যি আমাদের বোনরা অনলাইন অনেক গায়রতবোধ সম্পন্ন হলেও একটা হাদিয়া বা বইয়ের জন্য এদের গলে যেতে দেখেছি। হাদিয়ার জন্য নাম ঠিকানা নম্বর খুব সহজে দিয়ে দেয়। আর হাদিয়া কেন্দ্র করে পরিচয় এর কথা ত নাইই বললাম।
- টেলিগ্রাম এ আইডি ডিলিট সহজ, তাই এখানে নানা অকাজ করে টুপ করে ডিলিট করে দেয় আইডি। নো ম্যাটার টু হোয়াট টেলিগ্রাম আইডি যত ট্রাস্টেড লাগুক সবচেয়ে কম বিশ্বাস করবেন।
- টেলি/হোয়াটসঅ্যাপ রিলেটেড অনেক গ্রুপ থাকে। ইসলামিক। জয়েন হতে পারেন। তবে গ্রুপে ছবি,মিটআপ কিংবা হাদিয়া রিলেটেড ট্রেন্ড থেকে দূরে থাকবেন।
- কেউ আপনাকে এপিকে ফাইল বা লিংক দিলে না জেনে বুঝে ক্লিক বা ইন্সটল করবেন না। ফোন নিয়ে কম বুঝ থাকলে প্লে স্টোরের বাইরে থেকে এপ ইন্সটল করবেন না। গত কয়েকবছর ধার দেয়ার কিছু এপ বের হয়েছিলো। এ এপগুলোর মাধ্যমে ফোনের ছবির একসেস নিত। নিয়ে ব্লাকমেইল করত।
(বলে রাখি, সেন্সিটিভ ছবি ফোনে রাখাই উচিত না। আপনি ডিলিট করলেও ছবি রিকভার করা যায়। যদি অনেক সাবধান থাকতে হয় তাহলে একটা কাজ করতে পারেন, যে ফোনটাতে সেন্সিটিভ পিক ছিলো, পিক ডিলেটের পর সেটার স্টোরেজ অন্য ছবি বা যেকোনো ফাইল দিয়ে পরিপূর্ণ করে তারপর আবার স্টোরেজ খালি করবেন, এতে করে রিকভারি করা পসিবল না।)
- সিম এ টাকা রাখবেন, সচল রাখবেন। যেসব সিম দিয়ে সোশ্যাক মিডিয়া বা যেকোনো একাউন্ট আছে। কারণ অচল সিম কোম্পানি গুলো সেল করে দেয়, এতে করে একাউন্ট একসেস হারাবেন। এ ঘটনা নিজে দেখেছি। আইডিতে যে নম্বর যুক্ত ছিলো সে সিম বহু আগ থেকে ব্যবহার করে না। এরপর হঠাৎ একদিম আর আইডির একসেস নাই। এক লোক সিম কিনে আইডিতে একসেস করে ফেলেছে। পরে পুলিশ হেল্প নিতে হয়েছে ওই মেয়ের।
- জিমেইল এর পাসওয়ার্ড আর কোন কোন ডিভাইসে লগিন আছে বুঝে নিন। জিমেইল এ পাস ভুলে গেলে ফোন নম্বর দিয়ে সবসময় রিকভারি করতে দেয় না। লগিন করা ডিভাইস থেকে ওরা পাস কি দেয়। তাই জিমেইল এর ব্যাপারে সাবধান। এটা যেহেতু আপনার অনেক একাউন্টের মূল তাই এটা সবচেয়ে সাবধানে রাখবেন।
- গুগল ড্রাইভ বা ফটোজ এ সেন্সিটিভ বা নিজের ছবি না রাখাই ভালো। ছবি সিরিজ পড়লে হয়ত বুঝবেন।
- যেকোনো লিংকে এ হুটহাট ক্লিক করবেন না
- হুটহাট ঢুকা বা শ্যাডি ওয়েবাসাইটে এ কুকিজ এক্সেপ্ট করবেন না।
https://t.me/HopeIslamicTech
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤10