GK BEE by SABAS
Photo
#SABAS_contents
#GK
📝Content-06
টপিকঃ মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা
প্রশ্নঃ বীর উত্তম কতজন ?
(ক) ৬৭ (খ) ৬৮ (গ) ৬৯ (ঘ) ৭৩
এর উত্তর হবে ৭৩ জন। কিভাবে?
যদি বলা হয় মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম খেতাব দেওয়া হয় ?
উত্তর হবে ৬৮ জন।
এই ৬৮ জন বীরউত্তমের মধ্যে বঙ্গবন্ধর খুনী মেজর শরীফুল হক ডালিমের খেতাব বাতিল করা হয়েছে। তাহলে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা বর্তমানে আছেন ৬৭ জন।
আবার যদি বলা হয়, বাংলাদেশের কতজন লোক বীরউত্তম খেতাব পেয়েছেন ?
উত্তর হবে ৬৭+১+৫=৭৩ জন।
এবার আসো ক্লিয়ার করি,
মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জন কে-
বীরশ্রেষ্ঠ (৭),
বীরউত্তম (৬৮),
বীর বিক্রম (১৭৫) এবং
বীর প্রতীক (৪২৬) খেতাব দেওয়া হয়।
৬ জুন ২০২১ তারিখে সরকার বঙ্গবন্ধুর ৪ খুনীর খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তারা হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
সুতরাং বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন। এর মধ্যে-
বীরশ্রেষ্ঠ (৭),
বীরউত্তম (৬৭),
বীর বিক্রম (১৭৪) এবং
বীর প্রতীক (৪২৪) জন।
মুক্তিযুদ্ধের পরও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই খেতাব গুলো দেওয়া হয়।
এর মধ্যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ ই অগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার রাতে হত্যা প্রতিরোধ করতে আসার পথে নিহত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জামিলকে সে রাতের বীরত্বের জন্য "২০১০ সালে" ‘বীর উত্তম’ খেতাব দেওয়া হয়।
এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সংঘাতের সময় দায়িত্ব পালনকালে বীরত্বের জন্য ৫ জনকে বীর উত্তম, ২০ জনকে বীর বিক্রম ও ৮২ জনকে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হয়।
তাহলে বাংলাদেশে মোট বীর উত্তম হলো ৬৭+১+৫=৭৩ জন।
আর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর উত্তম হলো ৬৭ জন।
[বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক খেতাবগুলো আর কাউকে দেওয়া হবে না। এখন থেকে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নিচের খেতাবগুলো দেওয়া হবে-
১. বীর সর্বোত্তম
২. বীর মৃত্যুঞ্জয়ী
৩. বীর চিরঞ্জীব
৪. বীর দুর্জয়]
© SABAS
#GK
📝Content-06
টপিকঃ মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা
প্রশ্নঃ বীর উত্তম কতজন ?
(ক) ৬৭ (খ) ৬৮ (গ) ৬৯ (ঘ) ৭৩
এর উত্তর হবে ৭৩ জন। কিভাবে?
যদি বলা হয় মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম খেতাব দেওয়া হয় ?
উত্তর হবে ৬৮ জন।
এই ৬৮ জন বীরউত্তমের মধ্যে বঙ্গবন্ধর খুনী মেজর শরীফুল হক ডালিমের খেতাব বাতিল করা হয়েছে। তাহলে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা বর্তমানে আছেন ৬৭ জন।
আবার যদি বলা হয়, বাংলাদেশের কতজন লোক বীরউত্তম খেতাব পেয়েছেন ?
উত্তর হবে ৬৭+১+৫=৭৩ জন।
এবার আসো ক্লিয়ার করি,
মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জন কে-
বীরশ্রেষ্ঠ (৭),
বীরউত্তম (৬৮),
বীর বিক্রম (১৭৫) এবং
বীর প্রতীক (৪২৬) খেতাব দেওয়া হয়।
৬ জুন ২০২১ তারিখে সরকার বঙ্গবন্ধুর ৪ খুনীর খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তারা হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
সুতরাং বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন। এর মধ্যে-
বীরশ্রেষ্ঠ (৭),
বীরউত্তম (৬৭),
বীর বিক্রম (১৭৪) এবং
বীর প্রতীক (৪২৪) জন।
মুক্তিযুদ্ধের পরও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই খেতাব গুলো দেওয়া হয়।
এর মধ্যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ ই অগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার রাতে হত্যা প্রতিরোধ করতে আসার পথে নিহত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জামিলকে সে রাতের বীরত্বের জন্য "২০১০ সালে" ‘বীর উত্তম’ খেতাব দেওয়া হয়।
এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সংঘাতের সময় দায়িত্ব পালনকালে বীরত্বের জন্য ৫ জনকে বীর উত্তম, ২০ জনকে বীর বিক্রম ও ৮২ জনকে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হয়।
তাহলে বাংলাদেশে মোট বীর উত্তম হলো ৬৭+১+৫=৭৩ জন।
আর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর উত্তম হলো ৬৭ জন।
[বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক খেতাবগুলো আর কাউকে দেওয়া হবে না। এখন থেকে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নিচের খেতাবগুলো দেওয়া হবে-
১. বীর সর্বোত্তম
২. বীর মৃত্যুঞ্জয়ী
৩. বীর চিরঞ্জীব
৪. বীর দুর্জয়]
© SABAS
❤82🔥14🤔1