🔴 ব্রেকিং নিউজ 🔵
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: যুক্তরাষ্ট্র যদি সমুদ্রপথে অবরোধের হুমকি কার্যকর করে, তবে এটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে এবং আমরা এর জবাব দেব।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: যুক্তরাষ্ট্র যদি সমুদ্রপথে অবরোধের হুমকি কার্যকর করে, তবে এটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে এবং আমরা এর জবাব দেব।
—❗️🇺🇸/🇷🇺/🇮🇷 হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ আরও ৩০ দিনের জন্য বাড়িয়েছে।
ট্রাম্প বলছে আজ রাতেই পাকিস্তানে আমেরিকা-ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি হবে।
জেডি ভান্স সহ কুশনার, উইটকফ গং পাকিস্তান পৌছে গেছে।
এদিকে ইরান ঘুমাচ্ছে, ইরান বলছে ইরানি জাহাজের উপর মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেয়া না হলে কোনো আলোচনাই নয়।
এখন বলা হচ্ছে মার্কিন টিম এখনও পাকিস্তান যায় নাই....🐸
জেডি ভান্স সহ কুশনার, উইটকফ গং পাকিস্তান পৌছে গেছে।
এদিকে ইরান ঘুমাচ্ছে, ইরান বলছে ইরানি জাহাজের উপর মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেয়া না হলে কোনো আলোচনাই নয়।
এখন বলা হচ্ছে মার্কিন টিম এখনও পাকিস্তান যায় নাই....🐸
🔴 ব্রেকিং নিউজ 🔵
হারেৎজ: হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর ‘ইসরায়েলি’ সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের বাহিনীর একাংশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
হারেৎজ: হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর ‘ইসরায়েলি’ সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের বাহিনীর একাংশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
⚡️ ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমাদের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ব্যবহার প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে করা হয় এবং আমরা ইরানের অবকাঠামোতে হামলা না করার ওপর জোর দিয়েছি।
জুলফিকার
জুলফিকার
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
🇺🇸 "I would've won Vietnam very quickly if I were president." - Trump
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🇺🇸🇮🇱❌🇮🇷 — প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প:
ইসরায়েল আমাদের জন্য একটি চমৎকার অংশীদার।
কথায় আছে, আমরা বড় ভাই, ওরা ছোট ভাই, কিন্তু ছোট ভাইটাই আমাদের খুব সাহায্য করেছে।
তাঁরা অসাধারণ সাহস দেখিয়েছেন।
ইসরায়েল আমাদের জন্য একটি চমৎকার অংশীদার।
কথায় আছে, আমরা বড় ভাই, ওরা ছোট ভাই, কিন্তু ছোট ভাইটাই আমাদের খুব সাহায্য করেছে।
তাঁরা অসাধারণ সাহস দেখিয়েছেন।
🇺🇸🇮🇷⚡️ — ইরান প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প:
আমরা খুব ভালো মনের মানুষদের সাথে কাজ করছি না, কিন্তু বেশ সফলভাবেই তাদের সাথে কাজ করে যাচ্ছি।
আমরা খুব ভালো মনের মানুষদের সাথে কাজ করছি না, কিন্তু বেশ সফলভাবেই তাদের সাথে কাজ করে যাচ্ছি।
⚡️ ট্রাম্প:
ইরান আমেরিকার দাবি পূরণ করে এমন একটি প্রস্তাব দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে।
ইরান আলোচনা করতে এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে চায়।
ইরান আমেরিকার দাবি পূরণ করে এমন একটি প্রস্তাব দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে।
ইরান আলোচনা করতে এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে চায়।
⚡️ পাকিস্তানে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস: দ্বিপাক্ষিক বিষয় পর্যালোচনা এবং আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন।
⚡️ এবিসি একজন পাকিস্তানি সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে:
মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবে।
পৃথক সভাগুলো সফল হলে, তারা রবিবার একটি সরাসরি সভা করতে পারেন।
মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবে।
পৃথক সভাগুলো সফল হলে, তারা রবিবার একটি সরাসরি সভা করতে পারেন।
⚡️ পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র:
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন।
অনেকেই স্বপ্ন দেখেছিলেন, কিন্তু জিন্নাহই সেই স্বপ্নকে লড়াইয়ে ও বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর দৃঢ়তা ছাড়া পাকিস্তান শুধুই একটি ফ্যান্টাসি থেকে যেত।
জিন্নাহ ১৯৩০-এর পর রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন, লন্ডনে আইন ব্যবসায় ব্যস্ত হোন, বলা চলে ভারতীয় রাজনীতির প্রতি হতাশা থেকে কিছুটা নির্লিপ্ত হয়ে পড়েন।
আল্লামা ইকবাল ১৯৩৬-৩৭ এই সময়ে জিন্নাহকে নিয়মিত চিঠি লিখে উৎসাহ দিতে থাকেন (প্রায় ১৩ টি চিঠি লিখেন এই সময়ে)।
এরমধ্যে আল্লামা ইকবাল জিন্নাহকে ১৯৩৭ সালের ২১ জুন এক চিঠিতে লিখেন,
"আমি জানি আপনি খুব ব্যস্ত মানুষ। কিন্তু আমি আশা করি আপনি আমার বারবার চিঠি লেখায় কিছু মনে করবেন না, কারণ আজ ভারতবর্ষে আপনিই একমাত্র মুসলিম নেতা, যাঁর দিকে সম্প্রদায় নিরাপদ পথনির্দেশনার জন্য তাকাতে পারে..."
বলা চলে জিন্নাহর প্রতি ইকবালের এই দৃঢ় বিশ্বাসই জিন্নাহকে আবার ময়দানে ফিরিয়ে এনেছিলো।
পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা ইকবাল জিন্নাহকে 'Only Muslim Leader' বলে ডেকে লন্ডন থেকে পুরোপুরি ফিরিয়ে এনে মুসলিম লীগের হাল ধরিয়েছিলেন।
ইকবাল চিঠি না লিখলে হয়তো জিন্নাহ বাকি জীবন আইন ব্যবসা করেই কাটাতেন, কিন্তু জিন্নাহ ইকবালের চিঠির সাড়া দিয়ে ইতিহাস বদলে দিয়েছিলেন।
সবাই যখন আপোষ করতে চেয়েছিলো, তখন জিন্নাহ বলেছিলো, আমরা পাকিস্তান চাই, আর কিছু নয়।
আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন ১৯৩০ সালে এলাহাবাদের বক্তৃতায় তিনি যে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের কথা বলেছিলেন সেই রাষ্ট্র ছিনিয়ে আনার দূরদর্শী নেতা হতে পারে এই জিন্নাহই।
জিন্নাহ ১৯৩০-এর পর রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন, লন্ডনে আইন ব্যবসায় ব্যস্ত হোন, বলা চলে ভারতীয় রাজনীতির প্রতি হতাশা থেকে কিছুটা নির্লিপ্ত হয়ে পড়েন।
আল্লামা ইকবাল ১৯৩৬-৩৭ এই সময়ে জিন্নাহকে নিয়মিত চিঠি লিখে উৎসাহ দিতে থাকেন (প্রায় ১৩ টি চিঠি লিখেন এই সময়ে)।
এরমধ্যে আল্লামা ইকবাল জিন্নাহকে ১৯৩৭ সালের ২১ জুন এক চিঠিতে লিখেন,
"আমি জানি আপনি খুব ব্যস্ত মানুষ। কিন্তু আমি আশা করি আপনি আমার বারবার চিঠি লেখায় কিছু মনে করবেন না, কারণ আজ ভারতবর্ষে আপনিই একমাত্র মুসলিম নেতা, যাঁর দিকে সম্প্রদায় নিরাপদ পথনির্দেশনার জন্য তাকাতে পারে..."
বলা চলে জিন্নাহর প্রতি ইকবালের এই দৃঢ় বিশ্বাসই জিন্নাহকে আবার ময়দানে ফিরিয়ে এনেছিলো।
পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা ইকবাল জিন্নাহকে 'Only Muslim Leader' বলে ডেকে লন্ডন থেকে পুরোপুরি ফিরিয়ে এনে মুসলিম লীগের হাল ধরিয়েছিলেন।
ইকবাল চিঠি না লিখলে হয়তো জিন্নাহ বাকি জীবন আইন ব্যবসা করেই কাটাতেন, কিন্তু জিন্নাহ ইকবালের চিঠির সাড়া দিয়ে ইতিহাস বদলে দিয়েছিলেন।
সবাই যখন আপোষ করতে চেয়েছিলো, তখন জিন্নাহ বলেছিলো, আমরা পাকিস্তান চাই, আর কিছু নয়।
আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন ১৯৩০ সালে এলাহাবাদের বক্তৃতায় তিনি যে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের কথা বলেছিলেন সেই রাষ্ট্র ছিনিয়ে আনার দূরদর্শী নেতা হতে পারে এই জিন্নাহই।
❤4