ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তি ইউনিট পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ভর্তি পরীক্ষাঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী অনুষদ এর অধীনে তিনটি তিনটি পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়
*ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ:
আসন সংখ্যাঃ১৮০
ডিপার্টমেন্টঃইইই,সিএসই,সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
*ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ
আসনঃ১৮০
ডিপার্টমেন্টঃসিএসই,ইইই,সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
*বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
আসনঃ১২০
ডিপার্টমেন্টঃইইই,সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
আসন সংখ্যাঃ৪৮০(কোটাসহ)
সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর পড়াশোনার খরচ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে যতটুকু খরচ ঠিক তেমনি।
যেহুতু এই তিনটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই এখানকার শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী প্রদান করে থাকে।
একটা কনফিউশান অনেকের ই থাকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ডিগ্রি আর ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি(কুয়েট, চুয়েট,রুয়েট) এর ডিগ্রীর পার্থক্য টা কোথায়?
এই প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কন্সেপ্ট বাংলাদেশে নতুন নয়। মোটামুটি আমরা সবাই অবগত বুয়েটের পূর্বের নাম ছিল আহসানুল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থাকাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীন ছিল। শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী পেত। এমনকি বাংলাদেশে বুয়েট, কুয়েট,চুয়েট,রুয়েট ,বুটেক্স সবগুলোই পূর্বে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছিল কোন না কোন স্বায়ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।
সেশনঃ
সেশন জট নেই।সেমিস্টার পদ্ধতিতে ৪ বছরের কোর্সে ৮ সেমিস্টারে শেষ করা হয়
ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনঃ
মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা
লিখিতঃ১২০
জিপিএঃ৮০(এইচএসসি ৫০ এসএসসি ৩০)
বিষয় মানবন্টনঃ
ম্যাথঃ৩৫
ফিজিক্সঃ৩৫
কেমিস্ট্রিঃ৩৫
ইংরেজিঃ১৫
*ক্যাল্কুলেটের ব্যাবহার এর সুযোগ নেই
*নেগেটিভ মার্কিং নেই
*২ন্ড টাইম নেই
সচরাচর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০-১২ হাজার শিক্ষার্থী, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ১২হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং ১৩০০ মেরিট এর মতো সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং এ সাব্জেক্টি পেয়েছিল। পরীক্ষায় মোটামুটি ১৫০+ নম্বর এ সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং এ চান্স হয়ে আসছে বিগত বছরগুলো তে
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃময়মনসিংহ,ফরিদপুর,বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এ শুধুমাত্র বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়।ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এর সুযোগ পায় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী অনুষদ এর অধীনে তিনটি তিনটি পাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়
*ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ:
আসন সংখ্যাঃ১৮০
ডিপার্টমেন্টঃইইই,সিএসই,সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
*ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজঃ
আসনঃ১৮০
ডিপার্টমেন্টঃসিএসই,ইইই,সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
*বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
আসনঃ১২০
ডিপার্টমেন্টঃইইই,সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
আসন সংখ্যাঃ৪৮০(কোটাসহ)
সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর পড়াশোনার খরচ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে যতটুকু খরচ ঠিক তেমনি।
যেহুতু এই তিনটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই এখানকার শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী প্রদান করে থাকে।
একটা কনফিউশান অনেকের ই থাকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এর ডিগ্রি আর ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি(কুয়েট, চুয়েট,রুয়েট) এর ডিগ্রীর পার্থক্য টা কোথায়?
এই প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কন্সেপ্ট বাংলাদেশে নতুন নয়। মোটামুটি আমরা সবাই অবগত বুয়েটের পূর্বের নাম ছিল আহসানুল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থাকাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীন ছিল। শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী পেত। এমনকি বাংলাদেশে বুয়েট, কুয়েট,চুয়েট,রুয়েট ,বুটেক্স সবগুলোই পূর্বে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছিল কোন না কোন স্বায়ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।
সেশনঃ
সেশন জট নেই।সেমিস্টার পদ্ধতিতে ৪ বছরের কোর্সে ৮ সেমিস্টারে শেষ করা হয়
ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনঃ
মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা
লিখিতঃ১২০
জিপিএঃ৮০(এইচএসসি ৫০ এসএসসি ৩০)
বিষয় মানবন্টনঃ
ম্যাথঃ৩৫
ফিজিক্সঃ৩৫
কেমিস্ট্রিঃ৩৫
ইংরেজিঃ১৫
*ক্যাল্কুলেটের ব্যাবহার এর সুযোগ নেই
*নেগেটিভ মার্কিং নেই
*২ন্ড টাইম নেই
সচরাচর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০-১২ হাজার শিক্ষার্থী, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ১২হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং ১৩০০ মেরিট এর মতো সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং এ সাব্জেক্টি পেয়েছিল। পরীক্ষায় মোটামুটি ১৫০+ নম্বর এ সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং এ চান্স হয়ে আসছে বিগত বছরগুলো তে
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃময়মনসিংহ,ফরিদপুর,বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এ শুধুমাত্র বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়।ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এর সুযোগ পায় না।
যে সিলেবাসে হবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার বিষয়ের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনতে চায় ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে যে বিষয়গুলোর ওপর এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি সেগুলোর সিলেবাস কেমন হবে সেটি ঠিক করবে সিলেবাস প্রণয়ন কমিটি। এছাড়া ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় আইসিটি বিষয় থেকে প্রশ্ন করে খুব একটা সুবিধা না পাওয়ায় এবারের ভর্তি পরীক্ষায় আইসিটি বিষয় বাদ দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার বিষয়ের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনতে চায় ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে যে বিষয়গুলোর ওপর এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি সেগুলোর সিলেবাস কেমন হবে সেটি ঠিক করবে সিলেবাস প্রণয়ন কমিটি। এছাড়া ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় আইসিটি বিষয় থেকে প্রশ্ন করে খুব একটা সুবিধা না পাওয়ায় এবারের ভর্তি পরীক্ষায় আইসিটি বিষয় বাদ দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
জাবির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু ১৮ মে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৮ মে সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। ১৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আগামী ৩১ জুলাই হতে ১১ আগস্টের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়াও পরীক্ষার পূর্বে বিস্তারিত তথ্য ও সিটপ্ল্যান juniv-admission.org ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
২০১৮ সাল ও তার পরবর্তী বছরসমূহের মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষা এবং ২০২০ ও ২০২১ সালের উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। মাধ্যমিক/সমমান ও উচ্চমাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ৪র্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ গণনা করা হবে। জি.সি.ই. ২০১৬ সাল থেকে তৎপরবর্তী সাল পর্যন্ত লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ৫টি (পাঁচ) বিষয়ে এবং ২০২০ অথবা ২০২১ সালের A লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
আবেদনকারীর লেভেল এবং A লেভেলের মোট ৭ (সাত)টি বিষয়ের মধ্যে ৪ (চার)টি বিষয়ে কমপক্ষে B গ্রেড ও ৩ (তিন)টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষার্থী যে কোন ইউনিটে আবেদন করতে পারবে।
জাবির পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে, জিপিএতে থাকছে ২০ নম্বর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৮ মে সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। ১৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আগামী ৩১ জুলাই হতে ১১ আগস্টের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়াও পরীক্ষার পূর্বে বিস্তারিত তথ্য ও সিটপ্ল্যান juniv-admission.org ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
২০১৮ সাল ও তার পরবর্তী বছরসমূহের মাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষা এবং ২০২০ ও ২০২১ সালের উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। মাধ্যমিক/সমমান ও উচ্চমাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ৪র্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ গণনা করা হবে। জি.সি.ই. ২০১৬ সাল থেকে তৎপরবর্তী সাল পর্যন্ত লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ৫টি (পাঁচ) বিষয়ে এবং ২০২০ অথবা ২০২১ সালের A লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
আবেদনকারীর লেভেল এবং A লেভেলের মোট ৭ (সাত)টি বিষয়ের মধ্যে ৪ (চার)টি বিষয়ে কমপক্ষে B গ্রেড ও ৩ (তিন)টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষার্থী যে কোন ইউনিটে আবেদন করতে পারবে।
জাবির পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে, জিপিএতে থাকছে ২০ নম্বর
5_6294088952391403025.pdf
2.9 MB
JU Admission Circular.pdf
ভদ্রলোকের নাম বেলায়েত শেখ। বয়স ৫৫। এবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষা- ২০২২ এ প্রার্থী।
এই বয়সে কেন সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়তে চায়??
বেলায়েত শেখ বলেন - তার স্বপ্ন ছিলো সন্তানেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে, অনেক আশা ছিলো তাদের নিয়ে
কিন্তু তিন সন্তানের কেউ ই তা পূরণ করতে পারে নি।
সেই ক্ষোভ থেকে ২০১৯ সালে এস এস সি আর ২০২১ এ এসে এইচ এচ সি পরীক্ষা দিয়েছেন।
শুধু মাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়বেন আশায়।
এই বয়সে কেন সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়তে চায়??
বেলায়েত শেখ বলেন - তার স্বপ্ন ছিলো সন্তানেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে, অনেক আশা ছিলো তাদের নিয়ে
কিন্তু তিন সন্তানের কেউ ই তা পূরণ করতে পারে নি।
সেই ক্ষোভ থেকে ২০১৯ সালে এস এস সি আর ২০২১ এ এসে এইচ এচ সি পরীক্ষা দিয়েছেন।
শুধু মাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়বেন আশায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ইউনিট এর পূর্ণাঙ্গ MCQ প্রশ্ন সমাধান।
আজ (০৩.০৬.২২) অনুষ্ঠিত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ঢাবি গ ইউনিট (বাণিজ্য শাখা) ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশের সমাধান।
এখান থেকে মিলিয়ে দেখে নাও তোমার দেওয়া সঠিক উত্তর কতটি। মিলানো শেষে কয়টি সঠিক বা ভুল হলো তা কমেন্টে জানাতে ভুলো না কিন্তু।
আজ (০৩.০৬.২২) অনুষ্ঠিত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ঢাবি গ ইউনিট (বাণিজ্য শাখা) ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশের সমাধান।
এখান থেকে মিলিয়ে দেখে নাও তোমার দেওয়া সঠিক উত্তর কতটি। মিলানো শেষে কয়টি সঠিক বা ভুল হলো তা কমেন্টে জানাতে ভুলো না কিন্তু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ইউনিট এর পূর্ণাঙ্গ MCQ প্রশ্ন সমাধান।
আজ (০৪.০৬.২২) অনুষ্ঠিত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ঢাবি খ ইউনিট (মানবিক শাখা) ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশের সমাধান।
আজ (০৪.০৬.২২) অনুষ্ঠিত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ঢাবি খ ইউনিট (মানবিক শাখা) ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশের সমাধান।