সমান?
আমরা করছি ২টি ইউনিট। ভারতে ৬ টি ইউনিট করা হয়েছে । যত বেশি ইউনিট করবেন তত নেট খরচ কম পড়বে। তুরস্কে মডেল ১২০০ ব্যবহার করা হলেও তাদের ৪টা ইউনিট। একারণে নেট খরচ তাদের কম পড়বে। আপনি আরও ২টা ইউনিট করেন, আপনারও খরচ কমে আসবে।
অন্যান্য যেসকল দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে তাদের আগেও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল বা আছে। তাদের নিজস্ব লোক দ্বারাই তারা তাদের কেন্দ্র তৈরি করছে। আমাদের দেশে প্রতিটি স্পেশালিস্ট আসছে রাশিয়া থেকে। আমাদের নিজেদের লোকদের রাশিয়াতে পাঠিয়ে ৩-১২ মাসের ট্রেনিং দিয়ে এই কেন্দ্র চালানোর জন্য প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে। এতে খরচ নেই?
সবচেয়ে বড় কথা, রাশিয়া ১২.৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে ৩০ বছরের জন্য। তার নিদেনপক্ষে একটা সুদ আছে। অন্যান্য দেশ নগদ টাকায় করছে। আপনি করছেন ৯০% ঋণে ৩০ বছরের কিস্তিতে। আপনার খরচ নিশ্চয়ই বেশি হবে।
এইবার আসি, গ্লোবাল কর্প কারা। এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংস্থা যাদের কাজ হচ্ছে রাশিয়া এবং চীনের বিভিন্ন সংস্থার কাজের সমালোচনা করা। সোজা কথায়, রাশিয়া বাংলাদেশে এত বড় প্রজেক্ট করছে। এই ধরনের সংস্থার সেটা ভালোভাবে দেখার কথা না। আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীদের সেটা ভালো লাগার কথা না।
প্রশ্ন ৪। বালিশ কান্ডের বিষয়ে কি বলবেন?
বাংলাদেশের সাথে রাশিয়ার চুক্তি অনুসারে রাশিয়ান স্পেশালিস্টদের আবাসন এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। সেই জন্য প্রকল্প এলাকা থেকে একটু দূরে এই স্পেশালিস্টদের থাকার জন্য একটি আবাসন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। যার দায়িত্ব পড়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের তত্ত্বাবধানে গণপূর্তের ওপর। এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রজেক্ট যেখানে রাশিয়ানদের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। আপনি বাড়ি বানাইতে গেলে যেই ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান পাশের জন্য ঘুষ খায় সেই একি ধরনের লোক বালিশ ৭0 হাজার টাকায় কিনসে এবং লুটপাট করসে।
প্রশ্ন ৫। তাইলে কি কোন দুর্নীতি হয় নাই?
অবশ্যই হতেই পারে। একজন আমলার সাইন নিতে হইলেও তো এই দেশে পঞ্চাশ হাজার টাকা গোনা লাগে। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে যেভাবে বলা হইতেসে যে, হাসিনারে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ দেয়া হইসে এবং পুরানা আমলের চুল্লী ধরায় দিয়ে বাংলাদেশের কাছে অনেক বেশি টাকা নির্মাণ ব্যয় ধরা হইসে, অন্যদেশে অনেক কমে কাজ করা হইসে, এইটা শুধু মিথ্যা না। ভয়াবহ রকমের মিথ্যাচার এবং প্রপাগান্ডা। কারা করসে, কেন করসে নিজেরা বুঝে নেন।
বিঃদ্রঃ যা কিছু লিখসি, নেটেই আছে। একটু চোখ কান খোলা রাখলেই পাবেন সোর্স।
বাঙালির অনেক গুন আছে। কিন্তু বাঙালীর জ্ঞানের অগভীরতা, পড়াশোনা করতে না চাওয়ার প্রবণতা এবং গুজব রটনা এবং বাছ-বিচার না করে তা গণহারে ছড়ানোর অভ্যেস আমাকে সততঃ পীড়া দেয়।”
সংগৃহিত
আমরা করছি ২টি ইউনিট। ভারতে ৬ টি ইউনিট করা হয়েছে । যত বেশি ইউনিট করবেন তত নেট খরচ কম পড়বে। তুরস্কে মডেল ১২০০ ব্যবহার করা হলেও তাদের ৪টা ইউনিট। একারণে নেট খরচ তাদের কম পড়বে। আপনি আরও ২টা ইউনিট করেন, আপনারও খরচ কমে আসবে।
অন্যান্য যেসকল দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে তাদের আগেও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল বা আছে। তাদের নিজস্ব লোক দ্বারাই তারা তাদের কেন্দ্র তৈরি করছে। আমাদের দেশে প্রতিটি স্পেশালিস্ট আসছে রাশিয়া থেকে। আমাদের নিজেদের লোকদের রাশিয়াতে পাঠিয়ে ৩-১২ মাসের ট্রেনিং দিয়ে এই কেন্দ্র চালানোর জন্য প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে। এতে খরচ নেই?
সবচেয়ে বড় কথা, রাশিয়া ১২.৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে ৩০ বছরের জন্য। তার নিদেনপক্ষে একটা সুদ আছে। অন্যান্য দেশ নগদ টাকায় করছে। আপনি করছেন ৯০% ঋণে ৩০ বছরের কিস্তিতে। আপনার খরচ নিশ্চয়ই বেশি হবে।
এইবার আসি, গ্লোবাল কর্প কারা। এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংস্থা যাদের কাজ হচ্ছে রাশিয়া এবং চীনের বিভিন্ন সংস্থার কাজের সমালোচনা করা। সোজা কথায়, রাশিয়া বাংলাদেশে এত বড় প্রজেক্ট করছে। এই ধরনের সংস্থার সেটা ভালোভাবে দেখার কথা না। আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীদের সেটা ভালো লাগার কথা না।
প্রশ্ন ৪। বালিশ কান্ডের বিষয়ে কি বলবেন?
বাংলাদেশের সাথে রাশিয়ার চুক্তি অনুসারে রাশিয়ান স্পেশালিস্টদের আবাসন এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। সেই জন্য প্রকল্প এলাকা থেকে একটু দূরে এই স্পেশালিস্টদের থাকার জন্য একটি আবাসন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। যার দায়িত্ব পড়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের তত্ত্বাবধানে গণপূর্তের ওপর। এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রজেক্ট যেখানে রাশিয়ানদের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। আপনি বাড়ি বানাইতে গেলে যেই ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান পাশের জন্য ঘুষ খায় সেই একি ধরনের লোক বালিশ ৭0 হাজার টাকায় কিনসে এবং লুটপাট করসে।
প্রশ্ন ৫। তাইলে কি কোন দুর্নীতি হয় নাই?
অবশ্যই হতেই পারে। একজন আমলার সাইন নিতে হইলেও তো এই দেশে পঞ্চাশ হাজার টাকা গোনা লাগে। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে যেভাবে বলা হইতেসে যে, হাসিনারে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ দেয়া হইসে এবং পুরানা আমলের চুল্লী ধরায় দিয়ে বাংলাদেশের কাছে অনেক বেশি টাকা নির্মাণ ব্যয় ধরা হইসে, অন্যদেশে অনেক কমে কাজ করা হইসে, এইটা শুধু মিথ্যা না। ভয়াবহ রকমের মিথ্যাচার এবং প্রপাগান্ডা। কারা করসে, কেন করসে নিজেরা বুঝে নেন।
বিঃদ্রঃ যা কিছু লিখসি, নেটেই আছে। একটু চোখ কান খোলা রাখলেই পাবেন সোর্স।
বাঙালির অনেক গুন আছে। কিন্তু বাঙালীর জ্ঞানের অগভীরতা, পড়াশোনা করতে না চাওয়ার প্রবণতা এবং গুজব রটনা এবং বাছ-বিচার না করে তা গণহারে ছড়ানোর অভ্যেস আমাকে সততঃ পীড়া দেয়।”
সংগৃহিত
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
