“নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্মরত একজনের লিখা। পড়ে দেখার অনুরোধ রইলো।
আমার ফেইসবুকে কিছু লিখতে ভয়াবহ আলসি লাগে। তাও আবেগে পড়ে আন্দোলনের টাইমে মেলা কিছু লিখে ফেলসিলাম। যেই একটু আরাম করে মিমস শেয়ারের মুডে গেসি, ওমনি সবাই রুপপুরের খবর জানার জন্য ব্যক্তিগত ভাবে মেসেজ করতেছে। জনে জনে এত কিছু বলা সম্ভব না বিধায় এই বিশাল পোষ্টের অবতারণা।
হঠাৎ করে গ্লোবাল কর্প নামক একটি সংস্থা প্রতিবেদন বের করে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণের জন্য ৫.৫ বিলিয়ন ডলার রাশিয়ার পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম শেখ হাসিনাকে ঘুষ দিয়েছে এবং এতে মধ্যস্থতা করে টিউলিপ সিদ্দিকি এবং সজীব ওয়াজেদ জয়। তারা দাবি করে যে, রাশিয়া বাংলাদেশের চেয়ে অনেক কম দামে ভারতসহ অনেক দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করে দিচ্ছে। বাংলাদেশে ১৩.২ বিলিয়ন ডলার খরচ করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হচ্ছে এবং তার প্রায় অর্ধেক ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ হিসেবে দেয়া হয়েছে শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারকে।
এই বিষয়ে রোসাটম জানায়, তারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছে এবং প্রয়োজনে নিজেদের স্বার্থ এবং সুনাম রক্ষার্থে তারা আদলতে যেতে প্রস্তুত।
আমি নিজে আজকে অফিসে এসে কলিগদের (পারমাণবিক চুল্লী এবং ইউরিনিয়াম বিশেষজ্ঞদের) সাথে কথা বলে এবং ইন্টারনেট ঘেঁটে যা কিছু পেয়েছি নিচে তাই লিখলামঃ
১। প্রশ্নঃ শেখ হাসিনাকে ৫.৫ বিলিয়ন ঘুষ দিয়ে এই প্রজেক্ট করা সম্ভব কিনা?
উত্তর হলো, না। মোট বাজেট ১৩.৬ বিলিয়ন ডলার । শেখ হাসিনাকে ৫.৫ বিলিয়ন ঘুষ দিলে প্রজেক্ট কস্ট আসে ৮.১ বিলিয়ন ডলার। তাতে ২ টা ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লী সহ ৫ বছরের ব্যবহার্য ইউরিনিয়ামের দামই ওঠে না। অন্যান্য ইনফ্রাস্ট্রাকচারের দাম, শ্রমিক খরচ ইত্যাদি আলাদা খরচ আছে।
২। প্রশ্নঃ রাশিয়া হাসিনাকে টাকা ঘুষ দিয়ে প্রজেক্ট করলে রোসাটমের জন্য লাভজনক কিনা?
উত্তর দেবার আগে কিছু বিষয় স্পষ্ট করি। গ্লোবাল কর্প নিজেদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেনি যে, প্রকল্পটি তৈরি হচ্ছে রাশিয়ার ৯০% অর্থায়নে যা ঋণ হিসেবে বাংলাদেশ ২০-৩০ বছরে পরিশোধ করবে। এবং পরিশোধ করা হবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রির মাধ্যমে। বাংলাদেশ শুধুমাত্র জমি এবং ১.২ বিলিয়ন ডলার ছাড়া আপাতত কিছু দিচ্ছে না। প্রতিবেদনে এটাও উল্লেখ করা হয়নি, এই ১.২ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ একবারে দিচ্ছে না। প্রতিবছর ভেঙ্গে ভেঙ্গে কাজের পরিমান অনুসারে (মাইলস্টোন শেষ করার ভিত্তিতে) টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে। গতবছর বাংলাদেশ কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, ফলে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটা জরিমানা হয়। সেটা করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কথা বিবেচনা করে রাশিয়া মওকুফ করে দেয়।(সুত্রঃ ১৯ মে, ২০২৪ প্রথম আলো) এইবার আমাকে বলেন, ১২.৪ বিলিয়ন ডলার তারা ২০-৩০ বছরের জন্য ঋণ ও দেবে, জরিমানাও মওকুফ করবে আবার আপনাকে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ ও দেবে? Makes sense? To me, it doesn’t.
তাছাড়া এই মুহূর্তে রোসাটমের বাংলাদেশ সহ মিশর, ভারত, হাঙ্গেরী, তুরস্ক, ইরান, চীন এবং উজবেকিস্তানে প্রজেক্ট চলমান আছে। এছাড়া আরও কয়েকটা দেশে কাজের কথা চলছে। বাংলাদেশ তাদের এমন কোন সুযোগ দিচ্ছে না বা তাদের কাজের অভাব নেই যে বাংলাদেশে এত বিপুল অর্থ ঘুষ দিয়ে হলেও তাদের কাজ করতেই হবে।
৩। এবার সবচেয়ে বড় যে অভিযোগ সেটাতে আসা যাক। রাশিয়া ভারতসহ অনেক দেশে অনেক কম খরচে প্রজেক্ট তৈরি করে দিচ্ছে। বাংলাদেশে কেন এত খরচ হচ্ছে? এবং রাশিয়া কেন সোভিয়েত আমলের পারমাণবিক চুল্লী ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত নির্মাণ ব্যয় আদায় করছে?
প্রথমেই আসা যাক, পারমাণবিক চুল্লীর বিষয়ে। বাংলাদেশে VVER-1200/513 মডেলের চুল্লী ব্যবহার করা হয়েছে। VVER প্রযুক্তিটি সোভিয়েত আমলের উদ্ভাবন। এর ইংরেজী অর্থ Water water energetic reactor. কিন্তু VVER-1200/513 মডেলটি জেনারেশন ৩+ রিয়াক্টর মডেল। (সুত্রঃ International Atomic Energy Agency) যা প্রথম রাশিয়াতেই কমিশন করা হয় ২০১৯ সালে। এবং চীনে ২০২১ সালে। বাজারে এই মুহূর্তে জেনারেশন ৪ হলো সবচেয়ে আধুনিক মডেল। কিন্তু সেই রিয়াকটর প্রডাকশনে নেই বা আসলেও খুবই নতুন। বা পরীক্ষামুলক ভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ জেনারেশন ৩+ রিয়াক্টর এই মুহূর্তে সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির মধ্যে অন্যতম। সুতরাং পুরানো আমলের চুল্লী বাংলাদেশকে গোছায় দেয়া হইসে এইটা শুধু মিথ্যা না। ভয়াবহ রকম মিথ্যাচার।
এবার আসি নির্মাণ ব্যয় নিয়ে।
ভারতের সাথে বারবার তুলনা আনা হচ্ছে। অথচ বলা হচ্ছে না, ভারতে ব্যবহার করা হয়েছে VVER-1000 মডেলের চুল্লী। ১২০০ মডেলটি পার ইউনিট ১২০০ এবং মডেল ১০০০ পার ইউনিট ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। অর্থাৎ ২টি ইউনিটে আপনি ৪০০ মেগাওয়াট ভারতের চেয়ে বেশি পাবেন। এছাড়া এই মডেলের গড় আয়ু ৬০ বছর বেশি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই রিয়াক্টর অনেক বেশি নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব । এতে ডাবল বেরিয়ার ব্যবহার করা হয়েছে যাতে তেজস্ক্রিয়তা অনেক কম রিলিজ হয়। এবার বলেন, আইফোন ২ আর আইফোন ৬ এর দাম
আমার ফেইসবুকে কিছু লিখতে ভয়াবহ আলসি লাগে। তাও আবেগে পড়ে আন্দোলনের টাইমে মেলা কিছু লিখে ফেলসিলাম। যেই একটু আরাম করে মিমস শেয়ারের মুডে গেসি, ওমনি সবাই রুপপুরের খবর জানার জন্য ব্যক্তিগত ভাবে মেসেজ করতেছে। জনে জনে এত কিছু বলা সম্ভব না বিধায় এই বিশাল পোষ্টের অবতারণা।
হঠাৎ করে গ্লোবাল কর্প নামক একটি সংস্থা প্রতিবেদন বের করে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণের জন্য ৫.৫ বিলিয়ন ডলার রাশিয়ার পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম শেখ হাসিনাকে ঘুষ দিয়েছে এবং এতে মধ্যস্থতা করে টিউলিপ সিদ্দিকি এবং সজীব ওয়াজেদ জয়। তারা দাবি করে যে, রাশিয়া বাংলাদেশের চেয়ে অনেক কম দামে ভারতসহ অনেক দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করে দিচ্ছে। বাংলাদেশে ১৩.২ বিলিয়ন ডলার খরচ করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হচ্ছে এবং তার প্রায় অর্ধেক ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ হিসেবে দেয়া হয়েছে শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারকে।
এই বিষয়ে রোসাটম জানায়, তারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছে এবং প্রয়োজনে নিজেদের স্বার্থ এবং সুনাম রক্ষার্থে তারা আদলতে যেতে প্রস্তুত।
আমি নিজে আজকে অফিসে এসে কলিগদের (পারমাণবিক চুল্লী এবং ইউরিনিয়াম বিশেষজ্ঞদের) সাথে কথা বলে এবং ইন্টারনেট ঘেঁটে যা কিছু পেয়েছি নিচে তাই লিখলামঃ
১। প্রশ্নঃ শেখ হাসিনাকে ৫.৫ বিলিয়ন ঘুষ দিয়ে এই প্রজেক্ট করা সম্ভব কিনা?
উত্তর হলো, না। মোট বাজেট ১৩.৬ বিলিয়ন ডলার । শেখ হাসিনাকে ৫.৫ বিলিয়ন ঘুষ দিলে প্রজেক্ট কস্ট আসে ৮.১ বিলিয়ন ডলার। তাতে ২ টা ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লী সহ ৫ বছরের ব্যবহার্য ইউরিনিয়ামের দামই ওঠে না। অন্যান্য ইনফ্রাস্ট্রাকচারের দাম, শ্রমিক খরচ ইত্যাদি আলাদা খরচ আছে।
২। প্রশ্নঃ রাশিয়া হাসিনাকে টাকা ঘুষ দিয়ে প্রজেক্ট করলে রোসাটমের জন্য লাভজনক কিনা?
উত্তর দেবার আগে কিছু বিষয় স্পষ্ট করি। গ্লোবাল কর্প নিজেদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেনি যে, প্রকল্পটি তৈরি হচ্ছে রাশিয়ার ৯০% অর্থায়নে যা ঋণ হিসেবে বাংলাদেশ ২০-৩০ বছরে পরিশোধ করবে। এবং পরিশোধ করা হবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রির মাধ্যমে। বাংলাদেশ শুধুমাত্র জমি এবং ১.২ বিলিয়ন ডলার ছাড়া আপাতত কিছু দিচ্ছে না। প্রতিবেদনে এটাও উল্লেখ করা হয়নি, এই ১.২ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ একবারে দিচ্ছে না। প্রতিবছর ভেঙ্গে ভেঙ্গে কাজের পরিমান অনুসারে (মাইলস্টোন শেষ করার ভিত্তিতে) টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে। গতবছর বাংলাদেশ কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, ফলে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটা জরিমানা হয়। সেটা করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কথা বিবেচনা করে রাশিয়া মওকুফ করে দেয়।(সুত্রঃ ১৯ মে, ২০২৪ প্রথম আলো) এইবার আমাকে বলেন, ১২.৪ বিলিয়ন ডলার তারা ২০-৩০ বছরের জন্য ঋণ ও দেবে, জরিমানাও মওকুফ করবে আবার আপনাকে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ ও দেবে? Makes sense? To me, it doesn’t.
তাছাড়া এই মুহূর্তে রোসাটমের বাংলাদেশ সহ মিশর, ভারত, হাঙ্গেরী, তুরস্ক, ইরান, চীন এবং উজবেকিস্তানে প্রজেক্ট চলমান আছে। এছাড়া আরও কয়েকটা দেশে কাজের কথা চলছে। বাংলাদেশ তাদের এমন কোন সুযোগ দিচ্ছে না বা তাদের কাজের অভাব নেই যে বাংলাদেশে এত বিপুল অর্থ ঘুষ দিয়ে হলেও তাদের কাজ করতেই হবে।
৩। এবার সবচেয়ে বড় যে অভিযোগ সেটাতে আসা যাক। রাশিয়া ভারতসহ অনেক দেশে অনেক কম খরচে প্রজেক্ট তৈরি করে দিচ্ছে। বাংলাদেশে কেন এত খরচ হচ্ছে? এবং রাশিয়া কেন সোভিয়েত আমলের পারমাণবিক চুল্লী ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত নির্মাণ ব্যয় আদায় করছে?
প্রথমেই আসা যাক, পারমাণবিক চুল্লীর বিষয়ে। বাংলাদেশে VVER-1200/513 মডেলের চুল্লী ব্যবহার করা হয়েছে। VVER প্রযুক্তিটি সোভিয়েত আমলের উদ্ভাবন। এর ইংরেজী অর্থ Water water energetic reactor. কিন্তু VVER-1200/513 মডেলটি জেনারেশন ৩+ রিয়াক্টর মডেল। (সুত্রঃ International Atomic Energy Agency) যা প্রথম রাশিয়াতেই কমিশন করা হয় ২০১৯ সালে। এবং চীনে ২০২১ সালে। বাজারে এই মুহূর্তে জেনারেশন ৪ হলো সবচেয়ে আধুনিক মডেল। কিন্তু সেই রিয়াকটর প্রডাকশনে নেই বা আসলেও খুবই নতুন। বা পরীক্ষামুলক ভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ জেনারেশন ৩+ রিয়াক্টর এই মুহূর্তে সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির মধ্যে অন্যতম। সুতরাং পুরানো আমলের চুল্লী বাংলাদেশকে গোছায় দেয়া হইসে এইটা শুধু মিথ্যা না। ভয়াবহ রকম মিথ্যাচার।
এবার আসি নির্মাণ ব্যয় নিয়ে।
ভারতের সাথে বারবার তুলনা আনা হচ্ছে। অথচ বলা হচ্ছে না, ভারতে ব্যবহার করা হয়েছে VVER-1000 মডেলের চুল্লী। ১২০০ মডেলটি পার ইউনিট ১২০০ এবং মডেল ১০০০ পার ইউনিট ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। অর্থাৎ ২টি ইউনিটে আপনি ৪০০ মেগাওয়াট ভারতের চেয়ে বেশি পাবেন। এছাড়া এই মডেলের গড় আয়ু ৬০ বছর বেশি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই রিয়াক্টর অনেক বেশি নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব । এতে ডাবল বেরিয়ার ব্যবহার করা হয়েছে যাতে তেজস্ক্রিয়তা অনেক কম রিলিজ হয়। এবার বলেন, আইফোন ২ আর আইফোন ৬ এর দাম
👍1
সমান?
আমরা করছি ২টি ইউনিট। ভারতে ৬ টি ইউনিট করা হয়েছে । যত বেশি ইউনিট করবেন তত নেট খরচ কম পড়বে। তুরস্কে মডেল ১২০০ ব্যবহার করা হলেও তাদের ৪টা ইউনিট। একারণে নেট খরচ তাদের কম পড়বে। আপনি আরও ২টা ইউনিট করেন, আপনারও খরচ কমে আসবে।
অন্যান্য যেসকল দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে তাদের আগেও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল বা আছে। তাদের নিজস্ব লোক দ্বারাই তারা তাদের কেন্দ্র তৈরি করছে। আমাদের দেশে প্রতিটি স্পেশালিস্ট আসছে রাশিয়া থেকে। আমাদের নিজেদের লোকদের রাশিয়াতে পাঠিয়ে ৩-১২ মাসের ট্রেনিং দিয়ে এই কেন্দ্র চালানোর জন্য প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে। এতে খরচ নেই?
সবচেয়ে বড় কথা, রাশিয়া ১২.৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে ৩০ বছরের জন্য। তার নিদেনপক্ষে একটা সুদ আছে। অন্যান্য দেশ নগদ টাকায় করছে। আপনি করছেন ৯০% ঋণে ৩০ বছরের কিস্তিতে। আপনার খরচ নিশ্চয়ই বেশি হবে।
এইবার আসি, গ্লোবাল কর্প কারা। এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংস্থা যাদের কাজ হচ্ছে রাশিয়া এবং চীনের বিভিন্ন সংস্থার কাজের সমালোচনা করা। সোজা কথায়, রাশিয়া বাংলাদেশে এত বড় প্রজেক্ট করছে। এই ধরনের সংস্থার সেটা ভালোভাবে দেখার কথা না। আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীদের সেটা ভালো লাগার কথা না।
প্রশ্ন ৪। বালিশ কান্ডের বিষয়ে কি বলবেন?
বাংলাদেশের সাথে রাশিয়ার চুক্তি অনুসারে রাশিয়ান স্পেশালিস্টদের আবাসন এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। সেই জন্য প্রকল্প এলাকা থেকে একটু দূরে এই স্পেশালিস্টদের থাকার জন্য একটি আবাসন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। যার দায়িত্ব পড়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের তত্ত্বাবধানে গণপূর্তের ওপর। এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রজেক্ট যেখানে রাশিয়ানদের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। আপনি বাড়ি বানাইতে গেলে যেই ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান পাশের জন্য ঘুষ খায় সেই একি ধরনের লোক বালিশ ৭0 হাজার টাকায় কিনসে এবং লুটপাট করসে।
প্রশ্ন ৫। তাইলে কি কোন দুর্নীতি হয় নাই?
অবশ্যই হতেই পারে। একজন আমলার সাইন নিতে হইলেও তো এই দেশে পঞ্চাশ হাজার টাকা গোনা লাগে। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে যেভাবে বলা হইতেসে যে, হাসিনারে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ দেয়া হইসে এবং পুরানা আমলের চুল্লী ধরায় দিয়ে বাংলাদেশের কাছে অনেক বেশি টাকা নির্মাণ ব্যয় ধরা হইসে, অন্যদেশে অনেক কমে কাজ করা হইসে, এইটা শুধু মিথ্যা না। ভয়াবহ রকমের মিথ্যাচার এবং প্রপাগান্ডা। কারা করসে, কেন করসে নিজেরা বুঝে নেন।
বিঃদ্রঃ যা কিছু লিখসি, নেটেই আছে। একটু চোখ কান খোলা রাখলেই পাবেন সোর্স।
বাঙালির অনেক গুন আছে। কিন্তু বাঙালীর জ্ঞানের অগভীরতা, পড়াশোনা করতে না চাওয়ার প্রবণতা এবং গুজব রটনা এবং বাছ-বিচার না করে তা গণহারে ছড়ানোর অভ্যেস আমাকে সততঃ পীড়া দেয়।”
সংগৃহিত
আমরা করছি ২টি ইউনিট। ভারতে ৬ টি ইউনিট করা হয়েছে । যত বেশি ইউনিট করবেন তত নেট খরচ কম পড়বে। তুরস্কে মডেল ১২০০ ব্যবহার করা হলেও তাদের ৪টা ইউনিট। একারণে নেট খরচ তাদের কম পড়বে। আপনি আরও ২টা ইউনিট করেন, আপনারও খরচ কমে আসবে।
অন্যান্য যেসকল দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে তাদের আগেও পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল বা আছে। তাদের নিজস্ব লোক দ্বারাই তারা তাদের কেন্দ্র তৈরি করছে। আমাদের দেশে প্রতিটি স্পেশালিস্ট আসছে রাশিয়া থেকে। আমাদের নিজেদের লোকদের রাশিয়াতে পাঠিয়ে ৩-১২ মাসের ট্রেনিং দিয়ে এই কেন্দ্র চালানোর জন্য প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে। এতে খরচ নেই?
সবচেয়ে বড় কথা, রাশিয়া ১২.৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে ৩০ বছরের জন্য। তার নিদেনপক্ষে একটা সুদ আছে। অন্যান্য দেশ নগদ টাকায় করছে। আপনি করছেন ৯০% ঋণে ৩০ বছরের কিস্তিতে। আপনার খরচ নিশ্চয়ই বেশি হবে।
এইবার আসি, গ্লোবাল কর্প কারা। এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংস্থা যাদের কাজ হচ্ছে রাশিয়া এবং চীনের বিভিন্ন সংস্থার কাজের সমালোচনা করা। সোজা কথায়, রাশিয়া বাংলাদেশে এত বড় প্রজেক্ট করছে। এই ধরনের সংস্থার সেটা ভালোভাবে দেখার কথা না। আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীদের সেটা ভালো লাগার কথা না।
প্রশ্ন ৪। বালিশ কান্ডের বিষয়ে কি বলবেন?
বাংলাদেশের সাথে রাশিয়ার চুক্তি অনুসারে রাশিয়ান স্পেশালিস্টদের আবাসন এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। সেই জন্য প্রকল্প এলাকা থেকে একটু দূরে এই স্পেশালিস্টদের থাকার জন্য একটি আবাসন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। যার দায়িত্ব পড়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের তত্ত্বাবধানে গণপূর্তের ওপর। এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রজেক্ট যেখানে রাশিয়ানদের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। আপনি বাড়ি বানাইতে গেলে যেই ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান পাশের জন্য ঘুষ খায় সেই একি ধরনের লোক বালিশ ৭0 হাজার টাকায় কিনসে এবং লুটপাট করসে।
প্রশ্ন ৫। তাইলে কি কোন দুর্নীতি হয় নাই?
অবশ্যই হতেই পারে। একজন আমলার সাইন নিতে হইলেও তো এই দেশে পঞ্চাশ হাজার টাকা গোনা লাগে। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে যেভাবে বলা হইতেসে যে, হাসিনারে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঘুষ দেয়া হইসে এবং পুরানা আমলের চুল্লী ধরায় দিয়ে বাংলাদেশের কাছে অনেক বেশি টাকা নির্মাণ ব্যয় ধরা হইসে, অন্যদেশে অনেক কমে কাজ করা হইসে, এইটা শুধু মিথ্যা না। ভয়াবহ রকমের মিথ্যাচার এবং প্রপাগান্ডা। কারা করসে, কেন করসে নিজেরা বুঝে নেন।
বিঃদ্রঃ যা কিছু লিখসি, নেটেই আছে। একটু চোখ কান খোলা রাখলেই পাবেন সোর্স।
বাঙালির অনেক গুন আছে। কিন্তু বাঙালীর জ্ঞানের অগভীরতা, পড়াশোনা করতে না চাওয়ার প্রবণতা এবং গুজব রটনা এবং বাছ-বিচার না করে তা গণহারে ছড়ানোর অভ্যেস আমাকে সততঃ পীড়া দেয়।”
সংগৃহিত
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
