মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে আমার পূর্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু গত এক মাসে অনেকগুলো আন্তঃ মন্ত্রণালয় বৈঠকে এবং ওয়ান-অন-ওয়ান রিভিউতে তার সাথে সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কিছু লিডারশিপ ক্যারেক্টার আমাকে আশাবাদী করেছে। প্রথমত, হি ইজ আ গুড লিসেনার। উনি সবার কথা ধৈর্য্য ধরে শুনছেন। কাউকে কিছু চাপিয়ে দিচ্ছেন না। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রী রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড আলোচনা করছেন। "আপনার এই উদ্যোগে কি ফল পাওয়া যাবে এবং কত দ্রুত পাওয়া যাবে", সবাইকে এসব প্রশ্ন করছেন। এবং তৃতীয়ত, উনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সমায়নুবর্তিতা, শিষ্টাচার, অনাড়ম্বর মানসিকতা এসব নিজে চর্চা করছেন।
যাহোক, গতকালকের ক্যাচ-আপ এ আমরা উনাকে আমাদের ১৮০ দিনের প্ল্যান শেয়ার করেছি। আমি আগেও বলেছি, সরকারি সংস্থাগুলোতে জবাবদিহিতামূলক কালচার আনা জরুরি। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের আগামী ছয় মাসের প্রতিশ্রুতি আপনাদের শেয়ার করছি:
বৈশ্বিক অস্থিরতার ফলস্বরূপ বিশ্বব্যাপি এফডিআই নিম্নমুখী। তাই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে বিদেশী বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশী বিনিয়োগের প্রতি মনোযোগ দেয়া তথা কর্মসংস্থান তৈরিতে সাহায্য করা। কিন্তু অন্যান্য চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি সম্ভাব্য জ্বালানি ঘাটতি আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের শঙ্কায় ফেলে দিয়েছে। এগুলোকে মাথায় রেখেই আমাদের ২৫ টি পদক্ষেপ (ডিটেল কমেন্টে)। তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হচ্ছে:
- সরকারি বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানাগুলোকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে প্রাইভটাইজেশন
- ফ্রি ট্রেড জোন ও সমরাস্ত্র শিল্প নীতিমালা প্রকাশ
- বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা অনুসন্ধান
- দুর্নীতি রোধে ও লিড টাইম কমাতে সমুদ্র ও বিমান বন্দরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালুকরণ
- প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রাইভেট সেক্টর এডভাইসরী কাউন্সিল গঠন
- ব্যবসা সংক্রান্ত সরকারি সার্ভিসের একক ডিজিটাল প্লাটফর্ম বাংলাবিজ-এর সম্প্রসারণ
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে কোরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট সম্পন্ন
ছয় মাস শেষে আমরা আবার একটা রেজাল্ট কার্ড করবো আমাদের সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে।
পুনশ্চ ১: আমার কার্টুনিস্ট ফ্যানদের জন্য সুখবর। আমি সামনেও প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দিবো। প্রধানমন্ত্রী হাসি মুখে হাত-পা না ভাঙার শর্তে অনুমতি দিয়েছেন।
পুনশ্চ ২: প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার কোনো সেলফি নাই। প্রতিবারই এত কাজের মাঝে ছবি তোলা হয়ে উঠেনা।
--আশিক চৌধুরী
যাহোক, গতকালকের ক্যাচ-আপ এ আমরা উনাকে আমাদের ১৮০ দিনের প্ল্যান শেয়ার করেছি। আমি আগেও বলেছি, সরকারি সংস্থাগুলোতে জবাবদিহিতামূলক কালচার আনা জরুরি। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের আগামী ছয় মাসের প্রতিশ্রুতি আপনাদের শেয়ার করছি:
বৈশ্বিক অস্থিরতার ফলস্বরূপ বিশ্বব্যাপি এফডিআই নিম্নমুখী। তাই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে বিদেশী বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশী বিনিয়োগের প্রতি মনোযোগ দেয়া তথা কর্মসংস্থান তৈরিতে সাহায্য করা। কিন্তু অন্যান্য চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি সম্ভাব্য জ্বালানি ঘাটতি আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের শঙ্কায় ফেলে দিয়েছে। এগুলোকে মাথায় রেখেই আমাদের ২৫ টি পদক্ষেপ (ডিটেল কমেন্টে)। তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হচ্ছে:
- সরকারি বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানাগুলোকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে প্রাইভটাইজেশন
- ফ্রি ট্রেড জোন ও সমরাস্ত্র শিল্প নীতিমালা প্রকাশ
- বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা অনুসন্ধান
- দুর্নীতি রোধে ও লিড টাইম কমাতে সমুদ্র ও বিমান বন্দরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালুকরণ
- প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রাইভেট সেক্টর এডভাইসরী কাউন্সিল গঠন
- ব্যবসা সংক্রান্ত সরকারি সার্ভিসের একক ডিজিটাল প্লাটফর্ম বাংলাবিজ-এর সম্প্রসারণ
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে কোরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট সম্পন্ন
ছয় মাস শেষে আমরা আবার একটা রেজাল্ট কার্ড করবো আমাদের সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে।
পুনশ্চ ১: আমার কার্টুনিস্ট ফ্যানদের জন্য সুখবর। আমি সামনেও প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দিবো। প্রধানমন্ত্রী হাসি মুখে হাত-পা না ভাঙার শর্তে অনুমতি দিয়েছেন।
পুনশ্চ ২: প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার কোনো সেলফি নাই। প্রতিবারই এত কাজের মাঝে ছবি তোলা হয়ে উঠেনা।
--আশিক চৌধুরী
এই ছবিতে যাদেরকে অর্থোপেডিক্স সার্জারি করতে দেখছেন, উনারা কেউই সার্জন নন। পেশায় এক সময় ছিলো সরকারী মেডিক্যালের দালাল কিংবা কমপাউন্ডার। আন্ডারমেট্রিক দালাল থেকে এখন নিজেরাই শ্যামলী শিশু মেলার অপজিটে হাসপাতালের মালিক হয়েছেন। হয়েছেন সার্জন। হাসপাতালের নাম: ডক্টরস কেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
দূর্দান্ত এক অনুসন্ধানী রিপোর্ট করেছেন যমুনা টিভির সাংবাদিক হাসান মিসবাহ।
একজনকে রোগী হিসেবে সাজিয়ে পাঠানোর পর দেখতে পান দুটো অপারেশন থিয়েটারে দুজন রোগীর পায়ের অপারেশন হবে। দ্রুতই ঐ দুই রোগীকে সবকিছু খুলে বলে ভুল চিকিৎসার হাত থেকে বাঁচিয়ে আনেন।
এরপর তিন মাস পর আরও কিছু তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের পর আবারও ঐ হাসপাতালে রিপোর্ট করতে যান। গিয়ে দেখেন, এক নারীর ভাঙ্গা পায়ের জটিল অপারেশন হচ্ছে। Ilizarov Surgery, অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে করতে হয় এই সার্জারি। হাতেগোনা কিছু সার্জন করে থাকেন। অথচ সার্জারি করছে ফাইভ-এইট পাশ দালালেরা।
এই হাসপাতালে অর্থোপেডিক্সের সকল সার্জারি এখানে করছে - এক সময়ের দালাল লাভলু, রনি, দুলাল, ফরিদ।
অন্য রুমে মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া এক রোগীর চিৎকার ক্যামেরায় ধরা পড়ে, 'বাবাগো। মাগো। এত কষ্ট' বলছেন। সড়ক দূর্ঘটনায় আহত এই রোগীর, এখানে অপারেশন হওয়ার পরেও কোন রকমের পরিবর্তন নেই।
সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার, এরকম একটি প্রতারণামূলক হাসপাতালে On Call -এ অনেক MBBS ডাক্তারও এসে থাকেন।
এত দূর্দান্ত অনুসন্ধানি একটি রিপোর্ট হওয়ার পর এই হাসপাতালের লাইসেন্স বন্ধ, সিলগালা এবং ভুয়া সার্জনদেরকে আজীবনের জন্য জেলখানায় বন্দী কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি প্রদান করার কথা। কিন্তু এমনটা অতীতেও হয়নি।
আমরা দেখেছি এইট পাশ ব্যক্তিকে ভুয়া ডাক্তার সেজে ডেলিভারি সিজার করতে।
আমরা দেখেছি মানবিক বিভাগে ইন্টারপাশ করা এক ব্যক্তিকে হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান হতে।
আমরা দেখেছি প্রকৃত ডাক্তারের BM&DC রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে ভুয়া ডাক্তারকে যুগের পর যুগ চিকিৎসা করাতে।
এরকম শত শত ঘটনা হওয়ার পরেও এসমস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের উপযুক্ত শাস্তি রাষ্ট্র দিতে পারেনি। জামিনে ছাড়া পেয়ে তাঁরা পুনরায় একই পেশায় ফিরে এসছে।
স্বাধীনতার এত বছর পরেও হাসপাতালগুলোকে রাষ্ট্র দালালমুক্ত করতে পারেনি। এসব দালালই রোগীদেরকে ভুয়া, ঝুঁকিপূর্ণ হাসপাতালগুলোতে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।
আমরা জানি, ১০০০জন রোগীর জন্য ডাক্তার রয়েছে ০.৮৩ জন। আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরেও দেশের চিকিৎসকরা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
কোন সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে একটু উনিশ বিশ হয়ে রোগী মারা গেলে, মব বাহিনী ডাক্তারদের উপর দোষ চাপিয়ে, পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে। এসব ভুয়া হাসপাতাল, ডাক্তারের বেলায় কাউকে দেখি না কাউকে গিয়ে ঐ হাসপাতালের একটা গ্লাসও ভাঙতে।
রাষ্ট্র কী পারে এভাবে অন্ধ হয়ে বসে থাকতে? হাসপাতাল সেক্টরে দালাল ও ভুয়া ডাক্তারদের দৌরাত্ম্য না থামিয়ে আঙ্গুল গুটিয়ে বসে থাকতে? আমাদের জীবনের কী কোন মূল্য নেই? ক্ষমার অযোগ্য এসব ব্যক্তিদের কঠিন সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কেন এত উদাসীন? এসব অনুসন্ধান করার দায়িত্ব কী শুধু সাংবাদিকদের। রাষ্ট্রের নেই? স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয় কিংবা প্রশাসনের নেই?
আমি তো কল্পনাও করতে পারি না -
আমাকে ফাইভ পাশ কোন ব্যক্তি, আমার কিংবা আমার পরিবারের বুকে স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে পরীক্ষা করছেন। অপারেশন থিয়েটারে আমার বুক সার্জিক্যাল ছুরি চালিয়ে চিঁড়ে ফেলছে। আপনারা কল্পনা করতে পারেন?
হাসান মিসবাহ ও যমুনা টেলিভিশনকে ধন্যবাদ। আপনারা সচেতন হোন। হাসপাতালগুলোতে দালাল হতে সাবধান থাকুন।
- অন্তর মাশঊদ
দূর্দান্ত এক অনুসন্ধানী রিপোর্ট করেছেন যমুনা টিভির সাংবাদিক হাসান মিসবাহ।
একজনকে রোগী হিসেবে সাজিয়ে পাঠানোর পর দেখতে পান দুটো অপারেশন থিয়েটারে দুজন রোগীর পায়ের অপারেশন হবে। দ্রুতই ঐ দুই রোগীকে সবকিছু খুলে বলে ভুল চিকিৎসার হাত থেকে বাঁচিয়ে আনেন।
এরপর তিন মাস পর আরও কিছু তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের পর আবারও ঐ হাসপাতালে রিপোর্ট করতে যান। গিয়ে দেখেন, এক নারীর ভাঙ্গা পায়ের জটিল অপারেশন হচ্ছে। Ilizarov Surgery, অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে করতে হয় এই সার্জারি। হাতেগোনা কিছু সার্জন করে থাকেন। অথচ সার্জারি করছে ফাইভ-এইট পাশ দালালেরা।
এই হাসপাতালে অর্থোপেডিক্সের সকল সার্জারি এখানে করছে - এক সময়ের দালাল লাভলু, রনি, দুলাল, ফরিদ।
অন্য রুমে মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া এক রোগীর চিৎকার ক্যামেরায় ধরা পড়ে, 'বাবাগো। মাগো। এত কষ্ট' বলছেন। সড়ক দূর্ঘটনায় আহত এই রোগীর, এখানে অপারেশন হওয়ার পরেও কোন রকমের পরিবর্তন নেই।
সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার, এরকম একটি প্রতারণামূলক হাসপাতালে On Call -এ অনেক MBBS ডাক্তারও এসে থাকেন।
এত দূর্দান্ত অনুসন্ধানি একটি রিপোর্ট হওয়ার পর এই হাসপাতালের লাইসেন্স বন্ধ, সিলগালা এবং ভুয়া সার্জনদেরকে আজীবনের জন্য জেলখানায় বন্দী কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি প্রদান করার কথা। কিন্তু এমনটা অতীতেও হয়নি।
আমরা দেখেছি এইট পাশ ব্যক্তিকে ভুয়া ডাক্তার সেজে ডেলিভারি সিজার করতে।
আমরা দেখেছি মানবিক বিভাগে ইন্টারপাশ করা এক ব্যক্তিকে হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান হতে।
আমরা দেখেছি প্রকৃত ডাক্তারের BM&DC রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে ভুয়া ডাক্তারকে যুগের পর যুগ চিকিৎসা করাতে।
এরকম শত শত ঘটনা হওয়ার পরেও এসমস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের উপযুক্ত শাস্তি রাষ্ট্র দিতে পারেনি। জামিনে ছাড়া পেয়ে তাঁরা পুনরায় একই পেশায় ফিরে এসছে।
স্বাধীনতার এত বছর পরেও হাসপাতালগুলোকে রাষ্ট্র দালালমুক্ত করতে পারেনি। এসব দালালই রোগীদেরকে ভুয়া, ঝুঁকিপূর্ণ হাসপাতালগুলোতে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।
আমরা জানি, ১০০০জন রোগীর জন্য ডাক্তার রয়েছে ০.৮৩ জন। আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরেও দেশের চিকিৎসকরা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
কোন সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে একটু উনিশ বিশ হয়ে রোগী মারা গেলে, মব বাহিনী ডাক্তারদের উপর দোষ চাপিয়ে, পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে। এসব ভুয়া হাসপাতাল, ডাক্তারের বেলায় কাউকে দেখি না কাউকে গিয়ে ঐ হাসপাতালের একটা গ্লাসও ভাঙতে।
রাষ্ট্র কী পারে এভাবে অন্ধ হয়ে বসে থাকতে? হাসপাতাল সেক্টরে দালাল ও ভুয়া ডাক্তারদের দৌরাত্ম্য না থামিয়ে আঙ্গুল গুটিয়ে বসে থাকতে? আমাদের জীবনের কী কোন মূল্য নেই? ক্ষমার অযোগ্য এসব ব্যক্তিদের কঠিন সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কেন এত উদাসীন? এসব অনুসন্ধান করার দায়িত্ব কী শুধু সাংবাদিকদের। রাষ্ট্রের নেই? স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয় কিংবা প্রশাসনের নেই?
আমি তো কল্পনাও করতে পারি না -
আমাকে ফাইভ পাশ কোন ব্যক্তি, আমার কিংবা আমার পরিবারের বুকে স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে পরীক্ষা করছেন। অপারেশন থিয়েটারে আমার বুক সার্জিক্যাল ছুরি চালিয়ে চিঁড়ে ফেলছে। আপনারা কল্পনা করতে পারেন?
হাসান মিসবাহ ও যমুনা টেলিভিশনকে ধন্যবাদ। আপনারা সচেতন হোন। হাসপাতালগুলোতে দালাল হতে সাবধান থাকুন।
- অন্তর মাশঊদ
❤3
Happy Independent Day Bangladesh 😅💔
-
স্বাধীনতার এতো বছর পরে এসে ও বাংলাদেশ আমি তোমার কাছে অনিরাপদ। ঘরের বাইরে বের হইলেই প্রাণ আঙুলে নিয়ে বের হইতে হয়। স্মরণ কালের এইরকম ঈদ এইবছর, আমার দেখা সবচেয়ে খারাপ ঈদ বাংলাদেশের। এতো মৃত্যু, এতো দুঃখ সংবাদ আগে দেখে নি বাংলাদেশ। দৌলতদিয়া ঘাটে ঘটে যাওয়া বাস দূর্ঘটনার পর স্বাধীনতা আমার জন্য মরে গেলো। আজও বাংলাদেশ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে পারে নি।
You're not safe in Bangladesh, Not even 1 second🇧🇩💔
-
স্বাধীনতার এতো বছর পরে এসে ও বাংলাদেশ আমি তোমার কাছে অনিরাপদ। ঘরের বাইরে বের হইলেই প্রাণ আঙুলে নিয়ে বের হইতে হয়। স্মরণ কালের এইরকম ঈদ এইবছর, আমার দেখা সবচেয়ে খারাপ ঈদ বাংলাদেশের। এতো মৃত্যু, এতো দুঃখ সংবাদ আগে দেখে নি বাংলাদেশ। দৌলতদিয়া ঘাটে ঘটে যাওয়া বাস দূর্ঘটনার পর স্বাধীনতা আমার জন্য মরে গেলো। আজও বাংলাদেশ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে পারে নি।
You're not safe in Bangladesh, Not even 1 second🇧🇩💔
😢6❤2
রাতের অন্ধকারে সৈরাচারের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে সরকার আমিলীগ পুনর্বাসন করছে!!
যেই শিরীন শারমিনকে ইউনুস সরকারের আমলে ভালো আমিলীগ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয়েছে, যারে দিয়ে আওয়ামী পুনর্বাসনের সপ্ন দেখা হয়েছে তাঁকে শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের সরকার আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে!
আর তোমরা নাকি সপ্ন দেখো? দেখো দেখো…
নোট: জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রংপুরে গু-লিবিদ্ধ হয়ে মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহত হওয়ার ঘটনায় করা হ-ত্যা মামলার আসামি শিরীন শারমিন চৌধুরী।
যেই শিরীন শারমিনকে ইউনুস সরকারের আমলে ভালো আমিলীগ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয়েছে, যারে দিয়ে আওয়ামী পুনর্বাসনের সপ্ন দেখা হয়েছে তাঁকে শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের সরকার আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে!
আর তোমরা নাকি সপ্ন দেখো? দেখো দেখো…
নোট: জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রংপুরে গু-লিবিদ্ধ হয়ে মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহত হওয়ার ঘটনায় করা হ-ত্যা মামলার আসামি শিরীন শারমিন চৌধুরী।
🥰3😁2❤1👏1
প্রসঙ্গ ধানের শীষ প্রতীকঃ আসল সত্যটা কি???
মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। আর বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর। মাঝখানে ব্যবধান প্রায় দুই বছর।
আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকটি পায় দল গঠনের সময়ই, অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে।
তবে ১৯৭৬ সালেই বিএনপি গঠনের পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। সেসময় অসুস্থ ও শয্যাশায়ী মাওলানা ভাসানীকে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেখতে গেলে তিনি তাঁর পরিকল্পনার কথা মাওলানা ভাসানীকে বলেন এবং ধানের শীষ প্রতীকটি নিজের দলের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি নেন।
উল্লেখ্য,মাওলানা ভাসানীর দল -(ন্যাপের প্রতীক ছিল ধানের শীষ) কিন্তু মাওলানা ভাসানী অসুস্থ থাকার সময় ন্যাপ ও নতুন যে দল হবে (বিএনপি) তার জোটবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং ভাসানীর মৃত্যুর পর তার অনুসারীরা দলে দলে বিএনপিতে যোগ দিতে থাকে।
মূলত মাওলানা ভাসানী জীবিত অবস্থায় ১৯৭৬ সালেই ওনার পছন্দের মানুষ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দলীয় প্রতীক হিসেবে "ধানের শীষ" ব্যবহার করার মৌখিক অনুমতি দেন।
ধানের শীষ প্রতীক মাওলানা ভাসানী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন এবং সেটা ১৯৭৬ সালেই দিয়েছেন।
১) ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগ ছেড়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন করলে, এই দলের প্রতীক হিসেবে ধানের শীষ চূড়ান্ত করা হয়। এই প্রতীকটি ব্যবহার করেই ন্যাপ পরবর্তীকালে পাকিস্তানের বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নেয়।
২) ১৯৬৭ সালে ন্যাপ ভেঙ্গে গিয়ে দুটি ভাগে বিভক্ত হয়। এসময় ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাপ (ভাসানী) ধানের শীষ প্রতীকটি ধরে রাখে এবং
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ওয়ালী) তার প্রতীক হিসাবে কুঁড়েঘর বেছে নেয়।
৩) স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে ন্যাপ (ভাসানী) ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই অংশগ্রহণ করে।
আর বিএনপির পূর্ব নাম জাগদল ছিল যেটা ১৯৭৭ সালের প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরে ১৯৭৮ সালে জাগদল জাতীয়তাবাদী দলে অঙ্গীভূত হয়।
রাজনৈতিক অজ্ঞতার পরিচয় বহন কারী ভন্ডরা সঠিক ইতিহাস কখনো বলবে না।
মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। আর বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর। মাঝখানে ব্যবধান প্রায় দুই বছর।
আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকটি পায় দল গঠনের সময়ই, অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে।
তবে ১৯৭৬ সালেই বিএনপি গঠনের পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। সেসময় অসুস্থ ও শয্যাশায়ী মাওলানা ভাসানীকে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেখতে গেলে তিনি তাঁর পরিকল্পনার কথা মাওলানা ভাসানীকে বলেন এবং ধানের শীষ প্রতীকটি নিজের দলের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি নেন।
উল্লেখ্য,মাওলানা ভাসানীর দল -(ন্যাপের প্রতীক ছিল ধানের শীষ) কিন্তু মাওলানা ভাসানী অসুস্থ থাকার সময় ন্যাপ ও নতুন যে দল হবে (বিএনপি) তার জোটবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং ভাসানীর মৃত্যুর পর তার অনুসারীরা দলে দলে বিএনপিতে যোগ দিতে থাকে।
মূলত মাওলানা ভাসানী জীবিত অবস্থায় ১৯৭৬ সালেই ওনার পছন্দের মানুষ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দলীয় প্রতীক হিসেবে "ধানের শীষ" ব্যবহার করার মৌখিক অনুমতি দেন।
ধানের শীষ প্রতীক মাওলানা ভাসানী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন এবং সেটা ১৯৭৬ সালেই দিয়েছেন।
১) ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগ ছেড়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন করলে, এই দলের প্রতীক হিসেবে ধানের শীষ চূড়ান্ত করা হয়। এই প্রতীকটি ব্যবহার করেই ন্যাপ পরবর্তীকালে পাকিস্তানের বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নেয়।
২) ১৯৬৭ সালে ন্যাপ ভেঙ্গে গিয়ে দুটি ভাগে বিভক্ত হয়। এসময় ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাপ (ভাসানী) ধানের শীষ প্রতীকটি ধরে রাখে এবং
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ওয়ালী) তার প্রতীক হিসাবে কুঁড়েঘর বেছে নেয়।
৩) স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে ন্যাপ (ভাসানী) ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই অংশগ্রহণ করে।
আর বিএনপির পূর্ব নাম জাগদল ছিল যেটা ১৯৭৭ সালের প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরে ১৯৭৮ সালে জাগদল জাতীয়তাবাদী দলে অঙ্গীভূত হয়।
রাজনৈতিক অজ্ঞতার পরিচয় বহন কারী ভন্ডরা সঠিক ইতিহাস কখনো বলবে না।
👍2😁1