আরিফুল ইসলাম
1.6K subscribers
4 photos
2 links
আইডিয়া শেয়ারিং প্লাটফর্ম
Download Telegram
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে দরিদ্রতা থেকে পানাহ চেয়েছেন। তিনি আল্লাহর কাছে দু'আ করেন:

"হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কুফর এবং দারিদ্র থেকে।" [সুনানে আবু দাউদ: ৫০৯০]

পাশাপাশি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে ধনাঢ্যতার জন্যও দু'আ করেন:

"হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হিদায়াত, তাকওয়া, চারিত্রিক নিষ্কলুষতা ও ধনাঢ্যতা চাইছি।" [সহীহ মুসলিম: ৬৭৯৭] 

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিভিন্ন হাদীস থেকে জানা যায়, তিনি স্বাবলম্বী হতে উৎসাহ দিয়েছেন, মানুষকে দান করতে উৎসাহ দিয়েছেন।

তাঁর উৎসাহ-অনুপ্রেরণায় সাহাবিগণ কীভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছেন, সেটা আমরা তুলে ধরেছি 'কোটিপতি সাহাবি' বইয়ে। 

ইন শা আল্লাহ, সাহাবিদের অর্থনৈতিক জীবন সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে দিবে বইটি।
49👍7👎1
তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সম্পদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতেন। তবে, তাঁর চিন্তা আর বর্তমান সময়ের সম্পদশালী ব্যক্তিদের চিন্তার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।

একদিন তাঁকে চিন্তিত দেখে একজন জিজ্ঞেস করলো, “কী হলো? আপনাকে এমন মনমরা দেখা যাচ্ছে কেনো? পারিবারিক সমস্যা?”

তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “না, পারিবারিক সমস্যা না। আমার চিন্তা হচ্ছে সম্পদ নিয়ে।”
তাঁর দাদি বললেন,

“তাহলে সম্পদ দান করে দাও। এই সম্পদই যেহেতু তোমার চিন্তার কারণ, এটা দান করে দিলেই তো তুমি চিন্তামুক্ত হয়ে যাবে।”

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ দাদির কথা আমলে নিলেন। তিনি তাঁর দাসীকে ডেকে বললেন তাঁর সম্পদ জড়ো করতে এবং গরীবদের খবর দিতে। তাঁর কথামতো সম্পদ জড়ো করা হলো।

তাঁর সম্পদ হিসেব করে দেখা গেলো ৪ লক্ষ দিরহাম। যা বর্তমানে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার সমপরিমাণ!

তখন পর্যন্ত সেই সম্পদ ছিলো তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর জীবনের সমস্ত উপার্জন। সেগুলো জমা করে তিনি দান করে দেন!

আল্লাহর রাস্তায় যিনি সম্পদ দান করেন, আল্লাহ তাঁকে আরো সম্পদ দান করেন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, দান করলে সম্পদ কমে না (বরং বাড়ে)।

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার তাঁর সমস্ত সম্পদ দান করার পর পরেরবার আল্লাহ তাঁকে কয়েকগুণ বেশি সম্পদ দান করেন। এই সম্পদ লাভ করেন মূলত ইরাকে কৃষিক্ষেত ও ব্যবসা থেকে। তাঁর অর্থোপার্জনের উৎস ছিলো ইরাক কেন্দ্রিক।

একবার তিনি তাঁর একটি জমি বিক্রি করেন উসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে। জমির দাম ছিলো ৭ লক্ষ দিরহাম।

তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে দিনের বেলা ৭ লক্ষ দিরহাম আসে।

তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু এতো টাকা দেখে টাকার লোভে পড়েননি। তিনি ঐদিন মনে মনে বলেন, “একজন মানুষ এতো টাকা ঘরে রেখে সে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে না।”

তাই বলে এমন না যে এগুলো তিনি ঘরে না রেখে ব্যাংকে রাখবেন, নিরাপদ জায়গায় রাখবেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন সমস্ত টাকা মানুষকে দান করে দিবেন।

তাঁর খাদিমকে জানিয়ে দেন- রাতের মধ্যেই যেন সবগুলো দিরহাম মদীনার মানুষকে বন্টন করা হয়।

ভোর হবার আগেই তাঁর খাদিম এসে জানায়, তাঁর কাছে আর একটি দিরহামও অবশিষ্ট নেই। মদীনার রাস্তায় যাকে পাওয়া গেছে, তাকে দান করা হয়েছে।

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এতো দানশীল ছিলেন যে, তাঁর দান করা দেখে মানুষজন অবাক হতো। কাবিসা ইবনে জাবির রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

“আমি তালহার মতো কাউকে এতো সম্পদ দান করতে দেখিনি!”

.

🟥 'কোটিপতি সাহাবি' বই থেকে
34👍2
কুরবানির গরু কেনার সময় যাচাই-বাছাই করে কিনুন। দামদর করে কিনুন।

কিন্তু, কেনার পর দাম নিয়ে আফসোস করবেন না।

বেশি দাম হয়ে গেলো কি-না? এই বাজার থেকে না কিনে আরেক বাজার থেকে কিনলে আরো কম দামে পেতেন কি-না এই ধরনের আফসোস বাদ দিন।

অনেকেই আপনার কাছে দাম জানতে এসে এমন মন্তব্য করবে, যা শুনে আপনার আফসোস হবে- "হায়! হায়! এতো দাম দিয়ে কেনো কিনলাম!"

সবসময় মনে রাখবেন, কুরবানি করাটা ইবাদত।

আপনি সেই ইবাদতের উদ্দেশ্যে পশু কিনেছেন।

ব্যবসা করার জন্য না।

আপনি যদি ১০ হাজার টাকা বেশি দিয়েও গরু কিনেন, এটাকে লস না ভেবে চিন্তা করুন আল্লাহর রাস্তায় ১০ হাজার টাকা বেশি ব্যয় করার সুযোগ পেয়েছেন।

একই কথা অন্যের ক্ষেত্রে।

কেউ বেশি দামে গরু কিনলে তাকেও এমন মন্তব্য করার দরকার নেই যা শুনে তার আফসোস হয়।

কুরবানি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আল্লাহ সন্তুষ্ট হলে আমাদের কুরবানি স্বার্থক।
26👍3👏1
কোকের একটা নতুন এড দেখলাম।
সেখানে তারা বলছে- ফিলিস্তিনে তো কোকের একটা ফ্যাক্টরীই আছে!

বুঝাতে চাচ্ছে, ওরা ফিলিস্তিনের পক্ষে!

কিন্তু ওরা যেটা বললো না, সেটা হলো: ফিলিস্তিনীদের কাছ থেকে দখল করা ভূমিতেই ওরা ফ্যাক্টরী করেছে। আতরতে।

আর কোকাকোলা কোম্পানী তো ফিলিস্তিনকে দেশ হিসবেই স্বীকার করেনা।

✍️ Tahmidul Islam
😡10👍7
এখানে যে বললো, ফিলিস্তিনে কোকের ফ্যাক্টরি আছে। অই ফ্যাক্টরি হচ্ছে ওয়েস্ট ব্যাংকে, গাজাতে না। বেসিক্যালি ইজরায়েল সরকার ওয়েস্ট ব্যাংকের ফিলিস্তিনের উচ্ছেদ করে অই জায়গায় কোকাকোলাকে ফ্যাক্টরি বসানোর অনুমতি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে।
সুতরাং ইজরায়েলের এত জায়গা থাকতে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে অই জায়গায় ফ্যাক্টরি বসানো কোকের উদ্দেশ্যপ্রণীত কাজ।
এই কাজটাই কি এনাফ না কোক'কে বয়কট করতে?

✍️ Shafin Ahmed
👍14
কোকের ব্যাপারে এই মুহুর্তে ব্যাপক নেগেটিভ প্রচারণা চালানো উচিত। সেক্ষেত্রে শর্ট ফিল্ম ও ডিজাইন হলো মোক্ষম একটা মাধ্যমে। শর্ট ফিল্মের ৩টা আইডিয়া আমি দিচ্ছি-

দৃশ্য-০১
দোকানে গিয়ে ড্রিংক কিনতে চাইলেন। দোকানদার কোক দিল। আপনি সেটা ফিরিয়ে দিয়ে অন্য কোনটা চাইলেন এবং কেন ফিরিয়ে দিলেন দুই/তিন বাক্যে কারণটা বলে দিলেন। দোকানদারও বলল, সামনে থেকে সে আর এটা বেচবে না।

দৃশ্য-০২
রাস্তায় একজনকে কোক খেতে দেখলে তাকে থামালেন এবং কোকের ইস্র কানেকশনের বিষয়টা বললেন। সে তখন ঘৃণা ভরে এটা ছুঁড়ে মারল।

দৃশ্য-০৩
'আমি কোক এবং পেপসিকো কোম্পানির সকল প্রোডাক্টকে ঘৃণা করি। এটা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন' কথাটা ভিডিও আকারে রেকর্ড করুন এবং ছড়িয়ে দিন। এটি যেন ট্রেন্ড হয়ে যায়।

----------

যারা ভালো ডিজাইন বানাতে পারেন, তারা কোককে বয়কট করার উপর বিভিন্ন আইডিয়ার ডিজাইন বানাতে পারেন। মানুষের ছবিতে চোখ মুখ দিবেন না। এগুলোর কোনো কোনোটা শর্ট ভিডিওর কন্টেন্টও হতে পারে। আমি কিছু নমুনা বলে দিচ্ছি-

১. কোকের বোতলের ভিতরে ফি‧লি‖স্তিনি শিশুদের রক্তাক্ত দেহ, বোতলের মুখ দিয়ে পানীয় আকারে বের হয়ে আসছে তাদের রক্ত।

১. কোকের একটা ফ্যাক্টরি, যেটা ফি‧লি‖স্তিনিদের উচ্ছেদ করা বসতভিটায় তৈরি।

৩. কোকের বোতলে বুট জুতা দিয়ে লাথি মারা পায়ের ছবি। ক্যাপশনে হবে, আমরা কোক খাই না।

৪. কোক কেউ কমোডে ঢালছে। ক্যাপশন হবে- কোকের উপযুক্ত স্থান টয়লেট, আপনার পেট নয়।

৫. কোকভর্তি একটা দোকান। দোকানদার মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। ক্যাপশন- মানুষ আর কোক খায় না। ডিলারদের মাথায় হাত।

৬. দোকানদার ও কাস্টমারের কথোপকথন দিয়ে একটা পিক-
'ভাই একটা কোক দেন।'
'ফি‖লিস্তি‧নিদের রক্ত আমি বেচি না।'

৭. দুই বন্ধুর কথোপকথন দিয়ে একটা পিক-
'দোস্ত কোক খাবি?'
'হারপিকের বিকল্প আমি খাই না।'

৮. এক ছেলে কোক খাচ্ছে। বন্ধু এসে বলছে, ছিহ! তুই কোক খাস? কী লজ্জার কথা!

৯. ডাক্তারের চেম্বারে রোগী এসেছে।
'ডাক্তার সাব, পেটের ব্যাথায় মরে গেলাম।'
'নিশ্চয়ই আপনি কোক খেয়েছেন। সেজন্যই এই অবস্থা!'

১০. বউ বলছে, 'এই শুনো, আসার সময় একটা হারপিক নিয়ে এসো!।
'আমার আসতে দেরি হবে। আপাতত মেহমানের আনা কোক ঢেলে টয়লেট পরিষ্কার করে নাও। ওটা হারপিকের মতো কাজ করে।'

-------

এছাড়া যারা ডকুমেন্টারি বানান, তারা সম্প্রতি প্রকাশিত কোকের এডের লাইন ধরে ধরে পয়েন্ট আউট করুন। কীভাবে তারা মানুষকে বোকা বানাচ্ছে।

- আবদুল্লাহ আল মাসউদ
11👍9
শুধু হুজুগে বাংলাদেশিরাই কি দু দিন পর পর বয়কট বয়কট করে?

না।

বরং বাংলাদেশের লোকজন বলতে গেলে বয়কট কমই করে। পৃথিবীতে গড়ে প্রতি ৫ সেকেন্ডে একটা করে বয়কট আন্দোলনের ডাক আসে। মানে, আমি এই স্ট্যাটাস লিখতে লিখতে পৃথিবীর দশ জায়গায় কমপক্ষে ১০ টা বয়কট মুভমেন্ট শুরু হয়ে গেছে।

কাজেই, বয়কট করলেই যেসব জ্ঞানীরা বাংলাদেশের লোকজনকে হুজুগে বলে লো ফিল করাতে চান, তাদের কথায় কান দেওয়ার দরকার নাই।

বয়কট আপনি একা করতেছেন না।

এই মুহূর্তে পৃথিবীর ৩৮% মানুষ কোন না কোন বয়কট আন্দোলনের সাথে জড়িত। নিজেকে যখন খুব একা মনে হবে, তখন ভাববেন, আপনি মোটেও একা নন। বরং এই পৃথিবীর ২৫০ কোটি মানুষও আজ পণ্য কেনার সময় চেক করে তারপর পণ্য কিনতেছে।

ধরেন, আপনাদের ফ্রেন্ড সার্কেলে মোট ৬ জন আছেন। বাট আপনি একাই কোক বা একুয়াফিনা বাদ দিতেছেন। আর বাকি ৫ জন কোকও ছাড়তেসে না, একুয়াফিনাও ছাড়তেছে না। আপনার কি হতাশ হওয়া উচিত?

না। বরং আপনার আরো জোরেশোরে কোক বর্জন চালাইয়া যাওয়া উচিত।

কেন?

কারণ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল সায়েন্স এর গবেষক এরিকা কেনোয়েথ বলতেছেন, কোন পলিটিক্যাল মুভমেন্ট সফল হতে সাড়ে তিন শতাংশ মানুষের ইনভল্ভমেন্ট লাগে।

মানে ১০০ জনের মধ্যে ৯৬ জনও যদি কোক খায়, ৪ জনও যদি ঠিকঠাক বর্জন করে, তাহলেই এই আন্দোলন একদিন সফল হয়ে যাবে। কাজেই, দোকানে স্তূপ করে রাখা কোকের বোতল যেন আপনাকে হতাশ না করতে পারে।

শুধু কোক না, যারা একুয়াফিনা পানি খান, তারাও কিন্তু দিনশেষে রক্তই খাচ্ছেন। পানির রঙ সাদা বলে আমরা যেন তার ভেতরের রক্তটুকু দেখতে ভুলে না যাই।

দেখেন, একটা দেশের ৪০ হাজার মানুষকে মেরে ফেলা হয়েছে। যারা বেঁচে আছে, তারাও না খেয়ে, দুর্ভিক্ষ, রোগ আর শোকের মধ্যে দিয়ে বেঁচে আছে। ছেলে মেয়েরা গালে নাম লিখে রাখতেছে, যেন মরার পর তার লাশ খুজে পাইতে সহজ হয়।

যারা আমার আপনার ভাই বোনকে এক ফোঁটা পানি খাইতে দিতেসে না, আপনি তাদের বিরুদ্ধে যাইয়া সামান্য একটা সফট ড্রিংকসই যদি স্যাক্রিফাইস করতে না পারেন, তাহলে আপনি মানুষ হলেন কী করে?

✍️ সাদিক
👍8
পোস্টার ও ক্যাম্পেইন আইডিয়া:

১।
যে দোকানেই থাকবে কোক
সে দোকানই বয়কট হোক
২।
কোকাকোলাকে বিদায় দিন
মুসলমানের পক্ষ নিন
৩।
আবার উদরে ঢালছো কোক?
সয়ে গেছে ভাই-হত্যার শোক?
৪।
এবারেই কোকের দিন ফুরাবে
বাঙালি মুসলমান জবাব দেবে
৫।
তুমি নাকি একজন কোক ভক্ত?
কোক নয়, খাচ্ছ ভায়ের রক্ত।
.
Mehedi Hasan ভাইয়ের সাথে আমি আরও কয়েকটা এড করছি :
৬।
যে খায় পেপসি কোক
ইহুদির সাথে তার হাশর হোক
৭।
কোকাকোলা গোল্লায় যাক
ওদের হাতে রক্তের দাগ
৮।
যারা কোকের পক্ষ লয়
তারা আমাদের বন্ধু নয়
৯।
ভুলে গিয়ে ভাইয়ের শোক,
কোকাকোলায় দিচ্ছো ঢোক?
১০।
খাবার আগে যাচাই করি
কোকাকোলায় লাত্থি মারি
১১।
পেপসি কিংবা কোকাকোলা
ইসরাইলের ঘরের পোলা

✍️ জাকারিয়া মাসুদ
👍1916
ভার্সিটিতে চান্স পাইয়া এলাকায় ঢাক ঢোল বাজাইছো, গর্বে পা মাটিতে পড়ে নাই, যারে পাইছো মোটিভেশান ঝারছো, তোমার বাপে এলাকার দোকানে অহংকার দেখাইছে। পোলা ভার্সিটি পড়ে দেইখা দোকানদার চায়ের কাপটা তিনবার মুইছা দিছে, পরাটা আরেকটু কড়া কইরা ভাইজা দিছে।

তোমার মায়ের পাশের বাড়ির ভাবীর কাছে পোলার ভার্সিটি জয়ের গাল-গল্পের কারণে, ঐ বাড়ির পোলা-মাইয়া পাঁচটা বেতের বাড়ি বেশি খাইছে। তোমার পা ধোয়া পানি খাওয়ার কথা শোনা লাগছে মায়ের কাছে।

তো, গ্রামবাসী তোমার বিরাট ভার্সিটিতে পড়ার বদৌলতে একটা বিরাট চাকরির আশা করতেই পারে৷ তাদের মধ্যে এই আশা তো তুমি দিছো, তোমার বাপের ঢাক ঢোল পেটানোই দিছে।

এখন চাকরির কথা জিজ্ঞেস করলে, তোমার ইগোতে লাগতেছে। আমারও লাগতেছে ভাই। তো, বড় চাকরি হইলে বিশাল ক্ষমতা এই জিনিস চাষা-ভূষার মাথায় কে ঢুকাইছে? তিন বেলা ভাতের স্ট্রাগল করে যে সব লোক, তাদের মধ্যে বিসিএস ক্যাডার মানেই জগতের বাদশা- এ ধারনা কে দিছে? ভার্সিটিতে পড়লেই চাকরি আর চাকরি- অক্ষরজ্ঞানহীন লোকগুলা এই থিউরি জানার জন্য শহরে এসেছিল?

গ্রামের লোকজন খারাপ। তো, দুইদিনের শহরে থাকা হে মহান গাঁইয়া, তুমি ও তোমার বাপ-চাচা ভালো হইলে, বাকি গ্রামবাসীরাও ভালো হইতো। এ কথা কও না ক্যান?

এখন, গ্রামের লোকদের একতরফা দোষ দিয়া নগরকেন্দ্রিক, এককেন্দ্রিক, স্বার্থান্ধ শহুরে ফালতু জীবনকে গ্লোরিফাই করে সাইডে চাপার ধান্ধাটা খুব বাজে লাগলো। খুব বাজে।

গ্রামে অনেক ঝামেলা আছে সত্য। অনেক বিড়ম্বনা আছে। পরের পিছে আঙুল দেয়া বহু লোক গ্রামে থাকে।

কিন্তু, এসব ঝামেলার কোন কিছুই শহুরে জীবনকে এত ব্যাপকভাবে গ্লোরিফাই করতে যথেষ্ট নয়। গ্রামের জীবনকে তাচ্ছিল্য করার জন্য যথোপযুক্ত নয়।

✍️ মোস্তফা আল হুসাইন আকিল
👍39
রাসূলুল্লাহ ﷺ সাধারণত কারো নাম ধরে বদদুআ করতেন না। কিন্তু, একবার তিনি ৭ জন কাফিরের নাম ধরে বদদুআ করেন।

হাদীসের বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যাদের নাম ধরে বদদুআ করেন আমি তাদের সবাইকে বদরের কূপে নিহতাবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছি।

আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় সৃষ্টি রাসূলুল্লাহ ﷺ। তাঁর ওপর শারীরিক অত্যাচার করা হলে তিনি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে যালিমদের নাম ধরে বিচার দেন।

আল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুআ কবুল করেছেন। মাযলুমের দুআ আল্লাহ সাথে সাথে কবুল করেন, কিন্তু সেটা আমাদের কাছে দৃশ্যমান হয় আল্লাহর নিয়মানুযায়ী।

রাসূলুল্লাহর ঐ দুআর অন্তত ২ থেকে ৫ বছর পর সেই সাতজন কাফির মারা যায় বদর যুদ্ধে।

আল্লাহ চাইলে তো সাথে সাথেই তাদের ফয়সালা করতে পারতেন। কিন্তু, আল্লাহ তাঁর নিয়মানুযায়ী, তাঁর দেয়া অবকাশ অনুযায়ী সেই বিচার দুনিয়াতে করেন, কিয়ামতের বিচার তো বাকি।

.

আল্লাহ পবিত্র কুরআনের একটি সূরা নাযিল করে জানিয়ে দিলেন ‘আবু লাহাব ধ্বংস হবে’। রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর যুগের আর কোনো কাফিরের নামোচ্চারণ আল্লাহ পবিত্র কুরআনে করেননি। সেই আবু লাহাব তার ভাতিজাকে (ﷺ) কী না করেছে! তাঁর কলার ধরে টেনেছে, ঘরের সামনে আবর্জনা রেখেছে।

আল্লাহ পবিত্র কুরআনে একটি সূরা নাযিল করা সত্ত্বেও সেই আবু লাহাবের পরিণতি আসতে অন্তত ১২ বছর লাগে।

.

আবু জাহেল নির্মমভাবে হত্যা করে সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা এবং ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু আনহুকে। তাঁদের ছেলে আম্মার ইবনে ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি মক্কায় যতোদিন ছিলেন ততোদিন চোখের সামনে দেখতে পান তাঁর মা-বাবার হত্যাকারী আবু জাহেল কী আরামে ঘুরে বেড়াচ্ছে!

তাঁর মা-বাবার হত্যাকারীর পরিণতি দেখতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয় অন্তত ১০ বছর।

.

ইসলাম গ্রহণ করার কারণে কী নির্মম অত্যাচার করা হয়েছিলো বিলাল ইবনে রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে! মরুভূমির প্রখর রোদের মধ্যে শুইয়ে পাথর চাপা দেয়া হতো। গরমে তাঁর শরীরের মাংস পুড়ার গন্ধ বের হতো!

বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে অত্যাচার করতো উমাইয়্যা ইবনে খালাফ। তিনি লিটারেলি প্রতিশোধ নেন এই অত্যাচারের প্রায় ১৩ বছর পর!

.

আমি যখন সীরাত পড়ি, তখন হতাশ হই না। আমি বর্তমান নিয়ে আশা দেখি।

যখনই মনের কোণে হা-হুতাশ জাগে, এতো এতো মাজলুমের দুআ কি আল্লাহ শুনছেন না? মাজলুমের দুআ আর আল্লাহর মধ্যে তো পর্দা থাকে না। তাহলে কেনো আল্লাহ সাড়া দিচ্ছেন না?

তখনই সীরাতে চলে যাই। গিয়ে দেখি, আল্লাহ ঠিকই সাড়া দেন। আমি যখন, যেভাবে চাচ্ছি সেভাবে না; আল্লাহ সাড়া দেন আল্লাহর সুন্নাত অনুযায়ী।

মাজলুম হিশেবে আমার আপনার কাজ চেষ্টা করা, দুআ করা।

আল্লাহ সাড়া দিবেন এই ইয়াক্বিন রাখা।

সাড়া দিচ্ছেন না কেনো, আল্লাহ কি সাড়া দিবেন না –এসব ‘তর্ক’ বান্দা হিশেবে আমাদের মানায় না।
👍3113
Visited the minority community in our union to offer support and reassurance, letting them know that they have nothing to fear and don't need to flee. We're with them.
15👍6
মদীনায় একজন নারী সাহাবী ‘ইভটিজিং’ –এর শিকার হন!

.

তিনি গিয়েছিলেন ইহুদিদের মার্কেটে স্বর্ণ কিনতে। সেখানে দোকানী তাঁর সাথে খারাপ আচরণ করে। একপর্যায়ে তাঁর নিকাব অনাবৃত হয়ে যায়। এটা দেখে ইহুদিরা হাসাহাসি করে।

সেই মার্কেটে একজন পুরুষ সাহাবী ছিলেন। একজন মুসলিম নারীকে নিয়ে এমন হাসাহাসি দেখে তিনি রাগে সেই দোকানীকে হত্যা করেন। ইহুদিরা তাঁকে মারধর করে এবং তিনি শাহাদাতবরণ করেন।

এই ঘটনা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লো।

ইহুদি গোত্র বনু কায়নুকা বদর যুদ্ধের সময় চুক্তি ভঙ্গ করেছিলো। তাদের ওপর পূর্বের ক্ষোভ ছিলো। কিন্তু, এবার মুসলিম নারী কেন্দ্রিক যে ঘটনা ঘটলো সেটা আর সহ্য করা হলো না।

অবরোধ করা হলো বনু কায়নুকা।

এভাবে একদিন-দুইদিন না, দুই সপ্তাহ অবরুদ্ধ থাকার পর বনু কায়নুকা আত্মসমর্পণ করলো। তাদেরকে মদীনা ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়া হলো।

বনু কায়নুকার সাথে দ্বন্দ্বের পূর্ব-সূত্র ছিলো, তারপরও এখানে অন্যতম কারণ হিশেবে উল্লেখ করা হয় মুসলিম নারীর ইজ্জতহানী।

.

মক্কায় থাকাবস্থায় ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইসলাম গ্রহণ করার কারণে এক দম্পতিকে হত্যা করা হয়। একজন নারীকে হত্যা করা হয়। তিনি ছিলেন সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা, তাঁর স্বামী ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু আনহু।

ইসলামের প্রথম শহীদ এই দম্পতি।

কিন্তু, এই ঘটনার পর আপনি দেখবেন না আবু জাহেলকে হুমকি দেয়া হয়েছে বা প্রতিবাদ করা হয়েছে বা আবু জাহেলের গোত্রকে আক্রমণ করা হয়েছে।
একজন দম্পতিকে দিন-দুপুরে হত্যা করার পরও সেটার ‘বিচার’ চাওয়া হয়নি। কোনো ধরনের প্রতিবাদ করা হয়নি।

তারমানে এই না যে মুসলিমরা সেটা মেনে নিয়েছে বা সেটাকে সমর্থন করেছে।

সেই দম্পতির যুবক ছেলে ছিলেন আম্মার ইবনে ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু আনহু।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে ধৈর্যের উপদেশ দেন। তাঁকে সান্ত্বনা দেন।

যেই যুবক তাঁর মা-বাবা হারিয়েছে, সেই যুবককে তিনি লেলিয়ে দেননি। তিনি আকারে-ইঙ্গিতে বলেননি, তোমার মা-বাবার হত্যাকারীর প্রতিশোধ নিতে পারো।
এমন হলে দেখা যেতো নিজের জীবন বাজি রেখে আম্মার ইবনে ইয়াসির আবু জাহেলকে হত্যা করতেন; অন্তত চেষ্টা করতেন।

তখন মুসলিমরা দুর্বল। এমনটা যদি হতো, তাহলে বনু মাখযূমের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা হতো। যেই কয়জন সাহাবী ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের ওপর চলতো নির্যাতনের স্ট্রিম রোলার!

আম্মার ইবনে ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু আনহু মক্কায় যতোদিন ছিলেন, তাঁর চোখের সামনে ঘুরতে দেখেন নিজের মা-বাবার খুনীকে। কিন্তু, তিনি কিছুই করতে পারেননি। এর প্রায় ১৪-১৫ বছর পর আবু জাহেলকে হত্যা করা হয় বদর যুদ্ধে।

মদীনায় যেখানে একজন নারীর ইজ্জতের ওপর আঘাত আসার সাথে সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুদ্ধ ঘোষণা করেন, মক্কায় থাকাবস্থায় একজন নারীকে হত্যা করা সত্ত্বেও তিনি যুদ্ধের ডাক দেননি, জবাবদিহিতার জন্য আবু জাহেলের কাছে যাননি।

এমন না যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বা সেই সময় সাহাবীরা সাহসী ছিলেন না। নাউজুবিল্লাহ!

বরং সেই সময় এমনটা করলে সেটার কনসিকুয়েন্স কী হতো সেটা তারা জানতেন।

যার কারণে মা-বাবা হারানো আম্মারকে বলেছিলেন, “সবর করো আম্মার, সবর করো।”

কিন্তু, মদীনার সেই নারীকে বা সেই সাহাবী, যিনি নারীকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন তাঁর পরিবারকে গিয়ে বলেননি- ‘সবর করো’।

যেকোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া একইরকম হবে না। সেটার প্রতিক্রিয়া নির্ভর করে আপনি কোন পরিস্থিতিতে আছেন।

আপনি মক্কা বিজয়ের পূর্বের মক্কার সমাজের মতো থাকলে আপনার প্রতিক্রিয়া থাকবে একরকম। মদীনায় থাকলে থাকবে আরেকরকম।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে তিনটি সমাজ ছিলো। মক্কা বিজয়-পূর্ব মক্কা, আবিসিনিয়া এবং মদীনা।

আমাদের স্বপ্ন মদীনার সমাজ। কিন্তু, বর্তমান বিশ্বের মুসলিমরা কোথাও মক্কার সমাজে, কোথাও আবিসিনিয়ার সমাজে।

এজন্য এক্সটার্নাল ফ্যাক্টর জড়িত এমন যেকোনো ইস্যুতে মুসলিমদের প্রতিক্রিয়া হবে সে কোন সমাজে আছে সেটার ওপর। নামাজ-রোজা মৌলিক সবকিছু সব জায়গায়ই এক থাকবে। কিন্তু, সামাজিক এবং রাজনৈতিক এক্টিভিজম সব সমাজে একরকম থাকবে না।
👍2616😁2
নয়টা-পাঁচটা অফিস ছেড়ে রিমোট জবের আজ ১ বছর হলো।

কোনো একটা ইয়ার্লি ক্যালেন্ডারে যা চাওয়া সম্ভব, যা পাওয়া সম্ভব, আলহামদুলিল্লাহ সবকিছুই এই একবছরে পেয়েছি। বরং বেশিই পেয়েছি!

২৪ ঘণ্টা যে অনেক সময়, এই সময়ে চাইলে যে অনেককিছুই করা যায়, এই ১ বছর সেটা বেশ ভালোভাবেই উপলব্ধি করেছি।

যেদিন খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করেছিলাম ঢাকার জ্যাম আর অফিসের আসা-যাওয়ার প্রস্তুতি প্রতিদিনের তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা খেয়ে ফেলে, সেদিনই সিদ্ধান্ত নিই- এই লাইফস্টাইল সম্ভব না!

এর আগে অবশ্য নিজের লাইফস্টাইলের একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম। চাকরি, ব্যবসা যাই করি না কেনো, জীবনে কী চাই?

আমি যে ধরনের মানুষ, যেভাবে কাজ করতে পারি, সেই জায়গা থেকে লাইফস্টাইলে তিনটি ফ্রিডম নিশ্চিত করতে চাই।

১. ফিনান্সিয়াল ফ্রিডম
২. টাইম ফ্রিডম
৩. লোকেশন ফ্রিডম

নয়টা-পাঁচটার জব ছাড়া মানে এমন না যে আমি এতো কাজ, এতো হ্যাসেল নিতে পারছি না। বরং বর্তমান লাইফস্টাইলে আমার কাজের চাপ আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। আগে হয়তো বাস্তবিক অর্থে কাজ করতে হতো ৩-৪ ঘণ্টা, এখন তারচেয়েও অনেক বেশি কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায়।

এই লাইফস্টাইলের ফ্রিডম এমনিতেই সারাবছর উপভোগ করলেও সবচেয়ে বেশি উপভোগ করছি মদীনার জীবনটায়। প্রায় ৩২ দিনের সফরে আমাকে 'ছুটি' নিতে হয়নি। লোকেশন ফ্রিডমটা পেয়েছি।

উইকেন্ড ডিজাইন করা যায় নিজের মতো করে। শুক্রবার ছুটি নেবো নাকি বুধবার, সেটা আমিই ডিজাইন করতে পারতাম। এই লাইফস্টাইলে অবশ্য উইকেন্ড সাজানো লাগে না। টাইম ফ্রিডম কাজে লাগিয়ে ৩ দিনের কাজ একদিনেও করা যায়, আবার বিশেষ কাজ না থাকলে একটানা ২-৩ দিন কাজ ছাড়াও থাকা যায়।

জ্ঞানার্জন, যেটা আমার সবচেয়ে বড় প্যাশন, এই লাইফস্টাইলে এটাকে এমনভাবে রাখা যায়, জ্ঞানার্জন তখন প্ল্যান করে করা লাগে না, প্রতিনিয়তই শিখতে হয়।

ফেসবুকে লেখালেখি অনেকটাই কমে গেছে। আগের মতো নিয়মিত লিখতে পারছি না। এই যে লিখতে পারছি না, এটা নিয়ে আক্ষেপ নেই। লেখালেখি করতেই হবে, এই প্রেশার নেই। বরং যখন আগের মতো লেখালেখি করার ইচ্ছে জাগবে, আল্লাহ যদি তাওফিক দেন, তাহলে এই ধারায় ফিরতেও একদিনের বেশি লাগবে না।

লেখালেখি করছি না মানে এই না যে ছেড়ে দিছি। যে ধরনের লেখালেখি করতাম, সেটা বরং একটু চেঞ্জ করে নতুন ধারার লেখালেখি করছি; জব এবং বিজনেস পারপাসে।

সেদিন আমার স্ত্রী আমাকে স্মরণ করিয়ে দিলো দুনিয়ার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যাপারে নবী-সাহাবীদের কনসার্ন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবীরা যদি কখনো ভালো খাবার খেতেন, ভালো পোশাক পরতেন, একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতেন, তখন উদ্বিগ্ন হতেন। না জানি আল্লাহ দুনিয়াতেই সব নেয়ামত দিয়ে দিচ্ছেন, আখিরাতে কী পাবেন!

আমাকে সতর্ক করে দিয়ে সে বললো, আমাদেরকে নেয়ামতের শুকরিয়ার পাশাপাশি এই ভয়টাও পাওয়া উচিত।

দুনিয়ার এই স্বাচ্ছন্দ্যের জীবনটা আমাদের জন্য পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াটা আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আমরা দুআ করি দুই হাসানা'র; দুনিয়ার জীবনের, আখিরাতের জীবনের। পাশাপাশি আমরা রেহাই পেতে চাই জাহান্নামের আগুনের।
58👍7🥰3