ملتح سعودي يحرم التظاهرات المناصرة لغزة (لأن فيها اختلاط) بينما الاختلاط في موسم الرياض حلال...
غزة تباد والرياض تحتفل
موسم الرياض 2023
গাজাবাসির পক্ষে রাস্তাঘাটে যেকোনো ধরনের সমাবেশ ও গমাগম করা হারাম বলেছেন শাইখ সুলাইমান আর রুহাইলী ৷ এটা হারাম হওয়ার কারণ কি? কারণ হচ্ছে এতে নারী পুরুষের সংমিশ্রণ ঘটে ৷ কথা ঠিক আছে এবং কারণও ঠিক আছে সমস্যা নাই ৷ কিন্তু রিয়াদে 'রিয়াদ মৌসুম' নামে গানের অনুষ্ঠান গুলোতে মাসের পর মাস ছেলে মেয়ে একত্রিত হচ্ছে, এখানি কি নারী ও পুরুষের মাঝে সংমিশ্রণ হচ্ছে না? এই ফতুয়া কোথায়?
আমরা সৌদির বিরুদ্ধে নয়, ওদের অপকর্মের বিরুদ্ধে ৷ আপনার আমার হজ্জ উমরার টাকা খরচ হয় এখানে ৷ ওদের এই বিলাসিতার কারণেই হজ্জ উমরার ফি দিনেদিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৷ এবাদতকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করছে এরা ৷
غزة تباد والرياض تحتفل
موسم الرياض 2023
গাজাবাসির পক্ষে রাস্তাঘাটে যেকোনো ধরনের সমাবেশ ও গমাগম করা হারাম বলেছেন শাইখ সুলাইমান আর রুহাইলী ৷ এটা হারাম হওয়ার কারণ কি? কারণ হচ্ছে এতে নারী পুরুষের সংমিশ্রণ ঘটে ৷ কথা ঠিক আছে এবং কারণও ঠিক আছে সমস্যা নাই ৷ কিন্তু রিয়াদে 'রিয়াদ মৌসুম' নামে গানের অনুষ্ঠান গুলোতে মাসের পর মাস ছেলে মেয়ে একত্রিত হচ্ছে, এখানি কি নারী ও পুরুষের মাঝে সংমিশ্রণ হচ্ছে না? এই ফতুয়া কোথায়?
আমরা সৌদির বিরুদ্ধে নয়, ওদের অপকর্মের বিরুদ্ধে ৷ আপনার আমার হজ্জ উমরার টাকা খরচ হয় এখানে ৷ ওদের এই বিলাসিতার কারণেই হজ্জ উমরার ফি দিনেদিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৷ এবাদতকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করছে এরা ৷
🤬8
Forwarded from আলোর পথ
বাংলাদেশে কি ইসলামের বিজয় সম্ভব?
আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মুসলিম। তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, রাসূল সা. কে মহব্বত করে এবং কুরআনকে ভক্তি শ্রদ্ধা করে। ইসলামী সরকার নেই বলে তারা খাঁটি মুসলিম হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ; কিন্তু তারা ইসলাম বিরোধী নয়। রাসূল সা. এর জন্মভূমির জনগণ ইসলাম বিরোধী ছিল বলে তাঁকে মদিনায় হিজরত করতে হয়। আমাদেরকে হিজরত করতে হবে না।
ইসলাম বিজয়ের জন্য দুটা শর্ত রয়েছে : ১ম শর্ত হচ্ছে - একদল লোক তৈরি করা। ২য় শর্ত হচ্ছে - যে এলাকায় আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার চেষ্টা চলে সেখানকার জনগনও এর পক্ষে থাকা। এর মধ্যে ২য় শর্তটি বাংলাদেশে রয়েছে। জনগণ ইসলামের সমর্থক বলেই ইসলাম বিরোধী দলও জনগণের ভোট পাওয়ার জন্য নির্বাচনের সময় আল্লাহ-রাসূলের দোহাই দেয়। তাই বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসলাম বিজয়ের ১ম শর্তটি পূরণ হইলেই এ দেশে ইসলামি সরকার কায়েম হওয়া সম্ভব। আল্লাহ তায়ালা সূরা আন নূরের ৫৫ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন -ইমানদার, সৎ ও যোগ্য একদল লোক তৈরি হলেই তিনি তাদের হাতে খিলাফতের দায়িত্ব তুলে দিবেন।
লোক তৈরির দায়িত্ব তিনি নেননি। লোক তৈরি হলে ইসলামী সরকার কায়েম করার দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন। রাসূল সা. এর যুগে লোক তৈরির কাজ সমাধা হওয়ার পর আল্লাহ তাআলা ঐ তৈরিকৃত লোকদের হাতেই ক্ষমতা তুলে দেন।
আমাদের আসল দায়িত্ব হলো ইমান, ইলম ও আমলের দিক দিয়ে পরিপূর্ণ এতো বেশি সংখ্যক লোক তৈরি করা, যাতে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামি সরকার কায়েমের তাওফিক দান করেন। যাদের হাতে ক্ষমতা দিলে ইসলামকে বিজয়ী করতে পারবে, আমাদের এই বাংলাদেশে এমন একদল লোক তৈরি হলেই ইসলামী সরকার কায়েম হতে পারে।
(বই: পরিপূর্ণ জীবনবিধান হিসেবে ইসলামের সহজ পরিচয়,, অধ্যাপক গোলাম আযম)
👉https://t.me/alolpath
আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মুসলিম। তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, রাসূল সা. কে মহব্বত করে এবং কুরআনকে ভক্তি শ্রদ্ধা করে। ইসলামী সরকার নেই বলে তারা খাঁটি মুসলিম হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ; কিন্তু তারা ইসলাম বিরোধী নয়। রাসূল সা. এর জন্মভূমির জনগণ ইসলাম বিরোধী ছিল বলে তাঁকে মদিনায় হিজরত করতে হয়। আমাদেরকে হিজরত করতে হবে না।
ইসলাম বিজয়ের জন্য দুটা শর্ত রয়েছে : ১ম শর্ত হচ্ছে - একদল লোক তৈরি করা। ২য় শর্ত হচ্ছে - যে এলাকায় আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার চেষ্টা চলে সেখানকার জনগনও এর পক্ষে থাকা। এর মধ্যে ২য় শর্তটি বাংলাদেশে রয়েছে। জনগণ ইসলামের সমর্থক বলেই ইসলাম বিরোধী দলও জনগণের ভোট পাওয়ার জন্য নির্বাচনের সময় আল্লাহ-রাসূলের দোহাই দেয়। তাই বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসলাম বিজয়ের ১ম শর্তটি পূরণ হইলেই এ দেশে ইসলামি সরকার কায়েম হওয়া সম্ভব। আল্লাহ তায়ালা সূরা আন নূরের ৫৫ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন -ইমানদার, সৎ ও যোগ্য একদল লোক তৈরি হলেই তিনি তাদের হাতে খিলাফতের দায়িত্ব তুলে দিবেন।
লোক তৈরির দায়িত্ব তিনি নেননি। লোক তৈরি হলে ইসলামী সরকার কায়েম করার দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন। রাসূল সা. এর যুগে লোক তৈরির কাজ সমাধা হওয়ার পর আল্লাহ তাআলা ঐ তৈরিকৃত লোকদের হাতেই ক্ষমতা তুলে দেন।
আমাদের আসল দায়িত্ব হলো ইমান, ইলম ও আমলের দিক দিয়ে পরিপূর্ণ এতো বেশি সংখ্যক লোক তৈরি করা, যাতে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামি সরকার কায়েমের তাওফিক দান করেন। যাদের হাতে ক্ষমতা দিলে ইসলামকে বিজয়ী করতে পারবে, আমাদের এই বাংলাদেশে এমন একদল লোক তৈরি হলেই ইসলামী সরকার কায়েম হতে পারে।
(বই: পরিপূর্ণ জীবনবিধান হিসেবে ইসলামের সহজ পরিচয়,, অধ্যাপক গোলাম আযম)
👉https://t.me/alolpath
❤3
Forwarded from আলোর পথ
সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন, ক্ষমতাসীন দলের এই বক্তব্যকে কি সমর্থন করেন ?
Anonymous Poll
7%
হ্যাঁ
89%
না
4%
মন্তব্য নেই
ইয়া রব অন্তর টা দগ্ধ! আপনি আমার থেকেও আমার অন্তর সম্পর্কে ভাল অবগত!এক পৃথিবী সমান যন্ত্রণা হৃদয়ে!আমি আমার সকল যন্ত্রণা ব্যথা আপনার কাছে নিবেদন করতেছি।নিশ্চয়ই এই ব্যথা লাঘব করার একমাত্র মালিক আপনি।আপনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।
আমার প্রতিটি ব্যথা দীর্ঘশ্বাসের বিনিময়ে গুনাহ গুলো মুচন করে দিন। আপনার স্মরণে ক্বলব টা কে জীবিত করে দিন।আপনার সত্য দ্বীনের উপর অটল রাখুন।
জীবনে যা কিছু পেয়েছি আর যা কিছু পাইনি।সকল কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।আমাকে সবর্দা আপনার উপর তাওয়াক্কুলের জন্য অটল রাখুন।আমাকে সবরের জামিল দান করুন।আপনার রহমতের চাদরে আবৃত করুন।
আমীন ইয়া রাব্বাল আলামিন।
👉https://t.me/AlAqsaSave
আমার প্রতিটি ব্যথা দীর্ঘশ্বাসের বিনিময়ে গুনাহ গুলো মুচন করে দিন। আপনার স্মরণে ক্বলব টা কে জীবিত করে দিন।আপনার সত্য দ্বীনের উপর অটল রাখুন।
জীবনে যা কিছু পেয়েছি আর যা কিছু পাইনি।সকল কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।আমাকে সবর্দা আপনার উপর তাওয়াক্কুলের জন্য অটল রাখুন।আমাকে সবরের জামিল দান করুন।আপনার রহমতের চাদরে আবৃত করুন।
আমীন ইয়া রাব্বাল আলামিন।
👉https://t.me/AlAqsaSave
❤5
Forwarded from I loved Chhatrashibir
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ শনিবার সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক ছয়। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে এই অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লা জেলায়।
ভূমিকম্পন, মেঘের গর্জন, ঝড় তুফান মহান আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির এক ছোট নিদর্শন। রাসূল (সা.) তার উম্মতকে যেকোনো দুর্যোগের সময় এবং বিপদে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে বলেছেন।
রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে।
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর
ভূমিকম্প হবার সময় মাটির দিকে বা নিচের দিকে তাকিয়ে ‘আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু, ফাবি আইয়্যে আ’লাঈ রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান’ পড়তে থাকবেন যতক্ষণ ভূমিকম্প শেষ না হয়।
উচ্চারণ: আন্তা ওয়ালিয়্যুনা ফাগফিরলানা ওয়ার হাম্না, ওয়া আন্তা খইরুল গফিরিন।
অর্থ – হে আল্লাহ, আপনি যে আমাদের রক্ষক- সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের উপর করুনা করুন। তাছাড়া আপনি-ই তো সর্বাধিক ক্ষমাকারী। [সুরা আরাফ আয়াত ১৫৫]
হে আল্লাহ আমাদের উপর রহম করুন, আমাদের গুনাহ খাতা মাফ করে দিন, ঈমান নিয়ে আপনার দরবারে হাজির হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক ছয়। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে এই অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লা জেলায়।
ভূমিকম্পন, মেঘের গর্জন, ঝড় তুফান মহান আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির এক ছোট নিদর্শন। রাসূল (সা.) তার উম্মতকে যেকোনো দুর্যোগের সময় এবং বিপদে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে বলেছেন।
রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে।
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর
রু মাআস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামিই ওয়াহুয়া সামিয়ুল আলিম।ভূমিকম্প হবার সময় মাটির দিকে বা নিচের দিকে তাকিয়ে ‘আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু, ফাবি আইয়্যে আ’লাঈ রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান’ পড়তে থাকবেন যতক্ষণ ভূমিকম্প শেষ না হয়।
উচ্চারণ: আন্তা ওয়ালিয়্যুনা ফাগফিরলানা ওয়ার হাম্না, ওয়া আন্তা খইরুল গফিরিন।
অর্থ – হে আল্লাহ, আপনি যে আমাদের রক্ষক- সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের উপর করুনা করুন। তাছাড়া আপনি-ই তো সর্বাধিক ক্ষমাকারী। [সুরা আরাফ আয়াত ১৫৫]
হে আল্লাহ আমাদের উপর রহম করুন, আমাদের গুনাহ খাতা মাফ করে দিন, ঈমান নিয়ে আপনার দরবারে হাজির হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন
❤3
Forwarded from আলোর পথ
আসিফাকে গণধর্ষণ ও হত্যার ৬ বছর - ১৭ই জানুয়ারী ২০১৮
#JusticeForAsifaBano #NeverForget #OnThisDay #Kashmir #India #Islamophobia #AsifaBano
#JusticeForAsifaBano #NeverForget #OnThisDay #Kashmir #India #Islamophobia #AsifaBano
🤬3
“আল্লাহ যখন কাউকে ভালোবাসেন, তাকে নিজের জন্য তৈরি করে নেন; নিজের ভালোবাসার উপযুক্ত করে নেন; নিজের বন্দেগীর জন্য নিবেদিত করে নেন। ফলে সেই ব্যক্তির মনোযোগ হয়ে যান আল্লাহ, মুখ ব্যস্ত হয়ে যায় আল্লাহর স্মরণে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ব্যস্ত হয়ে যায় আল্লাহর কাজে।”
— ইমাম ইবনুল কাই্যয়িম (রহ.)
[আল-ফাওয়ায়িদ, ৯৮]
— ইমাম ইবনুল কাই্যয়িম (রহ.)
[আল-ফাওয়ায়িদ, ৯৮]
❤5
Forwarded from আলোর পথ
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জামানায় এখন তাগুতের স্রোত চলছে,
এ স্রোতকে আমরা পাল্টে দিতে চাই।
ডা. শফিকুল রহমান
আমীরে জামাত
👉https://t.me/alolpath
এ স্রোতকে আমরা পাল্টে দিতে চাই।
ডা. শফিকুল রহমান
আমীরে জামাত
👉https://t.me/alolpath
❤6
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আশা করি সকলেই ভালো আছেন।
এই চ্যানেলের নাম পরিবর্তন করতে চাচ্ছি কি নাম রাখা যায় সকলেই পরামর্শ দিয়েন।
নিচে কমেন্ট করে জানাবেন ইনশাআল্লাহ
👇👇👇
আশা করি সকলেই ভালো আছেন।
এই চ্যানেলের নাম পরিবর্তন করতে চাচ্ছি কি নাম রাখা যায় সকলেই পরামর্শ দিয়েন।
নিচে কমেন্ট করে জানাবেন ইনশাআল্লাহ
👇👇👇
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমাদের কত বাহারের রমজানের প্রস্তুতি.💔..
আর কিছু করতে না পারি কমপক্ষে দোয়ায় যেন তাদেরকে না ভুলি🤲
আর কিছু করতে না পারি কমপক্ষে দোয়ায় যেন তাদেরকে না ভুলি🤲
😢2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফিলিস্তিনে মানবতা একেবারেই উঠে গেছে!😥
দেখুন কিভাবে টার্গেট করে করে গ*ন*হ*ত্যা চালিয়েছেন, স*ন্ত্রা*সী ই*স*রা*ঈ*ল বাহিনী।💔
দেখুন কিভাবে টার্গেট করে করে গ*ন*হ*ত্যা চালিয়েছেন, স*ন্ত্রা*সী ই*স*রা*ঈ*ল বাহিনী।💔
আল্লাহয় বিশ্বাসীদের বারবার তাঁর কাছে ফিরে আসতে লজ্জা কীসের? লজ্জাবোধের কারণে ফিরে আসতে না পারার মধ্য দিয়ে মূলত শয়তানের চ্যালেঞ্জের কাছেই হার মানা হয়।
কোনো গুনাহে অভ্যস্ত হয়ে গেলে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়ে অনেক ক্ষেত্রে। একবার দুইবার তওবা করার পর পুনরায় গুনাহে লিপ্ত হলে আবার তওবা করতে লজ্জা বা অস্বস্তিবোধ করতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে শয়তানের ওয়াসওয়াসার ধরন এমন হয়— 'তুমি কীভাবে তোমার রবের সাথে এমন করছো! এসব বাদ দাও। কিছুদিন পর ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে তওবা করবে। আপাতত চলুক...!'
অথচ আপনার ফিরে আসায় আপনার রব আনন্দিত হন। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'কোনো ব্যক্তি তার হারানো উট প্রাপ্তিতে যত আনন্দিত হয়, তোমাদের কারও তওবায় মহান আল্লাহ ততধিক আনন্দিত হন।'
তাবুক অভিযানে অংশ না নেওয়া সাহাবিদের মধ্য থেকে যাঁরা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাঁদের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কাব বিন মালিক রাদিআল্লাহু আনহু এর মন্তব্য ছিল এমন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সত্যকথা প্রকাশের কারণে অন্য কাউকে এত বড় নিয়ামত দান করেননি, যতটুকু আমাকে প্রদান করেছেন।'
১০০ হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর বনী ইসরাইলের সেই ব্যক্তিটি যখন তওবার দরজা খুঁজছিলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কতটা দয়া দিয়েই না ফিরে আসতে আকাঙ্ক্ষী মানুষটিকে ক্ষমা করে সম্মানিত করেছিলেন! ক্ষমার ভিখারী মানুষটি ক্ষমার উপায় বলে দিতে পারেন, এমন এক ব্যক্তির সন্ধানে রওয়ানা হলে পথিমধ্যে তাঁর মৃত্যু এসে গেল। তিনি তাঁর বক্ষদেশ দ্বারা সে স্থানটির দিকে ঘুরে গেলেন ভাগ্যক্রমে।
মৃত্যুর পর রহমত ও আযাবের ফেরেশতাগণ তাঁর রূহকে নিয়ে বাদানুবাদে লিপ্ত হলেন। আল্লাহ সামনের ভূমিকে আদেশ করলেন, 'তুমি মৃত ব্যক্তির নিকটবর্তী হয়ে যাও।' এবং পশ্চাতে ফেলে আসা স্থানকে (যেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল) আদেশ দিলেন, 'তুমি দূরে সরে যাও।' অতঃপর ফেরেশতাদের উভয় দলকে নির্দেশ দিলেন, 'তোমরা এখান থেকে উভয়দিকের দূরত্ব পরিমাপ কর।' পরিমাপ করা হলে দেখা গেল— মৃত লোকটি সামনের দিকে এক বিঘত বেশি এগিয়ে আছে। কাজেই তাকে ক্ষমা করা হলো।
ধরুন! আপনার ভুলের কারণে একজন মানুষের ৫ লক্ষ টাকা খোয়া গিয়েছে। এরপর সেই লোকটার কাছে আপনি ভুলের স্বীকৃতি দিলেন। ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার জন্য এবার লোকটি বলল, 'আপনি ক্ষমা চাওয়ায় ৫ লক্ষ টাকা আমি আপনাকে উপহার প্রদান করলাম।' ভাবুন তো! আপনি কতটা আনন্দিত হবেন!
দয়াময় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার তওবাকারীদের প্রতি এতটাই সন্তুষ্ট হন যে, ক্ষমা করার সাথে গুনাহের সমপরিমাণ সওয়াব দিতে প্রতিশ্রুতি হয়েছেন তিনি।
إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَٰلِحًا فَأُو۟لَٰٓئِكَ يُبَدِّلُ ٱللَّهُ سَيِّـَٔاتِهِمْ حَسَنَٰتٍۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
'যারা তওবা করে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গোনাহকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তিত করে দেবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা ফুরকান : ৭০)
আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার বিশেষ মৌসুমের শেষক্ষণে আমরা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রামাদান মাসে রোজা রাখবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।' (সহিহ বুখারী)
রাব্বি কারীম! তুমি আমাদের রোজাসমূহ কবুল করো, আমাদের ক্ষমা করে দাও, তোমার নৈকট্যলাভকারী বান্দাদের সারিতে আমাদের নাম লিখে নাও।
কোনো গুনাহে অভ্যস্ত হয়ে গেলে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়ে অনেক ক্ষেত্রে। একবার দুইবার তওবা করার পর পুনরায় গুনাহে লিপ্ত হলে আবার তওবা করতে লজ্জা বা অস্বস্তিবোধ করতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে শয়তানের ওয়াসওয়াসার ধরন এমন হয়— 'তুমি কীভাবে তোমার রবের সাথে এমন করছো! এসব বাদ দাও। কিছুদিন পর ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে তওবা করবে। আপাতত চলুক...!'
অথচ আপনার ফিরে আসায় আপনার রব আনন্দিত হন। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'কোনো ব্যক্তি তার হারানো উট প্রাপ্তিতে যত আনন্দিত হয়, তোমাদের কারও তওবায় মহান আল্লাহ ততধিক আনন্দিত হন।'
তাবুক অভিযানে অংশ না নেওয়া সাহাবিদের মধ্য থেকে যাঁরা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাঁদের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কাব বিন মালিক রাদিআল্লাহু আনহু এর মন্তব্য ছিল এমন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সত্যকথা প্রকাশের কারণে অন্য কাউকে এত বড় নিয়ামত দান করেননি, যতটুকু আমাকে প্রদান করেছেন।'
১০০ হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর বনী ইসরাইলের সেই ব্যক্তিটি যখন তওবার দরজা খুঁজছিলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কতটা দয়া দিয়েই না ফিরে আসতে আকাঙ্ক্ষী মানুষটিকে ক্ষমা করে সম্মানিত করেছিলেন! ক্ষমার ভিখারী মানুষটি ক্ষমার উপায় বলে দিতে পারেন, এমন এক ব্যক্তির সন্ধানে রওয়ানা হলে পথিমধ্যে তাঁর মৃত্যু এসে গেল। তিনি তাঁর বক্ষদেশ দ্বারা সে স্থানটির দিকে ঘুরে গেলেন ভাগ্যক্রমে।
মৃত্যুর পর রহমত ও আযাবের ফেরেশতাগণ তাঁর রূহকে নিয়ে বাদানুবাদে লিপ্ত হলেন। আল্লাহ সামনের ভূমিকে আদেশ করলেন, 'তুমি মৃত ব্যক্তির নিকটবর্তী হয়ে যাও।' এবং পশ্চাতে ফেলে আসা স্থানকে (যেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল) আদেশ দিলেন, 'তুমি দূরে সরে যাও।' অতঃপর ফেরেশতাদের উভয় দলকে নির্দেশ দিলেন, 'তোমরা এখান থেকে উভয়দিকের দূরত্ব পরিমাপ কর।' পরিমাপ করা হলে দেখা গেল— মৃত লোকটি সামনের দিকে এক বিঘত বেশি এগিয়ে আছে। কাজেই তাকে ক্ষমা করা হলো।
ধরুন! আপনার ভুলের কারণে একজন মানুষের ৫ লক্ষ টাকা খোয়া গিয়েছে। এরপর সেই লোকটার কাছে আপনি ভুলের স্বীকৃতি দিলেন। ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার জন্য এবার লোকটি বলল, 'আপনি ক্ষমা চাওয়ায় ৫ লক্ষ টাকা আমি আপনাকে উপহার প্রদান করলাম।' ভাবুন তো! আপনি কতটা আনন্দিত হবেন!
দয়াময় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার তওবাকারীদের প্রতি এতটাই সন্তুষ্ট হন যে, ক্ষমা করার সাথে গুনাহের সমপরিমাণ সওয়াব দিতে প্রতিশ্রুতি হয়েছেন তিনি।
إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَٰلِحًا فَأُو۟لَٰٓئِكَ يُبَدِّلُ ٱللَّهُ سَيِّـَٔاتِهِمْ حَسَنَٰتٍۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
'যারা তওবা করে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গোনাহকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তিত করে দেবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা ফুরকান : ৭০)
আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার বিশেষ মৌসুমের শেষক্ষণে আমরা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রামাদান মাসে রোজা রাখবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।' (সহিহ বুখারী)
রাব্বি কারীম! তুমি আমাদের রোজাসমূহ কবুল করো, আমাদের ক্ষমা করে দাও, তোমার নৈকট্যলাভকারী বান্দাদের সারিতে আমাদের নাম লিখে নাও।
❤1