তার্কিশ দাতা সংস্থা IHH গাযায় ত্রাণ সহযোগিতা নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা যারা এই সংস্থায় দান করেছিলেন, তাদের সহযোগিতা সঠিক জায়গায় পৌঁছেছে।
❤8👍1
Forwarded from প্রিয় বাংলাদেশ
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নির্বাচনের আগে মুঠোফোন নজরদারি বাড়াতে যাচ্ছে সরকার
😁4🤯2
বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানে ইস[রা]য়েল-সম্পৃক্ত ইনিভেস্টমেন্ট ফার্ম Sequoia Capital এর যৌথ মালিকানা রয়েছে।
সেই প্রতিষ্ঠানটির নাম হলো 10minites school
সেই প্রতিষ্ঠানটির নাম হলো 10minites school
🤬10
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আমাকে দগ্ধ করে
সন্তানহারা মায়েদের ফোঁপানি
একের পর এক বিদ্ধ হওয়া আঘাত
নিঃস্ব শিশুর নির্বাক অশ্রু
.
#Nasheed
সন্তানহারা মায়েদের ফোঁপানি
একের পর এক বিদ্ধ হওয়া আঘাত
নিঃস্ব শিশুর নির্বাক অশ্রু
.
#Nasheed
❤5
ফিলিস্তিনের গাজাতে দখলদার ইসরায়েলী বাহিনীর চলমান বর্বরতায় একজন বাংলাদেশী মুসলমান হিসেবে এত দূর থেকে আপনার কি ভূমিকা থাকা উচিৎ?
প্রথমত, বাইতুল মুকাদ্দাস তথা আল-আকসা মসজিদটি অধিকৃত ফিলিস্তিনের জেরুসালেমের পুরনো শহরে অবস্থিত ইসলামের ৩য় পবিত্রতম মসজিদ। এই মসজিদটি দখলদার ইসরায়েলীদের হাত থেকে মুক্ত করার সংকল্প প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়েই থাকা উচিৎ। সেই অনুযায়ী কাজ করে যাওয়া প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।
দ্বিতীয়ত, আল-আকসা মুক্ত করার আন্দোলনে যারা জড়িত আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে থাকবেন। সেটা হতে পারে আর্থিক সহযোগিতা। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ করতে হয়, আপনার অনুদানের টাকাটা গাজায় যাবে এটা নিশ্চিত হয়ে তারপর দান করবেন। এর পাশাপাশি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী আপনার লেখালেখি, বক্তব্য, অন্যান্য কর্মকান্ড এবং প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়েও ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকতে পারেন।
তৃতীয়ত, বিশ্বের বুকে 'ফিলিস্তিন' নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম দীর্ঘদিনের। এজন্য যুগের পর যুগ ফিলিস্তিনিরা সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই বহুল আকাঙ্খিত স্বাধীনতা যেন দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সেই অনুযায়ী বিশ্বের প্রত্যেক মুক্তিকামী মানুষের আওয়াজ তোলা প্রয়োজন।
চতুর্থত, ফিলিস্তিনিদের উপর যারা গনহত্যা চালায়, যারা তাদের ভূখন্ড অবৈধ ভাবে দখল করে আছে তাদের সম্পূর্ণ ভাবে বয়কট করা। তাদের পণ্যের তালিকা করে সেইগুলো প্রচারের ব্যবস্থা করা যেন কেউ ভুলেও এসব পণ্য কিনে ইসরায়েলীদের আর্থিক ভাবে সহযোগিতা না করে। এছাড়াও ইসরায়েলের এই বর্বরতার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক জনমত সৃষ্টি করা। যারা ইসরায়েলকে সহযোগিতা করে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। বাংলাদেশেও আমরা দেখেছি সম্প্রতি পাসপোর্ট থেকে "ইসরায়েল ব্যতীত সমস্ত দেশে যাওয়ার" বিষয়টি তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ইসরায়েল থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থের গোয়েন্দা সরঞ্জামাদি কিনে তাদেরকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী এভাবে ইসরায়েলীদের সহযোগিতা যারা করবে তাদের এই অপকর্মগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করাও আমাদের দায়িত্ব।
পঞ্চমত, ফিলিস্তিনিদের গাজার মুক্তিকামি আন্দোলন হামাসকে রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালি হতে সহযোগিতা করা। তারা যেহেতু মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক ধারায় বিশ্বাসী আপনি আপনার দেশে সে ধারার রাজনৈতিক বিশ্বাসীদের সহযোগিতা করতে পারেন। ফিলিস্তিনের গাজার সাথে একমাত্র আরব দেশের সীমান্ত আছে সেটা হলো মিশর। সেখানে যখন প্রেসিডেন্ট মুরসি সেদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বপ্রথম জনগণের ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছিল তখন গাজাবাসী অনেক বেশি আনন্দিত হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট মুরসি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এক বছরের মাথায় ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগপর্যন্ত তার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে গাজাবাসীকে সহযোগিতা করে গিয়েছিল। তাই গাজাবাসীর প্রকৃত বন্ধু এমন ইসলামপন্থীরা যেন আমাদের দেশেও ক্ষমতায় আসতে পারে সেজন্য সর্বোচ্চ পরিমাণে কাজ করা উচিত আমাদের সবার।
#FreePalestine
#WeStandWithGaza
#WeStandWithPalestine
প্রথমত, বাইতুল মুকাদ্দাস তথা আল-আকসা মসজিদটি অধিকৃত ফিলিস্তিনের জেরুসালেমের পুরনো শহরে অবস্থিত ইসলামের ৩য় পবিত্রতম মসজিদ। এই মসজিদটি দখলদার ইসরায়েলীদের হাত থেকে মুক্ত করার সংকল্প প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়েই থাকা উচিৎ। সেই অনুযায়ী কাজ করে যাওয়া প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।
দ্বিতীয়ত, আল-আকসা মুক্ত করার আন্দোলনে যারা জড়িত আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে থাকবেন। সেটা হতে পারে আর্থিক সহযোগিতা। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ করতে হয়, আপনার অনুদানের টাকাটা গাজায় যাবে এটা নিশ্চিত হয়ে তারপর দান করবেন। এর পাশাপাশি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী আপনার লেখালেখি, বক্তব্য, অন্যান্য কর্মকান্ড এবং প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়েও ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকতে পারেন।
তৃতীয়ত, বিশ্বের বুকে 'ফিলিস্তিন' নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম দীর্ঘদিনের। এজন্য যুগের পর যুগ ফিলিস্তিনিরা সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই বহুল আকাঙ্খিত স্বাধীনতা যেন দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সেই অনুযায়ী বিশ্বের প্রত্যেক মুক্তিকামী মানুষের আওয়াজ তোলা প্রয়োজন।
চতুর্থত, ফিলিস্তিনিদের উপর যারা গনহত্যা চালায়, যারা তাদের ভূখন্ড অবৈধ ভাবে দখল করে আছে তাদের সম্পূর্ণ ভাবে বয়কট করা। তাদের পণ্যের তালিকা করে সেইগুলো প্রচারের ব্যবস্থা করা যেন কেউ ভুলেও এসব পণ্য কিনে ইসরায়েলীদের আর্থিক ভাবে সহযোগিতা না করে। এছাড়াও ইসরায়েলের এই বর্বরতার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক জনমত সৃষ্টি করা। যারা ইসরায়েলকে সহযোগিতা করে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। বাংলাদেশেও আমরা দেখেছি সম্প্রতি পাসপোর্ট থেকে "ইসরায়েল ব্যতীত সমস্ত দেশে যাওয়ার" বিষয়টি তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ইসরায়েল থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থের গোয়েন্দা সরঞ্জামাদি কিনে তাদেরকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী এভাবে ইসরায়েলীদের সহযোগিতা যারা করবে তাদের এই অপকর্মগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করাও আমাদের দায়িত্ব।
পঞ্চমত, ফিলিস্তিনিদের গাজার মুক্তিকামি আন্দোলন হামাসকে রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালি হতে সহযোগিতা করা। তারা যেহেতু মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক ধারায় বিশ্বাসী আপনি আপনার দেশে সে ধারার রাজনৈতিক বিশ্বাসীদের সহযোগিতা করতে পারেন। ফিলিস্তিনের গাজার সাথে একমাত্র আরব দেশের সীমান্ত আছে সেটা হলো মিশর। সেখানে যখন প্রেসিডেন্ট মুরসি সেদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বপ্রথম জনগণের ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছিল তখন গাজাবাসী অনেক বেশি আনন্দিত হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট মুরসি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এক বছরের মাথায় ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগপর্যন্ত তার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে গাজাবাসীকে সহযোগিতা করে গিয়েছিল। তাই গাজাবাসীর প্রকৃত বন্ধু এমন ইসলামপন্থীরা যেন আমাদের দেশেও ক্ষমতায় আসতে পারে সেজন্য সর্বোচ্চ পরিমাণে কাজ করা উচিত আমাদের সবার।
#FreePalestine
#WeStandWithGaza
#WeStandWithPalestine
❤4
Forwarded from আলোর পথ
আপনার এলাকায় ইন্টারনেট এর গতি কেমন? (এখানে কমেন্ট করে জানান।)
দেশের অধিকাংশ IIG এর অপারেশনাল ডাটা সেন্টার রাজধানীর মহাখালীর যে বিল্ডিং এ সেখানে আগুন লাগার কিংবা লাগানোর ঘটনা ঘটেছে।
২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ কে ঘিরে স্বৈরাচার সরকারের এই ধরণের অপতৎপরতা বলে মনে করছেন কি? আমরা অতীতেও এমন চিত্র দেখে এসেছি যে, বড় কোন বিক্ষোভের আভাস পেলেই ইন্টারনেট শাট ডাউন করে দেয় স্বৈরাচার হাসিনার অবৈধ সরকার।
#StepDownHasina
#28October2023
#SaveBangladesh
দেশের অধিকাংশ IIG এর অপারেশনাল ডাটা সেন্টার রাজধানীর মহাখালীর যে বিল্ডিং এ সেখানে আগুন লাগার কিংবা লাগানোর ঘটনা ঘটেছে।
২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ কে ঘিরে স্বৈরাচার সরকারের এই ধরণের অপতৎপরতা বলে মনে করছেন কি? আমরা অতীতেও এমন চিত্র দেখে এসেছি যে, বড় কোন বিক্ষোভের আভাস পেলেই ইন্টারনেট শাট ডাউন করে দেয় স্বৈরাচার হাসিনার অবৈধ সরকার।
#StepDownHasina
#28October2023
#SaveBangladesh
🤬4👍1
Forwarded from প্রিয় বাংলাদেশ
২৮ তারিখে ঢাকায় বড় আন্দোলনকে সামনে রেখে মহাখালীর মোবাইল ডাটা প্রোভাইডার বিল্ডিং এ আগুন লাগাকে সরকারি ষড়যন্ত্র মনে করেন কি??
আমি হ্যাঁ। আপনি
আমি হ্যাঁ। আপনি
Anonymous Poll
90%
হ্যাঁ
5%
না
5%
স্বাভাবিক
একটি মুসলিমপ্রধান দেশের শিক্ষাব্যবস্থা কাদের হাতে চিন্তা করা যায়?
১. প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্তি ঘোষ।
২. পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব বজ্র গোপাল ভৌমিক।
৩. কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস।
৪. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়।
৫.সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ।
৬. ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়। ৭. চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দন্ত।
৮. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী।
৯. বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান নারায়ন চন্দ্র পাল।
১০. ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র।
১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব অজিত কুমার ঘোষ।
১২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ।
১৩. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার।
১৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ।
১৫. শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক।
১৬. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস।
১৭. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার। একটি মুসলিমপ্রধান দেশের শিক্ষাব্যবস্থা কাদের হাতে চিন্তা করা যায়? এরা শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি ইসলামকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে তারা… → ২য় শ্রেনীর বই থেকে ‘সবাই মিলে করি কাজ’ শিরোনামে মহানবী সাঃ-এর সংগক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৩য় শ্রেণির বই থেকে খলিফা হযরত আবু বকর শিরোনামে একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৪র্থ শ্রেণির বই থেকে খলিফা হযরত ওমর রাঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৫ম শ্রেণির বই থেকে বিদায় হজ্জ নামক শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৫ম শ্রেণির বইয়ে এদেশের ইসলাম-বিদ্বেষী একজন কুখ্যাত নাস্তিক হুমায়ুন আজাদ লিখিত ‘বই’ নামক কবিতা অন্তর্ভূক্ত করেছে। যা মূলত মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বিরুধী কবিতা। → ৬ষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে সত্যেন সেনের ‘লাল গরুটা’ নামক একটি ছোটগল্প। যা দিয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে গরু হচ্ছে- মায়ের মত, তাই গরু জবাই করা ঠিক নয়; অর্থাৎ হিন্দুত্ববাদ। →৭ম শ্রেণির বইয়ে শরৎচন্দ্র চট্রপাধ্যায়ের ‘লালু’ নামক গল্প। যাতে শেখানো হচ্ছে হিন্দুদের কালিপুজাঁ ও পাঠাবলির কাহিনি। →৮ম শ্রেণির বইয়ে হিন্দুদের ধর্ম-গ্রন্থ ’রামায়ন’ এর সংক্ষিপ্ত রুপ অন্তর্ভূক্ত করেছে।
১. প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্তি ঘোষ।
২. পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব বজ্র গোপাল ভৌমিক।
৩. কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস।
৪. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়।
৫.সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ।
৬. ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়। ৭. চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দন্ত।
৮. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী।
৯. বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান নারায়ন চন্দ্র পাল।
১০. ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র।
১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব অজিত কুমার ঘোষ।
১২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ।
১৩. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার।
১৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ।
১৫. শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক।
১৬. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস।
১৭. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার। একটি মুসলিমপ্রধান দেশের শিক্ষাব্যবস্থা কাদের হাতে চিন্তা করা যায়? এরা শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি ইসলামকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে তারা… → ২য় শ্রেনীর বই থেকে ‘সবাই মিলে করি কাজ’ শিরোনামে মহানবী সাঃ-এর সংগক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৩য় শ্রেণির বই থেকে খলিফা হযরত আবু বকর শিরোনামে একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৪র্থ শ্রেণির বই থেকে খলিফা হযরত ওমর রাঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৫ম শ্রেণির বই থেকে বিদায় হজ্জ নামক শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবনী বাদ দিয়েছে। → ৫ম শ্রেণির বইয়ে এদেশের ইসলাম-বিদ্বেষী একজন কুখ্যাত নাস্তিক হুমায়ুন আজাদ লিখিত ‘বই’ নামক কবিতা অন্তর্ভূক্ত করেছে। যা মূলত মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বিরুধী কবিতা। → ৬ষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে সত্যেন সেনের ‘লাল গরুটা’ নামক একটি ছোটগল্প। যা দিয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে গরু হচ্ছে- মায়ের মত, তাই গরু জবাই করা ঠিক নয়; অর্থাৎ হিন্দুত্ববাদ। →৭ম শ্রেণির বইয়ে শরৎচন্দ্র চট্রপাধ্যায়ের ‘লালু’ নামক গল্প। যাতে শেখানো হচ্ছে হিন্দুদের কালিপুজাঁ ও পাঠাবলির কাহিনি। →৮ম শ্রেণির বইয়ে হিন্দুদের ধর্ম-গ্রন্থ ’রামায়ন’ এর সংক্ষিপ্ত রুপ অন্তর্ভূক্ত করেছে।
🤬4
Forwarded from আলোর পথ
ملتح سعودي يحرم التظاهرات المناصرة لغزة (لأن فيها اختلاط) بينما الاختلاط في موسم الرياض حلال...
غزة تباد والرياض تحتفل
موسم الرياض 2023
গাজাবাসির পক্ষে রাস্তাঘাটে যেকোনো ধরনের সমাবেশ ও গমাগম করা হারাম বলেছেন শাইখ সুলাইমান আর রুহাইলী ৷ এটা হারাম হওয়ার কারণ কি? কারণ হচ্ছে এতে নারী পুরুষের সংমিশ্রণ ঘটে ৷ কথা ঠিক আছে এবং কারণও ঠিক আছে সমস্যা নাই ৷ কিন্তু রিয়াদে 'রিয়াদ মৌসুম' নামে গানের অনুষ্ঠান গুলোতে মাসের পর মাস ছেলে মেয়ে একত্রিত হচ্ছে, এখানি কি নারী ও পুরুষের মাঝে সংমিশ্রণ হচ্ছে না? এই ফতুয়া কোথায়?
আমরা সৌদির বিরুদ্ধে নয়, ওদের অপকর্মের বিরুদ্ধে ৷ আপনার আমার হজ্জ উমরার টাকা খরচ হয় এখানে ৷ ওদের এই বিলাসিতার কারণেই হজ্জ উমরার ফি দিনেদিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৷ এবাদতকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করছে এরা ৷
غزة تباد والرياض تحتفل
موسم الرياض 2023
গাজাবাসির পক্ষে রাস্তাঘাটে যেকোনো ধরনের সমাবেশ ও গমাগম করা হারাম বলেছেন শাইখ সুলাইমান আর রুহাইলী ৷ এটা হারাম হওয়ার কারণ কি? কারণ হচ্ছে এতে নারী পুরুষের সংমিশ্রণ ঘটে ৷ কথা ঠিক আছে এবং কারণও ঠিক আছে সমস্যা নাই ৷ কিন্তু রিয়াদে 'রিয়াদ মৌসুম' নামে গানের অনুষ্ঠান গুলোতে মাসের পর মাস ছেলে মেয়ে একত্রিত হচ্ছে, এখানি কি নারী ও পুরুষের মাঝে সংমিশ্রণ হচ্ছে না? এই ফতুয়া কোথায়?
আমরা সৌদির বিরুদ্ধে নয়, ওদের অপকর্মের বিরুদ্ধে ৷ আপনার আমার হজ্জ উমরার টাকা খরচ হয় এখানে ৷ ওদের এই বিলাসিতার কারণেই হজ্জ উমরার ফি দিনেদিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৷ এবাদতকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করছে এরা ৷
🤬8