Channel name was changed to «IQ Gamer vs MAT & BDS Admission Warriors»
# বাংলাদেশের_গুরুত্বপূর্ণ_নদ_নদীঃ -
★ভারত হতে বাংলাদেশে আসা নদী --- ৫৪টি।
★মায়ানমার থেকে আসা অভিন্ন নদী --- ৩টি ( নাফ,,
সাঙ্গু ও মাতামুহুরী)।
★বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদীর সংখ্যা --- ১টি
(পদ্মা/গঙ্গা)।
★বাংলাদেশ হতে ভারতে প্রবেশকারী নদী ---
১টি (কুলিখ)।
★বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী ---
হাড়িয়াভাঙ্গা।
★যে নদী বাংলাদেশের ভেতরে দুই ভাগ হয়ে
কিছু দূর প্রবাহিত হয়ে পুনরায় মিলিত হয় --- মেঘনা।
★বাংলাদেশে প্রবেশ করে দুই ভাগ হয়ে মেঘনা
যে যে নামে প্রবাহিত হয় --- সুরমা ও কুশিয়ারা।
★গোমতী নদীকে বলা হয় --- কুমিল্লার দুঃখ।
★যে নদীর মোহনায় নিঝুম দ্বীপ অবস্থিত ---
মেঘনা।
★বাংলাদেশের প্রধান নদী বন্দর --- নারায়ণগঞ্জ।
★বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট অবস্থিত
--- ফরিদপুরে।
★শাখা-প্রশাখাসহ বাংলাদেশের নদ-নদীরসংখ্যা ---
২৩০টি।
★বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী --- মেঘনা।
★বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী --- পদ্মা
(দৈর্ঘ্য ৩৬৬ কি. মি.)।
★বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ --- ব্রহ্মপুত্র (এটি
বাংলাদেশের এক মাত্র নদ)।
★বাংলাদেশের প্রশস্ত নদী --- মেঘনা।
★বাংলাদেশের খরস্রোতা নদী --- কর্ণফুলী।
★বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী ---
নাফ।
★জোয়ার ভাটা হয় না যে নদীতে --- গোমতী।
★ভারত যে নদীর ওপর ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করেছে
--- গঙ্গা।
★ভারত হতে বাংলাদেশে আসা নদী --- ৫৪টি।
★মায়ানমার থেকে আসা অভিন্ন নদী --- ৩টি ( নাফ,,
সাঙ্গু ও মাতামুহুরী)।
★বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদীর সংখ্যা --- ১টি
(পদ্মা/গঙ্গা)।
★বাংলাদেশ হতে ভারতে প্রবেশকারী নদী ---
১টি (কুলিখ)।
★বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী ---
হাড়িয়াভাঙ্গা।
★যে নদী বাংলাদেশের ভেতরে দুই ভাগ হয়ে
কিছু দূর প্রবাহিত হয়ে পুনরায় মিলিত হয় --- মেঘনা।
★বাংলাদেশে প্রবেশ করে দুই ভাগ হয়ে মেঘনা
যে যে নামে প্রবাহিত হয় --- সুরমা ও কুশিয়ারা।
★গোমতী নদীকে বলা হয় --- কুমিল্লার দুঃখ।
★যে নদীর মোহনায় নিঝুম দ্বীপ অবস্থিত ---
মেঘনা।
★বাংলাদেশের প্রধান নদী বন্দর --- নারায়ণগঞ্জ।
★বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট অবস্থিত
--- ফরিদপুরে।
★শাখা-প্রশাখাসহ বাংলাদেশের নদ-নদীরসংখ্যা ---
২৩০টি।
★বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী --- মেঘনা।
★বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী --- পদ্মা
(দৈর্ঘ্য ৩৬৬ কি. মি.)।
★বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ --- ব্রহ্মপুত্র (এটি
বাংলাদেশের এক মাত্র নদ)।
★বাংলাদেশের প্রশস্ত নদী --- মেঘনা।
★বাংলাদেশের খরস্রোতা নদী --- কর্ণফুলী।
★বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী ---
নাফ।
★জোয়ার ভাটা হয় না যে নদীতে --- গোমতী।
★ভারত যে নদীর ওপর ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করেছে
--- গঙ্গা।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা কোনটি.?
→পঞ্চগড়।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কোনটি.?
→কক্সবাজার।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের জেলা কোনটি.?
→বান্দরবান।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা কোনটি.?
→চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের থানা কোনটি.?
→তেঁতুলিয়া।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের থানা কোনটি.?
→টেকনাফ।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের থানা কোনটি.?
→থানচি।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের থানা কোনটি.?
→শিবগঞ্জ।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান কোনটি.?
→বাংলাবান্দা।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান কোনটি.?
→ছেঁড়াদ্বীপ।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান কোনটি.?
→আখাইনঠাং।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান কোনটি.?
→মনাকশা।
আয়তনে বাংলাদেশের বড় থানা কোনটি.?
→শ্যামনগর। [সাতক্ষীরা]
আয়তনে বাংলাদেশের ছোট থানা কোনটি.?
→কোতোয়ালী। [ঢাকা]
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বড় থানা কোনটি.?
→বেগমগঞ্জ। [নোয়াখালী]
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ছোট থানা কোনটি.?
→রাজস্থলী। [রাঙামাটি]
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ কোনটি.?
→ছেঁড়াদ্বীপ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কোনটি.?
→সেন্টমার্টিন।
আয়তনে বাংলাদেশের বড় জেলা কোনটি.?
→রাঙামাটি।
আয়তনে বাংলাদেশের ছোট জেলা কোনটি.?
→মেহেরপুর
→পঞ্চগড়।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কোনটি.?
→কক্সবাজার।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের জেলা কোনটি.?
→বান্দরবান।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা কোনটি.?
→চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের থানা কোনটি.?
→তেঁতুলিয়া।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের থানা কোনটি.?
→টেকনাফ।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের থানা কোনটি.?
→থানচি।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের থানা কোনটি.?
→শিবগঞ্জ।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান কোনটি.?
→বাংলাবান্দা।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান কোনটি.?
→ছেঁড়াদ্বীপ।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান কোনটি.?
→আখাইনঠাং।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান কোনটি.?
→মনাকশা।
আয়তনে বাংলাদেশের বড় থানা কোনটি.?
→শ্যামনগর। [সাতক্ষীরা]
আয়তনে বাংলাদেশের ছোট থানা কোনটি.?
→কোতোয়ালী। [ঢাকা]
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বড় থানা কোনটি.?
→বেগমগঞ্জ। [নোয়াখালী]
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ছোট থানা কোনটি.?
→রাজস্থলী। [রাঙামাটি]
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ কোনটি.?
→ছেঁড়াদ্বীপ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কোনটি.?
→সেন্টমার্টিন।
আয়তনে বাংলাদেশের বড় জেলা কোনটি.?
→রাঙামাটি।
আয়তনে বাংলাদেশের ছোট জেলা কোনটি.?
→মেহেরপুর
# বাংলাদেশের ছিট মহল নিয়ে কিছু আলোচনা-
একটি স্বাধীন দেশের অভ্যান্তরে পাশ্ববর্তী বা সীমান্তবর্তী অন্য কোন স্বাধীন দেশের বিচ্ছিন্ন ভাবে থেকে যাওয়া ভূখন্ড হল- ছিট মহল
কোন সীমান্ত এলাকার অর্ধমাইল এলাকা জুড়ে তৈরী করা বিশদ তথ্য সংবলিত মানচিত্রকে স্ট্রিপম্রাপ/ সুক্ষ্ম রেখাভিত্তিক মানচিত্র বলা হয়। এ মানচিত্রের স্কেল ১৬ ইঞ্চিতে এক মাইল।
ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি মুজিব ইন্দিরা নামে পরিচিত। এ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিন বিঘা কড়িডোর ও ভারতকে বেরুবাড়ি হস্তান্তর করা হয়।
প্রশ্ন:
* ভারতের ভিতরে বাংলাদেশের ছিটমহল রয়েছে কয়টি?
৫১টি
* বাংলাদেশের ছিটমহল গুলি ভারতের কোন জেলায় অবস্থিত?
পশ্চিম বঙ্গের কুচবিহার জেলা ৪৭টি এবং জলপাইগুড়িতে ৪১টি।
* বাংলাদেশের ভিতরে ভারতের ছিটমহল কতটি রয়েছে?
১১১টি
* ভারতের ছিট মহল গুলো বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
লালমনির হাটে-৫৯টি
পঞ্চগড়ে-৩৬টি
কুড়িগ্রামে-১২ টি
নীলফামারীতে-৪ টি
* ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিট মহলের মোট আয়তন কত?
৭১১০.০২একর/২৮.৭৭৩ বর্গ কি.মি./১১.১০৯ বর্গ মাইল
* বাংলাদেশের ভিতরে ভারতের ছিট মহলের আয়তন কত?
১৭.১৬০.৬৩একর/৬৯৪৪৭ বর্গ কি.মি./২৬৮১৩ বর্গমাইল
* বাংলাদেশ ভারতের সীমান্ত চুক্তি সাক্ষরিত হয় কত সালে?
১৬ মে ১৯৭৪ সালে।
* ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কে. কোথায় সাক্ষর করেন?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী নয়াদিল্লি, ভারতে
* ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তির বিষয় বস্তু কি ছিল?
এ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডোর এবং ভারতকে বেড়ুবাড়ি হস্তান্তর করা হয়।
* ভারত বাংলাদেশের জন্য তিনবিঘা কড়িডোর খুলে দেয় কত সালে?
২৬ জুন ১৯৯২ সালে
* পুর্নাঙ্গ ভাবে তিন বিঘা করিডোড় ২৪ ঘন্টার জন্য খোলা হয়-
৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে
* তিনবিঘা করিডোর কোথায় অবস্থিত?
বাংলাদেশের লালমনির হাটে তিস্তা নদীর তীরে।
* তিনবিঘা করিডোরটি ব্যবহৃত হয়
দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিট মহলের সাথে যোগাযোগের জন্য
* দহগ্রাম ও আঙ্গরপেতা বাংলাদেশের সাথে আনুষ্ঠানিক ভাবে যুক্ত হয় কত সালে?
১৯ অক্টোবর ২০১১ সালে।
* ভারতে অবস্থিত দহগ্রাম ও আঙ্গরপেতা ছিটমহল বাংলাদেশের যে উপজেলায় অন্তর্গত পাট গ্রাম-
লালমনির হাট।
* তিনবিঘা কড়িডোরের মাপ কত?
১৭৮ মিটার গুন ৮৫ মিটার
* বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত চিহ্নিত করনের লক্ষ্যে গুঠত কমিটির নাম JBWG(joint Boundary Working Groups)
* দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিট মহলকে দহগ্রাম ইউনিয়ন কত সালে করা হয়-
১৯৮৫ সালে
* দহগ্রাম ইউনিয়নের উদ্ধোধন করা হয় কত সালে
১৯ আগষ্ট ১৯৮৯ সালে
* দহগ্রামের আয়তন কত?
৩৫ বর্গমাইল
* বাংলাদেশের ছিটমহল বেষ্টিত জেলা বলা হয় কাকে?
লালমনির হাট কে।
* বাংলাদেশের অচিহ্নিত সীমান্ত স্থান কোথায় অবস্থিত?
মুহুরীর চর (ফেনী)
* ভারত ও বাংলাদেশের অমীমাংসিত ভূখন্ড মানচরিয়ার চর কোথায় অবস্থিত?
সাতক্ষীরা জেলায়
* বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধ পূর্ন নয়াদ্বীপ ভূ খন্ডটি কোথায় অবস্থিত?
সাতক্ষীরা জেলায়।
একটি স্বাধীন দেশের অভ্যান্তরে পাশ্ববর্তী বা সীমান্তবর্তী অন্য কোন স্বাধীন দেশের বিচ্ছিন্ন ভাবে থেকে যাওয়া ভূখন্ড হল- ছিট মহল
কোন সীমান্ত এলাকার অর্ধমাইল এলাকা জুড়ে তৈরী করা বিশদ তথ্য সংবলিত মানচিত্রকে স্ট্রিপম্রাপ/ সুক্ষ্ম রেখাভিত্তিক মানচিত্র বলা হয়। এ মানচিত্রের স্কেল ১৬ ইঞ্চিতে এক মাইল।
ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি মুজিব ইন্দিরা নামে পরিচিত। এ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিন বিঘা কড়িডোর ও ভারতকে বেরুবাড়ি হস্তান্তর করা হয়।
প্রশ্ন:
* ভারতের ভিতরে বাংলাদেশের ছিটমহল রয়েছে কয়টি?
৫১টি
* বাংলাদেশের ছিটমহল গুলি ভারতের কোন জেলায় অবস্থিত?
পশ্চিম বঙ্গের কুচবিহার জেলা ৪৭টি এবং জলপাইগুড়িতে ৪১টি।
* বাংলাদেশের ভিতরে ভারতের ছিটমহল কতটি রয়েছে?
১১১টি
* ভারতের ছিট মহল গুলো বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
লালমনির হাটে-৫৯টি
পঞ্চগড়ে-৩৬টি
কুড়িগ্রামে-১২ টি
নীলফামারীতে-৪ টি
* ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিট মহলের মোট আয়তন কত?
৭১১০.০২একর/২৮.৭৭৩ বর্গ কি.মি./১১.১০৯ বর্গ মাইল
* বাংলাদেশের ভিতরে ভারতের ছিট মহলের আয়তন কত?
১৭.১৬০.৬৩একর/৬৯৪৪৭ বর্গ কি.মি./২৬৮১৩ বর্গমাইল
* বাংলাদেশ ভারতের সীমান্ত চুক্তি সাক্ষরিত হয় কত সালে?
১৬ মে ১৯৭৪ সালে।
* ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কে. কোথায় সাক্ষর করেন?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী নয়াদিল্লি, ভারতে
* ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তির বিষয় বস্তু কি ছিল?
এ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডোর এবং ভারতকে বেড়ুবাড়ি হস্তান্তর করা হয়।
* ভারত বাংলাদেশের জন্য তিনবিঘা কড়িডোর খুলে দেয় কত সালে?
২৬ জুন ১৯৯২ সালে
* পুর্নাঙ্গ ভাবে তিন বিঘা করিডোড় ২৪ ঘন্টার জন্য খোলা হয়-
৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে
* তিনবিঘা করিডোর কোথায় অবস্থিত?
বাংলাদেশের লালমনির হাটে তিস্তা নদীর তীরে।
* তিনবিঘা করিডোরটি ব্যবহৃত হয়
দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিট মহলের সাথে যোগাযোগের জন্য
* দহগ্রাম ও আঙ্গরপেতা বাংলাদেশের সাথে আনুষ্ঠানিক ভাবে যুক্ত হয় কত সালে?
১৯ অক্টোবর ২০১১ সালে।
* ভারতে অবস্থিত দহগ্রাম ও আঙ্গরপেতা ছিটমহল বাংলাদেশের যে উপজেলায় অন্তর্গত পাট গ্রাম-
লালমনির হাট।
* তিনবিঘা কড়িডোরের মাপ কত?
১৭৮ মিটার গুন ৮৫ মিটার
* বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত চিহ্নিত করনের লক্ষ্যে গুঠত কমিটির নাম JBWG(joint Boundary Working Groups)
* দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিট মহলকে দহগ্রাম ইউনিয়ন কত সালে করা হয়-
১৯৮৫ সালে
* দহগ্রাম ইউনিয়নের উদ্ধোধন করা হয় কত সালে
১৯ আগষ্ট ১৯৮৯ সালে
* দহগ্রামের আয়তন কত?
৩৫ বর্গমাইল
* বাংলাদেশের ছিটমহল বেষ্টিত জেলা বলা হয় কাকে?
লালমনির হাট কে।
* বাংলাদেশের অচিহ্নিত সীমান্ত স্থান কোথায় অবস্থিত?
মুহুরীর চর (ফেনী)
* ভারত ও বাংলাদেশের অমীমাংসিত ভূখন্ড মানচরিয়ার চর কোথায় অবস্থিত?
সাতক্ষীরা জেলায়
* বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধ পূর্ন নয়াদ্বীপ ভূ খন্ডটি কোথায় অবস্থিত?
সাতক্ষীরা জেলায়।
👍1
🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
#SavePalestine
#PrayForPalestine
🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴🔴⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫⚫
🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🔴⚪⚪⚪⚪⚪⚪⚪
🔴🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
🔴🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
🔴🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢🟢
#SavePalestine
#PrayForPalestine
❤1🥰1
" স্বপ্ন যখন দেশসেরা বিদ্যাপীঠ বুয়েট, ডিমসি কিংবা আরও বহুদূর "
(লেখাটি তোমার জীবন বদলে দিতে পারে। সময় নিয়ে পড়ো)
পরীক্ষার আগের রাতে মেয়ে এপ্রোণ পড়ে মা"কে বলেছিলো -"দেখো, মা। আমাকে কি ডাক্তার এর মতো লাগে।" মেয়ের হয়তো আবেগ বেশী। আবেগকে বেগে রূপান্তর করে পরীক্ষায় পর্যাপ্ত মার্কস পেয়েও মেয়েটি সেবার মেডিকেল-এ চান্স পায়নি (সাল ২০১৫)। তোমার কাছে একটি প্রশ্ন। ছোটবেলা থেকে মিষ্টি হাসি দিয়ে বলি - আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো গরীবদের সেবা করার জন্য। কিন্তু শুধু বড় না বুড়ো হয়েও ডাক্তার হয়ে সেবা করা হয়না। তোমার ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পিছনে মূল অনুপ্রেরণা কী? শ্রদ্ধেয় মা-বাবা, জামাই হিসেবে মেনে নেয়া নাকি নিজের ফ্যান্টাসি জীবনের জন্য?
আমরা বলি ওপরে আল্লাহ নিচে চিকিৎসক-এর অছিলা। তুমি যদি দেশের জন্য ডাক্তার হতেই চাও তাহলে এটিই তোমার শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা ডাক্তার তোমাকে হতেই হবে। টুনটুনির বাবাকে মানানোর জন্য কেউ ডাক্তার হতে চায়, কেউ প্রতিবেশীকে জবাব দেয়ার জন্য বুয়েটিয়ান হতে চায় কেউবা শুধু মা-বাবাকে হাসিমাখা মুখ দেখানোর জন্য চিকিৎসক হতে চায়। তুমি যদি সপ্তাহে একদিন গরীবদের বিনামূল্যে সেবা না দিতে পারো কিংবা অপারেশন করতে ইয়াতিম শিশুর জন্য ব্যয় না কমাতে পারো তাহলে চিকিৎসক হয়ে দেশের ও দশের খুব কাজে আসবেনা। কারণ এদেশে ভাতের অভাবে এখন মারা যায় না। মারা যায় সুচিকিৎসা এর অভাবে। গরীবদের ডাক্তার দেশে কয়জন আছে? অথচ ছোটবেলায় আকাশের দিকে তাকিয়ে মিথ্য কথাটি বলেছিলো । ডাক্তার যদি হতে চাও দেশের জন্য তাহলে - কতোবার ক্যান্সার বিভাগে ঢুকে রোগীদের অবস্থা দেখেছো? কতোবার বন্ধুরা মিলে টাকা জমিয়ে একটা শিশুর অপারেশন করিয়েছি। যদি করে থাকো তাহলে তোমার জন্য চিকিৎসা এর মতো পবিত্র পেশা। ইঞ্জিনিয়ারিং যদি পড়তে চাও তাহলে আবিষ্কারের নেশা থাকতে হবে।
বুয়েটিয়ান কিংবা ডিএমসিয়ান হওয়ার জন্য মেধার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিশ্রম। তিন বছর পূর্বে আমি এক ছেলেকে বলেছিলাম - ভাই, তুমি আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে দেখাও। যে কলেজ থেকে ছেলেটি পরীক্ষা দিয়েছে সেখানে খুব কম জনই বুয়েটে চান্স পায়। বেগম রোকেয়াবিশ্ববিদ্যালয়ে সে পরীক্ষায় দেয়নি কেননা বুয়েটের সেরা ৫০ এর মধ্যে সে ছিলো। তোমার লেখাপড়ার এখন কী অবস্থা সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় দুই মাস পর কী হবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক আগামীকাল কিংবা পরশু নয় এখন থেকে দিনে কমপক্ষে ১০ ঘন্টা পড়ার চেষ্টা করো। ১২-১৪ ঘন্টা পড়তে পারলে সবচেয়ে ভালো। শুধু যদি পরিশ্রম করলেই সফল হতো তাহলে সব দিনমজুর কিংবা রিকশাওয়ালা বেশী সফল হতো। যখন পড়বে মন যেনো ফেইসবুকে কে শাড়ি পড়ে ছবি দিলো, কাকে হ্যান্ডসাম লাগছে ছবিতে সেদিকে মনোযোগ না থাকে।
মন বসেনা পড়ার টেবিলে? একটা তামিল একশন মুভির কথা মনে পড়লো। এয়ারপোর্টে নায়ককে হ্যারেজমেন্ট করা হচ্ছে। দোষ ভারতীয় পোশাক - পরিচয়। ঠিক সে সময়ে হার্ট এট্যাক হওয়া ভদ্র মহিলাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে বাচিয়ে তোলে নায়ক। যারা হ্যারেজ করেছিলো তারাই সেলুট জানায়। ছবিটি যদিও অন্য কোনো মভি থেকে অনুকরণ করা হয়েছে এই দৃশ্যটি ভালো ডাক্তার হওয়ার অনুপ্রেরণা দিতে যথেষ্ট। পড়তে মন না বসলে এরকম কিছু দৃশ্যের কথা মনে করবে। সিনেমাটিক নয় শুধু বাস্তবটা সিনেমার চেয়েও তেতো। আমি আমার চোখের সামনেই দেখেছি মায়ের লাশ হাসপাতাল থেকে বের করবে টাকা ভিক্ষা করেও ম্যানেজ করতে পারেনা। এমন দৃশ্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়েে থাকা অবস্থায় আমি প্রায় অর্ধশত অপারেশন করিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।
এবার টেকনিক্যাল বেজ কীভাবে পড়বে, কীভাবে স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিবে গুছিয়ে বলবো। কান বন্ধ করে, সমস্ত মনোযোগ লেখায় দিয়ে দেখো।
০১. একটু আগে তোমাকে কেউ বকেছে। তোমার খুব আঘাত লেগেছে? তবুও তুমি রুটিন অনুযায়ী দিনের পড়া দিনেই পড়ছো। তোমাকে দেখে মনে হবে না - কিছুক্ষণ আগে তোমার সাথে কী ঘটেছে। বাবু, তুমি খাও নি, তাই আমিও খাবোনা। আজ চলো আমরা একটু দুষ্টুমি করি। " এমন হলে কলেজ জীবন তোমার জন্য নয়। পৃথিবীর ভালো কিছুর জন্য তুমি যোগ্য নও। পড়াশোনা নিয়মিত করতেই হবে। টর্নেডো বা সাইক্লোন যাই হোক। যতোদিন বাঁচবে বাঁচার মতো বাঁচবে।
০২. আত্মবিশ্বাস এমন থাকতে হবে - আগামী বছর আমি মেডিকেলে প্রথম হতে যাচ্ছি। কোনো ব্যাপার না বায়োলজিতে আমি সর্বশেষ পরীক্ষায় ফেইল করেছি। আমি পারবো কারণ আমি দেশের জন্য পড়বো এবং আগামী তিনমাস পড়াশোনায় চিড়ুনী অভিযান দিবো। আমি যদি না পারি পৃথিবীর অন্য কেউ পারবেনা। আবেগকে বেগ দাও। মুক্তিবেগ দাও। যেনো মনোযোগ না কমে।
আমি যে হাই স্কুলে সে স্কুল থেকে পূর্বে কখনও সাস্টে চান্স পায়নি। শুধু তাই নয় বছরে একটা গোল্ডেন দেখা মিলতো না। ইতিহাস তৈরি করে বোর্ড পজিশনসহ সাস্টিয়ান হয়েছি। এরপর একই প্রতিষ্ঠান থেকে কলেজ পড়ে আমার ভাগ্নে সাস্টে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। Can you imagine? দেশের সবচেয়ে কঠিন ম্যাথ বেজ পরীক্ষায় তৃতী
(লেখাটি তোমার জীবন বদলে দিতে পারে। সময় নিয়ে পড়ো)
পরীক্ষার আগের রাতে মেয়ে এপ্রোণ পড়ে মা"কে বলেছিলো -"দেখো, মা। আমাকে কি ডাক্তার এর মতো লাগে।" মেয়ের হয়তো আবেগ বেশী। আবেগকে বেগে রূপান্তর করে পরীক্ষায় পর্যাপ্ত মার্কস পেয়েও মেয়েটি সেবার মেডিকেল-এ চান্স পায়নি (সাল ২০১৫)। তোমার কাছে একটি প্রশ্ন। ছোটবেলা থেকে মিষ্টি হাসি দিয়ে বলি - আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো গরীবদের সেবা করার জন্য। কিন্তু শুধু বড় না বুড়ো হয়েও ডাক্তার হয়ে সেবা করা হয়না। তোমার ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পিছনে মূল অনুপ্রেরণা কী? শ্রদ্ধেয় মা-বাবা, জামাই হিসেবে মেনে নেয়া নাকি নিজের ফ্যান্টাসি জীবনের জন্য?
আমরা বলি ওপরে আল্লাহ নিচে চিকিৎসক-এর অছিলা। তুমি যদি দেশের জন্য ডাক্তার হতেই চাও তাহলে এটিই তোমার শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা ডাক্তার তোমাকে হতেই হবে। টুনটুনির বাবাকে মানানোর জন্য কেউ ডাক্তার হতে চায়, কেউ প্রতিবেশীকে জবাব দেয়ার জন্য বুয়েটিয়ান হতে চায় কেউবা শুধু মা-বাবাকে হাসিমাখা মুখ দেখানোর জন্য চিকিৎসক হতে চায়। তুমি যদি সপ্তাহে একদিন গরীবদের বিনামূল্যে সেবা না দিতে পারো কিংবা অপারেশন করতে ইয়াতিম শিশুর জন্য ব্যয় না কমাতে পারো তাহলে চিকিৎসক হয়ে দেশের ও দশের খুব কাজে আসবেনা। কারণ এদেশে ভাতের অভাবে এখন মারা যায় না। মারা যায় সুচিকিৎসা এর অভাবে। গরীবদের ডাক্তার দেশে কয়জন আছে? অথচ ছোটবেলায় আকাশের দিকে তাকিয়ে মিথ্য কথাটি বলেছিলো । ডাক্তার যদি হতে চাও দেশের জন্য তাহলে - কতোবার ক্যান্সার বিভাগে ঢুকে রোগীদের অবস্থা দেখেছো? কতোবার বন্ধুরা মিলে টাকা জমিয়ে একটা শিশুর অপারেশন করিয়েছি। যদি করে থাকো তাহলে তোমার জন্য চিকিৎসা এর মতো পবিত্র পেশা। ইঞ্জিনিয়ারিং যদি পড়তে চাও তাহলে আবিষ্কারের নেশা থাকতে হবে।
বুয়েটিয়ান কিংবা ডিএমসিয়ান হওয়ার জন্য মেধার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিশ্রম। তিন বছর পূর্বে আমি এক ছেলেকে বলেছিলাম - ভাই, তুমি আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে দেখাও। যে কলেজ থেকে ছেলেটি পরীক্ষা দিয়েছে সেখানে খুব কম জনই বুয়েটে চান্স পায়। বেগম রোকেয়াবিশ্ববিদ্যালয়ে সে পরীক্ষায় দেয়নি কেননা বুয়েটের সেরা ৫০ এর মধ্যে সে ছিলো। তোমার লেখাপড়ার এখন কী অবস্থা সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় দুই মাস পর কী হবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক আগামীকাল কিংবা পরশু নয় এখন থেকে দিনে কমপক্ষে ১০ ঘন্টা পড়ার চেষ্টা করো। ১২-১৪ ঘন্টা পড়তে পারলে সবচেয়ে ভালো। শুধু যদি পরিশ্রম করলেই সফল হতো তাহলে সব দিনমজুর কিংবা রিকশাওয়ালা বেশী সফল হতো। যখন পড়বে মন যেনো ফেইসবুকে কে শাড়ি পড়ে ছবি দিলো, কাকে হ্যান্ডসাম লাগছে ছবিতে সেদিকে মনোযোগ না থাকে।
মন বসেনা পড়ার টেবিলে? একটা তামিল একশন মুভির কথা মনে পড়লো। এয়ারপোর্টে নায়ককে হ্যারেজমেন্ট করা হচ্ছে। দোষ ভারতীয় পোশাক - পরিচয়। ঠিক সে সময়ে হার্ট এট্যাক হওয়া ভদ্র মহিলাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে বাচিয়ে তোলে নায়ক। যারা হ্যারেজ করেছিলো তারাই সেলুট জানায়। ছবিটি যদিও অন্য কোনো মভি থেকে অনুকরণ করা হয়েছে এই দৃশ্যটি ভালো ডাক্তার হওয়ার অনুপ্রেরণা দিতে যথেষ্ট। পড়তে মন না বসলে এরকম কিছু দৃশ্যের কথা মনে করবে। সিনেমাটিক নয় শুধু বাস্তবটা সিনেমার চেয়েও তেতো। আমি আমার চোখের সামনেই দেখেছি মায়ের লাশ হাসপাতাল থেকে বের করবে টাকা ভিক্ষা করেও ম্যানেজ করতে পারেনা। এমন দৃশ্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়েে থাকা অবস্থায় আমি প্রায় অর্ধশত অপারেশন করিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।
এবার টেকনিক্যাল বেজ কীভাবে পড়বে, কীভাবে স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিবে গুছিয়ে বলবো। কান বন্ধ করে, সমস্ত মনোযোগ লেখায় দিয়ে দেখো।
০১. একটু আগে তোমাকে কেউ বকেছে। তোমার খুব আঘাত লেগেছে? তবুও তুমি রুটিন অনুযায়ী দিনের পড়া দিনেই পড়ছো। তোমাকে দেখে মনে হবে না - কিছুক্ষণ আগে তোমার সাথে কী ঘটেছে। বাবু, তুমি খাও নি, তাই আমিও খাবোনা। আজ চলো আমরা একটু দুষ্টুমি করি। " এমন হলে কলেজ জীবন তোমার জন্য নয়। পৃথিবীর ভালো কিছুর জন্য তুমি যোগ্য নও। পড়াশোনা নিয়মিত করতেই হবে। টর্নেডো বা সাইক্লোন যাই হোক। যতোদিন বাঁচবে বাঁচার মতো বাঁচবে।
০২. আত্মবিশ্বাস এমন থাকতে হবে - আগামী বছর আমি মেডিকেলে প্রথম হতে যাচ্ছি। কোনো ব্যাপার না বায়োলজিতে আমি সর্বশেষ পরীক্ষায় ফেইল করেছি। আমি পারবো কারণ আমি দেশের জন্য পড়বো এবং আগামী তিনমাস পড়াশোনায় চিড়ুনী অভিযান দিবো। আমি যদি না পারি পৃথিবীর অন্য কেউ পারবেনা। আবেগকে বেগ দাও। মুক্তিবেগ দাও। যেনো মনোযোগ না কমে।
আমি যে হাই স্কুলে সে স্কুল থেকে পূর্বে কখনও সাস্টে চান্স পায়নি। শুধু তাই নয় বছরে একটা গোল্ডেন দেখা মিলতো না। ইতিহাস তৈরি করে বোর্ড পজিশনসহ সাস্টিয়ান হয়েছি। এরপর একই প্রতিষ্ঠান থেকে কলেজ পড়ে আমার ভাগ্নে সাস্টে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। Can you imagine? দেশের সবচেয়ে কঠিন ম্যাথ বেজ পরীক্ষায় তৃতী
য় স্থান। আমি সাব্বির খান সায়েম যখন স্কুলে যেতাম ছেড়া ব্যাগ নিতাম ম্যাডাম বলেছিলো - প্রতিদিন এই বস্তা নিয়ে আসো কেনো। প্রত্যেকটি ক্লাসে কোননা কোনো পরীক্ষায় ফেইল করেছি। সর্বশেষ সেই স্কুলের পুণর্মিলনীতে বক্তৃতা দেয়ার জন্য আমাকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ করা হয়। সাস্টে বেস্ট স্কলারশিপ বেজ সাবজেক্টে থেকে আজ বলতে পারি - "সর্বোচ্চ ব্যর্থ না হলে সর্বোচ্চ সফল হওয়া যায় না"
৩. তুমি কি বইয়ের মূল শব্দ / কী ওয়ার্ড ঠিকভাবে দাগাও। সাল, নাম, অবদান, কনভার্ট, একক ইত্যাদি? আমার ইনবক্সে দেখাও ঠিক আছে কি না দাগানো। তুমি পদার্থ, রসায়ন, বায়োলজির থিয়োরি ঠিকভাবে মার্ক না করলে রিভিশন দেবে কীভাবে? আনিকা তাহসিন মেডিকেলে প্রথম হলেও সে বই দাগায়নি। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থীর দাগানো বইয়ে ক্যাপচার সক্ষমতা বেশী থাকে। লাল, নীল, কালো কলম এবং পেন্সিল দিয়ে সুন্দর করে মার্ক করো।
৪. বই রিভিউঃ
রসায়ন ১ম পত্রঃ সন্জীত কুমার গুহ স্যার
রসায়ন ২য় পত্রঃ হাজারী ও নাগ স্যার
পদার্থঃ ইসহাক + তপন + সেলু স্যার / গিয়াসউদ্দিন স্যার
ম্যাথঃ কেতাব উদ্দিন স্যার / অক্ষরপত্র
জীবঃ ১ম পত্রঃ আবুল হাসান স্যার
জীবঃ ২য় পত্রঃ গাজী আজমল স্যার
৫. কোচিং বা প্রাইভেট সৃজনশীলতা কমিয়ে দেয়। পড়ার টেবিলে জোড় দাও। পদার্থতে কিছু কনসেপ্ট নির্ভর টপিক রয়েছে সেখানে গুরুত্ব দাও। কয়েকটা বই এর উদাহরণ+অনুশীলনী করো একই লীড টপিকের ওপর। প্রাস, নৌকার গুণটানা, স্রোত, অশ্বক্ষমতা, ওহমের সূত্র ইত্যাদি লীড টপিকের উদাহরণ। কোনো ম্যাথ কিন্তু বাদ দেয়া যাবেনা।
৬. যা একবার পড়বে দিনে কমপক্ষে তিনবার চোখ বোলাবে। হায়ার ম্যাথ এর বোর্ড কিংবা বোর্ড এর বাহিরে প্রতিটা ম্যাথ করো এবং একইভাবে চোখ বোলাও। দেখবে ইন্জিনিয়ারিং প্রস্তুতি হয়ে যাচ্ছে। অবশ্যই সুন্দর একটি নোটখাতা থাকতে হবে।
Life changing experiences:
পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তা কাউকে ছোট করে তৈরি করেননি। প্রত্যেকের মধ্যে কোনোনা কোনো ভালো গুণ আছে। কিন্তু আমরা সেটিকে খোঁজার চেষ্টা করিনা। পৃথিবী বলবে তোমাকে দিয়ে সম্ভব না। তুমি দেখিয়ে দেবে পৃথিবী আমার জন্য তৈরি। আজকে একটি ভিডিও দেখছিলাম। নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ছোট্র একটি মেয়ে প্রাইমারী লেভেল না পেরিয়েই জাতিসংঘ, হার্ভাড এর মতো জায়গা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে। আমাদের সবার হাতে স্মার্টফোন। কিন্তু আমরা চিন্তা করিনা শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্যবহার করে কতো ভালো কিছু সম্ভব। তন্ময় বকশী ১২ বছর বয়সে গুগলে জব পায় এবং World youngest software developer হিসেবে পরিচিত। আমরা কি অযুহাত দেবো? তোমাকে কেউ নিষেধ করেছে কোডিং না শিখতে? স্মার্টফোনটি কি কিছুটা কাজে লাগানো যায় না? তোমার স্বপ্ন কি বুয়েট অবধিই থেমে যাবে? স্বপ্ন দেখো ভারত যেখানে নাসার মতো মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তৈরির স্বপ্ন দেখে আমরা কি দেখতে পারিনা। না ভাই, তুমি বুয়েট না হাজী দানেশে পড়বে সেটা বিষয় নয়। দরকার তোমার স্কিল। নাসা কিংবা গুগলে এমন শত শত তরুণরা কাজ করে যাদের বড় বড় ডিগ্রী নেই শুধু স্কিল এর জন্য বিশ্বসেরা সায়েন্টিস্টদের সাথে গবেষণা করছে।
তুমি দেশসেরা প্রতিষ্ঠানে পড়ার চেষ্টা করো। সায়েম ভাইয়া আছে তোমার পাশে। পাশাপাশি ভালো ভালো বই পড়ো একাডেমিক এর বাহিরে। সায়েন্সফিকশন কোনটা নতুন মুভি বের হচ্ছে খোঁজ নাও। ভালো জায়গায় পড়তে হবে এমন কথা নেই। তুমি বুয়েটে পড়তে পারেনি এমন সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করো শত বুয়েটিয়ান সেখানে কাজ করবে। তুমি স্বপ্ন পূরণ না করতে পারলেও স্বপ্নের চেয়ে বড় হতে পারবে।
যদি না পড়ে থাকো -
তোমাকে যদি বলা হয় - সফলতা কী? কিংবা কী পেলে তুমি নিজেকে সবচেয়ে খুশী মনে করবে? উত্তরটি স্বাভাবিকভাবে আসবে - বুয়েট এর সিএসই তে পড়া কিংবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ এর সাদা এপ্রোন গায়ে দেয়া। সফলতা কি তাই বাদামওয়ালার ছেলে বগুড়া মেডিকেলে চান্স পেয়েছে? এগুলোকে সফলতার অংশ বলা যাবে কিন্তু প্রকৃত সফল হওয়া বলা যাবেনা। তুমি চিকিৎসক হয়ে যদি টেবিলে না লিখতে পারো - ভিজিট না দিলে সমস্যা নাই তাহলে পৃথিবী তোমাকে মনে রাখবেনা। আবার যদি তুমি চিকিৎসক না হয়ে সাব্বির খান সায়েম এর মতো বাংলাদেশে কম বয়সে বেশী শিশুর চিকিৎসা করাও দেশসেরা চিকিৎসক দ্বারা এবং The Daily Star এর মতো দেশসেরা ইংরেজি পত্রিকার শিরোনাম হয় Transforming the lives of children তাহলে চিকিৎসক এর কম কী? তুমি কতজনের নাম বলতে পারবে ডাক্তার না হয়েও স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত এর জন্য লড়ে যাচ্ছে। হয়তো খুব সামান্য। প্রকৃতপক্ষে এদের ডাক্তার হওয়াটা বেশী দরকার ছিলো। বাকীরা নিজের ও পরিবারের জন্য সাদা এপ্রোণ পড়তে চায়। বাবা-মা দুধ-ডিম-ডানো-হরলিকস কিংবা বগুড়ার দই বা চমচম খাওয়ায় কিন্তু এই ডাক্তার হওয়াটা দেশের কাজে দেয়না। ভালো শিক্ষার্থী হওয়ার আগে ভালো মানুষ হওয়াটা জরুরী শুধু নয় এর বিকল্প নেই। আমি একজন আমেরিকান মানুষ দেখেছি জাতীয় হ্রদরোগ ইনস্টিটিউটে। তিনি মোবাইলও ব্যবহার করেননা।
৩. তুমি কি বইয়ের মূল শব্দ / কী ওয়ার্ড ঠিকভাবে দাগাও। সাল, নাম, অবদান, কনভার্ট, একক ইত্যাদি? আমার ইনবক্সে দেখাও ঠিক আছে কি না দাগানো। তুমি পদার্থ, রসায়ন, বায়োলজির থিয়োরি ঠিকভাবে মার্ক না করলে রিভিশন দেবে কীভাবে? আনিকা তাহসিন মেডিকেলে প্রথম হলেও সে বই দাগায়নি। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থীর দাগানো বইয়ে ক্যাপচার সক্ষমতা বেশী থাকে। লাল, নীল, কালো কলম এবং পেন্সিল দিয়ে সুন্দর করে মার্ক করো।
৪. বই রিভিউঃ
রসায়ন ১ম পত্রঃ সন্জীত কুমার গুহ স্যার
রসায়ন ২য় পত্রঃ হাজারী ও নাগ স্যার
পদার্থঃ ইসহাক + তপন + সেলু স্যার / গিয়াসউদ্দিন স্যার
ম্যাথঃ কেতাব উদ্দিন স্যার / অক্ষরপত্র
জীবঃ ১ম পত্রঃ আবুল হাসান স্যার
জীবঃ ২য় পত্রঃ গাজী আজমল স্যার
৫. কোচিং বা প্রাইভেট সৃজনশীলতা কমিয়ে দেয়। পড়ার টেবিলে জোড় দাও। পদার্থতে কিছু কনসেপ্ট নির্ভর টপিক রয়েছে সেখানে গুরুত্ব দাও। কয়েকটা বই এর উদাহরণ+অনুশীলনী করো একই লীড টপিকের ওপর। প্রাস, নৌকার গুণটানা, স্রোত, অশ্বক্ষমতা, ওহমের সূত্র ইত্যাদি লীড টপিকের উদাহরণ। কোনো ম্যাথ কিন্তু বাদ দেয়া যাবেনা।
৬. যা একবার পড়বে দিনে কমপক্ষে তিনবার চোখ বোলাবে। হায়ার ম্যাথ এর বোর্ড কিংবা বোর্ড এর বাহিরে প্রতিটা ম্যাথ করো এবং একইভাবে চোখ বোলাও। দেখবে ইন্জিনিয়ারিং প্রস্তুতি হয়ে যাচ্ছে। অবশ্যই সুন্দর একটি নোটখাতা থাকতে হবে।
Life changing experiences:
পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তা কাউকে ছোট করে তৈরি করেননি। প্রত্যেকের মধ্যে কোনোনা কোনো ভালো গুণ আছে। কিন্তু আমরা সেটিকে খোঁজার চেষ্টা করিনা। পৃথিবী বলবে তোমাকে দিয়ে সম্ভব না। তুমি দেখিয়ে দেবে পৃথিবী আমার জন্য তৈরি। আজকে একটি ভিডিও দেখছিলাম। নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ছোট্র একটি মেয়ে প্রাইমারী লেভেল না পেরিয়েই জাতিসংঘ, হার্ভাড এর মতো জায়গা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছে। আমাদের সবার হাতে স্মার্টফোন। কিন্তু আমরা চিন্তা করিনা শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্যবহার করে কতো ভালো কিছু সম্ভব। তন্ময় বকশী ১২ বছর বয়সে গুগলে জব পায় এবং World youngest software developer হিসেবে পরিচিত। আমরা কি অযুহাত দেবো? তোমাকে কেউ নিষেধ করেছে কোডিং না শিখতে? স্মার্টফোনটি কি কিছুটা কাজে লাগানো যায় না? তোমার স্বপ্ন কি বুয়েট অবধিই থেমে যাবে? স্বপ্ন দেখো ভারত যেখানে নাসার মতো মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তৈরির স্বপ্ন দেখে আমরা কি দেখতে পারিনা। না ভাই, তুমি বুয়েট না হাজী দানেশে পড়বে সেটা বিষয় নয়। দরকার তোমার স্কিল। নাসা কিংবা গুগলে এমন শত শত তরুণরা কাজ করে যাদের বড় বড় ডিগ্রী নেই শুধু স্কিল এর জন্য বিশ্বসেরা সায়েন্টিস্টদের সাথে গবেষণা করছে।
তুমি দেশসেরা প্রতিষ্ঠানে পড়ার চেষ্টা করো। সায়েম ভাইয়া আছে তোমার পাশে। পাশাপাশি ভালো ভালো বই পড়ো একাডেমিক এর বাহিরে। সায়েন্সফিকশন কোনটা নতুন মুভি বের হচ্ছে খোঁজ নাও। ভালো জায়গায় পড়তে হবে এমন কথা নেই। তুমি বুয়েটে পড়তে পারেনি এমন সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করো শত বুয়েটিয়ান সেখানে কাজ করবে। তুমি স্বপ্ন পূরণ না করতে পারলেও স্বপ্নের চেয়ে বড় হতে পারবে।
যদি না পড়ে থাকো -
তোমাকে যদি বলা হয় - সফলতা কী? কিংবা কী পেলে তুমি নিজেকে সবচেয়ে খুশী মনে করবে? উত্তরটি স্বাভাবিকভাবে আসবে - বুয়েট এর সিএসই তে পড়া কিংবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ এর সাদা এপ্রোন গায়ে দেয়া। সফলতা কি তাই বাদামওয়ালার ছেলে বগুড়া মেডিকেলে চান্স পেয়েছে? এগুলোকে সফলতার অংশ বলা যাবে কিন্তু প্রকৃত সফল হওয়া বলা যাবেনা। তুমি চিকিৎসক হয়ে যদি টেবিলে না লিখতে পারো - ভিজিট না দিলে সমস্যা নাই তাহলে পৃথিবী তোমাকে মনে রাখবেনা। আবার যদি তুমি চিকিৎসক না হয়ে সাব্বির খান সায়েম এর মতো বাংলাদেশে কম বয়সে বেশী শিশুর চিকিৎসা করাও দেশসেরা চিকিৎসক দ্বারা এবং The Daily Star এর মতো দেশসেরা ইংরেজি পত্রিকার শিরোনাম হয় Transforming the lives of children তাহলে চিকিৎসক এর কম কী? তুমি কতজনের নাম বলতে পারবে ডাক্তার না হয়েও স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত এর জন্য লড়ে যাচ্ছে। হয়তো খুব সামান্য। প্রকৃতপক্ষে এদের ডাক্তার হওয়াটা বেশী দরকার ছিলো। বাকীরা নিজের ও পরিবারের জন্য সাদা এপ্রোণ পড়তে চায়। বাবা-মা দুধ-ডিম-ডানো-হরলিকস কিংবা বগুড়ার দই বা চমচম খাওয়ায় কিন্তু এই ডাক্তার হওয়াটা দেশের কাজে দেয়না। ভালো শিক্ষার্থী হওয়ার আগে ভালো মানুষ হওয়াটা জরুরী শুধু নয় এর বিকল্প নেই। আমি একজন আমেরিকান মানুষ দেখেছি জাতীয় হ্রদরোগ ইনস্টিটিউটে। তিনি মোবাইলও ব্যবহার করেননা।
কেনো জানেন? ফোন ব্যবহার করে মানুষ মিথ্যে বলে। তার গল্প শুনবেন? সুদূর আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছে শুধু হ্রদরোগজনিত শিশুর অপারেশন করানোর জন্য। বাংলাদেশ এর ৬৪ জেলা ঘুরে বেড়াচ্ছেন গ্রাম-গঞ্জে । ইত্যাদি-তে যাদের দেখছেন তাদেরকেই শুধু সুপারহিরো মনে হয়? ক্যামেরার আড়ালে এদের চেয়ে বড় বড় সুপারহিরো আছে।
বুয়েটে যদি পড়তেই চাও তাহলে এতো সময় ফেইসবুকেে কী করো? অনলাইন ক্লাস মোট পড়াশোনা এর সর্বোচ্চ ২০ ভাগ হবে। ঢাকা মেডিকেলে যদি পড়তে চাও পড়ার টেবিলে ঝড় তুলছো না কেনো? ফেইসবুকের শিক্ষামূলক গ্রুপে এতো সময় দেয়ার প্রয়োজন আছে কি? তুমি যে শ্রেণির শিক্ষার্থী হওনা কেনো টানা তিনমাস টেকনিক্যাল বেজ প্রতিটি বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিলে শুধু বুয়েট নয় জাতিসংঘ, নাসা কিংবা গুগলের মতো জায়গায় নেতৃত্ব দেয়ার স্বপ্ন দেখতে পারো। এখন হয়তো মানুষ বলছে You are not perfect. কিন্তু সেই মানুষই বলবে পৃথিবীর জন্য আরও কয়েক দশক তোমাকে দরকার। একজন মেয়র আনিসুল হক, একজন সাকিব আল হাসান কিংবা টমী মিয়ার মতো বাবুর্চি তুমিও হতে পারো যিনি ইংল্যান্ডের রাণীর রান্না করেছিলেন। তুমি যদি পড়তে বসো এমনভাবে বসো আশেপাশে ঝড় হয়ে যাবে বলতেই পারবেনা। জীবনে কর্মক্ষেত্রেও যে পেশা নাওনা কেনো তা যেনো মন দিয়ে করা হয়। এডিডাস যখন জুতা বানায় তখন মনে হচ্ছে তাজমহল বানাচ্ছে যার কারণে এডিডাস এর ইনকাম এর কাছাকাছি অনেক Helicopter Manufacturing Company পৌঁছাতে পারেনা। আমার প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়ে সব শেষের দিকের সাবজেক্ট হলো জিওগ্রাফি। খুব কাছাকাছি বছরেরই এই সাবজেক্ট থেকে হার্ভাড, ক্যাম্ব্রিজ এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়কে হারিয়ে নাসা স্পেস এ্যাপ চ্যালেন্জে চ্যাম্পিয়ান শাবিপ্রবির টিম অলিক। তুৃমি কোন প্রতিষ্ঠানেে পড়ো, কোন সাবজেক্টে পড়ছো কিংবা কোন কর্মে রয়েছে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তুমি কতোটা ভালোবেসে কাজ করছো। তবে তোমার সেরা চেষ্টা থাকবে ভর্তি পরীক্ষায় সেরাদের সেরা হওয়া। হার না মানার গল্প তৈরি করা। সাব্বির ভাইকে এসে বলবে - হ্যা, আমি পেরেছি।
Sabbir Khan Saim
A sustian, entrepreneur, social activist and motivational speaker.
বুয়েটে যদি পড়তেই চাও তাহলে এতো সময় ফেইসবুকেে কী করো? অনলাইন ক্লাস মোট পড়াশোনা এর সর্বোচ্চ ২০ ভাগ হবে। ঢাকা মেডিকেলে যদি পড়তে চাও পড়ার টেবিলে ঝড় তুলছো না কেনো? ফেইসবুকের শিক্ষামূলক গ্রুপে এতো সময় দেয়ার প্রয়োজন আছে কি? তুমি যে শ্রেণির শিক্ষার্থী হওনা কেনো টানা তিনমাস টেকনিক্যাল বেজ প্রতিটি বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিলে শুধু বুয়েট নয় জাতিসংঘ, নাসা কিংবা গুগলের মতো জায়গায় নেতৃত্ব দেয়ার স্বপ্ন দেখতে পারো। এখন হয়তো মানুষ বলছে You are not perfect. কিন্তু সেই মানুষই বলবে পৃথিবীর জন্য আরও কয়েক দশক তোমাকে দরকার। একজন মেয়র আনিসুল হক, একজন সাকিব আল হাসান কিংবা টমী মিয়ার মতো বাবুর্চি তুমিও হতে পারো যিনি ইংল্যান্ডের রাণীর রান্না করেছিলেন। তুমি যদি পড়তে বসো এমনভাবে বসো আশেপাশে ঝড় হয়ে যাবে বলতেই পারবেনা। জীবনে কর্মক্ষেত্রেও যে পেশা নাওনা কেনো তা যেনো মন দিয়ে করা হয়। এডিডাস যখন জুতা বানায় তখন মনে হচ্ছে তাজমহল বানাচ্ছে যার কারণে এডিডাস এর ইনকাম এর কাছাকাছি অনেক Helicopter Manufacturing Company পৌঁছাতে পারেনা। আমার প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়ে সব শেষের দিকের সাবজেক্ট হলো জিওগ্রাফি। খুব কাছাকাছি বছরেরই এই সাবজেক্ট থেকে হার্ভাড, ক্যাম্ব্রিজ এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়কে হারিয়ে নাসা স্পেস এ্যাপ চ্যালেন্জে চ্যাম্পিয়ান শাবিপ্রবির টিম অলিক। তুৃমি কোন প্রতিষ্ঠানেে পড়ো, কোন সাবজেক্টে পড়ছো কিংবা কোন কর্মে রয়েছে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তুমি কতোটা ভালোবেসে কাজ করছো। তবে তোমার সেরা চেষ্টা থাকবে ভর্তি পরীক্ষায় সেরাদের সেরা হওয়া। হার না মানার গল্প তৈরি করা। সাব্বির ভাইকে এসে বলবে - হ্যা, আমি পেরেছি।
Sabbir Khan Saim
A sustian, entrepreneur, social activist and motivational speaker.
যখন কোনো IQ সলভ করার জন্য ট্রাই করেন, তখন খাতা কলম নিয়ে বসবেন।
মোবাইলে ফটো দেখে আপনি যে চিন্তাটুকু করবেন, তার চেয়ে অনেক সূক্ষ্ম চিন্তা আপনার মাথায় অটোমেটিক আসবে, যখন আপনি কাগজে কলমে চেষ্টা করবেন।
বিশ্বাস না হলে একবার ট্রাই করে দেখুন।☺️
মোবাইলে ফটো দেখে আপনি যে চিন্তাটুকু করবেন, তার চেয়ে অনেক সূক্ষ্ম চিন্তা আপনার মাথায় অটোমেটিক আসবে, যখন আপনি কাগজে কলমে চেষ্টা করবেন।
বিশ্বাস না হলে একবার ট্রাই করে দেখুন।☺️
এক ঝাক পাখি এবং এক গাছ পাতা আছে।
একটা পাতায় 2টা করে পাখি বসলে একটা পাতা অতিরিক্ত থেকে যায়। আবার একটা পাতায় ১টি করে পাখি বসলে একটি পাখি অতিরিক্ত থেকে যায়৷
বলতে হবে, কয়টি পাখি এবং কয়টি পাতা ছিলো??🤔
একটা পাতায় 2টা করে পাখি বসলে একটা পাতা অতিরিক্ত থেকে যায়। আবার একটা পাতায় ১টি করে পাখি বসলে একটি পাখি অতিরিক্ত থেকে যায়৷
বলতে হবে, কয়টি পাখি এবং কয়টি পাতা ছিলো??🤔
১. প্রশ্ন : বাংলাদেশ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু করে কত সালে?উত্তর : ১৯৫৭ সালে।
২. প্রশ্ন : প্রথম গ্যাস কোথায় পাওয়া যায়? উত্তর : হরিপুরে।
৩. প্রশ্ন : এ পর্যন্ত কতটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে?উত্তর : ২৫টি।
৪. প্রশ্ন : সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?উত্তর : ভাঙ্গুরা।
৫. প্রশ্ন : কবে সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়? উত্তর : ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে।
৬. প্রশ্ন : বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?উত্তর : তিতাস।
৭. প্রশ্ন : কোন সাল থেকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হয়?উত্তর : ১৯১০ সাল।
৮. প্রশ্ন : হরিপুর তেলক্ষেত্র আবিষ্কার হয় কবে?উত্তর : ১৯৮৬ সালে।
৯. প্রশ্ন : মাগুড়ছড়া গ্যাসফিল্ড কোন জেলায় অবস্থিত?উত্তর : কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
১০. প্রশ্ন : টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ড কোন জেলায় অবস্থিত?উত্তর : সুনামগঞ্জ।
১১. প্রশ্ন : দেশে কোন গ্যাসক্ষেত্রে প্রথম অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়?উত্তর : মাগুড়ছড়া।
১২. প্রশ্ন : সেমুতাং গ্যাসফিল্ড কোথায়?উত্তর : মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি।১৩. প্রশ্ন : কামতা, কান্ত গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায়?উত্তর : গাজীপুর।
১৪. প্রশ্ন : ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে কারা?উত্তর : বাপেক্স।
১৫. প্রশ্ন : বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার হয় কবে?উত্তর : ১৯৯৮ সালে।
১৬. প্রশ্ন : ঢাকায় সরবরাহকৃত গ্যাস কোন গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে?উত্তর : তিতাস।
১৭. প্রশ্ন : জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের হিসাবে গ্যাসের সিস্টেম লস কত?উত্তর : ৪০%।
১৮. প্রশ্ন : গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে কতটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে?উত্তর : ২৩টি ব্লকে।
১৯. প্রশ্ন : বাংলাদেশে সিএনজি জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার শুরু করে কবে?উত্তর : ১৯৮২ সালে।
২০. প্রশ্ন : তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় কবে?উত্তর : ১৯৬১ সালে।
২. প্রশ্ন : প্রথম গ্যাস কোথায় পাওয়া যায়? উত্তর : হরিপুরে।
৩. প্রশ্ন : এ পর্যন্ত কতটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে?উত্তর : ২৫টি।
৪. প্রশ্ন : সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?উত্তর : ভাঙ্গুরা।
৫. প্রশ্ন : কবে সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়? উত্তর : ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে।
৬. প্রশ্ন : বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?উত্তর : তিতাস।
৭. প্রশ্ন : কোন সাল থেকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হয়?উত্তর : ১৯১০ সাল।
৮. প্রশ্ন : হরিপুর তেলক্ষেত্র আবিষ্কার হয় কবে?উত্তর : ১৯৮৬ সালে।
৯. প্রশ্ন : মাগুড়ছড়া গ্যাসফিল্ড কোন জেলায় অবস্থিত?উত্তর : কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
১০. প্রশ্ন : টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ড কোন জেলায় অবস্থিত?উত্তর : সুনামগঞ্জ।
১১. প্রশ্ন : দেশে কোন গ্যাসক্ষেত্রে প্রথম অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়?উত্তর : মাগুড়ছড়া।
১২. প্রশ্ন : সেমুতাং গ্যাসফিল্ড কোথায়?উত্তর : মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি।১৩. প্রশ্ন : কামতা, কান্ত গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায়?উত্তর : গাজীপুর।
১৪. প্রশ্ন : ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে কারা?উত্তর : বাপেক্স।
১৫. প্রশ্ন : বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার হয় কবে?উত্তর : ১৯৯৮ সালে।
১৬. প্রশ্ন : ঢাকায় সরবরাহকৃত গ্যাস কোন গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে?উত্তর : তিতাস।
১৭. প্রশ্ন : জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের হিসাবে গ্যাসের সিস্টেম লস কত?উত্তর : ৪০%।
১৮. প্রশ্ন : গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে কতটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে?উত্তর : ২৩টি ব্লকে।
১৯. প্রশ্ন : বাংলাদেশে সিএনজি জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার শুরু করে কবে?উত্তর : ১৯৮২ সালে।
২০. প্রশ্ন : তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় কবে?উত্তর : ১৯৬১ সালে।
⏹ চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় সকল আবেদনকারীই পরীক্ষা দিতে পারবে। তবে আবেদনের সময়সীমা আর বাড়ানো হচ্ছে না।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৩ প্রকৌশল সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সদস্য সচিব এবং চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম।
⏹ বুয়েটের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩০ জুন ও ১ জুলাই, মূল পরীক্ষা ১০ জুলাই
- একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৩ প্রকৌশল সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সদস্য সচিব এবং চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম।
⏹ বুয়েটের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩০ জুন ও ১ জুলাই, মূল পরীক্ষা ১০ জুলাই
- একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত